1. মানব পুত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্য - পুনশ্চ   মৃত্যুর পাত্রে খৃস্ট যেদিন মূত্যুহীন প্রাণ উৎসর্গ করলেন রবাহূত অনাহূতের জন্যে, তার পরে কেটে গেছে বহু শত বৎসর। আজ তিনি একবার নেমে এলেন নিত্যধাম থেকে মর্তধামে। চেয়ে দেখলেন, সেকালেও মানুষ ক্ষতবিক্ষত হত যে-সমস্ত পাপের মারে-- যে উদ্ধত শেল ও শল্য, যে চতুরRead more

    মানব পুত্র

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    কাব্য – পুনশ্চ

     

    মৃত্যুর পাত্রে খৃস্ট যেদিন মূত্যুহীন প্রাণ উৎসর্গ করলেন
    রবাহূত অনাহূতের জন্যে,
    তার পরে কেটে গেছে বহু শত বৎসর।
    আজ তিনি একবার নেমে এলেন নিত্যধাম থেকে মর্তধামে।
    চেয়ে দেখলেন,
    সেকালেও মানুষ ক্ষতবিক্ষত হত যে-সমস্ত পাপের মারে–
    যে উদ্ধত শেল ও শল্য, যে চতুর ছোরা ও ছুরি,
    যে ক্রূর কুটিল তলোয়ারের আঘাতে–
    বিদ্যুদ্‌বেগে আজ তাদের ফলায় শান দেওয়া হচ্ছে
    হিস্‌হিস্‌ শব্দে স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে
    বড়ো বড়ো মসীধূমকেতন কারখানাঘরে।

    কিন্তু দারুণতম যে মৃত্যুবাণ নূতন তৈরি হল,
    ঝক্‌ঝক্‌ করে উঠল নরঘাতকের হাতে,
    পূজারি তাতে লাগিয়েছে তাঁরই নামের ছাপ
    তীক্ষ্ণ নখে আঁচড় দিয়ে।
    খৃস্ট বুকে হাত চেপে ধরলেন;
    বুঝলেন শেষ হয় নি তাঁর নিরবচ্ছিন্ন মৃত্যুর মুহূর্ত,
    নূতন শূল তৈরি হচ্ছে বিজ্ঞানশালায়–
    বিঁধছে তাঁর গ্রন্থিতে গ্রন্থিতে।
    সেদিন তাঁকে মেরেছিল যারা
    ধর্মমন্দিরের ছায়ায় দাঁড়িয়ে,
    তারাই আজ নূতন জন্ম নিল দলে দলে,
    তারাই আজ ধর্মমন্দিরের বেদীর সামনে থেকে
    পূজামন্ত্রের সুরে ডাকছে ঘাতক সৈন্যকে–
    বলছে “মারো মারো’।
    মানবপুত্র যন্ত্রণায় বলে উঠলেন ঊর্ধ্বে চেয়ে,
    “হে ঈশ্বর, হে মানুষের ঈশ্বর,
    কেন আমাকে ত্যাগ করলে।’

     

    Poem – Manab Putra

    By – Rabindranath Tagore

    Mrityur patre khristo jedin mrityuhin pran utsorgo korlen
    Robahut onahuter jonno,
    Tar pore kete geche bohu shata batsar.
    Aaj tini ekbar neme elen nityodham theke mortodhame
    Cheye dekhlen
    Sekaleo manush khatabikkhoto hoto je samasto payer mare
    Je uddoto shel o shullyo, je chotur chura o churi
    Je krur kutil tolowarer aghate
    Bidyutbege aaj tader folay shan dewa hochhe
    Hishhish shobde sfulinga choriye
    Boro boro mosidhumketon karkhanaghore.

