1. ভার্চুয়াল লাইফঃ Virtual life বা অপ্রকৃত জীবন হল ইন্টারনেট কেন্দ্রিক জগত। যেখানে আমরা আমাদের অপ্রকৃত সত্তার উপস্থিতি দেখতে পাই। যেমনঃ আপনার Facebook প্রোফাইল বা আপনার Twitter প্রোফাইল যেখানে আপনি আপনার বিভিন্ন ব্যাক্তিগত তথ্য ও অভিমত তুলে ধরেন, যেখান থেকে আপনার সম্বন্ধে অন্যান্য মানুষ জানতে পারে। আপRead more

    ভার্চুয়াল লাইফঃ

    Virtual life বা অপ্রকৃত জীবন হল ইন্টারনেট কেন্দ্রিক জগত। যেখানে আমরা আমাদের অপ্রকৃত সত্তার উপস্থিতি দেখতে পাই।

    যেমনঃ আপনার Facebook প্রোফাইল বা আপনার Twitter প্রোফাইল যেখানে আপনি আপনার বিভিন্ন ব্যাক্তিগত তথ্য ও অভিমত তুলে ধরেন, যেখান থেকে আপনার সম্বন্ধে অন্যান্য মানুষ জানতে পারে। আপনার বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপ, কাজকর্ম ও আচরণ সম্বন্ধে অন্যান্য ব্যাবহারকারীরা অবগত হয়। এটাই হল ভার্চুয়াল লাইফ।

    See less
  2. যুল জালালি ওয়াল ইকরাম - ইহা আল্লাহর আরও একটি নাম। - যাহার অর্থ হল - মহা মর্যাদাবান, মহা মহত্ত্ব ও মহা সম্মানিত - جلال (Jalal) - মর্যাদাবান,  إكرام - (ikram)  সম্মানিত   ইংরাজিতে অর্থঃ - The Possessor of Glory and Honour, The Lord of Majesty and Generosity  

    যুল জালালি ওয়াল ইকরাম

    – ইহা আল্লাহর আরও একটি নাম।

    – যাহার অর্থ হল – মহা মর্যাদাবান, মহা মহত্ত্ব ও মহা সম্মানিত

    – جلال (Jalal) – মর্যাদাবান,  إكرام – (ikram)  সম্মানিত

     

    ইংরাজিতে অর্থঃ

    – The Possessor of Glory and Honour, The Lord of Majesty and Generosity

     

    See less
  3. অলিরও কথা শুনে কথাঃ গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সঙ্গীত/ সুরঃ হেমন্ত মুখোপাধ্যায় অলিরও কথা শুনে বকুল হাসে কই তাহার মত তুমি আমার কথা শুনে হাসো না তো ধরারও ধুলিতে যে ফাগুন আসে কই তাহার মত তুমি আমার কাছে কভু আসো না তো আকাশ পারে ঐ অনেক দূরে যেমন করে মেঘ যায়গো উড়ে যেমন করে সে হাওয়ায় ভাসে কই তাহার মত তুমি আমার স্Read more

    অলিরও কথা শুনে

    কথাঃ গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
    সঙ্গীত/ সুরঃ হেমন্ত মুখোপাধ্যায়

    অলিরও কথা শুনে বকুল হাসে
    কই তাহার মত তুমি আমার কথা শুনে হাসো না তো
    ধরারও ধুলিতে যে ফাগুন আসে
    কই তাহার মত তুমি আমার কাছে কভু আসো না তো

    আকাশ পারে ঐ অনেক দূরে
    যেমন করে মেঘ যায়গো উড়ে
    যেমন করে সে হাওয়ায় ভাসে
    কই তাহার মত তুমি আমার স্বপ্নে কভু ভাসো না তো

    চাঁদের আলোয় রাত যায় যে ভরে
    তাহার মত তুমি করনা কেনো ওগো ধণ্য মোরে
    যেমন করে নীড়ে একটি পাখি
    সাথীরে কাছে তার নেয়গো ডাকি
    যেমন করে সে ভালবাসে
    কই তাহার মত তুমি আমায় তবুও ভালবাসো না তো

     

    Oliro Kotha Shune Lyrics in English:

