Sign Up

Continue with Google
or use


Have an account? Sign In Now

Sign In

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.


Have an account? Sign In Now

Sorry, you do not have permission to ask a question, You must login to ask a question.

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Need An Account, Sign Up Here

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Bengali Forum Logo Bengali Forum Logo
Sign InSign Up

Bengali Forum

Bengali Forum Navigation

  • বিষয়
  • ব্লগ
  • হযবরল
Search
Ask A Question

Mobile menu

Close
Ask A Question
  • বাংলা অভিধান
  • সাহিত্য
  • শিক্ষা
  • রচনা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • ইংলিশ টু বাংলা
  • বিজ্ঞান
  • বাংলা কুইজ
  • ধৰ্ম ও সংস্কৃতি
  • ইতিহাস
  • মতামত

Tag: বাংলা রচনা

গুরুত্বপূর্ণ বাংলা রচনার (Bangla Rachana) এক সংকলন।এখানে পাবেন প্রাইমারী থকে শুরু করে হাই স্কুল পর্যন্ত পরীক্ষায় আসা বিভিন্ন বিষয়ের উপর রচনা।

Bengali Forum Latest Questions

In: শিক্ষা

দেশ ভ্রমণ প্রবন্ধ | Desh bhraman rochona in Bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 25, 2020 at 3:34 am

    দেশভ্রমণ শিক্ষার অঙ্গ। অথবা দেশভ্রমণের উপযােগিতা ভূমিকা: ঘরকুনাে সংসারী মানুষ যে নেশার টানে ঘরছাড়া হয়, তারই নাম ভ্রমণ।সংকীর্ণ সীমার মধ্যে বাস করে মানুষের মন যখন হাঁপিয়ে উঠে, তখনই সে চায়। উন্মুক্ত প্রকৃতির প্রভাব সহজাত এই উন্মুক্ত বিশ্ব প্রকৃতির অনন্ত সৌন্দর্য-সুধা পান করতে। অজানাকে জানা, অদেখাকেRead more

    দেশভ্রমণ শিক্ষার অঙ্গ। অথবা দেশভ্রমণের উপযােগিতা

    ভূমিকা: ঘরকুনাে সংসারী মানুষ যে নেশার টানে ঘরছাড়া হয়, তারই নাম ভ্রমণ।সংকীর্ণ সীমার মধ্যে বাস করে মানুষের মন যখন হাঁপিয়ে উঠে, তখনই সে চায়। উন্মুক্ত প্রকৃতির প্রভাব সহজাত এই উন্মুক্ত বিশ্ব প্রকৃতির অনন্ত সৌন্দর্য-সুধা পান করতে। অজানাকে জানা, অদেখাকে দেখা, অচেনাকে চেনা মানুষের সহজাত প্রবণতা। আর এই প্রবণতাই মানুষকে ঠেলে নিয়ে চলেছে অরণ্য পথে, তুষারাচ্ছন্ন মেরু প্রদেশ, সমুদ্রতীর, মরু প্রান্তর আর পর্বত শৃঙ্গে।

    পথ চলা আনন্দের উৎস : সদরের পিয়াসি মানুষ পথ চলতেই আনন্দ পায়। মানুষের মন চিরচঞ্চল সে মনে একট সাড়া পেলেই তাকে ঘরে বেঁধে রাখা দায়।
    “ভোজনং যত্রতত্র শয়নং হট্ট মন্দিরে”
    বহুদক সন্ন্যাসীর মতাে ওই মন্ত্র নিয়ে শুধুই পথ চলা। আর থেমে থাকা নয়, সীমার গণ্ডি পেরিয়ে অসীমের দিকে কেবলই- “হেথা নয়, অন্য কোথা অন্য কোনাে খানে।” ভ্রমণ সাহিত্য গুলি আমাদের অমূল্য সম্পদ। ভ্রমণ যারা করেছেন, তাদের বিবরণ পড়ে মন যেন তাদের পিছু পিছু ভ্রমণ করে বেড়ায়। কর্মক্লান্ত জীবনকে মুক্তি বা আনন্দ দেওয়ার জন্য যে ভ্রমণ, আধুনিক যুগেই তার সুত্রপাত হয়েছে।

    শিক্ষা লাভের অঙ্গ : ভ্রমণ শুধু নিছক ঘুরে বেড়ানুই নয়। ছাত্র ছাত্রীদের পক্ষে ভ্রমণের গুরুত্ব অপরিসীম। বিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তক হতে আমরা যে শিক্ষা লাভ করি, তাতে প্রত্যক্ষ জ্ঞান লাভ হয় না। আমরা ভুগােলে নানা দেশের কথা পড়ি। কত বিচিত্র দেশ বিচিত্র তার অধিবাসী, আরও বিচিত্র তার রীতিনীতি আর জীবনযাত্রা প্রণালী। তাছাড়া সুউচ্চ পর্বতের কথা, ধু-ধু মরুভূমির কথা, সাগরের অনন্ত জলরাশির কথা শুধু বইয়ে পড়ে সঠিক ভাবে জ্ঞান লাভ হয় না। প্রকৃতির বাণী কান পেতে শুনতে হলে প্রকৃতির পাশটিতে গিয়ে বসা চাই। পূর্ণ শিক্ষা লাভের জন্য তাই ভ্রমণ একান্ত জরুরি। দুঃখের বিষয় হল, আমাদের দেশে এখনও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ভ্রমণের তেমন সুব্যবস্থা নেই। অথচ বিদেশে পৃথিবীর উন্নত দেশসমুহে দেশভ্রমণকে শিক্ষার অঙ্গ হিসাবেই গণ্য করা হয়।

    দেশভ্রমণ না করার কুফল : স্বদেশে ক্ষুদ্রগণ্ডীর মধ্যে চিরকাল আবদ্ধ থাকলে আমাদের মন সাধারণতঃ সংকীর্ণ হয়ে পড়ে। এর ফলে ক্ষুদ্র স্বার্থ নিয়ে আমরা দলাদলি ও হানাহানি করি। পল্লীবাসীদের কুপমণ্ডুকতাই এর প্রধান কারণ। যারা অনেক দেশভ্রমণ করেছে তাদের মন উদার হয়, মনে সংকীর্ণতা থাকে না। তাই নানা জাতির সংস্পর্শে থাকার ফলে গ্রামের লােকের চাইতে শহরের লােকের উদারতা বেশি। দেশভ্রমণের ফলে মানুষ মাত্রেই বুঝতে পারে যে, পরস্পরের সঙ্গে যােগসূত্র না থাকলে নিজেকেই অসহায় করা হয়। দেশভ্রমণ অপরিহার্য। পাশ্চাত্য মহাদেশের উন্নত দেশগুলি আধুনিক বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে কৃষিকার্যে কীভাবে উন্নতি লাভ করছে, যন্ত্র শিল্পের প্রতিষ্ঠা করে কীভাবে অন্যান্য দেশের বাজার হস্তগত করছে, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্বন্ধ কাভাবে স্থাপন করছে, দেশভ্রমণের দ্বারাই এসব বিষয়ে প্রত্যক্ষ জ্ঞান সঞ্চয় করা যায়। কোথায় কোন প্রয়ােজনীয় জিনিস সুলভে প্রচুর পাওয়া যায়, কোথায় কোন জিনিসের চাহিদা বেশি, দেশভ্রমণের ফলে তাও বিশেষ ভাবে জানতে পারা যায়।

    অভিজ্ঞতা ও সৌন্দর্য বােধের প্রসার : মানুষ সৌন্দর্যের পুজারি। দেশ ভ্রুমণের ফলে সৌন্দর্যবােধ সঞ্চারিত হয়। জীবনের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান ভাণডার সমৃদ্ধ হয়। প্রকৃতির নব নব সুন্দর্য দর্শন করে মানুষের রস পিপাসু মন পরিতৃপ্ত হয় । দেশ ভ্রমণের আনন্দ মনকে উন্নত ও বিকশিত করতে সাহায্য করে। ঘুরতে ঘুরতে পথ থেকে সে কুড়িয়ে যে জ্ঞান সঞ্চয় করে তার মূল্য কেতাবি বিদ্যার চেয়ে অনেক মূল্যবান হয় ।

