Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
বনলতা সেন কবিতার সারমর্ম ও বিষয়বস্তু | bonolota sen poem explanation in bengali
বনলতা সেন কবিতার সারাংশ ও মূলভাব সারাংশ - অনেক আবেগ আকাঙ্ক্ষা আকুলতা নিয়ে অন্বেষায় স্বপ্ন যখন ক্লান্ত, পথকে মনে হয়েছে দূরপ্রসারী, জীবনের চারিদিকে সফেন সমুদ্র উদবেল হয়ে উঠছে কিন্তু হাঁটার শেষ হয়নি – সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগর পর্যন্ত — বিম্বিসার অশােকের ধূসর জগৎ পেরিয়ে সুদূরRead more
বনলতা সেন কবিতার সারাংশ ও মূলভাব
সারাংশ –
অনেক আবেগ আকাঙ্ক্ষা আকুলতা নিয়ে অন্বেষায় স্বপ্ন যখন ক্লান্ত, পথকে মনে হয়েছে দূরপ্রসারী, জীবনের চারিদিকে সফেন সমুদ্র উদবেল হয়ে উঠছে কিন্তু হাঁটার শেষ হয়নি – সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগর পর্যন্ত — বিম্বিসার অশােকের ধূসর জগৎ পেরিয়ে সুদূর বিদর্ভ নগরে হালভাঙা দিশেহারা নাবিকের কল্প জগতের সন্ধানে, এমনই সময় মিলেছে দুদণ্ডের শান্তি – ‘পাখির নীড়ের মতাে চোখ তুলে বলেছে সে এতদিন কোথায় ছিলেন ? আতপ্ত হৃদয় অবশেষে দিনের শেষে, সন্ধ্যা নামে জোনাকি জ্বলে, সেই অন্ধকারে সব কাজ সেরে মুখােমুখি বসবার অবকাশ পায়।
প্রসঙ্গ ব্যাখ্যাঃ
হাজার বছর ধরে পথ হাঁটিতেছি – হাজার বছর ধরে কোনাে মানুষের পক্ষে পথ হাঁটা সম্ভব নয়, তথাপি এ শব্দ গুচ্ছের ব্যঞ্জনায় সুদূর অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত ব্যাপ্ত অন্তহীন পরিক্রমা বােঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে। এটি বাস্তবের সত্য নয়, কবির অনুভবের সত্য। জীবনের সফেন সমুদ্র মন্থন করতে করতে এই অনন্ত যাত্রার জন্যই ক্লান্ত প্রাণ দুদণ্ডের শান্তি প্রত্যাশা করে। অন্বিষ্ট সেই অধরা ভাবের যদি মূর্ত প্রত্যক্ষ রূপ হয় বনলতা সেন, তার পক্ষেই সে শান্তির আশ্রয় দেওয়া সম্ভব।
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক — ক্লান্তি ও মৃত্যুচেতনা জীবনানন্দের মতাে এ যুগের অনেক আধুনিক কবির অন্যতম প্রধান সুর। এই চেতনা অবশ্য সব সময় দৈহিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জাগ্রত হয়নি। যুগের বন্ধ্যা রূপ, অচরিতার্থ জীবনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই এর উৎসার। রবীন্দ্র-কবিভাবনায় রােমান্টিক হৃদয়াবেগ মানসী, মানসসুন্দরীর ভাব ব্যঞ্জনায় প্রকাশিত হত। আধুনিক কবিরা বস্তুবিশ্বে, ভাব ব্যঞ্জনার পরিবর্তে সব কিছুকেই শরীরী করতে চেয়েছেন, তাই জীবনানন্দও তাঁর কাব্যে প্রধানত বাস্তব সূত্রকে অবলম্বন করে তাকে প্রকাশ করেছেন। অন্তহীন পথ চলার শেষ নেই, তথাপি ক্লান্ত দেহমন-এর ভারাক্রান্ত রূপটি এ ছত্রে প্রকাশ পেয়েছে।
