1. কবিতা - আসমানী কবি - জসীম উদ্দিন আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও। বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি, একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি। একটুখানি হাওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে, তারি তলে আসমানীরা থাকে বছর ভরে। পেটটি ভরে পায় না খেতে, বুকের ক-খান হাড়, সাকRead more

    কবিতা – আসমানী
    কবি – জসীম উদ্দিন

    আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,
    রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।
    বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি,
    একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।
    একটুখানি হাওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে,
    তারি তলে আসমানীরা থাকে বছর ভরে।

    পেটটি ভরে পায় না খেতে, বুকের ক-খান হাড়,
    সাক্ষী দিছে অনাহারে কদিন গেছে তার।
    মিষ্টি তাহার মুখটি হতে হাসির প্রদীপ-রাশি
    থাপড়েতে নিবিয়ে দেছে দারুণ অভাব আসি।
    পরনে তার শতেক তালির শতেক ছেঁড়া বাস,
    সোনালি তার গা বরণের করছে উপহাস।
    ভোমর-কালো চোখ দুটিতে নাই কৌতুক-হাসি,
    সেখান দিয়ে গড়িয়ে পড়ে অশ্রু রাশি রাশি।
    বাঁশির মতো সুরটি গলায় ক্ষয় হল তাই কেঁদে,
    হয় নি সুযোগ লয় যে সে-সুর গানের সুরে বেঁধে।

    আসমানীদের বাড়ির ধারে পদ্ম-পুকুর ভরে
    ব্যাঙের ছানা শ্যাওলা-পানা কিল্-বিল্-বিল করে।
    ম্যালেরিয়ার মশক সেথা বিষ গুলিছে জলে,
    সেই জলেতে রান্না-খাওয়া আসমানীদের চলে।
    পেটটি তাহার দুলছে পিলেয়, নিতুই যে জ্বর তার,
    বৈদ্য ডেকে ওষুধ করে পয়সা নাহি আর।
    খোসমানী আর আসমানী রয় দুইটি দেশে
    কও তো যাদু, কারে নেবে অধিক ভালবেসে

     

    Poem-Asmani
    Poet- JashimUddin

    Asmanire dekhte jadi tumra shobe chao
    Rahimuddir choto bari rasulpure jao
    Bari to noy pakhir basha venna patar chani
    Ektu khani bristi holei gariye pore pani
    Ektu khani hawa dilei ghar narbar kore
    Tari tole asmanira thake basar bhore.

    Petti bbhore pay na khete, buker ko-khan har
    Shakki dicche onahare kodin geche tar
    Misti tahar mukhti hote hashir prodip rashi
    Thaprete nibiye deche darun obav aashi
    Parane tar shotek talir shotek chera bash
    Sonali tar ga baraner korche upohash
    Bhomor kalo chokh dutite nai koutuk hashi
    Sekhan diye gariye pore asru rashi rashi
    bashir moto shurti golai khoy holo tai kede
    Hoi ni sujog loy je se sur ganer sure badhe

    Asmanider barir dhare, padda pukhur bhore
    Byanger chana sheola pana kil-bil-bil-kore
    maleriate mashak setha bish guleche jole
    Sei jolete ranna khawa asmanider chole
    Pet-ti tahar dulche pileo, nitui je jor tar
    Boiddo deke oshudh kore poysha nahi ar.
    Khoshmani ar asmani je roy duti deshe
    Kou na jadu, kare nebe valobeshe.

     

    See less
  2. কবি জীবনানন্দ দাশ লিখিত এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে কবিতায় ৩ টি নদীর নাম আছে । সেগুলি হলঃ কর্ণফুলী ধলেশ্বরী পদ্মা

    কবি জীবনানন্দ দাশ লিখিত এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে কবিতায় ৩ টি নদীর নাম আছে । সেগুলি হলঃ

    • কর্ণফুলী
    • ধলেশ্বরী
    • পদ্মা
    See less
  3. কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা নিয়মাবলী:- * লক্ষ্মীপূজায় ঘণ্টা বাঁজাতে নেই। লক্ষ্মীকে তুলসীপাতা দিতে নেই। কিন্তু লক্ষ্মীপূজার পর একটি ফুল ও দুটি তুলসীপাতা দিয়ে নারায়ণকে পূজা করতে হয়। লক্ষ্মীপূজা সাধারণত সন্ধ্যাবেলা করে, তবে অনেকে সকালেও করে থাকেন। সকালে করলে সকাল ন-টার মধ্যে করে নেওয়াই ভাল। পূজার পর ব্রতকRead more

    কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা

    নিয়মাবলী:-

    * লক্ষ্মীপূজায় ঘণ্টা বাঁজাতে নেই। লক্ষ্মীকে তুলসীপাতা দিতে নেই। কিন্তু লক্ষ্মীপূজার পর একটি ফুল ও দুটি তুলসীপাতা দিয়ে নারায়ণকে পূজা করতে হয়। লক্ষ্মীপূজা সাধারণত সন্ধ্যাবেলা করে, তবে অনেকে সকালেও করে থাকেন। সকালে করলে সকাল ন-টার মধ্যে করে নেওয়াই ভাল। পূজার পর ব্রতকথা পাঠ করতে হয়। লক্ষ্মীপূজায় লোহা বা স্টিলের বাসন-কোসন ব্যবহার করবে না। লোহা দিয়ে অলক্ষ্মী পূজা হয়। তাই লোহা দেখলে লক্ষ্মী সে গৃহ ত্যাগ করে চলে যান। যার যে প্রতিমায় পূজা করার নিয়ম সে সেই নিয়মেই পূজা করবে। পূজার পূর্বে পূজাস্থান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে ধূপ দীপ জ্বালিয়ে দেবে। পূজাস্থানে লক্ষ্মীর পা-সহ আলপনা আঁকবে। ঘটের পাশে একটি লক্ষ্মীর পা অবশ্যই আঁকবে। পূজার সময় অন্য মনস্ক হবে না। মনকে লক্ষ্মীতে স্থির রাখবে।

    মা লক্ষী দেবীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য:-

    মা লক্ষ্মীর চারটি হাত। ধর্ম, কর্ম, অর্থ ও মোক্ষ— হিন্দুশাস্ত্রে এই চার হাতের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে এভাবেই। যাঁরা মনে করেন মা লক্ষ্মী শুধুমাত্র ধনের দেবী, তাঁরা সম্ভবত দেবীর এই ব্যাখ্যা সম্পর্কে অবহিত নন। সমুদ্রমন্থন থেকে উদ্ভব মা লক্ষ্মীর। কিন্তু সবার আগে জানা প্রয়োজন তিনি কে? কীভাবে আবির্ভূত হলেন তিনি। এই নিয়ে নানা মত রয়েছে। কখনও বলা হয় তিনি ছিলেন ঋষি ভৃগুর সন্তান এবং সমুদ্রমন্থনে তাঁর পুনর্জন্ম হয়। আবার অন্য একটি মত অনুযায়ী, তিনি সমুদ্রদেব বরুণের কন্যা। মা লক্ষ্মীরও আগে আবির্ভূত হয়েছিলেন দেবী সরস্বতী। একটি পৌরাণিক গল্পে বলা হয়েছে, ব্রহ্মার সাত সন্তান, সপ্তঋষির মধ্যে ৬ জনই দেবী সরস্বতীর আরাধনা করে দৈবজ্ঞান লাভ করেন। কিন্তু প্রশ্ন তোলেন মহর্ষি ভৃগু। মানবশরীরের ক্ষুধা নিবারণ কীভাবে ঘটে, সেই খোঁজে তিনি বেরিয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত উত্তরটি পান সমুদ্রদেব বরুণের কাছে। মহর্ষি ভৃগু তার পরেই উপলব্ধি করেন যে, মগজের বা মননের পুষ্টিলাভ যেমন হয় দেবী সরস্বতীর আরাধনায় তেমনই নশ্বর শরীরের পুষ্টির জন্য মা লক্ষ্মীর আবাহন ও পূজা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই মা লক্ষ্মীকে শুধুমাত্র ধনদেবী হিসেবে দেখলে তাঁর মহিমার সম্পূর্ণটা দেখা হয় না। তাঁর আশীর্বাদ মানুষের ক্ষুধা নিবারণের জন্য, গৃহস্থের সার্বিক কল্যাণের জন্য। আর এই দুয়ের জন্যই প্রয়োজন অর্থের। কিন্তু সেই অর্থ পাওয়ার পরে মানুষ তার প্রয়োগ কীভাবে করছে, সেদিকে তাঁর কড়া নজর। অপচয় বা অন্যায় প্রয়োগ তিনি সইতে পারেন না, তাই তিনি চঞ্চলা।

     

    পুজোর আগে কিছু সাধারণ নিয়ম:-

    * সাধারণত কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে সারা রাত জেগে থাকার বিধি আছে। এই পূজার সঙ্গে কৃষকদের একটা বড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই শোনা যায় সারারাত জেগে তারা ওইদিন শস্য পাহারা দেয়। সঙ্গে মার কাছে আশীর্বাদ চেয়ে নেওয়া হয়। আবার অনেকে মনে করেন, লক্ষ্মী দেবী চঞ্চলা তাই সারারাত জেগে তাকে পাহারা দেওয়া হয়, যাতে তিনি পালিয়ে না যান। এই কথা মা ঠাকুমাদের মুখে প্রায়ই শোনা যায়। লক্ষ্মীদেবী ধনসম্পদ তাকেই দেন, যে তার পুরো মর্যাদা দেয়। যে সেই ধনসম্পদ সমাজের কল্যাণে কাজে লাগায়। তাই লক্ষ্মীদেবীর আরাধনা অত্যন্ত শুদ্ধ মনে করতে হয়। মা লক্ষ্মী অল্পেই খুশী হন। তাই এই পূজায় খুব একটা বাহুল্য নেই। যে যার সাধ্যমতো পূজা করে। তবে পূজার আগে পূজার স্থান একদম পরিষ্কার করে নিতে হবে। তারপর সুন্দর করে আলপনা দিতে হবে। প্রতি ঘরের দরজায়, পূজার স্থানে লক্ষ্মীর পা অবশ্যই আঁকবে। সেইদিন আলপনা মুছবে না। তারপর পূজার জায়গা সুন্দর করে ফুল দিয়ে সাজিয়ে, ধূপ, ধুনো, প্রদীপ জ্বালিয়ে দিতে হয়।