    দেশ ভ্রমণ, প্রাচীন ও আধুনিক যুগে : দেশ ভ্রমণ মানব সভ্যতার প্রাচীনতম প্রবৃত্তি। এজন্য বহু লোকের মধ্যে একটা আজন্ম ভবঘুরে প্রবৃত্তি চোখে পড়ে।মানুষ যখন ঘর বেঁধে চাষবাস করতে শেখেনি, তখন সে এক স্থান হতে অন্যস্থানে ঘুরে মানুষ বেড়াত।একশতাব্দী পূর্বেও মানুষ ভ্রমণ করেছে বহু কষ্ট স্বীকার করে, ফা-হিয়ান, ইবন বতুতা প্রভৃতি পরিব্রাজকগণ অপর দেশের শিক্ষা, সভ্যতা, ধর্ম প্রভৃতি জানবার আগ্রহে ভারতে এসেছিলেন। তাদের ভ্রমণ কাহিনি হতে প্রাচীন ভারতের বিবরণ পাওয়া যায়।কলম্বাস, ভাস্কো-ডা-গামা, মঙ্গোপাঙন এর মতন ভ্রমণকারীদের দ্বারা পৃথিবীর বহু অজ্ঞাত স্থান আবিষ্কৃত হয়েছে। আজ কাল অনেক দুর্গম স্থানে ও ভ্রমণার্থীদের যাওয়া ও থাকা খাওয়ার সবন্দোবস্ত করা হয়েছে। দেশভ্রমণ আজ অনেকের কাছেই একটা নেশা বা পরিণত হয়েছে। শীতে,গ্রীষ্মে বা পুজোর ছুটিতে আজ দলে দলে মানুষ বেরিয়ে পড়ে ঘর ছেড়ে।

    উপসংহার : ভ্রমণ সত্যিই সুখের। আজকাল ভ্রমণের সঙ্গে পর্যটন শিল্পের বিষয়টিও জড়িয়ে আছে। নিজ দেশে দেশি ও বিদেশি ভ্রমণার্থীদের আকৃষ্ট করতে পারলে জাতীয় ভাণ্ডারে অনেক বিদেশি মুদ্রা অর্জন সম্ভব হয়।বিগত দিনের তুলনায় আজ ভ্রমণ ক্রমশই বাড়ছে, এটা সুখবর, সন্দেহ নেই। দেশে দেশে মানুষের যাতায়াত যত বাড়বে, তত বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে মেলামেশা, তাদের সভ্যতা সংস্কৃতি, পরিচয় সম্পর্কে আদান প্রদান সম্ভব হবে। আন্তর্জাতিক শান্তি স্থাপনের দূত হিসেবে ভ্রমণার্থীরাই সবচেয়ে উপযুক্ত। দেশভ্রমণের এটিও একটি মস্ত উপযােগিতা বলা যেতে পারে।

    See less
      • 0
  • 1
  • 19,868
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

সংবাদ পত্র রচনা | songbad potro rochona in bengali?

  1. Prakash
    Prakash
    Added an answer on December 22, 2019 at 12:03 am
    This answer was edited.

    সংবাদপত্র ভূমিকা : অজানাকে জানার বাসনা, দূরকে কাছে পাবার আকাঙ্ক্ষা আগের কালের মানুষের যেমন ছিল আধুনিক কালের মানুষেরও ঠিক তেমনটি আছে। মানব জীবনে জানবার এই উগ্র আকাঙ্ক্ষা থেকেই আবিষ্কৃত হয়েছে সংবাদপত্রের।। সারা পৃথিবীর জ্ঞাতব্য সংবাদ বহন করে একখানি সংবাদপত্র প্রতিদিন ভোরবেলা যখন আমাদের দরজায় হাতির হRead more

    সংবাদপত্র

    ভূমিকা : অজানাকে জানার বাসনা, দূরকে কাছে পাবার আকাঙ্ক্ষা
    আগের কালের মানুষের যেমন ছিল আধুনিক কালের মানুষেরও ঠিক তেমনটি আছে।
    মানব জীবনে জানবার এই উগ্র আকাঙ্ক্ষা থেকেই আবিষ্কৃত হয়েছে সংবাদপত্রের।।
    সারা পৃথিবীর জ্ঞাতব্য সংবাদ বহন করে একখানি সংবাদপত্র প্রতিদিন ভোরবেলা যখন
    আমাদের দরজায় হাতির হয় তখন আনন্দে মনটি ভরে উঠে। অথচ এমন একদিন
    ছিল, যখন সংবাদপত্র বলে কোন কিছুই ছিল না। সভ্যতার ক্রম বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে
    অন্যান্য বহু জিনিসের মতাে সংবাদ পত্রও মানুষ সৃষ্টি করেছে। অতি অল্প মূল্যে এরূপ
    একটি প্রয়োজনীয় বস্তু লাভ আধুনিক সভ্যতার একটি শ্রেষ্ঠ দান।

    সংবাদপত্রের শক্তি ও তার সীমারেখা : বর্তমানকালের জীবন যাত্রায়
    সংবাদপত্রের অতি গভীর ও সুদূর প্রসারী প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। সংবাদপত্র মানুষের
    কচি, রাজনীতির পরিবর্তনে সহায়তা করে, জনমত সৃষ্টি করতে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ
    করে। শাসকদলের জনস্বার্থ বিরোধী নীতির কঠোর সমালোচনা করে। যে সব সামাজিক
    ব্যবস্থা মানুষকে সুস্থ সহজ-সরল জীবন যাপন করতে বাধা দান করে, সংবাদপত্র তার
    ভল, দোষত্রুটি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে তুলে ধরে সংশােধনের আশায়। যেখানেই
    মনুষ্যত্বের অবমাননা, যেখানেই অন্যায়-অবিচার, শোষণ, বঞ্চনা, সেখানেই সংবাদপত্র
    বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সংবাদপত্র দেশের রাষ্ট্র কাঠামোর পরিবর্তন করে দিতে
    পারে, স্বৈরাচারী অপশাসনের সমাধিক্ষেত্র রচনা করতে পারে।

    সংবাদপত্রের প্রথম ও আধুনিক যুগের রূপের মধ্যে পার্থক্য : সংবাদপত্রের
    নাম থেকে বুঝা যায় যে, প্রথম যুগে এর কাজ ছিল শুধু সংবাদ প্রচার করা। কিন্তু
    বর্তমান যুগে সংবাদপত্রের আরও অনেক ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানযুগে রাজনীতি,
    অর্থনীতি, ধর্মনীতি, সাহিত্য, দর্শন ও শিক্ষা বিষয়ক নানা সুচিন্তিত মতামত সংবাদপত্রের
    আলোচ্য বিষয়। তাছাড়া খেলাধুলা, যুদ্ধ-বিগ্রহ, সিনেমা, থিয়েটার, মামলা-মােকদ্দমা,
    কর্মখালি, বাড়িভাড়া, পাত্র-পাত্রী, মারধাের, মৃত্যু সংবাদ প্রভৃতি দ্বারা সংবাদপত্র পূর্ণ।
    থাকে। কাজেই সকল শ্রেণির লােকই এসব খবর জানতে সংবাদপত্রের দিকে হা করে
    তাকিয়ে থাকে।

