Sign Up

Continue with Google
or use


Have an account? Sign In Now

Sign In

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.


Have an account? Sign In Now

Sorry, you do not have permission to ask a question, You must login to ask a question.

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Need An Account, Sign Up Here

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Bengali Forum Logo Bengali Forum Logo
Sign InSign Up

Bengali Forum

Bengali Forum Navigation

  • বিষয়
  • ব্লগ
  • হযবরল
Search
Ask A Question

Mobile menu

Close
Ask A Question
  • বাংলা অভিধান
  • সাহিত্য
  • শিক্ষা
  • রচনা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • ইংলিশ টু বাংলা
  • বিজ্ঞান
  • বাংলা কুইজ
  • ধৰ্ম ও সংস্কৃতি
  • ইতিহাস
  • মতামত

সাহিত্য

35 Followers
353 Answers
321 Questions
  • Recent Questions
  • No Answers

Bengali Forum Latest Questions

In: সাহিত্য

unending love bengali version | অনন্ত প্রেম

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 12, 2020 at 6:45 pm

    অনন্ত প্রেম  Unending love তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার জনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার। চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয় গাঁথিয়াছে গীতহার, কত রূপ ধরে পরেছ গলায়, নিয়েছ সে উপহার জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার। যত শুনি সেই অতীত কাহিনী, প্রাচীন প্রেমের ব্যথা, অতি পুরাতন বিরহমিলনকথা, অসীম অতীতে চাহিতে চাহিRead more

    অনন্ত প্রেম  Unending love

    তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি
    শত রূপে শত বার
    জনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার।
    চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয়
    গাঁথিয়াছে গীতহার,
    কত রূপ ধরে পরেছ গলায়,
    নিয়েছ সে উপহার
    জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।
    যত শুনি সেই অতীত কাহিনী,
    প্রাচীন প্রেমের ব্যথা,
    অতি পুরাতন বিরহমিলনকথা,
    অসীম অতীতে চাহিতে চাহিতে
    দেখা দেয় অবশেষে
    কালের তিমিররজনী ভেদিয়া
    তোমারি মুরতি এসে,
    চিরস্মৃতিময়ী ধ্রুবতারকার বেশে।
    আমরা দুজনে ভাসিয়া এসেছি
    যুগল প্রেমের স্রোতে
    অনাদিকালের হৃদয়-উৎস হতে।
    আমরা দুজনে করিয়াছি খেলা
    কোটি প্রেমিকের মাঝে
    বিরহবিধুর নয়নসলিলে,
    মিলনমধুর লাজে–
    পুরাতন প্রেম নিত্যনূতন সাজে।
    আজি সেই চিরদিবসের প্রেম
    অবসান লভিয়াছে
    রাশি রাশি হয়ে তোমার পায়ের কাছে।
    নিখিলের সুখ, নিখিলের দুখ,
    নিখিল প্রাণের প্রীতি,
    একটি প্রেমের মাঝারে মিশেছে
    সকল প্রেমের স্মৃতি–
    সকল কালের সকল কবির গীতি।

    See less
      • 0
  • 1
  • 1,200
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

গান্ধারীর আবেদন | gandharir abedan

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 12, 2020 at 6:41 pm

    গান্ধারীর আবেদন | gandharir abedan by Rabindranath Tagore দুর্যোধন । নিন্দা! আর নাহি ডরি , নিন্দারে করিব ধ্বংস কণ্ঠরুদ্ধ করি । নিস্তব্ধ করিয়া দিব মুখরা নগরী স্পর্ধিত রসনা তার দৃঢ়বলে চাপি মোর পাদপীঠতলে । “ দুর্যোধন পাপী ” “ দুর্যোধন ক্রূরমনা ” “ দুর্যোধন হীন ” নিরুত্তরে শুনিয়া এসেছি এতদিন , রাজদণ্Read more