    See less
    • 0
  2. মায়ের পায়ের জবা হয়ে পান্নালাল ভট্টাচার্যের লিখিত অন্যতম শ্যামাসঙ্গীত "মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠ না ফুটে মন"। কালীপুজোর সময় আমরা এই গানটি অহরহ শুনতে পাই। এখানে গানটির কথাগুলি দেখে নেন। মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠ না ফুটে মন, আমার মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠ না ফুটে মন, তার গন্ধ না থাক যা আছে সে নয় রে ভুয়োRead more

    মায়ের পায়ের জবা হয়ে

    পান্নালাল ভট্টাচার্যের লিখিত অন্যতম শ্যামাসঙ্গীত “মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠ না ফুটে মন”। কালীপুজোর সময় আমরা এই গানটি অহরহ শুনতে পাই। এখানে গানটির কথাগুলি দেখে নেন।

    মায়ের পায়ের জবা হয়ে
    ওঠ না ফুটে মন,
    আমার মায়ের পায়ের জবা হয়ে
    ওঠ না ফুটে মন,
    তার গন্ধ না থাক যা আছে
    সে নয় রে ভুয়ো আভরণ ॥

    জানি জুঁই মালতী হায়,
    কতো গন্ধ যে ছড়ায়,
    তবু ঘরের ফেলে পরের কাছে
    নিজেরে বিলায়,
    ওরে তোর মতো যে নেই কো তাদের
    মায়ে পোয়ে আলাপন ॥

    আমার তাই তো লাগে ভয়,
    প্রলোভনের ফাঁদে পড়ে হই যেন না ক্ষয় ।

    ওরে যেন ভুলিসনা, তোর দয়াময়ী মা,
    তার রক্ত মাখা কালো রূপে
    ঘোচায় কালিমা,
    ও মন তাই বলি আয় ওই রাঙ্গা পায়
    করি আত্মসমর্পণ ॥

    Mayer Payer Joba lyrics:

    Pannalal Bhattacharjee

    Maa-er paayer joba hoye
    Oth-na fute mon
    Amar maa-er payer joba hoye
    Oth-na fute mon
    Tar gondho na thak ja ache
    Shey noy re bhuwo aboron
    Jani jui maloti hay
    koto gondho je choray
    Tobu ghorer fele porer kache
    nijere bilay
    Ore tor moto je neiko tader
    maaye-poye alapon.
    Amar tai tolage bhoy,
    Prolobhoner fade pore hoi jeno na khoy
    Ore jeno bhulishna, tor doyamoyi maa
    Tar rakto makha kaalo rupe
    Gochay kalima
    O mon tai boli ay oi ranga pay
    Kori atmosomorpon.

    See less
    • 0
  3. বাংলা অর্থঃ * I am serious? এর বাংলা অর্থ হলঃ আমি সত্যি বলছি বা আমি এ ব্যাপারে নিশ্চিত। * কোন কিছু নিশ্চিত বা কনফার্ম করার জন্য এভাবে বলা হয়। যেমনঃ I am serious about my study. I am serious about our affairs.  

    বাংলা অর্থঃ

    * I am serious? এর বাংলা অর্থ হলঃ আমি সত্যি বলছি বা আমি এ ব্যাপারে নিশ্চিত।

    * কোন কিছু নিশ্চিত বা কনফার্ম করার জন্য এভাবে বলা হয়।

    যেমনঃ

    • I am serious about my study.
    • I am serious about our affairs.

     

    See less
    • 0
  4. Khair Mubarak: - "খায়ের মোবারক" এই বাক্যটি একটি শুভেচ্ছা মূলক বাক্য। - ঈদের দিনের শুভেচ্ছা জানাতে ঈদ মোবারক বা খায়ের মোবারক বলে শুভেচ্ছা জানানো হয়। আবার ঈদ মোবারকের উত্তরে "খায়ের মোবারক" বলা যায়। যার অর্থ হল - শুভকামনা  বা মঙ্গল হোক ইত্যাদি।

    Khair Mubarak:

    – “খায়ের মোবারক” এই বাক্যটি একটি শুভেচ্ছা মূলক বাক্য।

    – ঈদের দিনের শুভেচ্ছা জানাতে ঈদ মোবারক বা খায়ের মোবারক বলে শুভেচ্ছা জানানো হয়। আবার ঈদ মোবারকের উত্তরে “খায়ের মোবারক” বলা যায়। যার অর্থ হল – শুভকামনা  বা মঙ্গল হোক ইত্যাদি।

    See less
    • 0
  5. ধরা শব্দের বাক্য রচনাঃ ধরা - ধরা শব্দের অর্থ পৃথিবী। ধরা - ধুলির ধরা বেহেশ্ত আজ জয় করিল, দিল রে লাজ, আজকে খুশীর ঢল নেমেছে ধূসর সাহারায়। ধরা -বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির বারি শুষ্ক হৃদয় লয়ে আছে দাঁড়াইয়ে ঊর্ধ্বমুখে নরনারী।