    সংবাদপত্রের প্রথম প্রচলন : কোন দেশে সংবাদ পত্র প্রথম প্রচলন হয়।
    তা সঠিকভাবে বলা কঠিন তবে যতটুকু জানা যায়, চীনদেশে নাকি প্রথম সংবাদপত্র
    প্রচলন হয়েছিল। আমাদের দেশে মােগল আমলে শাসনকার্য পরিচালনার জন্য একপ্রকার
    হাতে লেখা সংবাদপত্র বের হয়েছিল। এটি উচ্চ পদস্ত কর্মচারীরাই পড়তেন। সাধারণ
    লােকেরা পড়তে পাইত না। ইংরাজ আমলে ভারত গভর্ণমেন্ট ‘দি ইণ্ডিয়া গেজেট নামে সংবাদপত্র প্রথম প্রচার করেন। শ্রীরামপুরের মিশনারীগণ সমাচার দর্পণ নামে
    সংবাদপত্র বাংলা ভাষায় প্রথম প্রচার করেন। এখন দেশের সব সংবাদপত্রের ছড়াছড়ি।
    দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক ইত্যাদি নানা সময়ের নিয়মিত ব্যবধানেই সংবাদ
    পত্র প্রকাশিত হয়ে চলেছে।
    জনমত গঠন ও সংবাদপত্র :- সংবাদপত্র জনমত গঠনে কতখানি সাহায্য
    করে সেটি বিতর্কিত বিষয়। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যায় গণমাধ্যম তথা সংবাদপত্র
    জনমতকে প্রতিফলিত করে। নানান মত ও অভিমতের সংঘর্ষে সংবাদপত্র পাঠকের
    ব্যক্তিগত মত ও আদর্শকে অনেক সময় পরিবর্তিত করে থাকে। বিশেষ করে রাজনৈতিক
    ও সামাজিক ক্ষেত্রে জনসাধারণের অভিমত ঐক্য সূত্রে গ্রথিত হয়ে ক্রমশ আন্দোলনের
    কে গ্রহণ করে। সংবাদ পত্র যে যথার্থ জনমত গঠনে সমর্থ ইতিহাসে তার বহু নজির
    আছে। আমাদের দেশে কুখ্যাত সতীদাহ প্রথার বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ জনমত গঠিত হয়েছিল।
    তৎকালীন সংবাদপত্র গুলোর মাধ্যমে।

    সমাজ শিক্ষা ও ব্যবসা বাণিজ্যে সংবাদপত্রের ভূমিকা : সংবাদপত্র শুধু
    জনমত গঠনই করে না, এটি সমাজ নিয়ন্ত্রণে, শিক্ষা বিস্তারে এবং ব্যবসা বাণিজ্যের
    ক্ষেত্রে যথেষ্ট দায়িত্ব পালন করে। বিচ্ছিন্নতাবাদ রাধে, পণপ্রথা বন্ধ করার ক্ষেত্রে,
    শিশু শ্রমিক নিয়ােগ, বস্তি উচ্ছেদ ইত্যাদি নানা সামাজিক ত্রুটির বিরুদ্ধে কঠোর সমালােচনা
    করে তার সুস্থ সমাধানের পথ দেখিয়ে দেয়।
    | সংবাদপত্রের সঙ্গে বিজ্ঞাপনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। পণ্য উৎপাদনকারীরা
    সংবাদ পত্রে তাদের উৎপাদিত দ্রব্যের গুণাগুণ বর্ণনা করে সংবাদ পত্রে বিজ্ঞাপন দেয়।
    এর ফলে ক্রেতা বিভিন্ন দ্রব্যের ব্যবহার সম্পর্কে অবহিত হয়।

    চিকিৎসা বিষয়ে সংবাদ পত্র সাধারণ মানুষকে অনেক পরিমাণে সাহায্য করে।
    থাকে। বলতে গেলে সমগ্র বিশ্বের জ্ঞান ভান্ডার পরিশোধিত করে সংবাদপত্র মানুষের।
    হাতের কাছে এনে দিতে সমর্থ হয়েছে।

    সংবাদপত্রের অপকারিতা ; কোন কোন সময় সংবাদ পত্র তার গুরুত্বপূর্ণ।
    ভূমিকার কথা বেমালুম ভুলে গিয়ে রাজনৈতিক মুখপত্র পরিণত হয়। কখনো আবার
    সরকারের চাপে নিরপেক্ষ মতামত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে।

    অনেক সময় দেখা যায় ব্যক্তি স্বার্থ বা অতিরিক্ত মুনাফার লোভে সংবাদপত্রগুলি
    অশ্লীল বিজ্ঞাপন প্রকাশ ও কুৎসা প্রচারে মুখর হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষের মানসিক
    দুর্বলতাকে পুঁজি করে এরা সমাজের ক্ষতি সাধন করতে থাকে। এর ফলে নিস্পাপ
    শিশু মনে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়, যুবকগণ বিপথগামী হয়। সংবাদপত্রের কাছে আমরা
    নির্ভীক নিরপেক্ষ তথ্যই আশা করি। কিন্তু দলীয় স্বার্থে অথবা ব্যক্তি স্বার্থের খাতিরে
    তারা সংবাদকে বিকৃত করে অথবা বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করে। এটি দেশ ও
    দশের কাছে অমার্জনীয় অপরাধ। মানুষকে বিপথে পরিচালিত করা সংবাদপত্রের কাজ
    নয়।

    উপসংহার : সংবাদপত্র জনমত গঠনের অন্যতম অস্ত্র বিশেষ। এই শক্তিকে সতেজ ও সজীব রাখতে হলে সংবাদপত্রকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এবং নির্ভীক
    হতে হবে। সরকার দল এবং স্বার্থান্বেষী চক্রান্ত থেকে কি করতে হবে মুক্ত।
    জনগণের কাছে সত্যের যথার্থ রূপ উদঘাটন করে তাদের সঠিক পথে চালিত।
    করার গুরু দায়িত্ব ভার গ্রহণ করাই হবে সংবাদপত্রের প্রধান কর্তব্য। সংবাদপত্র।
    যেদিন রাহুগ্রাস মুক্ত হয়ে দেশের ও দশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবে সেদিন দেশও আবার গৌরবের আসনে প্রতিষ্ঠিত হতে সক্ষম হবে ।

    See less
      • 2
  • 1
  • 19,062
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

ছাত্রজীবন এবং তার দায়িত্ব ও কর্তব্য | Chatro Jibon Bangla Rochona?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 7, 2020 at 10:54 pm

    ছাত্রজীবন এবং তার দায়িত্ব ও কর্তব্য ভূমিকা : আজ যারা ছাত্র, আগামীকাল তারা দেশের নাগরিক। কাজেই দেশের ভালাে-মন্দ ভবিষ্যৎ নিরূপিত হয় ছাত্র সমাজের জীবন ও চরিত্র গঠন, শিক্ষা দীক্ষা, রুচি-প্রকৃতি এবং কর্মপন্থা প্রভৃতির উপর। সতরাং মানব জীবনের গুরুত্ব পূণ। সময়ই হলাে ছাত্র জীবন। এই সময়কে কর্ম জীবনের উদ্যোRead more

    ছাত্রজীবন এবং তার দায়িত্ব ও কর্তব্য

    ভূমিকা : আজ যারা ছাত্র, আগামীকাল তারা দেশের নাগরিক। কাজেই
    দেশের ভালাে-মন্দ ভবিষ্যৎ নিরূপিত হয় ছাত্র সমাজের জীবন ও চরিত্র গঠন, শিক্ষা
    দীক্ষা, রুচি-প্রকৃতি এবং কর্মপন্থা প্রভৃতির উপর। সতরাং মানব জীবনের গুরুত্ব পূণ।
    সময়ই হলাে ছাত্র জীবন। এই সময়কে কর্ম জীবনের উদ্যোগ-পর্ব বলেও ধরা যেতে
    পারে।

    ছাত্র জীবন ; বিদ্যারম্ভের সময় হতে শিক্ষা সমাপ্তির কাল পর্যন্ত কালকে
    ছাত্র জীবন বলা হয়। এই সময়সীমায় বর্তমান শিক্ষাক্রমে চারটি স্তর আছে। প্রাথমিক
    শিক্ষা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত। এর সময়সীমা এক থেকে নয় বছর পর্যন্ত। দ্বিতীয় স্তর হল
    মাধ্যমিক শিক্ষা। এই স্তরে দশ-এগারাে বছর বয়সে শিক্ষা আরম্ভ আর পনের-যােল
    বছর বয়সে দশম শ্রেণীতে শিক্ষা-সমাপ্তি। তৃতীয় স্তর – উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা। এই স্তরে
    শিক্ষাথীকে দুই বছর শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়। চতৰ্থ স্তর – উচ্চ শিক্ষা বা কলেজ
    ইউনিভারসিটির শিক্ষা। এই স্তরে উনিশ-কুড়ি বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষার্থীকে কলেজীয়
    বা স্নাতক শ্রেণির শিক্ষাক্রম এবং একশ-বাইশ বছর বয়স পর্যন্ত স্নাতকোত্তর
    শিক্ষাক্রম গ্রহণ করতে হয়।