    গান্ধারীর আবেদন | gandharir abedan by Rabindranath Tagore

    দুর্যোধন ।

    নিন্দা! আর নাহি ডরি ,
    নিন্দারে করিব ধ্বংস কণ্ঠরুদ্ধ করি ।
    নিস্তব্ধ করিয়া দিব মুখরা নগরী
    স্পর্ধিত রসনা তার দৃঢ়বলে চাপি
    মোর পাদপীঠতলে । “ দুর্যোধন পাপী ”
    “ দুর্যোধন ক্রূরমনা ” “ দুর্যোধন হীন ”
    নিরুত্তরে শুনিয়া এসেছি এতদিন ,
    রাজদণ্ড স্পর্শ করি কহি মহারাজ ,
    আপামর জনে আমি কহাইব আজ —
    “ দুর্যোধন রাজা , দুর্যোধন নাহি সহে
    রাজনিন্দা-আলোচনা , দুর্যোধন বহে
    নিজ হস্তে নিজ নাম । ”

    ধৃতরাষ্ট্র ।

    ওরে বৎস , শোন্‌ ,
    নিন্দারে রসনা হতে দিলে নির্বাসন
    নিম্নমুখে অন্তরের গূঢ় অন্ধকারে
    গভীর জটিল মূল সুদূরে প্রসারে ,
    নিত্য বিষতিক্ত করি রাখে চিত্ততল ।
    রসনায় নৃত্য করি চপল চঞ্চল
    নিন্দা শ্রান্ত হয়ে পড়ে ; দিয়ো না তাহারে
    নিঃশব্দে আপন শক্তি বৃদ্ধি করিবারে
    গোপন হৃদয়দুর্গে । প্রীতিমন্ত্রবলে
    শান্ত করো , বন্দী করো নিন্দাসর্পদলে
    বংশীরবে হাস্যমুখে ।

    দুর্যোধন ।

    অব্যক্ত নিন্দায়
    কোনো ক্ষতি নাহি করে রাজমর্যাদায় ;
    ভ্রূক্ষেপ না করি তাহে । প্রীতি নাহি পাই
    তাহে খেদ নাহি , কিন্তু স্পর্ধা নাহি চাই
    মহারাজ! প্রীতিদান স্বেচ্ছার অধীন ,
    প্রীতিভিক্ষা দিয়ে থাকে দীনতম দীন —
    সে প্রীতি বিলাক তারা পালিত মার্জারে ,
    দ্বারের কুক্কুরে , আর পাণ্ডবভ্রাতারে —
    তাহে মোর নাহি কাজ । আমি চাহি ভয় ,
    সেই মোর রাজপ্রাপ্য — আমি চাহি জয়
    দর্পিতের দর্প নাশি ।

    See less
      • 0
  • 1
  • 3,060
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

amar hiyar majhe lyrics? আমার হিয়ার মাঝে

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 12, 2020 at 6:19 pm

    আমার হিয়ার মাঝে (amar hiyar majhe lyrics) আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাই নি। তোমায় দেখতে আমি পাই নি। বাহির-পানে চোখ মেলেছি, আমার হৃদয়-পানে চাই নি ॥ আমার সকল ভালোবাসায় সকল আঘাত সকল আশায় তুমি ছিলে আমার কাছে, তোমার কাছে যাই নি ॥ তুমি মোর আনন্দ হয়ে ছিলে আমার খেলায়– আনন্দে তাই ভুলেছিলRead more

    আমার হিয়ার মাঝে (amar hiyar majhe lyrics)

    আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাই নি।
    তোমায় দেখতে আমি পাই নি।
    বাহির-পানে চোখ মেলেছি, আমার হৃদয়-পানে চাই নি ॥
    আমার সকল ভালোবাসায় সকল আঘাত সকল আশায়
    তুমি ছিলে আমার কাছে, তোমার কাছে যাই নি ॥
    তুমি মোর আনন্দ হয়ে ছিলে আমার খেলায়–
    আনন্দে তাই ভুলেছিলেম, কেটেছে দিন হেলায়।
    গোপন রহি গভীর প্রাণে আমার দুঃখসুখের গানে
    সুর দিয়েছ তুমি, আমি তোমার গান তো গাই নি ॥

    See less
      • 0
  • 1
  • 514
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

গাহি সাম্যের গান | gahi shammer gaan kobita?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 11, 2020 at 11:17 pm

    মানুষ গাহি সাম্যের গান– মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান , নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি, সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি । ‘পুজারী, দুয়ার খোল, ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পুজার সময় হলো !’ স্বপ্ন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয় দেবতার বরে আজ রাজা- টাজা হয়েRead more