    Music Director: Hemanta Mukherjee
    Lyricist: Gauriprasanna Mazumder

    Oliro kotha shone bokul hashe
    Koi tahar moto tumi amar kotha shune hashona-to
    Dhorar dhuli te je fagun ashe
    koi tahar moto tumi amar kache kobhu ashona-to

    Akash pare oi onek dure
    Jemon kore megh jay go ure
    Jemon kore she haeay bhashe
    koi tahaar moto tumi amar shopne kobhu bhashona-to

    Chader aloy rat jay je bhore
    Tahar moto tumi korona keno ogo dhonno mure
    Jemon kore neer-e ekti pakhi
    Shathire kache tar ne go daki
    Jemon kore shey bhalobashe
    koi tahar moto tumi amay kobhu bhalobashona-to

    See less
  4. আমি তোমাকেই বলে দিবো

    আমি তোমাকেই বলে দিবো

    See less
  5. আমি তোমাকেই বলে দিবো কন্ঠঃ সঞ্জীব চৌধুরী ব্যান্ডঃ দলছুট অ্যালবামঃ হৃদয়পুর আমি তোমাকেই বলে দেবো, কী যে একা দীর্ঘ রাত - আমি হেঁটে গেছি বিরান পথে; আমি তোমাকেই বলে দেবো, সেই ভুলে ভরা গল্প- কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়; ছুঁয়ে কান্নার রঙ, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া ছুঁয়ে কান্নার রঙ, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া || আমি কাউকে বলিনRead more

    আমি তোমাকেই বলে দিবো

    কন্ঠঃ সঞ্জীব চৌধুরী
    ব্যান্ডঃ দলছুট
    অ্যালবামঃ হৃদয়পুর

    আমি তোমাকেই বলে দেবো,
    কী যে একা দীর্ঘ রাত –
    আমি হেঁটে গেছি বিরান পথে;
    আমি তোমাকেই বলে দেবো,
    সেই ভুলে ভরা গল্প-
    কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়;
    ছুঁয়ে কান্নার রঙ, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া
    ছুঁয়ে কান্নার রঙ, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া ||
    আমি কাউকে বলিনি – সে নাম,
    কেউ জানে না, না জানে আড়াল-
    আমি কাউকে বলিনি – সে নাম,
    কেউ জানে না, না জানে আড়াল-
    জানে কান্নার রঙ, জানে জোছনার ছায়া
    জানে কান্নার রঙ, জানে জোছনার ছায়া |
    তবে এই হোক তীরে জাগুক প্লাবন,
    দিন হোক লাবণ্য, হৃদয়ে শ্রাবন
    তবে এই হোক তীরে জাগুক প্লাবন,
    দিন হোক লাবণ্য, হৃদয়ে শ্রাবন
    তুমি কান্নার রঙ, তুমি জোছনার ছায়া
    তুমি কান্নার রঙ, তুমি জোছনার ছায়া |
    আমি তোমাকেই বলে দেবো,
    কী যে একা দীর্ঘ রাত –
    আমি হেঁটে গেছি বিরান পথে;
    আমি তোমাকেই বলে দেবো,
    সেই ভুলে ভরা গল্প-
    কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়;
    ছুঁয়ে কান্নার রঙ, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া
    ছুঁয়ে কান্নার রঙ, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া |

    Ami tomakei bole debo lyrics:

    Ami Tomakei Boley Debo
    Lyric- Sanjeeb Chaudhury
    Album- Hridoypur
    Band- Dalchhut

    Ami tomake’i bole debo,
    ki je eka dirgha raat –
    Ami heṭe gechi biran pothe;
    Ami tomake’i bole debo,
    Se’i bhule bhora golpo-
    Kaṛa neṛe gechi bhul darjay;
    Chuye kannar rang,
    Chuye jochnar chaya
    Chuye kannar rang,
    Chuye jochnar chaya ||
    Ami kauke bolini – Se nam,
    keu jane na, na jane aṛal-
    Ami kauke bolini – Se nam,
    keu jane na, na jane aṛal-
    Jane kannar rang, jane jochnar chaya
    Jane kannar rang, jane jochnar chaya |
    Tobe e’i hok tire jaguk plabon,
    Din hok labaṇya, hr̥idoye sraban
    Tobe e’i hok tire jaguk plaban,
    Din hok labaṇya, hr̥idoye sraban
    Tumi kannar rang, Chuye jochnar chaya
    Tumi kannar rang, Chuye jochnar chaya |