    ছাত্র-জীবন অনুশীলন-পর্ব : অধ্যয়ন ছাত্রদের তপস্যা। “ছাত্রানং অধ্যয়নং
    তপঃ।” সর্ব স্তরেই ছাত্রদের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য জ্ঞান অর্জন, অধ্যয়ন ও অনুশীলন।
    এ সময়ে সংযম, সহিষ্ণতা,ত্যাগ, সেবা প্রভৃতি মহৎ মূল্যবােধগুলিরও আহরণের উপযুক্ত
    সময়। একদিকে শিক্ষাচর্চা অন্যদিকে শিল্পিত স্বভাব ও সুদৃঢ় চরিত্র সংগঠনের উপযুক্ত
    প্রভৃতি কাল ছাত্রজীবন।

    প্রাচীন ভারতের ছাত্র জীবন : প্রাচীন ভারতে ছাত্রগণ গুরুগৃহে বাস করে
    অধ্যয়ন করত। গুরুকে কোন বেতন দিতে হতাে না।বরং গুরুই ছাত্রদের থাকা
    খাওয়ার ব্যবস্থা করতেন। ছাত্ররা শুরুর সেবা ও গৃহের কাজ কর্ম করে অবসর সময়ে
    পড়া-শুনা করত। ছাত্রদেরকে কঠোর ব্রহ্মচর্যের মধ্যদিয়ে জ্ঞান লাভ করতে হত।
    ব্রহ্মচর্যের কঠোর নিয়মে সকল প্রকার ভোগ বিলাসিতা ত্যাগ করে গুরুর কাছ থেকে
    লাভ করত সর্বশাস্ত্রের পূর্ণ জ্ঞান। সমস্ত সমাজের তখন মূল ভিত্তি ছিল গুরুকুলবাসী
    ছাত্র-সমাজ।

    দায়িত্ব-কর্তব্য ও চরিত্র গঠন শিক্ষা : একথা স্বীকার করতে হয় যে, শিশুর
    পক্ষে শিক্ষার অপরিহার্যতা ও চরিত্র গঠনের উপযোগিতা উপলব্ধি করা কঠিন ব্যাপার।।
    কাজে প্রথমাবস্থায় শিক্ষায় ও চরিত্র গঠনে মনোযোগী করে তোলার দায়িত্ব পিতামাতা।
    এবং শিক্ষকের। তারপর যখন শিশু কৈশােরকালে উপনীত হয় তখন হতে শিক্ষা ও
    চরিত্র গঠনে ছাত্রকে কিছুটা স্বনির্ভর হওয়া দরকার। যথা – পরিমিত বিদ্যাভ্যাস,
    খেলাধুলা, ভ্রমণ, দেহ ও মনের বলিষ্ঠ বিকাশ সাধনে নিজেকে যত্নবান হতে হবে। নিয়ম
    শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা প্রভৃতি বিষয়ে সচেতন হতে হবে। সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা,ক্ষমা,
    উদারতা প্রভৃতি চারিত্রিক গুণাবলী শিক্ষা জীবনে অর্জন করতে হবে। মনে রাখা
    ভাল, চরিত্রহীন বিদ্যাশিক্ষা লােক সমাজে কোন মূল্যই বহন করে না। চরিত্র এমন একটি সম্পদ যা একবার অধঃ পতিত হলে বিশাল সম্পদের বিনিময়েও তা পুনরুদ্ধার
    করা যায় না।

    ভবিষ্যৎ নাগরিক হওয়ার শিক্ষা : এগুলি ছাড়া ছাত্র ছাত্রীদের যে বিষয়ে
    সচেতন হওয়া দরকার তা হলাে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে
    গড়ে তুলা। ছাত্র পাঠ্যগ্রন্থ বহুতর অনুসরণীয় আদর্শের কথা পাঠ করে, মনীবী
    মহাপুরুষদের জীবন কথা, তাদের ত্যাগ ও কর্তব্য নিষ্ঠার কথা জানতে পারে। এসব
    আদর্শ নিজেদের জীবনে রূপায়িত করার দায়িত্ব কিন্তু ছাত্রদেরই। এ ভাবেই একজন
    ছাত্র ভবিষ্যতে একজন পূর্ণাঙ্গ সামাজিক মানুষ ও নাগরিক হয়ে উঠতে পারবে।

    সেবাধর্মঃ ছাত্রসমাজ নিজেদের জীবনে শিক্ষার মূল্য উপলব্ধি করতে পারে,
    তাই আশা করা যায় তারা দেশের অশিক্ষিত মানুষদের শিক্ষিত করে তুলতে অগ্রণী
    ভূমিকা পালন করবে। নিজ নিজ পল্লীতে নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন করে বয়স্ক ও দরিদ্রদের
    মধ্যে শিক্ষার আলাে বিতরণ করে দেশের ও দশের কল্যাণ সাধন করবে। তাছাড়া
    রোগীর সেবা ও দরিদ্রের সাহায্য ইত্যাদি কাজের ভারও ছাত্রদের কাঁধে তুলে নেওয়া
    দরকার। কারণ সেবা ধর্ম অতি পবিত্র ধর্ম।

    উপসংহার : অল্প কথায়, ছাত্রজীবন গঠন-পর্ব। ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনের
    প্রধান লক্ষ্য বিদ্যাভ্যাস ও জ্ঞান চর্চা। এ সবের সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্য চর্চা, চরিত্র গঠন,
    অধ্যবসায় ও অধায়নও পাশাপাশি চলবে। কূপমণ্ডুকতা ছাত্রজীবনেও মারাত্মক অভিশাপ।
    সুস্থ স্বাস্থ্য, মুক্ত জ্ঞান, মুক্ত দৃষ্টি, আনন্দোল পরমায়ু – এসবই ছাত্রের দরকার।
    ভবিষ্যতের সুখী কর্মঠ জ্ঞানী – বিবেকবান নাগরিক তারাই। মনে রাখতে হবে দেশ
    একটি মানচিত্র সম্মত ভূখণ্ড নয় কেবল, দেশ বহু জ্ঞানী-গুণী কর্মী, শিল্পী, ভাবুক কবি,
    সমাজসেবী রাজনীতিক প্রকৃতির লীলাভূমি – রম্য বাসস্থান।

    See less
      • 1
  • 5
  • 31,856
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

হোলি নিয়ে রচনা | essay on holi in bengali language?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 11, 2020 at 11:38 pm
    This answer was edited.

    হোলি বা দোল উৎসব  সুচনাঃ- হোলি বা দোল  রঙের উৎসব প্রায়ই সারা ভারত জুড়ে পালিত হয়। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারী বা মার্চ মাসে পূর্ণিমাতে ফাগুন পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রতিবছর হোলির উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনে মানুষ তাদের সব সমস্যা ভুলে,নতুন রঙে  এবং নতুন ভাবে তাদের সম্পর্ক শক্তিশালীRead more

    হোলি বা দোল উৎসব 

    সুচনাঃ-
    হোলি বা দোল  রঙের উৎসব প্রায়ই সারা ভারত জুড়ে পালিত হয়। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারী বা মার্চ মাসে পূর্ণিমাতে ফাগুন পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রতিবছর হোলির উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনে মানুষ তাদের সব সমস্যা ভুলে,নতুন রঙে  এবং নতুন ভাবে তাদের সম্পর্ক শক্তিশালী করে তোলে। এই উৎসব মানুষের মধ্যে ভালবাসা বাড়ায়। এই দিনটি ঐতিহ্যবাহী ও সাংস্কৃতিক উৎসব, এই উৎসব শুধু হিন্দুদের উৎসব নয় এই উৎসব সর্বজনীন।

    দোল উৎসব নিয়ে কুইজ দেখুন এখানে

    হোলি রং এবং প্রেমের উত্সব। প্রতিবছর হিন্দুদের দ্বারা উদযাপন করা একটি বড় উৎসব। এই দিনে প্রেম ও স্নেহের প্রতীক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বিভিন্ন ধর্ম স্থান তথা রাম জন্মভূমি, কৃষ্ণ জন্মভূমি এই দিনে বিশেষ ভাবে পালিত হয়।