    পুজো শুরু করার নিয়ম:-

    * সব আয়োজন পূর্ণ এবার পূজা শুরু। শুরুর আগে গঙ্গা জল ছিটিয়ে দিতে হবে নিজের ও সকলের মাথায় ও পূজার স্থানে। তারপর ভগবান নারায়ণকে মনে মনে স্মরণ করে পূজা শুরু করবে। পূজার স্থানে একটি তামার পাত্রে জল রাখবে। এই জল সূর্য দেবতাকে অর্পণ করার জন্য। তিনি সকল শক্তির উৎস। তাঁকে ছাড়া পৃথিবী অন্ধকার। তাই তাঁকে জল দেওয়া বাঞ্ছনীয়। তামার পাত্রে জল ঢালতে ঢালতেই সূর্যদেবতাকে স্মরণ করুবে। এরপর ঘট স্থাপনের পালা। মাটির একটি গোল ডেলা মত করে নিন, সমান করে নিতে হবে। তার ওপর ঘট বসাবে। এবং ঘটের সামনে একটু ধান ছড়িয়ে দিববে। ঘটে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকবে সিঁদুর দিয়ে। ঘটের ওপর আমের পাতা রাখববে। পাতার সংখ্যা যেনো বিজোড় হয়। আর পাতার ওপর তেল ও সিঁদুরের ফোঁটা দেবে। ঘটে গঙ্গাজল দিয়ে তার ওপর আমের পাতা রাখবে। পাতার ওপর একটা হরিতকী, ফুল, দুব্বো, সব দিয়ে ঘট সাজাবে।

    মা লক্ষী দেবীর আহবান:-

    *ঘট স্থাপনের পর মাকে প্রণাম করার পালা। ধ্যান মন্ত্রে মা কে প্রণাম করতে হবে। লক্ষ্মী পাঁচালীর বইয়ে এই মন্ত্র পাবে। এই বই যেকোনো দশকর্মার দোকানে পেয়ে যাবে। তবে এই মন্ত্র উচ্চারন একটু শক্ত। তাই যদি সঠিক উচ্চারন করতে না পারা যায়, তাহলে মাকে মনে মনে স্মরণ করে প্রণাম জানাবে। মাকে প্রণাম করে এবার আহবান জানাতে হবে। আহবান মন্ত্রও বইয়ে দেওয়া থাকে। না জানলে মাকে মনে মনে আহবান জানাতে হবে। হাত নমস্কার করে চোখ বন্ধ করে, বলতে হবে, “এসো মা আমার গৃহে প্রবেশ করো। আমার গৃহে অধিষ্ঠান করো। আমার এই সামান্য আয়োজন, নৈবিদ্য গ্রহণ করো মা।”

    *এইভাবে মাকে আহবান জানাবে। মা যখন ঘরে প্রবেশ করছেন, তাই তখন. মায়ের পা ধুয়ে দিতে হবে। মায়ের আঁকা পায়ে জলের ছিটা দিববে। তারপর ঘটে আতপ চাল, দুব্বো, ফুল ও চন্দন দিববে। এরপর একে একে দেবীকে সব অর্পণ করবে। ফল,মিষ্টি যা কিছু আয়োজন হয়েছে। তারপর ধূপ ধুনো দিববে। অর্পণ করার পর এবার পুষ্পাঞ্জলি। হাতে ফুল নিয়ে পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র তিনবার উচ্চারন করবে। তারপর দেবীর বাহনকে ফুল দিতে হবে। এবং নারায়নকে স্মরণ করে ঘটে ফুল দিববে। ও দেবতা ইন্দ্র ও কুবেরকে স্মরণ করে ঘটে ফুল দিবে। তারপর দেবীকে প্রণাম করতে হবে। এরপর সবশেষে লক্ষ্মীদেবীর পাঁচালী পড়ে পূজা শেষ করবে।

    *তবে কয়েকটি কথা মাথায় রাখতে হবে। লক্ষ্মীদেবীর পূজায় কাঁসর ঘণ্টা এসব বাঁজাবে না। এগুলিতে দেবী অসন্তুষ্ট হন। শুধু শাঁখ বাঁজাবে আর দেবীর ঘটে তুলসী পাতা দেবে না। আর দেবে না লোহার বাসনা। ব্যাস এই কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে শুদ্ধ মনে শুরু করে দিন পূজা। হোকনা আয়োজন সামান্য শুধু মন শুদ্ধ থাকলেই দেবী আসবেন ঘরে।