আমারে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছেন নাটোরের বনলতা সেন
অধ্যাপিকা সুমিতা চক্রবর্তী- -এর ব্যাখ্যায় বলেছেন—“বিশেষ লক্ষ্য করতে হবে ‘দু-দণ্ড’ শব্দ বন্ধ। এই শান্তি ক্ষণকালীন, কারণ মানুষের যাত্রাপথে আশ্রয়, শান্তি ও স্থিতির ধ্রুব আশ্বাস নিয়ে কোনাে বনলতা সেনের আবির্ভাব ঘটেনি। ইতিহাসের কোনাে কোনাে সিদ্ধ লগ্নে চকিত-উদ্ভাসে হঠাৎ কখনও দেখা যায় তাকে, যেমন কবি দেখেছিলেন তাঁর বিশ্বাসী কৈশােরে, নাটোরের কোনাে এক বসন্তের ভােরে।”
সব পাখি ঘরে আসে – সব নদী ফুরায় – এ-জীবনের সব লেনদেন—সব নদী’ শব্দ যুগের সংকেত একটু ব্যাখ্যাসাপেক্ষ। দিনান্তে পাখির ঘরে ফেরা, তার শান্তি নীড়ে ফেরা। নদী ফুরায় জীবনের লেনদেন – অংশটির তাৎপর্য হল নদী ও মানুষের জীবন বস্তুত একটি প্রবহমান ধারা – জীবনের লেনদেন মিটিয়ে যেমন মানুষের জীবনাবসান, নদীও তার উৎস থেকে নিরন্তর চলার পর সে মহাসমুদ্রে তার চলার অবসান হয় অর্থাৎ সমুদ্রে লীন হয়ে নদী তার নিজস্বতা হারায়। মানুষও তার জীবনের সমস্ত কর্ম অবসানে, জীবনের সমস্ত দেনাপাওনা সেরে, নীল মৃত্যু উজাগর অন্ধকারে বিলীন হয়।
See lessবনলতা সেন কবিতার সারাংশ ও মূলভাব | bonolota sen kobita summary in bengali
বনলতা সেন কবিতার সারাংশ ও মূলভাব সারাংশ - অনেক আবেগ আকাঙ্ক্ষা আকুলতা নিয়ে অন্বেষায় স্বপ্ন যখন ক্লান্ত, পথকে মনে হয়েছে দূরপ্রসারী, জীবনের চারিদিকে সফেন সমুদ্র উদবেল হয়ে উঠছে কিন্তু হাঁটার শেষ হয়নি – সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগর পর্যন্ত — বিম্বিসার অশােকের ধূসর জগৎ পেরিয়ে সুদূরRead more
বনলতা সেন কবিতার সারাংশ ও মূলভাব
সারাংশ –
অনেক আবেগ আকাঙ্ক্ষা আকুলতা নিয়ে অন্বেষায় স্বপ্ন যখন ক্লান্ত, পথকে মনে হয়েছে দূরপ্রসারী, জীবনের চারিদিকে সফেন সমুদ্র উদবেল হয়ে উঠছে কিন্তু হাঁটার শেষ হয়নি – সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগর পর্যন্ত — বিম্বিসার অশােকের ধূসর জগৎ পেরিয়ে সুদূর বিদর্ভ নগরে হালভাঙা দিশেহারা নাবিকের কল্প জগতের সন্ধানে, এমনই সময় মিলেছে দুদণ্ডের শান্তি – ‘পাখির নীড়ের মতাে চোখ তুলে বলেছে সে এতদিন কোথায় ছিলেন ? আতপ্ত হৃদয় অবশেষে দিনের শেষে, সন্ধ্যা নামে জোনাকি জ্বলে, সেই অন্ধকারে সব কাজ সেরে মুখােমুখি বসবার অবকাশ পায়।
প্রসঙ্গ ব্যাখ্যাঃ