    হোলি উৎসবে সমাজের ভুমিকাঃ- 

    হোলি উৎসব ভারতে প্রতি অঞ্চলে সুখের রঙ আনে, আনে প্রতিটি বাড়িতে, এই উৎসব সুখের রঙ দেয়, তাই এই উৎসব কে রং উৎসব বলা হয়। যেমন প্রকৃতি তার আলো, বায়ু, জল, সমস্ত জীবকে কোনও পার্থক্য ছাড়াই বিতরণ করে। অনুরূপভাবে, হোলির রংগুলি এমন কোনো বৈষম্য ছাড়াই সমস্ত জীবকুলে  খেলা করে। আবীরের রঙে রঙিন রং সব রঙিন হয়ে যায়। সমাজের সব জীবকুলে এমনকি সমস্ত জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে এই রং সবারে মধ্যে ছরিয়ে পরে বন্ধুত্ব বৃদ্ধি করতে। তাই হোলি এক সমতা বৃদ্ধি, ও বন্ধুত্ব বৃদ্ধি করার উৎসব।

    মথুরা এবং বৃন্দাবনে হোলি উদযাপন মথুরা এবং বৃন্দাবনে হোলি উৎসবঃ

    মথুরা এবং বৃন্দাবন পবিত্র স্থান যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সারা বছর ধরে এই পবিত্র জায়গায় দেশ বিদেশ থেকে পর্যটক ঘুরতে আসে। কিন্তু এই সময় দোল যাত্রার সময় প্রচুর মানুষ এই পবিত্র স্থানে ঘুরতে আসে। মথুরা ও বৃন্দাবনে হোলি উৎসব বিখ্যাত এই দিন আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করা হয়, সাত দিন ধরে এই সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলে। রাধা-কৃষ্ণকে নিয়ে লিলা খেলার নৃত্য হয়। জাত্রাপালার মাধ্যমে রাধা-কৃষ্ণর লিলা খেলা তুলে ধরা হয় নতুন প্রজন্মের কাছে। রামায়নের চরিত্র এই সময় তুলে ধরা হয়। বিভিন্ন প্রকারের খাবার, নৃত্য নতুন পোশাক রং মাখা গোটা শহর কিছুটা অন্য রকম। হাসি-খুশিতে কেটে যায় এই সাতদিন। আর এই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করার জন্য এই দিনে মানুষ ভারতের অন্যান্য শহর থেকে মথুরা এবং বৃন্দাবনে আসে।

    হোলির গুরুত্ব হোলির ও তাৎপর্য :

    এই উৎসব অনেক অনুষ্টানের মাধ্যমে পালন করা হয়, পরিবারের সব সদস্য এবং আত্মীয় একসাথে হোলিকা পুড়িয়ে দেয় এবং হোলি দিবসের পালন করে। এই হোলিকার মৃত্যু এবং প্রতিবছর সে উপলক্ষে হোলিকা পুড়ান হোলির রং খেলার সঙ্গে জরিত।কেউ কেউ মনে করে যে  হিরণ্যকশিপ রাজার বোন হোলিকার নাম থেকেই হোলি নাম হয়েছিল ।

    উপসংহারঃ-

    হোলি প্রেম এবং পারস্পরিক মিলনের একটি উৎসব যা একতা ক্রমাগত বৃদ্ধি করে। সবাই হাসে, এবং প্রত্যেক মানুষ হোলির রং পায়। পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের রং এ মিলে মিশে যায়। মানুষ সবার সাথে সুখ -শান্তি ভোগ করে নেয়। হোলি একটি পবিত্র ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে যুক্ত সুখের উৎসবের পাশাপাশি একটি সামাজিক উৎসব ও বটে । আসুন সবাই একসঙ্গে এই উৎসবের মর্যাদা রাখি এবং আনন্দে এই উৎসব উদযাপন করি। সুখশান্তি সবাই মিলে ভাগ করে নেই এবং হোলির রঙ্গে সবাই রঙ্গিন হই।

    See less
      • 0
  • 1
  • 14,346
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

দোল উৎসব রচনা | dol utsav paragraph in bengali?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 23, 2020 at 9:55 pm
    This answer was edited.

    হোলি বা দোল উৎসব সুচনাঃ- হোলি বা দোল রঙের উৎসব প্রায়ই সারা ভারত জুড়ে পালিত হয়। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারী বা মার্চ মাসে পূর্ণিমাতে ফাগুন পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রতিবছর হোলির উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনে মানুষ তাদের সব সমস্যা ভুলে,নতুন রঙে এবং নতুন ভাবে তাদের সম্পর্ক শক্তিশালী করRead more

    হোলি বা দোল উৎসব

    সুচনাঃ-

    হোলি বা দোল রঙের উৎসব প্রায়ই সারা ভারত জুড়ে পালিত হয়। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারী বা মার্চ মাসে পূর্ণিমাতে ফাগুন পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রতিবছর হোলির উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনে মানুষ তাদের সব সমস্যা ভুলে,নতুন রঙে এবং নতুন ভাবে তাদের সম্পর্ক শক্তিশালী করে তোলে। এই উৎসব মানুষের মধ্যে ভালবাসা বাড়ায়। এই দিনটি ঐতিহ্যবাহী ও সাংস্কৃতিক উৎসব, এই উৎসব শুধু হিন্দুদের উৎসব নয় এই উৎসব সর্বজনীন।

    দোল উৎসব নিয়ে কুইজ দেখুন এখানে

    হোলি রং এবং প্রেমের উত্সব : প্রতিবছর হিন্দুদের দ্বারা উদযাপন করা একটি বড় উৎসব। এই দিনে প্রেম ও স্নেহের প্রতীক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বিভিন্ন ধর্ম স্থান তথা রাম জন্মভূমি, কৃষ্ণ জন্মভূমি এই দিনে বিশেষ ভাবে পালিত হয়।

    হোলি উৎসবে সমাজের ভুমিকাঃ– হোলি উৎসব ভারতে প্রতি অঞ্চলে সুখের রঙ আনে, আনে প্রতিটি বাড়িতে, এই উৎসব সুখের রঙ দেয়, তাই এই উৎসব কে রং উৎসব বলা হয়। যেমন প্রকৃতি তার আলো, বায়ু, জল, সমস্ত জীবকে কোনও পার্থক্য ছাড়াই বিতরণ করে। অনুরূপভাবে, হোলির রংগুলি এমন কোনো বৈষম্য ছাড়াই সমস্ত জীবকুলে খেলা করে। আবীরের রঙে রঙিন রং সব রঙিন হয়ে যায়। সমাজের সব জীবকুলে এমনকি সমস্ত জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে এই রং সবারে মধ্যে ছরিয়ে পরে বন্ধুত্ব বৃদ্ধি করতে। তাই হোলি এক সমতা বৃদ্ধি, ও বন্ধুত্ব বৃদ্ধি করার উৎসব।

    মথুরা এবং বৃন্দাবনে হোলি উদযাপন মথুরা এবং বৃন্দাবনে হোলি উৎসবঃ

    মথুরা এবং বৃন্দাবন পবিত্র স্থান যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সারা বছর ধরে এই পবিত্র জায়গায় দেশ বিদেশ থেকে পর্যটক ঘুরতে আসে। কিন্তু এই সময় দোল যাত্রার সময় প্রচুর মানুষ এই পবিত্র স্থানে ঘুরতে আসে। মথুরা ও বৃন্দাবনে হোলি উৎসব বিখ্যাত এই দিন আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করা হয়, সাত দিন ধরে এই সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলে। রাধা-কৃষ্ণকে নিয়ে লিলা খেলার নৃত্য হয়। জাত্রাপালার মাধ্যমে রাধা-কৃষ্ণর লিলা খেলা তুলে ধরা হয় নতুন প্রজন্মের কাছে। রামায়নের চরিত্র এই সময় তুলে ধরা হয়। বিভিন্ন প্রকারের খাবার, নৃত্য নতুন পোশাক রং মাখা গোটা শহর কিছুটা অন্য রকম। হাসি-খুশিতে কেটে যায় এই সাতদিন। আর এই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করার জন্য এই দিনে মানুষ ভারতের অন্যান্য শহর থেকে মথুরা এবং বৃন্দাবনে আসে।