    মা লক্ষীদেবীর প্রচলিত কিছু আচার অনুষ্ঠানের ধরণ ও পন্থা:-

    *প্রতিদিন স্নান করে শুদ্ধ হয়ে লক্ষ্মী গায়ত্রী মন্ত্র ১০৮ বার জপ করলে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন মা লক্ষ্মী। এই মন্ত্র জপ করার সময় পদ্মবীজের মালা ব্যবহার করলে ভাল। দক্ষিণাবর্ত শঙ্খকে বলা হয় মা লক্ষ্মীর শঙ্খ। লাল, সাদা বা হলুদ রংয়ের একটি পরিষ্কার কাপড়, একটি রুপোর পাত্র অথবা মাটির পাত্রের উপর রাখতে হয় এই শঙ্খ। এই শঙ্খের মধ্য দিয়েই মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ প্রবাহিত হয় বাসস্থানে। বলা হয় সমস্ত দেবতা বাস করেন তুলসি বৃক্ষে আবার অন্য একটি মত অনুযায়ী দেবী তুলসি হলেন মা লক্ষ্মীরই এক রূপ। তাই বাড়িতে তুলসি বৃক্ষ থাকলে এবং সেখানে প্রতিদিন প্রদীপ জ্বাললে তুষ্ট হন মা লক্ষ্মী। ধারাবাহিকভাবে ১২ দিন ধরে সম্পূর্ণ ভক্তিভরে লক্ষ্মী দ্বাদশ স্তোত্র ১২ বার উচ্চারণ করলে, ঋণমুক্তি ঘটে। একটি বাঁশের বাঁশিকে সিল্কের কাপড়ে মুড়ে ঠাকুরের সিংহাসনে রাখলে মা লক্ষ্মী প্রসন্ন হন। কারণ বাঁশি হলো বিষ্ণুর অবতার শ্রীকৃষ্ণের প্রিয়। তাই মা লক্ষ্মীরও অতি প্রিয়। শুধুমাত্র পুজোর দিনে নয়, প্রতিদিনই যদি দেবীর পায়ের চিহ্ন আঁকা হয়, তবে ভালো। প্রতিদিন না পারলে বৃহস্পতিবার অথবা শুক্রবার এবং মা লক্ষ্মীর পুজোর তিথি থাকলে তো অবশ্যই। যিনি প্রতি শুক্রবার পরমান্ন বা মিষ্ট অন্ন দিয়ে গোসেবা করেন তাঁর প্রতি বিশেষ প্রসন্ন হন দেবী। প্রতি শুক্রবার পদ্মমূল থেকে তৈরি নয়টি সলতে দিয়ে একটি মাটির প্রদীপ মা লক্ষ্মীর পট বা প্রতিমার সামনে জ্বাললে তা গৃহে প্রাচুর্যের সমাহার ঘটায়। এছাড়া টানা ৩০ দিন ধরে মা লক্ষ্মীর প্রতিমা বা পটের সামনে নিষ্ঠাভরে শ্রী সুক্ত পাঠ করলে বিশেষ প্রসন্ন হন দেবী। শ্রী সুক্ত হলো ১৫টি ভার্সের একটি সম্মেলন। প্রতিদিন মা লক্ষ্মীর প্রতিমা বা পটের সামনে দু’টি ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালে তা মঙ্গল। এর সঙ্গে পদ্ম, নারকেল ও ক্ষীরের নৈবেদ্য দিলে প্রসন্ন হন দেবী। ঠাকুরঘরে বা ঠাকুরের সিংহাসনে কড়ি এবং শঙ্খ রাখা খুবই শুভ গৃহের কল্যাণের জন্য।

    লক্ষী পুজোর যা কিছু করা নিষিদ্ধ:-

    *লক্ষ্মীপূজায় লোহা বা স্টিলের বাসনকোসন ব্যবহার করবে না। লোহা দিয়ে অলক্ষ্মী পূজা হয়। তাই লোহা দেখলে লক্ষ্মী গৃহ ত্যাগ করে যান। লক্ষ্মীপূজায় ঘণ্টা বাঁজাতে নেই। লক্ষ্মীকে তুলসীপাতা দিতে নেই। কিন্তু লক্ষ্মীপূজার পর একটি ফুল ও দুটি তুলসী পাতা দিয়ে নারায়ণকে পূজা করতে হয়। লক্ষ্মীপূজা সাধারণত সন্ধ্যাবেলা করে, তবে অনেকে সকালেও করে থাকেন। সকালে করলে সকাল ন-টার মধ্যেকরে নেওয়াই ভাল। পূজার পর ব্রতকথা পাঠ করতে হয়।
    **

    শ্রীশ্রী মা লক্ষ্মীর স্তোত্র:-

    লক্ষ্মীস্তং সর্বদেবানাং যথাসম্ভব নিত্যশঃ।
    স্থিরাভাব তথা দেবী মম জন্মনি জন্মনি।।
    বন্দে বিষ্ণু প্রিয়াং দেবী দারিদ্র্য দুঃখনাশিনী।
    ক্ষীরোদ সম্ভবাং দেবীং বিষ্ণুবক্ষ বিলাসিনীঃ।।

     শ্রী শ্রী লক্ষ্মীর ধ্যান মন্ত্র:-

    ওঁ পাশাক্ষমালিকাম্ভোজ সৃণিভির্যাম্য সৌম্যয়োঃ।
    পদ্মাসনাস্থাং ধায়েচ্চ শ্রীয়ং ত্রৈলোক্য মাতরং।।
    গৌরবর্ণাং স্বরূপাঞ্চ সর্বালঙ্কারভূষি তাম্।
    রৌক্নোপদ্মব্যগ্রকরাং বরদাং দক্ষিণেন তু।।
    **

    শ্রী শ্রী লক্ষ্মীর স্তোত্রম্:-

    ত্রৈলোক্য পূজিতে দেবী কমলে বিষ্ণুবল্লভে।
    যথাস্তং সুস্থিরা কৃষ্ণে তথা ভবময়ি স্থিরা।।
    ঈশ্বরী কমলা লক্ষ্মীশ্চলা ভূতি হরিপ্রিয়া।
    পদ্মা পদ্মালয়া সম্পদ সৃষ্টি শ্রীপদ্মধারিণী।।
    দ্বাদশৈতানি নামানি লক্ষ্মীং সম্পূজ্য যঃ পঠেত।
    স্থিরা লক্ষ্মীর্ভবেৎ তস্য পুত্রদারারদিভিংসহ।।