    মানুষ

    গাহি সাম্যের গান–
    মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান ,
    নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি,
    সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি ।
    ‘পুজারী, দুয়ার খোল,
    ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পুজার সময় হলো !’
    স্বপ্ন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়
    দেবতার বরে আজ রাজা- টাজা হয়ে যাবে নিশ্চয় !
    জীর্ণ-বস্ত্র শীর্ণ-গাত্র, ক্ষুধায় কন্ঠ ক্ষীণ
    ডাকিল পান্থ, ‘দ্বার খোল বাবা, খাইনা তো সাত দিন !’
    সহসা বন্ধ হল মন্দির , ভুখারী ফিরিয়া চলে
    তিমির রাত্রি পথ জুড়ে তার ক্ষুধার মানিক জ্বলে !
    ভুখারী ফুকারি’ কয়,
    ‘ঐ মন্দির পুজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয় !’
    মসজিদে কাল শিরনী আছিল, অঢেল গোস্ত রুটি
    বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটিকুটি !
    এমন সময় এলো মুসাফির গায়ে-আজারির চিন্
    বলে, ‘বাবা, আমি ভুখা ফাকা আছি আজ নিয়ে সাত দিন !’
    তেরিয়াঁ হইয়া হাঁকিল মোল্লা–”ভ্যালা হলো দেখি লেঠা,
    ভুখা আছ মর গে-ভাগাড়ে গিয়ে ! নামাজ পড়িস বেটা ?”
    ভুখারী কহিল, ‘না বাবা !’ মোল্লা হাঁকিল- ‘তা হলে শালা
    সোজা পথ দেখ !’ গোস্ত-রুটি নিয়া মসজিদে দিল তালা !
    ভুখারী ফিরিয়া চলে,
    চলিতে চলিতে বলে–
    “আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তেমায় কভু,
    আমার ক্ষুধার অন্ন তা’বলে বন্ধ করোনি প্রভু !
    তব মজসিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী,
    মোল্লা-পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবী !”
    কোথা চেঙ্গিস, গজনী-মামুদ, কোথায় কালাপাহাড় ;
    ভেঙ্গে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া- দ্বার !
    খোদার ঘরে কে কপাট লাগায় কে দেয় সেখানে তালা ?
    সব দ্বার এর খোলা র’বে, চালা হাতুড়ি শাবল চালা !
    হায় রে ভজনালয়
    তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের জয় !
    মানুষেরে ঘৃণা করি
    ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি মরি
    ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর করে কেড়ে
    যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে ।
    পুজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল !–মুর্খরা সব শোনো
    মানুষ এনেছে গ্রন্থ,–গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো ।
    আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মদ
    কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবীর,-বিশ্বের সম্পদ,
    আমাদেরি এরা পিতা পিতামহ, এই আমাদের মাঝে
    তাঁদেরি রক্ত কম-বেশী করে প্রতি ধমনীতে বাজে !
    আমরা তাঁদেরি সন্তান , জ্ঞাতি, তাঁদেরি মতন দেহ
    কে জানে কখন মোরাও অমনি হয়ে যেতে পারি কেহ ।
    হেস না বন্ধু ! আমার আমি সে কত অতল অসীম
    আমিই কি জানি কে জানে কে আছে আমাতে মহামহিম।
    হয়ত আমাতে আসিছে কল্কি, তোমাতে মেহেদি ঈসা,
    কে জানে কাহার অন্ত ও আদি, কে পায় কাহার দিশা ?
    কাহারে করিছ ঘৃণা তুমি ভাই, কাহারে মারিছ লাথি ?
    হয়তো উহারই বুকে ভগবান জাগিছেন দিবারাতি !
    অথবা হয়ত কিছুই নহে সে, মহান উচ্চ নহে,
    আছে ক্লেদাক্ত ক্ষত-বিক্ষত পড়িয়া দুঃখ–দহে,
    তবু জগতের যত পবিত্র গ্রন্থ ভজানালয়
    ঐ একখানি ক্ষুদ্র দেহের সম পবিত্র নয় !
    হয়ত ইহারি ঔরসে ভাই ইহারই কুটীর-বাসে
    জন্মিছে কেহ-জোড়া নাই যার জগতের ইতিহাসে !
    যে বাণী আজিও শোনেনি জগৎ, যে মহাশক্তিধরে
    আজিও বিশ্ব দেখেনি–হয়ত আসিছে সে এরই ঘরে !
    ও কে ? চন্ডাল ? চমকাও কেন ? নহে ও ঘৃণ্য জীব !
    ওই হতে পারে হরিশচন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব।
    আজ চন্ডাল, কাল হতে পারে মহাযোগী-সম্রাট,
    তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে, করিবে নান্দী পাঠ ।
    রাখাল বলিয়া কারে কর হেলা, ও-হেলা কাহারে বাজে !
    হয়ত গোপনে ব্রজের গোপাল এসেছে রাখাল সাজে !
    চাষা বলে কর ঘৃণা !
    দেখো চাষা রুপে লুকায়ে জনক বলরাম এলো কি না !
    যত নবী ছিল মেষের রাখাল, তারও ধরিল হাল
    তারাই আনিল অমর বাণী–যা আছে র’বে চিরকাল ।
    দ্বারে গালি খেয়ে ফিরে যায় নিতি ভিখারী ও ভিখারিনী,
    তারি মাঝে কবে এলো ভোলা-নাথ গিরিজায়া, তা কি চিনি !
    তোমার ভোগের হ্রাস হয় পাছে ভিক্ষা-মুষ্টি দিলে
    দ্বার দিয়ে তাই মার দিয়ে তুমি দেবতারে খেদাইলৈ ।
    সে মোর রহিল জমা –
    কে জানে তোমারে লাঞ্ছিতা দেবী করিয়াছে কিনা ক্ষমা !
    বন্ধু, তোমার বুক-ভরা লোভ দু’চোখ স্বার্থ ঠুলি,
    নতুবা দেখিতে, তোমারে সেবিতে দেবতা হয়েছে কুলী ।
    মানুষের বুকে যেটুকু দেবতা, বেদনা মথিত সুধা
    তাই লুটে তুমি খাবে পশু ? তুমি তা দিয়ে মিটাবে ক্ষুধা ?
    তোমার ক্ষুধার আহার তোমার মন্দোদরীই জানে
    তোমার মৃত্যু-বাণ আছে তব প্রাসাদের কোনখানে !
    তোমারি কামনা-রাণী
    যুগে যুগে পশু ফেলেছে তোমায় মৃত্যু বিবরে টানি ।