হাজার বছর ধরে পথ হাঁটিতেছি – হাজার বছর ধরে কোনাে মানুষের পক্ষে পথ হাঁটা সম্ভব নয়, তথাপি এ শব্দ গুচ্ছের ব্যঞ্জনায় সুদূর অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত ব্যাপ্ত অন্তহীন পরিক্রমা বােঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে। এটি বাস্তবের সত্য নয়, কবির অনুভবের সত্য। জীবনের সফেন সমুদ্র মন্থন করতে করতে এই অনন্ত যাত্রার জন্যই ক্লান্ত প্রাণ দুদণ্ডের শান্তি প্রত্যাশা করে। অন্বিষ্ট সেই অধরা ভাবের যদি মূর্ত প্রত্যক্ষ রূপ হয় বনলতা সেন, তার পক্ষেই সে শান্তির আশ্রয় দেওয়া সম্ভব।
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক — ক্লান্তি ও মৃত্যুচেতনা জীবনানন্দের মতাে এ যুগের অনেক আধুনিক কবির অন্যতম প্রধান সুর। এই চেতনা অবশ্য সব সময় দৈহিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জাগ্রত হয়নি। যুগের বন্ধ্যা রূপ, অচরিতার্থ জীবনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই এর উৎসার। রবীন্দ্র-কবিভাবনায় রােমান্টিক হৃদয়াবেগ মানসী, মানসসুন্দরীর ভাব ব্যঞ্জনায় প্রকাশিত হত। আধুনিক কবিরা বস্তুবিশ্বে, ভাব ব্যঞ্জনার পরিবর্তে সব কিছুকেই শরীরী করতে চেয়েছেন, তাই জীবনানন্দও তাঁর কাব্যে প্রধানত বাস্তব সূত্রকে অবলম্বন করে তাকে প্রকাশ করেছেন। অন্তহীন পথ চলার শেষ নেই, তথাপি ক্লান্ত দেহমন-এর ভারাক্রান্ত রূপটি এ ছত্রে প্রকাশ পেয়েছে।
আমারে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছেন নাটোরের বনলতা সেন
অধ্যাপিকা সুমিতা চক্রবর্তী- -এর ব্যাখ্যায় বলেছেন—“বিশেষ লক্ষ্য করতে হবে ‘দু-দণ্ড’ শব্দ বন্ধ। এই শান্তি ক্ষণকালীন, কারণ মানুষের যাত্রাপথে আশ্রয়, শান্তি ও স্থিতির ধ্রুব আশ্বাস নিয়ে কোনাে বনলতা সেনের আবির্ভাব ঘটেনি। ইতিহাসের কোনাে কোনাে সিদ্ধ লগ্নে চকিত-উদ্ভাসে হঠাৎ কখনও দেখা যায় তাকে, যেমন কবি দেখেছিলেন তাঁর বিশ্বাসী কৈশােরে, নাটোরের কোনাে এক বসন্তের ভােরে।”
সব পাখি ঘরে আসে – সব নদী ফুরায় – এ-জীবনের সব লেনদেন—সব নদী’ শব্দ যুগের সংকেত একটু ব্যাখ্যাসাপেক্ষ। দিনান্তে পাখির ঘরে ফেরা, তার শান্তি নীড়ে ফেরা। নদী ফুরায় জীবনের লেনদেন – অংশটির তাৎপর্য হল নদী ও মানুষের জীবন বস্তুত একটি প্রবহমান ধারা – জীবনের লেনদেন মিটিয়ে যেমন মানুষের জীবনাবসান, নদীও তার উৎস থেকে নিরন্তর চলার পর সে মহাসমুদ্রে তার চলার অবসান হয় অর্থাৎ সমুদ্রে লীন হয়ে নদী তার নিজস্বতা হারায়। মানুষও তার জীবনের সমস্ত কর্ম অবসানে, জীবনের সমস্ত দেনাপাওনা সেরে, নীল মৃত্যু উজাগর অন্ধকারে বিলীন হয়।
See lessযতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত দুঃখবাদী কবি বলা হয় কেন?
যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত দুঃখবাদী কবি: আধুনিক সময়ের জটিলতা এবং যুগযন্ত্রণা থেকে মানুষের মধ্যে তৈরি হয় গভীর হতাশার বােধ। আনন্দ বা আশা নয়, মানুষের জীবনের মর্মে রয়েছে দুঃখ ও নিরাশা, এই বিশিষ্ট মনােভঙ্গিকেই 'দুঃখবাদ' আখ্যা দেওয়া যেতে পারে। কবি যতীন্দ্রনাথ এই অর্থেই দুঃখবাদী। তাঁর কাব্যগ্রন্থের 'মরুমায়Read more
যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত দুঃখবাদী কবি:
আধুনিক সময়ের জটিলতা এবং যুগযন্ত্রণা থেকে মানুষের মধ্যে তৈরি হয় গভীর হতাশার বােধ। আনন্দ বা আশা নয়, মানুষের জীবনের মর্মে রয়েছে দুঃখ ও নিরাশা, এই বিশিষ্ট মনােভঙ্গিকেই ‘দুঃখবাদ’ আখ্যা দেওয়া যেতে পারে। কবি যতীন্দ্রনাথ এই অর্থেই দুঃখবাদী। তাঁর কাব্যগ্রন্থের ‘মরুমায়া’, ‘মরীচিকা’, ‘মরুশিখা’, ‘সায়ম’, ‘ত্রিযামা’ প্রভৃতি নামকরণ থেকেও এর প্রমান পাওয়া যায়।
উদাহরণ হিসাবে যদি তাঁর হাট কবিতাকে ধরি তাহলে এখানেও আমরা তাঁর দুঃখবাদী মনোভাবের প্রকাশ দেখতে পাই।জীবন নৈর্বক্তিক ও নিষ্ঠুর, ন্যায়নীতি বা দয়া, প্রেম, করুণার স্থান সেখানে নেই। হাটে যেমন ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সম্পর্ক কেবলই ব্যবসায়িক, কেবলই লাভ-লােকসানের, আমাদের ব্যক্তিগত জীবনেও লাভের প্রত্যাশা ও স্বার্থবােধ সেভাবেই যাবতীয় সম্পর্ককে আবিল করে তােলে। দিনের কর্মব্যস্ত হাট এবং রাতের জনমানবহীন হাটের দুটি ছবির বৈপরীত্যের মতাে মানুষের জীবনেও দুপ্ত ও উচ্ছল যৌবনের পর নেমে আসে নিরালা ও মৃত্যু-সমাচ্ছন্ন অন্ধকার।
See lessবন্দে মাতরম (বঙ্কিমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়) Vande Mataram lyrics in Bengali?
বন্দে মাতরম বঙ্কিমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রন্থ: আনন্দমঠ বন্দে মাতরম্ ৷ সুজলাং সুফলাং মলয়জশীতলাম্ শস্যশ্যামলাং মাতরম্ ! Mother, I praise thee! Rich with thy hurrying streams, bright with orchard gleams, Cool with thy winds of delight, Dark fields waving Mother of might, Mother free. শুভ্র-জ্যোত্স্নাRead more
বন্দে মাতরম
বঙ্কিমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
গ্রন্থ: আনন্দমঠ
বন্দে মাতরম্ ৷
সুজলাং সুফলাং
মলয়জশীতলাম্
শস্যশ্যামলাং
মাতরম্ !
শুভ্র-জ্যোত্স্না-পুলকিত-যামিনীম্
ফুল্লকুসুমিত-দ্রুমদলশোভিনীম্,
সুহাসিনীং সুমধুরভাষিণীম্
সুখদাং বরদাং মাতরম্ ৷৷
সপ্তকোটীকন্ঠ-কল-কল-নিনাদকরালে,
দ্বিসপ্তকোটীভুজৈধৃতখরকরবালে,
অবলা কেন মা এত বলে !