    বিশেষ দ্রষ্টব্য:-

    *অবশ্যই তিন বার পাঠ করতে হবে শ্রীশ্রী লক্ষ্মীর পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র,
    “নমস্তে সর্বদেবানাং বরদাসি হরিপ্রিয়ে।
    যা গতিস্তং প্রপন্নানাং সা মে ভূয়াত্বদর্চবাৎ।।”
    °°

    শ্রী শ্রী লক্ষ্মীর প্রণাম মন্ত্র:-

    ওঁ বিশ্বরূপস্য ভার্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে।
    সর্বতঃ পাহি মাং দেবী মহালক্ষ্মী নমোস্তুতে।।”

    শেষের কথা:-

    *যেকোনো পুজোয় হোক না কেনো সব পুজোতে পুজোর একটা রীতি নীতি বা আচার অনুষ্ঠান থাকে ভিন্ন ভিন্ন। আর থাকে ভিবিন্ন রকমের মন্ত্র ও নিয়ম। আমাদের সেই মন্ত্র সঠিকভাবে ও সঠিক সময়ে পালন অর্থাৎ উচ্চারণ করে বলাটাই হলো একটু জটিল কাজ। প্রত্যেক দেবদেবীর একটা নিজস্ব কিছু রীতি নীতি মন্ত্র ইত্যাদি থাকে। পুজোর সময় সঠিক ভাবে পুজো করাটাও একটা মহৎ কাজ। মা লক্ষীর পুজোতে পুজোর মন্ত্র পড়ে সুষ্ঠ ভাবে করতে হয় বা করা উচিত। তেমনি সকল প্রকার দেবদেবীর পুজোও আমাদের বিধাতার রীতি নীতি মেনে চলাই হলো একমাত্র প্রধান কাজ। আমাদের হিন্দু শাস্ত্র মতে অনেক দেবদেবীর পুজো আমরা করে থাকি। আমরা প্রত্যেক দেবদেবীর পুজো করে থাকি ভগবানের আশীর্বাদ পাবার জন্য। প্রত্যেক ভগবানের অর্থাৎ প্রত্যেক দেবদেবীর আলাদা আলাদা আশীর্বাদের জন্যই আমরা পুজো করে থাকি। তাদের মধ্যে মা লক্ষী হলেন আমাদের ধন, সম্পদ, ঐশর্য, সুখ, শান্তি, ইত্যাদি আশীর্বাদের আশায়।

    See less
  4. শিক্ষার মাধ্যমরূপে মাতৃভাষা/ শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে মাতৃভাষার গুরুত্ব ভূমিকা : মাতৃভাষার মাধ্যমেই প্রথম বােধের জন্ম। মাতৃভাষার দ্বারাই শিশুর চেতনার বিকাশ ঘটে। শিশুর কাছে মাতার যেমন গুরুত্ব, শিক্ষার ক্ষেত্রে মাতৃভাষারও তেমনই গুরুত্ব। মাতৃভাষা ছাড়া শিক্ষা লাভ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এই মাতৃভাষাকে কেন্দ্রRead more

    শিক্ষার মাধ্যমরূপে মাতৃভাষা/ শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে মাতৃভাষার গুরুত্ব

    ভূমিকা : মাতৃভাষার মাধ্যমেই প্রথম বােধের জন্ম। মাতৃভাষার দ্বারাই শিশুর চেতনার বিকাশ ঘটে। শিশুর কাছে মাতার যেমন গুরুত্ব, শিক্ষার ক্ষেত্রে মাতৃভাষারও তেমনই গুরুত্ব। মাতৃভাষা ছাড়া শিক্ষা লাভ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এই মাতৃভাষাকে কেন্দ্র করেই তার জীবন নানাভাবে বিকাশ লাভ করে।

    সার্বিক ক্ষেত্রে মাতৃভাষা : মাতৃভূমির মতাে মাতৃভাষাও মানুষের নিকট একান্ত প্রিয়। মাতৃভাষাকে আশ্রয় করেই মানুষের সার্বিক বিকাশ সম্ভব। মাতৃভাষাতেই মানুষের পরম তৃপ্তি। কারণ, এই ভাষায় কথা বলে মনের ভাব প্রকাশ করে মানুষ যত আনন্দ পায় অন্যভাষায় কথা বলে তা পায় না। মাতৃভাষা শুধু প্রাত্যহিক জীবনের অবলম্বন নয় – এর মাধ্যমে সাহিত্য, কৃষ্টি-সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান সাধনার বিকাশ ঘটে।

    বিদেশি ভাষা এবং তাঁর সমস্যা : শিক্ষার মাধ্যমরূপে বিদেশি ভাষাকে অবলম্বন করার পক্ষে কোন যুক্তি নেই। তার কতকগুলি কারণ আছে। প্রথমতঃ বিদেশি ভাষাকে আয়ত্ত করতে যে কোন মানুষের অনেক বেশি সময় লাগে। দ্বিতীয়তঃ বিদেশি ভাষার মাধ্যমে শিক্ষা যতই করায়ত্ত হােক না কেন তার মাধ্যমে মাতৃভাষার মতাে মনের ভাব সঠিকভাবে প্রকাশ করা যায় না।