     

    See less
  6. লিবিডোঃ লিবিডো বলতে সাধারণত একজন ব্যাক্তির যৌন ড্রাইভ বা যৌন ক্রিয়াকলাপের বাসনা অর্থাৎ যৌন প্রবৃত্তি, যৌন প্রবণতা কে বোঝানো হয়। যৌন প্রবৃত্তি বা যৌন ক্রিয়াকলাপের বাসনা জৈবিক, মানসিক ও সামাজিক বিষয় কর্তৃক প্রভাবিত হয়। সাধারণ স্বাস্থ্য এবং জীবনের গুণমানের অন্যতম সূচক হ'ল লিবিডো। এর ধারা কোন ব্যাক্Read more

    লিবিডোঃ

    লিবিডো বলতে সাধারণত একজন ব্যাক্তির যৌন ড্রাইভ বা যৌন ক্রিয়াকলাপের বাসনা অর্থাৎ যৌন প্রবৃত্তি, যৌন প্রবণতা কে বোঝানো হয়। যৌন প্রবৃত্তি বা যৌন ক্রিয়াকলাপের বাসনা জৈবিক, মানসিক ও সামাজিক বিষয় কর্তৃক প্রভাবিত হয়।

    সাধারণ স্বাস্থ্য এবং জীবনের গুণমানের অন্যতম সূচক হ’ল লিবিডো। এর ধারা কোন ব্যাক্তির যৌন চাহিদার লেভেল কে মাপা হয়। যদি কোন ব্যাক্তি সহজে যৌন উদ্দীপ্ত হয়ে পড়ে তবে ধরে নেওয়া হবে তাঁর লিবিডো বেশী । অপর দিকে লিবিডো কম হলে যৌন ক্রিয়াকলাপের বাসনাও কম হবে।

    See less
  7. ভারতের মশলার শহরঃ কেরালা রাজ্যের kozhikode (কালীকট) শহরকে মশলার শহর বা (City of Spice) বলা হয়। মশলার শহর হিসাবে পরিচিতি লাভের অন্যতম কারন হল, এই শহর মশলার প্রধান ব্যবসায়িক স্থান হিসাবে‌, এর ভূমিকা ৫০০ বছরেরও বেশি । মোঘল আমল থেকে কালিকট বন্দর নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মশলা রপ্তানি করা হত। তাই কালিRead more

    ভারতের মশলার শহরঃ

    কেরালা রাজ্যের kozhikode (কালীকট) শহরকে মশলার শহর বা (City of Spice) বলা হয়।

    মশলার শহর হিসাবে পরিচিতি লাভের অন্যতম কারন হল, এই শহর মশলার প্রধান ব্যবসায়িক স্থান হিসাবে‌, এর ভূমিকা ৫০০ বছরেরও বেশি । মোঘল আমল থেকে কালিকট বন্দর নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মশলা রপ্তানি করা হত। তাই কালিকট শহরকে মশলার শহর বা (City of Spice) বলা হয়

    See less
  8. গোলাপী শহর জয়পুর: জয়পুর কে গোলাপী শহর বা pink city নাম দেওয়ার মুলে ছিলেন মহারাজ রাম সিং। ১৮৭৬ সালে যখন ওয়েলস এর রাজপুত্র এবং রানী ভিক্টরিয়া জয়পুর ভ্রমণে আসেন। তখন মহারাজ রাম সিং সমস্ত জয়পুর শহরকে আত্মীয়তার খাতিরে গোলাপি রং করে দিয়েছিলেন। তৎকালীন সময়ে গোলাপি রং  বা pink ছিল আত্মীয়তার প্রতীক।সেখান থেRead more

    গোলাপী শহর জয়পুর:

