থ্রম্বোসাইটোসিস: রক্তের রক্তকোষগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়ঃ লোহিত রক্তকণিকা - ইরাথ্রোসাইট শ্বেত রক্তকণিকা - লিউকোসাইট অণুচক্রিকা - থ্রম্বোসাইট - অতিক্ষুদ্র অনিয়মিত আকারের কোষ যার ব্যাস ২-৩ µm হয় তাহাকে অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট বা প্লেটলেট বলা হয়। - রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা বেড়ে গেলে তাহকে বলে থRead more
থ্রম্বোসাইটোসিস:
রক্তের রক্তকোষগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়ঃ
লোহিত রক্তকণিকা – ইরাথ্রোসাইট
শ্বেত রক্তকণিকা – লিউকোসাইট
অণুচক্রিকা – থ্রম্বোসাইট
– অতিক্ষুদ্র অনিয়মিত আকারের কোষ যার ব্যাস ২-৩ µm হয় তাহাকে অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট বা প্লেটলেট বলা হয়।
– রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা বেড়ে গেলে তাহকে বলে থ্রম্বোসাইটোসিস (Thrombocytosis)
– আবার রক্তে অণুচক্রিকা কমে গেলে তাহাকে বলে থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া
– আর যদি অণুচক্রিকার স্বাভাবিক কাজ বাধাগ্রস্ত হলে তাহাকে বলে থ্রম্বোস্টেনিয়া
– অণুচক্রিকার যে কোন অস্বাভাবিকতা বা রোগকে থ্রম্বোসাইটোপ্যাথি বলা হয়।
See less
দশটি দিকের নাম : প্রধান চারিটি দিক ১। পূর্ব- East, ২। পশ্চিম- West, ৩। উত্তর- North, ৪। দক্ষিণ- South, অতিরিক্ত বা সংযোজিত ছয়টি দিক- ৫। ঈশাণ বা উত্তর-পূর্ব - North-East, ৬। অগ্নি বা দক্ষিণ-পূর্ব - South-East, ৭। নৈঋত বা দক্ষিণ-পশ্চিম - South-West, ৮। বায়ু বা উত্তর-পশ্চিম - North-West, ৯। উর্দ্Read more
দশটি দিকের নাম :
প্রধান চারিটি দিক
১। পূর্ব- East,
২। পশ্চিম- West,
৩। উত্তর- North,
৪। দক্ষিণ- South,
অতিরিক্ত বা সংযোজিত ছয়টি দিক-
See less৫। ঈশাণ বা উত্তর-পূর্ব – North-East,
৬। অগ্নি বা দক্ষিণ-পূর্ব – South-East,
৭। নৈঋত বা দক্ষিণ-পশ্চিম – South-West,
৮। বায়ু বা উত্তর-পশ্চিম – North-West,
৯। উর্দ্ধ বা আকাশ – Upward,
১০। অধঃ বা পাতাল – Downward.