    মাতৃভাষায় শিক্ষা : শিক্ষা ও জীবনের সামঞ্জস্য বিধানের জন্য মনুষ্যত্বের বিকাশ সাধনের জন্য মাধ্যম হওয়া উচিত মাতৃভাষা। একমাত্র মাতৃভাষাই পারে প্রাণের সঙ্গে ভাবের সম্মিলন ঘটাতে। শুধু কাজ নয়, ভাব প্রকাশই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য। মাতৃভাষাই মানুষের মুক্তির যথার্থ উপায়। মাতৃভাষায় শিক্ষাগ্রহণে আপামর জনসাধারণের পক্ষে সহজ। গভীর আনন্দে মানুষ শিক্ষা গ্রহণ করে। শিক্ষা তার পক্ষে ভার হয়ে দাড়ায় না। মাতৃভাষা শিক্ষা নেওয়ার পরে মানুষ নিজের ইচ্ছেমতাে যে কোন ভাষায় শিক্ষা নিতে পারে।

    বাংলায় জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা : জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্র হিসাবে বাংলা ভাষার ক্ষেত্রটি আজও দুর্বল। ঊনবিংশ শতাব্দীর গােড়ার দিকে ইউরোপীয় মিশনারিদের চেষ্টায় এদেশে সর্বপ্রথম বাংলাভাষার মাধ্যমে জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার সূত্রপাত ঘটে। রাজা রামমােহন রায় সর্বপ্রথম এই ব্যাপারে এগিয়ে এসেছিলেন। পরবর্তীকালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, অক্ষয়কুমার দত্ত, রাজেন্দ্রলাল মিত্র, ভূদেব মুখােপাধ্যায়, কৃষ্ণমােহন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ মনীষীদের প্রচেষ্টায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব লাভ করে।

    বাংলা ভাষা ও তাঁর ধারণ ক্ষমতা : ভারতবর্ষের স্বাধীনতা লাভের পর অনেক বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি ও হিন্দি ভাষার ব্যাপক প্রচলন দেখা যায়। অনেকে হয়তাে যুক্তি দেখাবেন যে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষার পথই একমাত্র পথ কারণ কিছু বিষয় | যেমন অর্থনীতি, ভূতত্ত্ববিদ্যা, বিজ্ঞান বিষয় সমূহকে মাতৃভাষার মাধ্যমে যথার্থ শিক্ষাদান সম্ভব হয় না। একথা হয়তাে আংশিক সত্য। কিন্তু তবুও অনুপযুক্ত বলে চিরকালই তা অনুপযুক্তই থাকবে এমন কোন কথা নেই।

    উপসংহার : মাতৃভাষা যে শিক্ষার সর্বস্তরে মাধ্যম হিসাবে কার্যত গৃহিত হতে পারছে না এর মূলে পণ্ডিত অধ্যাপকদের মানসিক জাড্য এবং ইংরেজি ভাষার প্রতি মােহ। বাংলায় যে সর্বোচ্চ স্তরের জ্ঞান-বিজ্ঞানের গ্রন্থাদি রচিত হয়নি তার দায় পণ্ডিত সমাজ অস্বীকার করতে পারবে না। জাপান-রাশিয়া-জার্মানি সুচনা থেকেই মাতৃভাষাকে সর্বোচ্চ স্তরের বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নিয়ােগ করেছেন। বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ ভাষা বাংলা সে বিষয়ে অক্ষম একথা স্বীকার করা যায় না। শুধু প্রতিষ্ঠানিক বিদ্যা চর্চার ক্ষেত্রে বাংলা তথা অন্যান্য মাতৃভাষাকে অবজ্ঞা করে রাখা লজ্জাকর। শিক্ষাকে সার্বজনীন ও উচ্চমানের করতে হলে মাতৃভাষার প্রতি এই মনােভাব অবশ্য বর্জন করতে হবে।

    See less
  5. দাঁড়াও (শক্তি চট্টোপাধ্যায়) মানুষ বড়ো কাঁদছে, তুমি মানুষ হয়ে পাশে দাঁড়াও মানুষই ফাঁদ পাতছে, তুমি পাখির মতো পাশে দাঁড়াও মানুষ বড়ো একলা, তুমি তাহার পাশে এসে দাঁড়াও। তোমাকে সেই সকাল থেকে তোমার মতো মনে পড়ছে সন্ধে হলে মনে পড়ছে, রাতের বেলা মনে পড়ছে মানুষ বড়ো একলা, তুমি তাহার পাশে এসে দাঁড়াও। এসে দাঁড়াও,Read more

    দাঁড়াও (শক্তি চট্টোপাধ্যায়)

    মানুষ বড়ো কাঁদছে, তুমি মানুষ হয়ে পাশে দাঁড়াও
    মানুষই ফাঁদ পাতছে, তুমি পাখির মতো পাশে দাঁড়াও
    মানুষ বড়ো একলা, তুমি তাহার পাশে এসে দাঁড়াও।

    তোমাকে সেই সকাল থেকে তোমার মতো মনে পড়ছে
    সন্ধে হলে মনে পড়ছে, রাতের বেলা মনে পড়ছে
    মানুষ বড়ো একলা, তুমি তাহার পাশে এসে দাঁড়াও।