    হোলির গুরুত্ব হোলির ও তাৎপর্য : এই উৎসব অনেক অনুষ্টানের মাধ্যমে পালন করা হয়, পরিবারের সব সদস্য এবং আত্মীয় একসাথে হোলিকা পুড়িয়ে দেয় এবং হোলি দিবসের পালন করে। এই হোলিকার মৃত্যু এবং প্রতিবছর সে উপলক্ষে হোলিকা পুড়ান হোলির রং খেলার সঙ্গে জরিত।কেউ কেউ মনে করে যে হিরণ্যকশিপ রাজার বোন হোলিকার নাম থেকেই হোলি নাম হয়েছিল ।

    উপসংহারঃ-হোলি প্রেম এবং পারস্পরিক মিলনের একটি উৎসব যা একতা ক্রমাগত বৃদ্ধি করে। সবাই হাসে, এবং প্রত্যেক মানুষ হোলির রং পায়। পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের রং এ মিলে মিশে যায়। মানুষ সবার সাথে সুখ -শান্তি ভোগ করে নেয়। হোলি একটি পবিত্র ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে যুক্ত সুখের উৎসবের পাশাপাশি একটি সামাজিক উৎসব ও বটে । আসুন সবাই একসঙ্গে এই উৎসবের মর্যাদা রাখি এবং আনন্দে এই উৎসব উদযাপন করি। সুখশান্তি সবাই মিলে ভাগ করে নেই এবং হোলির রঙ্গে সবাই রঙ্গিন হই।

    See less
      • 1
  • 1
  • 19,960
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

holi essay in bengali language| হোলি রচনা

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 11, 2020 at 11:43 pm

    হোলি বা দোল উৎসব  সুচনাঃ- হোলি বা দোল  রঙের উৎসব প্রায়ই সারা ভারত জুড়ে পালিত হয়। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারী বা মার্চ মাসে পূর্ণিমাতে ফাগুন পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রতিবছর হোলির উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনে মানুষ তাদের সব সমস্যা ভুলে,নতুন রঙে  এবং নতুন ভাবে তাদের সম্পর্ক শক্তিশালীRead more

    হোলি বা দোল উৎসব 

    সুচনাঃ-
    হোলি বা দোল  রঙের উৎসব প্রায়ই সারা ভারত জুড়ে পালিত হয়। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারী বা মার্চ মাসে পূর্ণিমাতে ফাগুন পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রতিবছর হোলির উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনে মানুষ তাদের সব সমস্যা ভুলে,নতুন রঙে  এবং নতুন ভাবে তাদের সম্পর্ক শক্তিশালী করে তোলে। এই উৎসব মানুষের মধ্যে ভালবাসা বাড়ায়। এই দিনটি ঐতিহ্যবাহী ও সাংস্কৃতিক উৎসব, এই উৎসব শুধু হিন্দুদের উৎসব নয় এই উৎসব সর্বজনীন।

    হোলি রং এবং প্রেমের উত্সব। প্রতিবছর হিন্দুদের দ্বারা উদযাপন করা একটি বড় উৎসব। এই দিনে প্রেম ও স্নেহের প্রতীক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বিভিন্ন ধর্ম স্থান তথা রাম জন্মভূমি, কৃষ্ণ জন্মভূমি এই দিনে বিশেষ ভাবে পালিত হয়।

    হোলি উৎসবে সমাজের ভুমিকাঃ- 

    হোলি উৎসব ভারতে প্রতি অঞ্চলে সুখের রঙ আনে, আনে প্রতিটি বাড়িতে, এই উৎসব সুখের রঙ দেয়, তাই এই উৎসব কে রং উৎসব বলা হয়। যেমন প্রকৃতি তার আলো, বায়ু, জল, সমস্ত জীবকে কোনও পার্থক্য ছাড়াই বিতরণ করে। অনুরূপভাবে, হোলির রংগুলি এমন কোনো বৈষম্য ছাড়াই সমস্ত জীবকুলে  খেলা করে। আবীরের রঙে রঙিন রং সব রঙিন হয়ে যায়। সমাজের সব জীবকুলে এমনকি সমস্ত জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে এই রং সবারে মধ্যে ছরিয়ে পরে বন্ধুত্ব বৃদ্ধি করতে। তাই হোলি এক সমতা বৃদ্ধি, ও বন্ধুত্ব বৃদ্ধি করার উৎসব।

    মথুরা এবং বৃন্দাবনে হোলি উদযাপন মথুরা এবং বৃন্দাবনে হোলি উৎসবঃ

    মথুরা এবং বৃন্দাবন পবিত্র স্থান যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সারা বছর ধরে এই পবিত্র জায়গায় দেশ বিদেশ থেকে পর্যটক ঘুরতে আসে। কিন্তু এই সময় দোল যাত্রার সময় প্রচুর মানুষ এই পবিত্র স্থানে ঘুরতে আসে। মথুরা ও বৃন্দাবনে হোলি উৎসব বিখ্যাত এই দিন আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করা হয়, সাত দিন ধরে এই সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলে। রাধা-কৃষ্ণকে নিয়ে লিলা খেলার নৃত্য হয়। জাত্রাপালার মাধ্যমে রাধা-কৃষ্ণর লিলা খেলা তুলে ধরা হয় নতুন প্রজন্মের কাছে। রামায়নের চরিত্র এই সময় তুলে ধরা হয়। বিভিন্ন প্রকারের খাবার, নৃত্য নতুন পোশাক রং মাখা গোটা শহর কিছুটা অন্য রকম। হাসি-খুশিতে কেটে যায় এই সাতদিন। আর এই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করার জন্য এই দিনে মানুষ ভারতের অন্যান্য শহর থেকে মথুরা এবং বৃন্দাবনে আসে।

    হোলির গুরুত্ব হোলির ও তাৎপর্য :

    এই উৎসব অনেক অনুষ্টানের মাধ্যমে পালন করা হয়, পরিবারের সব সদস্য এবং আত্মীয় একসাথে হোলিকা পুড়িয়ে দেয় এবং হোলি দিবসের পালন করে। এই হোলিকার মৃত্যু এবং প্রতিবছর সে উপলক্ষে হোলিকা পুড়ান হোলির রং খেলার সঙ্গে জরিত।কেউ কেউ মনে করে যে  হিরণ্যকশিপ রাজার বোন হোলিকার নাম থেকেই হোলি নাম হয়েছিল ।

    উপসংহারঃ-

    হোলি প্রেম এবং পারস্পরিক মিলনের একটি উৎসব যা একতা ক্রমাগত বৃদ্ধি করে। সবাই হাসে, এবং প্রত্যেক মানুষ হোলির রং পায়। পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের রং এ মিলে মিশে যায়। মানুষ সবার সাথে সুখ -শান্তি ভোগ করে নেয়। হোলি একটি পবিত্র ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে যুক্ত সুখের উৎসবের পাশাপাশি একটি সামাজিক উৎসব ও বটে । আসুন সবাই একসঙ্গে এই উৎসবের মর্যাদা রাখি এবং আনন্দে এই উৎসব উদযাপন করি। সুখশান্তি সবাই মিলে ভাগ করে নেই এবং হোলির রঙ্গে সবাই রঙ্গিন হই।

    See less
      • 0
  • 1
  • 2,405
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

রচনা : আমার প্রিয় খেলা | Amar priyo khela essay in Bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on December 30, 2019 at 12:41 am
    This answer was edited.