    জয়পুর কে গোলাপী শহর বা pink city নাম দেওয়ার মুলে ছিলেন মহারাজ রাম সিং।

    ১৮৭৬ সালে যখন ওয়েলস এর রাজপুত্র এবং রানী ভিক্টরিয়া জয়পুর ভ্রমণে আসেন। তখন মহারাজ রাম সিং সমস্ত জয়পুর শহরকে আত্মীয়তার খাতিরে গোলাপি রং করে দিয়েছিলেন। তৎকালীন সময়ে গোলাপি রং  বা pink ছিল আত্মীয়তার প্রতীক।সেখান থেকেই জয়পুর “pink city”নামে পরিচিতি লাভ করে।

    লর্ড অ্যালবার্ট প্রথমবারের মতো ‘pink city’ নামটি ব্যবহার করেন। আজ পর্যন্ত জয়পুরের সেই ঐতিহ্যকে বজায় রাখা হয়েছে। পুরানো শহরের সমস্ত বাড়ি-ঘর যেন গোলাপি রঙের হয় তার জন্য আইন পাশ করা হয়। তাই জয়পুরের পুরানো শহরে কোন বাড়িঘর গোলাপি ছাড়া অন্য কোন রঙ দিয়ে পেইন্ট করা যাবে না।

    See less
  9. দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান ভূমিকা : মানব জাতির গৌরবের শিখরে উত্তরণে যার ভূমিকা নিঃসংশয়ে ।এক বাক্যে স্বীকার করে নিতে হয় তার নাম বিজ্ঞান। বিজ্ঞান’ শব্দটির অর্থ – বিশেষ  জ্ঞান। মানুষ অন্য প্রাণীর তুলনায় অনেক উন্নত ও বুদ্ধিমান। তাই সীমাবদ্ধ জ্ঞানের বাইরে বিশেষ জ্ঞানের সাহায্যেই সে বিশ্বের সব প্রাণীদের উপRead more

    দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান

    ভূমিকা : মানব জাতির গৌরবের শিখরে উত্তরণে যার ভূমিকা নিঃসংশয়ে ।এক বাক্যে স্বীকার করে নিতে হয় তার নাম বিজ্ঞান। বিজ্ঞান’ শব্দটির অর্থ – বিশেষ  জ্ঞান। মানুষ অন্য প্রাণীর তুলনায় অনেক উন্নত ও বুদ্ধিমান। তাই সীমাবদ্ধ জ্ঞানের বাইরে বিশেষ জ্ঞানের সাহায্যেই সে বিশ্বের সব প্রাণীদের উপর অধিকার স্থাপন করেছে। মানুষের কাছে কোন কিছুই আজ আর অসম্ভব নয়। কোন একদিনের সেই গুহাচারী মানুষ আজ নির্মাণ করছে গগনস্পর্শী অট্টালিকা। আদিম মানুষ থেকে আধুনিক জীবনে উপনীত হওয়ার একমাত্র অবলম্বন হলাে বিজ্ঞান।

    বিজ্ঞানের জন্ম : সৃষ্টির ঊষালগ্নে মানুষ গভীর অরণ্যে, নদীতীরে বসবাস করতো । ভয়ঙ্কর প্রকৃতি বার বার মানুষকে হাতছানি দিয়ে ডাকত। গভীর অরণ্যে ঝড় ঝঞা-বন্দ্র বিদ্যুৎ আর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে মানুষকে বাঁচতে হতাে নিরন্তর সংগ্রামের মধ্যে। মানুষ ছিল তখন প্রকৃতির হাতের ক্রীড়নক। সে দিন মানুষকে রক্ষা করতে আসেননি স্বর্গবাসী কোন দেবতা। কিন্তু মানুষ যেদিন নিজ বুদ্ধি বলে পাথর ঘষে অস্ত্র নির্মাণ করে পশুদের আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করল, তারপর ভয়ঙ্কর প্রকৃতিকে বশে এনে আত্মরক্ষার চিন্তা করল, সে দিন জন্ম হল বিজ্ঞানের।সে বিজ্ঞান-বুদ্ধির উপর নির্ভর করে মানুষ শিখেছে আগুনের ব্যবহার, শিখেছে কৃষিকর্ম, বয়ন কর্ম আর রাস্তা নির্মাণ। ওই বিজ্ঞানের বলেই নিসর্গ প্রকৃতি তথা জলে-স্থলে-আকাশ উড়াল বিজয় পতাকা। কবির ভাষায়