    এসে দাঁড়াও, ভেসে দাঁড়াও এবং ভালবেসে দাঁড়াও
    মানুষ বড়ো কাঁদছে, তুমি মানুষ হয়ে পাশে দাঁড়াও
    মানুষ বড়ো একলা, তুমি তাহার পাশে এসে দাঁড়াও।

     

    Manush Boro kadche Lyrics

    Poem- Darao
    Poet- Shakti Chattopadhyay

    Manush boro kadche tumi manush hoye pashe darao
    manush-e fad patche, tumi pakhir moto pashe darao
    Manush boro ekla, tumi tahar pashe eshe darao

    Tumake sei sokal theke Tumar moto mone porche
    Shondhe hole mone porche, rater bela mone porche
    Manush boro ekla, tumi tahar pashe eshe darao

    Eshe darao, Veshe darao ebong valobeshe darao
    Manush boro kadche tumi manush hoye pashe darao
    Manush boro ekla, tumi tahar pashe eshe darao

     

     

    See less
  6. ছেলেটা (শক্তি চট্টোপাধ্যায়) ছেলেটা খুব ভুল করেছে শক্ত পাথর ভেঙে মানুষ ছিলো নরম, কেটে, ছড়িয়ে দিলে পারতো । অন্ধ ছেলে, বন্ধ ছেলে, জীবন আছে জানলায় পাথর কেটে পথ বানানো , তাই হয়েছে ব্যর্থ । মাথায় ক্যারা , ওদের ফেরা যতোই থাক রপ্ত নিজের গলা দুহাতে টিপে বরণ করা মৃত্যু ছেলেটা খুব ভুল করেছে শক্ত পাথর ভেঙে মানুRead more

    ছেলেটা (শক্তি চট্টোপাধ্যায়)

    ছেলেটা খুব ভুল করেছে শক্ত পাথর ভেঙে
    মানুষ ছিলো নরম, কেটে, ছড়িয়ে দিলে পারতো ।
    অন্ধ ছেলে, বন্ধ ছেলে, জীবন আছে জানলায়
    পাথর কেটে পথ বানানো , তাই হয়েছে ব্যর্থ ।
    মাথায় ক্যারা , ওদের ফেরা যতোই থাক রপ্ত
    নিজের গলা দুহাতে টিপে বরণ করা মৃত্যু
    ছেলেটা খুব ভুল করেছে শক্ত পাথর ভেঙে
    মানুষ ছিলো নরম, কেটে , ছড়িয়ে দিলে পারতো।
    পথের হদিস পথই জানে, মনের কথা মত্ত
    মানুষ বড় শস্তা , কেটে, ছড়িয়ে দিলে পারতো ।

     

    Cheleta by Shakti Chattopadhyay

    Poem- Cheleta
    Poet- Shakti Chattopadhyay

    Cheleta khub vul koreche shakta pathor venge
    Manush chilo naram, kete, choriye dile parto
    Ondho chele, bandho chele, jibon aache janalay
    Pathor kete poth banano, tai hoyeche bertho
    mathay kara. oder fera jotoi thak rapta
    Nijer gola duhate tipe baran kora mrityu
    Cheleta khub vul koreche shakta pathor venge
    Manush chilo naram, kete, choriye dile parto
    pother hadish nei poth-e jane, Moner kotha motto
    Manush boro shosta,Kete, choriye dile parto

     

    See less
  7. যেতে পারি, কিন্তু কেন যাবো? কবি - শক্তি চট্টোপাধ্যায় ভাবছি, ঘুরে দাঁড়ানোই ভালো। এতো কালো মেখেছি দু হাতে এতোকাল ধরে! কখনো তোমার ক’রে, তোমাকে ভাবিনি। এখন খাদের পাশে রাত্তিরে দাঁড়ালে চাঁদ ডাকে : আয় আয় আয় এখন গঙ্গার তীরে ঘুমন্ত দাঁড়ালে চিতাকাঠ ডাকে : আয় আয় যেতে পারি যে-কোন দিকেই আমি চলে যেতে পারি কিন্তRead more

    যেতে পারি, কিন্তু কেন যাবো?

    কবি – শক্তি চট্টোপাধ্যায়

    ভাবছি, ঘুরে দাঁড়ানোই ভালো।

    এতো কালো মেখেছি দু হাতে
    এতোকাল ধরে!
    কখনো তোমার ক’রে, তোমাকে ভাবিনি।

    এখন খাদের পাশে রাত্তিরে দাঁড়ালে
    চাঁদ ডাকে : আয় আয় আয়
    এখন গঙ্গার তীরে ঘুমন্ত দাঁড়ালে
    চিতাকাঠ ডাকে : আয় আয়

    যেতে পারি
    যে-কোন দিকেই আমি চলে যেতে পারি
    কিন্তু, কেন যাবো?

    সন্তানের মুখ ধরে একটি চুমো খাবো

    যাবো
    কিন্তু, এখনি যাবো না
    একাকী যাবো না অসময়ে।।

     

    English transliteration:

    Jete Pari Kintu Keno Jabo

    Poet- Shakti Chattopadhyay

    Bhabchi, ghure daranoi bhalo

    Eto kalo mekechi du hate
    Etokal dhore!
    Kokhono tumar kore, Tomake bhabini.