    ক্রিকেট সূচনাঃ বর্তমানে বিশ্বে ক্রিকেট একটি জনপ্রিয় খেলা।ক্রিকেট, ফুটবলের মতোই একটি বিদেশি খেলা। ফুটবল খেলা যদিও জনপ্রিয় খেলা তবু ক্রিকেটকেই বলা হয় খেলার রাজা। অনেক ব্যয়বহুল ও দীর্ঘ সময়ের খেলা হওয়া সত্ত্বেও বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই ক্রিকেট খেলা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ক্রিকেট খেলার ইতিহাসঃ ক্রRead more

    ক্রিকেট

    সূচনাঃ বর্তমানে বিশ্বে ক্রিকেট একটি জনপ্রিয় খেলা।ক্রিকেট, ফুটবলের মতোই একটি বিদেশি খেলা। ফুটবল খেলা যদিও জনপ্রিয় খেলা তবু ক্রিকেটকেই বলা হয় খেলার রাজা। অনেক ব্যয়বহুল ও দীর্ঘ সময়ের খেলা হওয়া সত্ত্বেও বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই ক্রিকেট খেলা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

    ক্রিকেট খেলার ইতিহাসঃ ক্রিকেট খেলার জন্মভূমি ইংল্যান্ডে। খ্রিস্টীয় আঠারো শতকে ইংল্যান্ডের মাটিতেই প্রথম ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। হ্যাম্পশায়ারের অন্তর্গত হাম্পবলডনে প্রথমে ক্রিকেট দল গড়ে উঠে। তারপর সমগ্র ইংল্যান্ডে এ খেলা জনপ্রিয় হয়ে উঠে। ঊনবিংশ এবং বিংশ শতাব্দীর পূর্বাহ্নে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য সম্প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে ক্রিকেট খেলাও ছড়িয়ে পড়ে। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক সফরের মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটপ্রিয় দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় অবর্তীণ হয়। পরবর্তীতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ কেনিয়, আয়ারল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও স্কটল্যান্ড প্রভৃতি দেশে এ খেলা ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

    ক্রিকেট খেলার প্রকারভেদঃ ক্রিকেট খেলা তিন ধরনের। যথা- টেস্ট ম্যাচ অর্থাৎ পাঁচ দিনের খেলা, ওয়ানডে ম্যাচ অর্থাৎ এক দিনের সীমিত ওভারের খেলা, এবং টি টোয়েন্টি ম্যাচ।

    ক্রিকেট খেলার নিয়মঃ  ক্রিকেট দু’দলে খেলতে হয়। প্রত্যেক দলে এগারোজন করে খেলোয়াড় থাকে। ক্রিকেট খেলার জন্য একটি কাঠের ব্যাট ও মুষ্টির ন্যায় আয়তনবিশিষ্ট একটি গোলাকার কাঠের বলের প্রয়োজন হয়। মাঠের মধ্যস্থলে পরস্পরের সম্পূর্ণ বিপরীত দিকে বাইশ গজ দূরে এক একদিকে তিনটি করে কাঠের দন্ড পোঁতা থাকে। এ পোঁতা কাঠের দন্ডকে ক্রিকেটের পরিভাষায় ‘উইকেট’ বলা হয়। এ উইকেটের মাথায় একটি নির্দিষ্ট মানের দুটি করে কাঠখন্ড থাকে, এগুলোকে বলা হয়, ‘বেইল’। ক্রিকেট খেলা আরম্ভ হওয়ার পূর্বে টস দেওয়া হয়। যে পক্ষ টসে জয়লাভ করে সে পক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় কে আগে ব্যাট করবে। প্রতিপক্ষ ফিল্ডিং-এর জন্য প্রস্তুত হয়। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে উভয় দলকে পর্যায়ক্রমে দুবার করে ব্যাট করতে হয়। প্রত্যেকবারের খেলাকে একটি ইনিংস বলা হয়। ক্রিকেট খেলা যিনি পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রন করেন তাকে আম্পায়ার বলে। দুই পাশের উইকেটের জন্য দুইজন আম্পায়ার থাকেন। তবে বর্তমানে আরও এক আম্পায়ার অন্তরালে থাকে কাজ করেন, যাকে ‘থার্ড আম্পায়ার’ বলা হয়।

    একদল ব্যাট করে আর অন্যদল মাঠের নির্দিষ্ট স্থান ঘিরে দাঁড়ায় যাতে বল আয়ত্তের বাইরে যেতে না পারে। দুজন ব্যাটধারী দুদিকে উইকেটের নিকট পরস্পর মুখোমুখি দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে একজন দল পিটায় আর অন্যজন প্রয়োজনবোধে দৌড়িয়ে দলের জন্য রান সংগ্রহ করতে সাহায্য করে, পরে পালাক্রমে নিজেরা ব্যাট করে। তাদের একজন একদিক হতে বল নিক্ষেপ করে ব্যাটধারীর উইকেট স্পর্শ বা আঘাত করতে চেষ্টা করে। বল নিক্ষেপকারীকে ‘বোলার’ বলে। একজন বোলার একধারে ছয় বল অর্থাৎ এক ওভার এবঙ একদিকে খেলায় বিরতি দিয়ে দিয়ে মোট দশ ওভার বল করতে পারে। ব্যাটধারীর উইকেটের পেছনে যে দাঁড়িয়ে থাকে তাকে ‘উইকেট রক্ষক’ বলে। তাদের লক্ষ্য থাকে উইকেট বলের দিক, বাকি খেলোয়াড় চতুর্দিকে নির্দিষ্ট স্থানে দাড়িঁয়ে বল আটকাবার চেষ্টা করে। এ জন্য তাদেরকে ফিল্ডার বলে। একদলের দশজন খেলোয়াড় আউট হলে তাদের এক ইনিংস শেষ হয়। তখন অপর দল ব্যাট করার সুযোগ পায়।

    আউটবিধিঃ প্রত্যেক বোলার সর্বদা ব্যাটসম্যানকে আউট করা চেষ্টা করেন। আবার ব্যাটম্যান চেষ্টা করেন উইকেট রক্ষা করার। আর এভাবেই খেলা উপভোগ্য হয়ে উঠে। খিল্ডি-এ থাকা দলের খেলোয়াড়রা মাঠের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয় এবং বলকে সীমানা ছাড়িয়ে যেতে বাধা দেয়। ফিল্ডাররা বল মাটি স্পর্শ করার আগেই শূন্যে বলটি ধরে ব্যাটসম্যানকে ‘ক্যাচ আউট’ করেন। ক্যাচ আউট ছাড়াও বোল্ড আউট, রান আউট, লেগ বিফোর উইকেট, স্ট্যাম্প আউট ইত্যাদি রয়েছে।

    জয়- পরাজয়ঃ একদিনের খেলায় জয় পরাজয় নির্ধারিত হয় নির্দিষ্ট ওভারে রানের সংখ্যা এবং কতজন ব্যাটসম্যান নট আউট তার হিসাব দ¦ারা । সুতরাং এ খেলায় সব সময় লক্ষ রাখতে হয় রান বাড়াবার দিকে এবং উইকেট রক্ষার দিকে। অন্যদিকে টেস্ট ম্যাচে প্রতি দল দুইবার ব্যাট করার সুযোগ পায়। এর মধ্যে যে দল বেশি রান করতে পারে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিপক্ষকে আউট করতে পারে সে দলই জয়ী হয় নতুবা খেলা ড্র হয়।

    সাম্প্রতিক ক্রিকেট খেলাঃ সাম্প্রতিককালে এ খেলা বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং এর অনেক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। বর্তমানে দীর্ঘ সময়ের অসুবিধা দূর করা জন্য টি-টোয়েন্টি খেলা চালু করা হয়েছে। এতে প্রত্যেক দল ২০ ওভার করে বল খেলার সুযোগ পায়; এতে যে দল বেশি রান করতে পারে সে দল বিজয়ী বলে ঘোষিত হয়। টি-টোয়েন্টি ম্যাচ কম সময়ে শেষ হয় বলে এর জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। তা ছাড়া ৫০ ওভারের ওয়ান ডে ম্যাচ ও তার জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে।

    বিশ্বকাপ ক্রিকেটঃ ক্রিকেটের ইতিহাস দীর্ঘদিনের হলেও ১৯৭৫ সাল থেকে শুরু হয়েছে ক্রিকেটের মহামিলন বিশ্বকাপ ক্রিকেট। প্রত্যেক চার বছর পর পর বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম, দ্বিতীয় এবঙ তৃতীয় বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড অনুষ্ঠিত হয। প্রথম দুইবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং তৃতীয়বার ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়। ১৯৮৭ সালে ভারত ও পরিস্তানে অনুষ্ঠিত চতুর্থ বিশ্বকাপ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়ন হয় অস্ট্রেলিয়া। ১৯৯২ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড অনুষ্ঠিত পঞ্চম বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান। ১৯৯৬ সালে পাকিস্তান, ভারত ও শ্রীলংকায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত যষ্ঠ বিশ্বকাপ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়ন হয় শ্রীলংকা। ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ড অনুষ্ঠিত সপ্তম বিশ্বকাপ, ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত অষ্টম বিশ^কাপ এবঙ ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত নবম বিশ্বকাপ জয় করে অস্ট্রেলিয়া। ২০১১ সালে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলংকা যৌথভাবে আয়োজন করে দশম বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আসর। এ আসরে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়। ২০১৫ সালে যৌথভাবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড এগারোতম বিশ্বকাপ আয়োজন করে। দুই স্বাগতিক দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ফাইনাল ম্যাচ এবং এতে অস্ট্রেলিয়া জয়লাভ করে চ্যম্পিয়ন হয়।