    “পাখিরে দিয়েছ গান,
    গায় সেই গান
    তার বেশী করে না সে দান,
    আমারে দিয়েছ সুর।
    আমি তার বেশি করে দান।
    আমি গাই গান।

    এভাবে মানুষ আপন প্রভাব বিস্তার করে বিধাতার শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করল।

    দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের জয়যাত্রা : আজ শতশত শতাব্দী ধরে চলে আসছে বিজ্ঞানের জয়যাত্রা। সভ্যতার বিকাশ ও বিবর্তনে বিজ্ঞানের সীমাহীন অবদানের কথা আজ আর কারো অজানা নয়। বিজ্ঞানকে করায়ত্ত করে মানুষ সাগর লঙঘন। করল, উদ্দাম নদী স্রোতকে বশীভূত করে বাঁধ দিয়ে তার দুই তীর জুড়ে দিল। খাল নির্মাণ করে নদীর জল ধারাকে দিকে দিকে ছড়িয়ে দিয়ে মরু প্রান্তরকে উর্বর শস্য শালিনী করে তুলল। সকালে ঘুম থেকে উঠে দিন আরম্ভ করা থেকে রাত্রে শয্যা গ্রহণ, জীবনযাত্রার প্রতিটি পদক্ষেপ আজ বিজ্ঞানের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। বলা যায়, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আমরা বিজ্ঞানের মুখাপেক্ষী।

    বৈদ্যুতিক অবদান : বৈদ্যুতিক শক্তির সহায়তায় সুইচ টিপে উঠে যাচ্ছে। মানুষ ঘরের বিভিন্ন তলার কক্ষে। তাইতো আজ পাঁচতলা, দশতলা আর বাহান্ন তলা বাড়িতে হাটু ভেঙ্গে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠবার আর প্রয়ােজন নেই – রয়েছে লিফট।তাছাড়া বৈদ্যুতিক পাখা, হিটার, ফ্রিজ, ইলেকট্রিক ইস্ত্রি, ওয়াশিং মেশিন, ইলেকট্রিক বেল, ঘড়ি, দাড়ি কামানাের সরঞ্জাম। সর্বোপরি মােবাইল ফোন যা সকাল থেকে রাত্র পর্যন্ত এই গানটা পৃথিবীটাকে নিয়ে এসেছে মানুষের হাতের মুঠোয়। তাই আজ আর চিঠিপত্র লিখে সময় নষ্ট করতে হয় না – সময় গড়িয়ে আত্মীয় স্বজনের খবর নেওয়ার প্রয়ােজন হয় না। ইলেকট্রিকের মাধ্যমে E. V. M. মেশিনের দ্বারা জনসাধারণ তাদের নেতা নির্বাচন করেছেন অতি সহজে।

    টেলিভিশনের অবদান : আধুনিক যুগে বিজ্ঞানের একটি শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার টেলিভিশন। যার কল্যাণে পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া বড় বড় ঘটনা সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চক্ষুগোচর হচ্ছে। এত সহজে এত অল্প সময়ে এত বিস্তৃত ভাবে লক্ষ লক্ষ জ্ঞান শিক্ষা ও আনন্দ বিতরণের ব্যবস্থায় দূরদর্শন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। দূরদর্শন ছাত্র-শিক্ষক, চাকুরিজীবি, রাজনৈতিক বা বৈজ্ঞানিক, শিক্ষিত-অশিক্ষিত সকলের জন্যই প্রয়ােজনীয়। আমেরিকার বক্তৃতা, ইংল্যান্ডের গান আর অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট খেলার বর্ণনা আমরা ঘরে বসেই টেলিভিশনে দেখতে পাই। এরকম আনন্দ দানের এত বড় মাধ্যম পৃথিবীতে কোন কালে ছিল না।

    বিজ্ঞানের আবিষ্কার – কম্পিউটার ও লেপটপ : বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার কম্পিউটার আর ল্যাপটপ এর মাধ্যমে খুব কম সময়ের মধ্যে যােগ-বিয়ােগ, গুণ-ভাগের বড় বড় অংকের নির্ভুল ভাবে হিসেবে সম্পন্ন করা যায়। বর্তমানে বেঙ্ক, অফিস-আদালত, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এমনকি ব্যক্তিদের দৈনন্দিন জীবনে হিসাবের কাজে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

    চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অবদান : পৃথিবীতে আজ মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি হয়েছে যার দৌলতে সে হচ্ছে চিকিৎসা শাস্ত্রে বিজ্ঞান। পদার্থ বিজ্ঞান এবং রসায়নের অগ্রগতি আরও বিস্ময়ের ব্যাপার। পূবে যে সব রোগ একে বারেই দুরারােগ্য ছিল আজ আর তা এমনটি নয়। বিজ্ঞান মানুষের হাতে তুলে দিয়েছে অনেক জীবনদায়ী ঔষধ যা বাড়াচ্ছে মানুষের গড় আয়ু। আজকের পৃথিবীতে কলেরা, মহামারী, টাইফয়েড, বসন্ত, কর্কট, যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, ব্লাড ফ্লু প্রভৃতি মারাত্মক রোগ আর দুরারোগ্য নয়। চিকিৎসকরা রঞ্জন রশ্মির সাহায্যে শরীরের ভিতরকার ছবি তুলে তা পরীক্ষা করে চিকিৎসা করতে পারছেন। রেডিয়ামের দ্বারা দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে। কৃত্রিম হৃদয় স্থাপন, কিড়নি স্থাপন প্রতিদিনই বড় বড়চিকিৎসালয়ে চলছে। বস্তুত চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির কথা অল্প কথায় বলে শেষ করা যায় না।

    কৃষিক্ষেত্রে সবুজ বিপ্লব : কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অবদান আজকের দিনে অনস্বীকার্য। বিজ্ঞানের অবদানে উষর ভূমি আজ হয়েছে শস্য-শ্যামল ভূমি। পূর্বে যেভাবে ছিল দৈব নির্ভর কৃষিকাজ অর্থাৎ আকাশ থেকে বৃষ্টির উপর নির্ভরশীল, বর্তমানে তা আর নয়। উচ্চ ফলনশীল বীজ, রাসায়নিক সার, নানা প্রকার যন্ত্রপাতি পাম্প-মেশিন এবং অধিক ফলনের জন্য গাছের অনুখাদ্য আবিষ্কারের ফলে কৃষিতে সবুজ বিপ্লবের সৃষ্টি হয়েছে। দেশের লােকের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে।

    উপসংহার : বিজ্ঞান যেভাবে দৈনন্দিন জীবনে অহরহ উন্নতি সাধন করে।চলেছে ঠিক সেভাবে বিজ্ঞানের আবার কিছু কিছু ধ্বংসাত্মক দিকও আছে। তবে মানুষের উপরে বিশ্বাস হারানাে ঠিক নয়। পৃথিবীতে এখনও বিবেকবান মানুষের অভাব নেই ধীর গতিতে হলেও বিশ্ববিবেক জাগ্রত হচ্ছে। আশা করা যায় মানুষ এই বিজ্ঞানকে সার্বিক মানব কল্যাণে ব্যবহার করবে। বিজ্ঞান কোটি কোটি মানুষের আশীর্বাদ লাভে ধন্য হবে।

    See less
  10. জলের সমার্থক শব্দঃ সলীল, পানি, নীর, বারি, পয়ঃ, উদক, অম্বু, তোয়, অপ, জীবন, পানীয়, জীবন দায়িনী   পানি -  বিশুদ্ধ পানি পান করা আমাদের কর্তব্য। নীর - নীর ও নীড় এক নয়। বারি - বর্ষার প্রখর বারি ধারায় অনেক ফসল নষ্ট হয়েছে।      

    জলের সমার্থক শব্দঃ

    সলীল, পানি, নীর, বারি, পয়ঃ, উদক, অম্বু, তোয়, অপ, জীবন, পানীয়, জীবন দায়িনী

     

    পানি –  বিশুদ্ধ পানি পান করা আমাদের কর্তব্য।

    নীর – নীর ও নীড় এক নয়।

    বারি – বর্ষার প্রখর বারি ধারায় অনেক ফসল নষ্ট হয়েছে।

     

     

     

    See less