বহুবলধারিণীং
নমামি তরিণীং
রিপুদলবারিণীং
মাতরম্ ৷
তুমি বিদ্যা তুমি ধর্ম্ম
তুমি হৃদি তুমি মর্ম্ম
ত্বং হি প্রাণাঃ শরীরে ৷
বাহুতে তুমি মা শক্তি,
হৃদয়ে তুমি মা ভক্তি,
তোমারই প্রতিমা গড়ি মন্দিরে মন্দিরে ৷
ত্বং হি দুর্গা দশপ্রহরণধারিণী
কমলা কমল-দলবিহারিণী
বাণী বিদ্যাদায়িণী
নমামি ত্বাং
নমামি কমলাম্
অমলাং অতুলাম্,
সুজলাং সুফলাং
মাতরম্
বন্দে মাতরম্
See lessশ্যামলাং সরলাং
সুস্মিতাং ভূষিতাম্
ধরণীং ভরণীম্
মাতরম্ ৷
এসো হে বৈশাখ এসো এসো | Esho He Boishakh Lyrics in Bengali
এসো হে বৈশাখ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পর্যায়: প্রকৃতি রাগ: ইমনকল্যাণ তাল: কাহারবা রচনাকাল : ৪ মার্চ, ১৯২৭ এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। তাপসনিঃশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক যাক। এসো এসো... এসো হে বৈশাখ, এসো এসো এসো হে বৈশাখ, এসো এসো যাক পুরাতন স্মRead more
এসো হে বৈশাখ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
পর্যায়: প্রকৃতি
রাগ: ইমনকল্যাণ
তাল: কাহারবা
রচনাকাল : ৪ মার্চ, ১৯২৭
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো।
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো।
তাপসনিঃশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক যাক।
এসো এসো…
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো
যাক পুরাতন স্মৃতি
যাক ভুলে যাওয়া গীতি
যাক অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক
যাক যাক
এসো এসো…
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো
মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা,
অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা।
মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা,
অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা।
রসের আবেশ রাশি, শুষ্ক করি দাও আসি।
আনো আনো, আনো তব প্রলয়ের শাঁখ।
আনো আনো, আনো তব প্রলয়ের শাঁখ।
মায়ার কুঁজঝটি জাল যাক দূরে, যাক যাক যাক।
এসো এসো…
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো
শব্দার্থঃ
See lessপর্চা কাকে বলে? Porcha meaning in Bengali?
পর্চা: ভূমি জরিপের সময় চূড়ান্ত খতিয়ান (Document for identifying land) প্রস্তত করার পূর্বে খসড়া খতিয়ানের একটি অনুলিপি (rough copy) ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয়, তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এবং এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ অফিসার দ্বারা সত্যায়ন অর্থাৎ verify হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি না থাকে তাহলে তাRead more
পর্চা:
ভূমি জরিপের সময় চূড়ান্ত খতিয়ান (Document for identifying land) প্রস্তত করার পূর্বে খসড়া খতিয়ানের একটি অনুলিপি (rough copy) ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয়, তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এবং এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ অফিসার দ্বারা সত্যায়ন অর্থাৎ verify হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি না থাকে তাহলে তা শোনানির মাধ্যমে খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর এই চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলা হয়।
See lessধন ধান্য পুষ্প ভরা (দ্বিজেন্দ্রলাল রায়) dhono dhanne pushpe bhora lyrics in bengali?
ধনধান্য পুষ্প ভরা দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ধন ধান্য পুষ্প ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা, তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা, ও সে যে স্বপ্ন দিয়ে তৈরী সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরা। এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি, সেযে আমার জন্মভূমি, সেযে আমার জন্মভূমি। চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারRead more
ধনধান্য পুষ্প ভরা
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ধন ধান্য পুষ্প ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা,
তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা,
ও সে যে স্বপ্ন দিয়ে তৈরী সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরা।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি,
সেযে আমার জন্মভূমি, সেযে আমার জন্মভূমি।
চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা, কোথায় উজল এমন ধারা,
কোথায় এমন খেলে তড়িৎ, এমন কালো মেঘে,
ও তার পাখির ডাকে ঘুমিয়ে পড়ে পাখির ডাকে জেগে।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি,
সেযে আমার জন্মভূমি, সেযে আমার জন্মভূমি।
এতো স্নিগ্ধ নদী কাহার, কোথায় এমন ধূম্র পাহাড়,
কোথায় এমন হরিৎ ক্ষেত্র আকাশ তলে মেশে,
এমন ধানের উপর ঢেউ খেলে যায়, বাতাস কাহার দেশে।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি,
সেযে আমার জন্মভূমি, সেযে আমার জন্মভূমি।
পুষ্পে পুষ্পে ভরা শাখী, কুঞ্জে কুঞ্জে গাহে পাখি,
গুঞ্জরিয়া আসে অলি, পুঞ্জে পুঞ্জে ধেয়ে,
তারা ফুলের উপর ঘুমিয়ে পড়ে ফুলের মধু খেয়ে।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি,
সেযে আমার জন্মভূমি, সেযে আমার জন্মভূমি।
ভাইয়ের মায়ের এতো স্নেহ, কোথায় গেলে পাবে কেহ,
ও মা তোমার চরণ দুটি বক্ষে আমার ধরি,
আমার এই দেশেতে জন্ম যেন এই দেশেতে মরি।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি,
সেযে আমার জন্মভূমি, সেযে আমার জন্মভূমি
English Transliteration:
Dhono dhanne pushpe bhora amader ei bashundhora
Tahar majhe ache desh ek shokol desher shera
O-shey shopno diye toiri she desh sriti diye ghera
Emon deshti kothao khuje pabe nako tumi
Sokol desher rani she je, amar janmobhumi
Se je aamar janmabhumi
Chandro shurjo groho tara, kothay ujol emon dhara
Kothay emon khale torit emon kalo meghe
O tar pakhir dake ghumiye pori pakhir dake jege
Emon deshti kothao khuje pabe nako tumi
Sokol desher rani she je, amar janmobhumi
Se je aamar janmabhumi
Eto snigdho nodi kahar, Kuthay emon dhumro pahar
Kuthay emon horit-khetro akash tole meshe
Emon dhaner upor dheu khele jay batash kahar deshe
Emon deshti kothao khuje pabe nako tumi
Sokol desher rani she je, amar janmobhumi
Se je aamar janmabhumi
Pushpe pushpe bhora shakhi, kunje kunje gahe pakhi
Gunjoriya ashe oli, punje punje dheye,
Tara fuler upor ghumiye pore fuler madhu kheye
Emon dhaner upor dheu khele jay batash kahar deshe
Emon deshti kothao khuje pabe nako tumi
Sokol desher rani she je, amar janmobhumi
Se je aamar janmabhumi
Bhaier Mayer eto sneho, Kuthay gele pabe keho,
O ma Tomar choron duti bokkhe amar dhori,
Amar ei deshete jonmo jeno ei deshete mori
Emon deshti kothao khuje pabe nako tumi
Sokol desher rani she je, amar janmobhumi
Se je aamar janmabhumi
See lessকবিতাঃ কারার ঐ লৌহ-কপাট | Karar oi louho kopat Lyrics
কারার ঐ লৌহ-কপাট কবি: কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যগ্রন্থ : ভাঙার গান ১ কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল, কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। ওরে ও তরুণ ঈশান! বাজা তোর প্রলয় বিষাণ! ধ্বংস নিশান উড়ুক প্রাচীর প্রাচীর ভেদি। ২ গাজনের বাজনা বাজা! কে মালিক? কে সে রাজা? কে দেয় সাজা মুক্ত স্বাধীন সত্যকে রে?Read more
কারার ঐ লৌহ-কপাট
কবি: কাজী নজরুল ইসলাম
কাব্যগ্রন্থ : ভাঙার গান
১
কারার ঐ লৌহকপাট,
ভেঙ্গে ফেল, কর রে লোপাট,
রক্ত-জমাট
শিকল পূজার পাষাণ-বেদী।
ওরে ও তরুণ ঈশান!
বাজা তোর প্রলয় বিষাণ!
ধ্বংস নিশান
উড়ুক প্রাচীর প্রাচীর ভেদি।
২
গাজনের বাজনা বাজা!
কে মালিক? কে সে রাজা?
কে দেয় সাজা
মুক্ত স্বাধীন সত্যকে রে?
হা হা হা পায় যে হাসি,
ভগবান পরবে ফাঁসি!
সর্বনাশী
শিখায় এ হীন তথ্য কে রে!
৩
ওরে ও পাগলা ভোলা!
দে রে দে প্রলয় দোলা
গারদগুলা
জোরসে ধরে হেচ্কা টানে!
মার হাঁক হায়দারী হাঁক,
কাধে নে দুন্দুভি ঢাক
ডাক ওরে ডাক,
মৃত্যুকে ডাক জীবন পানে!
৪
নাচে ওই কালবোশাখী,
কাটাবী কাল বসে কি?
দে রে দেখি
ভীম কারার ঐ ভিত্তি নাড়ি!
লাথি মার, ভাঙ্গরে তালা!