    উপকারিতাঃ অন্যান্য খেলাধুলার ন্যায় ক্রিকেট খেলাও আনন্দদায়ক ও স্বাস্থপ্রদ। শরীরচর্চার দিক ব্যতীত এর অন্য একটা দিকও আছে চরিত্র গছন, দৈর্য, সহিষষ্ণুতা, সতর্কতা, সহযোগিতা প্রভৃতি গুণ এ খেলা থেকেই লাভ করা যায়।

    অপকারিতাঃ  ক্রিকেট অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ খেলা। বোলার কর্তৃক সজোরে ছোড়া বল ব্যাটসম্যানকে মারাত্মকভঅবে আহত করতে পারে। এমনকি তা মৃত্যুর কারনও হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ফিল্ডারদেরও ফিল্ডিং করতে গিয়ে করুণ করিণতি বহন করত দেখা যায়। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার ফিল হিউজ বলের আঘাতে মৃতুবরণ করেন। এরকম উদাহরণ আরও অনেকে রয়েছে। তা ছাড়া অনেকের মতে, ক্রিকেট খেলায় অনেক বেশি সময় ও অর্থ ব্যয় হয়।

    উপসংহারঃ বর্তমানে দেশ বিদেশে ক্রিকেট একটি জনপ্রিয় খেলা। এ খেলায় মাধ্যমে দেশে দেশে গড়ে উঠে সখ্যতা। মানুষের মাঝে সম্প্রীতির বন্ধন হয় দৃঢ়। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে এ খেলা সকল মানুষকে এক কাতারে সামিল করে। যা বিশ্ব শান্তির দ্বার উন্মোচিত করে সহজেই।

    See less
      • 0
  • 2
  • 23,390
  • 0
Answer

Sidebar

আরও দেখুন

  • আমার জীবনের লক্ষ্য রচনা | Amar jiboner lokkho essay in bengali?
  • আমার জীবনের লক্ষ্য রচনা | bengali essay on my aim in life?
  • মহাত্মা গান্ধী রচনা | bengali essay on mahatma gandhi
  • পরিবেশ দূষণ | Paribesh dushan paragraph in bengali
  • রচনা : পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার | Paribesh dushan o tar pratikar rachana in Bengali?
  • পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার | Paribesh dushan o tar protikar paragraph?
  • বর্ষাকাল রচনা | borshakal rochona in bengali?
  • essay on bankim chandra chatterjee in bengali language?
  • bankim chandra chattopadhyay in bengali? বঙ্কিমচন্দ্র জীবনী
  • Mahatma gandhi essay in bengali? মহাত্মা গান্ধী রচনা ?
  • Subhash chandra bose bengali rachana?
  • রচনা : নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু | Netaji Subhash Chandra Bose essay in Bengali?
  • Swami vivekananda essay in bengali? স্বামী বিবেকানন্দ রচনা ?
  • শ্রীমন্ত শঙ্করদেব রচনা | Srimanta Sankardev Essay in Bengali?
  • বিজ্ঞান ও কুসংস্কার | bigyan o kusanskar rachana?
  • বাংলা রচনা দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান | doinondin jibone biggan bangla rochona?
  • বাংলা প্রবন্দ : বিজ্ঞান আশীর্বাদ না অভিশাপ | vigyan ashirbad na abhishap bengali rachana
  • ছাত্রজীবন এবং তার দায়িত্ব ও কর্তব্য | Chatro Jibon Bangla Rochona?
  • রচনা : আমার প্রিয় খেলা | Amar priyo khela essay in Bengali
  • রচনা: বর্ষাকাল | rainy season paragraph in bengali
Join us on Telegram
Join our FaceBook Group

বিষয়

All Bangla Paragraph (105) Apurba Dutta Poems (4) Bangla application format (11) Bangla Choto Golpo (7) Bangla dorkhasto lekha (11) Bangla gazal lyrics (8) Bangla GK (177) Bangla Kobita (203) Bangla Rachana (105) baul gaan lyrics (6) baul song lyrics (6) Bengali antonyms (40) Bengali Essay (105) Bengali letter Writing (11) Bengali lullaby lyrics (3) bengali lyrics (82) Bengali Meaning (259) bengali poem (14) Bengali Poems (124) Bengali Poem Summary (21) Bengali Rachana (99) Bengali short story (7) bengali song lyrics (98) bengali song lyrics in bengali (98) Bengali synonyms (33) chandrabindu lyrics (2) English grammar in Bengali (6) English to Bengali Meaning (270) English to Bengali Translation (256) Essay (75) Full form (14) general knowledge bengali (7) indian history in bengali (9) Joy Goswami kobita (4) kazi nazrul islamer kobita (8) Kobita (143) lyrics (17) Myth (3) nirendranath chakraborty poem (5) Nirmalendu Goon Poems (6) Paragraph (20) Parts of speech in Bengali (6) Pod Poriborton (39) Poem (3) poem summary in bengali (21) rabindranath tagore poems (57) Rabindra Sangeet lyrics (5) shakti chattopadhyay poems (7) Social Science (6) Somarthok Shobdo (33) Somas Bangla Grammar (15) sukanta bhattacharya kobita (4) Sukumar Roy Poem (16) Summary (8) অনুচ্ছেদ (127) অপূর্ব দত্তের কবিতা (4) আধ্যাত্মিক (10) ইংরেজি অনুবাদ (6) ইংরেজি থেকে বাংলা (6) ইংলিশ বাংলা অনুবাদ (6) ইন্টারনেট (1) ইসলাম (18) ইসলাম ধর্মীয় প্রশ্ন উত্তর (18) ইসলামী নাত ও গজল (8) ইসলামী সংগীত লিরিক্স (8) কবিতা (26) কবিতার সারাংশ ও সারমর্ম (21) কাজী নজরুল ইসলাম (8) কুসংস্কার (3) গানের কথা (14) ঘুম পাড়ানি গান lyrics (3) ছোটগল্প (7) জয় গোস্বামী (4) জয় গোস্বামীর কবিতা (4) জেনারেল নলেজ (7) জেনারেল নলেজ প্রশ্ন ও উত্তর (39) নির্মলেন্দু গুণের কবিতা (6) নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কবিতা (5) পদ পরিবর্তন (39) পূর্ণরূপ (14) প্রকৃতি (17) প্রক্রিতি (23) ফলমূল (28) ফুল ফর্ম (14) বাংলা general knowledge (52) বাংলা অর্থ (275) বাংলা আবেদন পত্র (11) বাংলা কবিতা (219) বাংলা কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (68) বাংলা গান লিরিক্স (97) বাংলা গানের লিরিক্স (98) বাংলা ছোট গল্প (7) বাংলা দরখাস্ত নমুনা (11) বাংলা প্রবন্ধ (97) বাংলা বাক্য রচনা (176) বাংলা বিপরীত শব্দ (40) বাংলা রচনা (127) বাউল গান লিরিক্স (6) বাক্য রচনা (176) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (1) বিজ্ঞান শিক্ষা (17) বিপরীত শব্দ (40) বোঝাপড়া কবিতা (3) ব্যাখ্যা (8) ভক্তিভাজন (10) ভারতের ইতিহাস (9) ভূগোল (5) মধ্যযুগের ভারতের ইতিহাস (9) মূলভাব (8) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (34) রবীন্দ্রসংগীত (1) রবীন্দ্র সংগীত লিরিক্স (5) লিরিক্স (17) শক্তি চট্টোপাধ্যায় kobita (7) শঙ্খ ঘোষ (8) শুভ দাশগুপ্ত (7) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (5) সন্ধি বিচ্ছেদ (8) সন্ধি বিচ্ছেদ ব্যবহার (8) সমাজ বিজ্ঞান (6) সমার্থক শব্দ (33) সমাস (15) সারাংশ (8) সুকান্তের কবিতা (4) সুকুমার রায় (16)

Footer

© 2025 Bengali Forum · All rights reserved. Contact Us