    Ekhon khoder pashe rastay darale
    Chand dake : Aay aay aay
    Ekhon gangar tire ghumonto darale
    Chitakath dake : Aay aay aay

    Jete pari
    Je kuno dikei ami chole jete pari
    Kintu, keno jabo?

    Shontaner mukh dhore ekti chumu khabo

    jabo
    Kintu, Ekhoni jabo na
    Ekaki Jabo na oshomoye

     

     

     

    See less
  8. ধিতাং ধিতাং বোলে | Dhitang dhitang bole lyrics গায়ক- হেমন্ত মুখোপাধ্যায় লেখক- সলিল চৌধুরী অ্যালবাম- চয়নিকা   ধিতাং ধিতাং বোলে কে মাদলে তান তোলে কার আনন্দ উচ্ছলে আকাশ ভরে জোছনায়।। আয় ছুটে সকলে এই মাটির ধরা তলে আজ হাসির কলরোলে নূতন জীবন গড়ি আয়।। আয় রে আয় লগন বয়ে যায় মেঘ গুড়গুড় করে চাঁদের সীমানায়।Read more

    ধিতাং ধিতাং বোলে | Dhitang dhitang bole lyrics

    গায়ক– হেমন্ত মুখোপাধ্যায়

    লেখক– সলিল চৌধুরী

    অ্যালবাম– চয়নিকা

     

    ধিতাং ধিতাং বোলে
    কে মাদলে তান তোলে
    কার আনন্দ উচ্ছলে
    আকাশ ভরে জোছনায়।।

    আয় ছুটে সকলে
    এই মাটির ধরা তলে
    আজ হাসির কলরোলে
    নূতন জীবন গড়ি আয়।।
    আয় রে আয় লগন বয়ে যায়
    মেঘ গুড়গুড় করে চাঁদের সীমানায়।
    পারুল বোন ডাকে চম্পা ছুটে আয়
    বর্গীরা সব হাঁকে কোমর বেঁধে আয়।

    আয় রে আয়, আয় রে আয়।।

    ধিনাক না তিন তিনা
    এই বাজা রে প্রাণ-বীণা
    আজ সবার মিলন বিনা
    এমন জীবন বৃথা যায়।।

    এ দেশ তোমার আমার
    এই আমরা ভরি খামার
    আর আমরা গড়ি স্বপন দিয়ে সোনার কামনা।
    আয় রে আয় লগন বয়ে যায়,
    মেঘ গুড়গুড় করে চাঁদের সীমানায়।
    পারুল বোন ডাকে চম্পা ছুটে আয়,
    বর্গীরা সব হাঁকে কোমর বেঁধে আয়।

    আয় রে আয়, আয় রে আয়।।

     

    Dhitang dhitang bole lyrics in English font:

    Dhitang dhitang bole,
    Ke madole tan tule
    Ar anando ucchole
    Akaash bhore Jochna-e

    Aay chute shokole,
    ei matir dhora tole
    Aj hashir kolorule
    Nutun jibon gori aay

    Aay re aay lagon boye jay
    Megh gur gur kore chader shimanay
    Parul bon daake chompa chute aay
    Bargira shob hake kumor bedhe aay
    Aay re Aae Aae re Aae

    Dhinak natin tina
    Ei bajhare pran beena
    Aaj shobar milon benay
    Emon jibon brithaa jaae

    Ei desh tomar amar
    Aar amra bhori khamar
    Aar amra gori shopon diye
    Shonar kamonay

    Aay re Aae Aae re Aae

    See less
  9. নইলে কিন্তু আড়ি কবি - অপূর্ব দত্ত সকাল বেলা ঘুম ভেঙেছে মা বললো শুনো, বাসি মুখে একশো থেকে এক অব্দি গুনো। নয়টা নাগাদ খেলতে যাব, বাবা ডাকলো বুবাই আবুধাবির রাজধানী কি মাস্কাট না দুবাই? স্কুলে গেছি ইংরেজি স্যার হেঁকে বললেন এ ইউ, কেলিডোস্কুপ লেখতে গেলে কে লাগে না কিউ? খেলতে গেছি ছোটন আবার প্রথম বলেই আউটRead more

    নইলে কিন্তু আড়ি

    কবি – অপূর্ব দত্ত

    সকাল বেলা ঘুম ভেঙেছে
    মা বললো শুনো,
    বাসি মুখে একশো থেকে এক অব্দি গুনো।

    নয়টা নাগাদ খেলতে যাব,
    বাবা ডাকলো বুবাই
    আবুধাবির রাজধানী কি
    মাস্কাট না দুবাই?

    স্কুলে গেছি
    ইংরেজি স্যার হেঁকে বললেন এ ইউ,
    কেলিডোস্কুপ লেখতে গেলে কে লাগে না কিউ?

    খেলতে গেছি
    ছোটন আবার প্রথম বলেই আউট
    আম্পায়ারটা বলল ওটা বেনিফিট অব ডাউট।

    সন্ধ্যাবেলা সে কি লড়াই
    গদ্য এবং পদ্যে
    এমন কপাল,
    লোডশেডিং হয় না মাঝেমধ্যে।

    এত জনের সঙ্গে আমি একলা লড়তে পারি
    ও দাদু ভাই বিচার করো নইলে কিন্তু আড়ি।

    See less