
| কাব্যগ্রন্থ | প্রকাশিত সাল | বিবরণ |
|---|---|---|
| কবিকাহিনী | ১৮৭৮ | তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ; এটি খণ্ডকাব্য আকারে রচিত। |
| বনফুল | ১৮৮০ | প্রাকৃতিক দৃশ্য ও প্রেমের অনুভূতির মিশেল। |
| বিভাবরী | ১৮৮১ | সূক্ষ্ম অনুভূতির কাব্য। |
| রুদ্রচণ্ডী | ১৮৮৪ | শক্তি ও ধর্মীয় ভাবনার মিশেল। |
| প্রভাত সংগীত | ১৮৮৩ | ভোরের সৌন্দর্য এবং প্রার্থনার মিশ্রণ। |
| সন্ধ্যা সংগীত | ১৮৮২ | সন্ধ্যার নির্জনতা ও আধ্যাত্মিক ভাবনাকে কেন্দ্র করে। |
| বিচিত্রা | ১৮৮৬ | বিচিত্র বিষয়ের কাব্যসঙ্কলন। |
| মালিনী | ১৮৯৬ | নাট্যকাব্য; ধর্মীয় ও নৈতিক দ্বন্দ্বের উপস্থাপন। |
| ছবিচিত্র | ১৮৯৬ | বিভিন্ন রচনার সংকলন। |
| সোনার তরী | ১৮৯৪ | গভীর আধ্যাত্মিক ভাবনায় রচিত কাব্যগ্রন্থ। |
| চিত্রা | ১৮৯৬ | মহাভারতের চরিত্র অবলম্বনে রচিত নাট্যকাব্য। |
| কথা ও কাহিনী | ১৯০০ | গল্পনির্ভর কাব্য; আখ্যান ও কাব্যের সংমিশ্রণ। |
| কলিমা | ১৯০১ | আধ্যাত্মিকতা ও সমাজভাবনার কাব্য। |
| নৈবেদ্য | ১৯০১ | ভক্তিমূলক কবিতা। |
| গীতাঞ্জলি | ১৯১০ | ভক্তিমূলক ও আধ্যাত্মিক কবিতা; এই বইয়ের জন্য তিনি নোবেল পান (১৯১৩)। |
| গীতিমাল্য | ১৯১৪ | প্রেম, প্রকৃতি ও ভক্তির কবিতা। |
| গল্পগুচ্ছ | ১৯১২ | যদিও এটি কবিতার বই নয়, তবুও মাঝে মাঝে ভুলক্রমে তালিকায় আসতে পারে। |
| গীতাঞ্জলি (ইংরেজি অনুবাদ) | ১৯১২ | নিজেই অনুবাদ করেন; নোবেল পুরস্কার অর্জনে সহায়ক। |
| বলাকা | ১৯১৬ | গতি, কল্পনা ও প্রকৃতির ছন্দময় প্রকাশ। |
| পূরবী | ১৯২৫ | আবেগ, প্রকৃতি ও জাগতিক চেতনার মিশ্রণ। |
| পত্রপুট | ১৯৩৬ | জীবন ও মৃত্যুর গভীর দার্শনিক ভাবনা। |
| শ্যামলী | ১৯৩৬ | প্রকৃতি ও অন্তর্মুখী আবেগের মেলবন্ধন। |
| পত্রলেখা | ১৯৩৬ | কবিতা ও গদ্যের সংমিশ্রণ। |
| জন্মদিন | ১৯৪১ | জীবনের শেষ পর্বের উপলব্ধি প্রকাশ। |
Leave a comment