যত সব বন্দী শালায়-
আগুন-জ্বালা,
-জ্বালা, ফেল উপাড়ি।
English Transliteration:
Karar oi louho kopat
Kazi Nazrul Islam
Karar oi louho kopat
Venge fel, ko re lopat,
Rokto jomat
Shikol pujar pashan-bedi
Ore o tarun ishan
Baja tor proloy bishan
Dhongsho nishan
Uruk prachir prachir vedi
Gajoner bajna baja
Ke Malik? Ke se Raja?
Ke dey shaja
Mukto shadhin shotto ke re
Ha ha ha pay je hashi
Bhogoban porbe fashi
Sorbonashi
Shikay e hino tatyo ke re!
Ore o pagla bhola
De re de proloy dola
Garodgula
Jorse dhore hechka tane
Mar hak haydari hak
Kadhe ne dundhubhi dhak
Dak ore dak
Mrityuke dak jibon pane!
Nache oi kalboishakhi,
See lessKatabi kal boshe ki?
De re dekhi
Bhim karar Oi vitti nari
Lathi mar, Bhangre tala!
Joto shob bondi shalay-
Aagun-jala
Jala, Fel upari.
সূর্য এর সমার্থক শব্দ কি? Bengali synonyms of sun?
সূর্য এর সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দঃ ভানু, রবি, তপন, ভাস্কর, সবিতা, দিবাকর, দিনমণি, দিননাথ, অরুণ, বিভাবসু, বিভাকর, আদিত্য, অর্ক, প্রভাবকর, মিহির, পুষা, চিত্রাভানু, অর্ঘমা, বিবস্বান,হরিদশ্ব, কিরণমালী, উষাপতি, দিনেশ, দিবাবসু বিভাবসু, ময়ূখমালী ভানু - সূর্যের অপর নাম ভানু। রবি - আজ রবির কিরণ খুবই জ্বালামRead more
সূর্য এর সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দঃ
ভানু, রবি, তপন, ভাস্কর, সবিতা, দিবাকর, দিনমণি, দিননাথ, অরুণ, বিভাবসু, বিভাকর, আদিত্য, অর্ক, প্রভাবকর, মিহির, পুষা, চিত্রাভানু, অর্ঘমা, বিবস্বান,হরিদশ্ব, কিরণমালী, উষাপতি, দিনেশ, দিবাবসু
বিভাবসু, ময়ূখমালী
ভানু – সূর্যের অপর নাম ভানু।
See lessরবি – আজ রবির কিরণ খুবই জ্বালাময়ী
তপন – তপনের তাপে পৃথিবী একাকার।
দিবাকর – দিবাকর উদিত হইয়া দিনের ঘোষণা করিল।
রচনা : আমার প্রিয় খেলা ব্যাডমিন্টন | Amar Priyo Khela Badminton Essay in Bengali
আমার প্রিয় খেলা ব্যাডমিন্টন ভূমিকাঃ আমাদের সবার জীবনে খেলাধুলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খেলাধুলা আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে সুস্থ রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে। ভারত সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নানা ধরণের খেলাধুলার রয়েছে, যেমন ক্রিকেট, ফুটবল, খো খো, টেনিস ইত্যাদি। প্রত্যেকে মানুষের নিজস্ব পছন্দের কোনোRead more
আমার প্রিয় খেলা ব্যাডমিন্টন
ভূমিকাঃ আমাদের সবার জীবনে খেলাধুলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খেলাধুলা আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে সুস্থ রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে। ভারত সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নানা ধরণের খেলাধুলার রয়েছে, যেমন ক্রিকেট, ফুটবল, খো খো, টেনিস ইত্যাদি। প্রত্যেকে মানুষের নিজস্ব পছন্দের কোনো না কোনো খেলা রয়েছে।একইভাবে, আমার প্রিয় খেলা ব্যাডমিন্টন।