    ধরা শব্দের বাক্য রচনাঃ

    ধরা – ধরা শব্দের অর্থ পৃথিবী।

    ধরা – ধুলির ধরা বেহেশ্ত আজ জয় করিল, দিল রে লাজ, আজকে খুশীর ঢল নেমেছে ধূসর সাহারায়।

    ধরা -বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির বারি শুষ্ক হৃদয় লয়ে আছে দাঁড়াইয়ে ঊর্ধ্বমুখে নরনারী।

    See less
    • 0
  6. নেত্র দিয়ে বাক্য রচনাঃ নেত্র - নেত্র শব্দের অর্থ চক্ষু. চোখ, আঁখি ইত্যাদি। নেত্র - আমাদের সবার দুটি নেত্র থাকে।  

    নেত্র দিয়ে বাক্য রচনাঃ

    নেত্র – নেত্র শব্দের অর্থ চক্ষু. চোখ, আঁখি ইত্যাদি।

    নেত্র – আমাদের সবার দুটি নেত্র থাকে।

     

    See less
    • 0
  7. সমুদ্র দিয়ে বাক্য রচনাঃ সমুদ্র - পৃথিবীতে অনেক সমুদ্র রয়েছে। সমুদ্র - সমুদ্রের জল নোনা। সমুদ্র - সমুদ্র দেখতে আমরা সবাই ভালোবাসি।

    সমুদ্র দিয়ে বাক্য রচনাঃ

    সমুদ্র – পৃথিবীতে অনেক সমুদ্র রয়েছে।

    সমুদ্র – সমুদ্রের জল নোনা।

    সমুদ্র – সমুদ্র দেখতে আমরা সবাই ভালোবাসি।

    See less
    • 0
  8. অসাধারণ দিয়ে বাক্য রচনা: অসাধারণ - মেসি খুবই অসাধারণ ফুটবল খেলে। অসাধারণ - আইনস্টাইন একজন অসাধারণ বিজ্ঞানী ছিলেন। অসাধারণ - ছেলেটির অসাধারণ প্রতিভা আছে।

    অসাধারণ দিয়ে বাক্য রচনা:

    অসাধারণ – মেসি খুবই অসাধারণ ফুটবল খেলে।

    অসাধারণ – আইনস্টাইন একজন অসাধারণ বিজ্ঞানী ছিলেন।

    অসাধারণ – ছেলেটির অসাধারণ প্রতিভা আছে।

    See less
    • 0
  9. অম্বল দিয়ে বাক্য রচনাঃ অম্বল - খাওয়া-দাওয়ায় অনিয়ম থেকেই গ্যাস-অম্বল হয়। অম্বল - অম্বলের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ওষুধ খেতে হয়। অম্বল - অম্বল একটি রোগ।

    অম্বল দিয়ে বাক্য রচনাঃ

    অম্বল – খাওয়া-দাওয়ায় অনিয়ম থেকেই গ্যাস-অম্বল হয়।

    অম্বল – অম্বলের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ওষুধ খেতে হয়।

    অম্বল – অম্বল একটি রোগ।

    See less
    • 0
  10. হিম দিয়ে বাক্য রচনাঃ হিম - হিম শব্দের অর্থ ঠাণ্ডা। হিম - পার্বত্য অঞ্চলে যে কাল্পনিক সীমা রেখার উপর সারাবছর বরফ  জমে থাকে, তাকে হিমরেখা বলে। হিম - সমুদ্রের জলে ভাসমান বিশাল আকার বরফের স্তুপকে হিমশৈল বলা হয়।

    হিম দিয়ে বাক্য রচনাঃ

    হিম – হিম শব্দের অর্থ ঠাণ্ডা।

    হিম – পার্বত্য অঞ্চলে যে কাল্পনিক সীমা রেখার উপর সারাবছর বরফ  জমে থাকে, তাকে হিমরেখা বলে।

    হিম – সমুদ্রের জলে ভাসমান বিশাল আকার বরফের স্তুপকে হিমশৈল বলা হয়।

    See less
    • 0