ব্যাডমিন্টন খেলার ইতিহাসঃ ইতিহাস ঘাটলে জানা যায় যে ১৯ শতকের প্রথমে এই খেলাটি সর্বপ্রথম বৃটেনে আরম্ব হয়। জানা যায় ব্যাডমিন্টন ইংল্যান্ডের ডিউক অফ বিউফোর্টের বাড়ীতে প্রথম খেলা হয়। তবে এই খেলায় তখন কর্ক এর পরিবর্তে বল ব্যবহার করা হত। পরবর্তীকালে এর জন্য বিভিন্ন নিয়ম প্রণালী ঠিক করা হয়। আমাদের দেশ ভারতবর্ষ ১৯৩৬ সালে এই খেলায় প্রথম যোগদান করে।
ব্যাডমিন্টন খেলার মাঠ ও সরঞ্জামঃ ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য একটি আয়তকার মাঠের দরকার হয়। মাঠের মোট দৈর্ঘ ৪৪ ফুট বা ১৩.৪ মিঃ লম্বা থাকে এবং প্রস্থ ২০ ফুট বা ৬.১ মিঃ লম্বা হয়। মাঠটি একটি জাল বা (Net) দ্বারা সমভাগে দুইটি ভাগ করা থাকে।জালটি দুইপাশ দুইটি খুঁটি বা (post) এর সাহায্যে ঝুলানো থাকে।জালটির উচ্চতা মাটি থেকে ১.৫৫ মিঃ উঁচু হয় । সরঞ্জাম এর ক্ষেত্রে একটি র্যাকেট এবং একটি কর্ক এর দরকার হয়, যেগুলির ওজন খুবই হালকা থাকে।
খেলার নিয়মাবলীঃ ব্যাডমিন্টন সাধারণত দুইজন করে প্রতিপক্ষের মধ্যে অনুষ্টিত হয়। অর্থাৎ মাঠের দুইপাশে দুই-দুই জন খেলোয়াড় থাকে। আবার কখনো একজন করেও প্রতিপক্ষের মধ্যেও অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাডমিন্টন খেলায় টেনিস এর মত পয়েন্টের সাহায্যে হার-জিত নির্ণয় করা হয়। এই খেলায় ছয়টি প্রধান শট রয়েছে, সেইগুলি হলো পরিবেশন বা সার্ভ , ক্লিয়ার, ড্রপ করুন, স্ম্যাশ, ব্যাকহ্যান্ড ড্রাইভ এবং ফোরহ্যান্ড ড্রাইভ।
আমার প্রিয় খেলা হওয়ার কারণঃ ব্যাডমিন্টন আমার প্রিয় খেলা কারণ ইহা আমাকে সারা দিন সক্রিয় থাকতে সাহায্য করে । ব্যাডমিন্টন খেলতে গতি, শক্তি এবং সঠিক নিশানার প্রয়োজন। তাই শারীরিক ও মানষিক চর্চার জন্য ব্যাডমিন্টন একটি অত্যন্ত উপযোগী খেলা যা সুস্থ রাখতে সাহায্য করে । তাই আমি যখন আমার বন্ধুদের সাথে ব্যাডমিন্টন খেলি, তখন আমি নিজেকে সারা দিন ধরে সতেজ ও শক্তিশালী বোধ করি।শরীর চর্চায় উপযোগী হওয়া ছাড়াও ব্যাডমিন্টন একটি উপভোগ্য খেলা, খেলাতে খেলোয়াড়দের মধ্যে পয়েন্ট অর্জন করার লড়াই আর উত্তেজনা খেলাটিকে আকর্ষণীয় করে তোলে ।
ভারতবর্ষে ব্যাডমিন্টনঃ বর্তমানে ভারতবর্ষে ব্যাডমিন্টন একটি জনপ্রিয় খেলায় পরিনত হয়েছে। বিশেষকরে শহরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে খেলার জন্য বড় মাঠের অভাব থাকার দরুন সবাই ইহা পছন্দ করে কারন ইহা বড় একটি ঘরের ভিতরেও খেলা যায়। তাছাড়া আন্তরজাতিক স্থরে অনেক খেলোয়াড় পেশাগত ভাবে ভারতের হয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছেন। ২০১৬ সালে প্রথম ভারতের হয়ে পি ভি সিদ্ধু অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করে সিলভার পদক অর্জন করেন।
উপসংহারঃ ব্যাডমিন্টন শুধুমাত্র একটি আনন্দদায়ক খেলা নয় বরং ইহা শারীরিক ও মানসিক চর্চার জন্য খুবই উপযোগী একটি খেলা। যাহা আমাদেরকে সতেজ ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তাই আমি ব্যাডমিন্টন খেলতে ভালোবাসি।
See less