    See less
      • 0
  • 1
  • 739
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

Gahi shammer gaan poem lyrics?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 11, 2020 at 11:17 pm

    মানুষ গাহি সাম্যের গান– মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান , নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি, সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি । ‘পুজারী, দুয়ার খোল, ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পুজার সময় হলো !’ স্বপ্ন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয় দেবতার বরে আজ রাজা- টাজা হয়েRead more

    মানুষ

    গাহি সাম্যের গান–
    মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান ,
    নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি,
    সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি ।
    ‘পুজারী, দুয়ার খোল,
    ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পুজার সময় হলো !’
    স্বপ্ন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়
    দেবতার বরে আজ রাজা- টাজা হয়ে যাবে নিশ্চয় !
    জীর্ণ-বস্ত্র শীর্ণ-গাত্র, ক্ষুধায় কন্ঠ ক্ষীণ
    ডাকিল পান্থ, ‘দ্বার খোল বাবা, খাইনা তো সাত দিন !’
    সহসা বন্ধ হল মন্দির , ভুখারী ফিরিয়া চলে
    তিমির রাত্রি পথ জুড়ে তার ক্ষুধার মানিক জ্বলে !
    ভুখারী ফুকারি’ কয়,
    ‘ঐ মন্দির পুজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয় !’
    মসজিদে কাল শিরনী আছিল, অঢেল গোস্ত রুটি
    বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটিকুটি !
    এমন সময় এলো মুসাফির গায়ে-আজারির চিন্
    বলে, ‘বাবা, আমি ভুখা ফাকা আছি আজ নিয়ে সাত দিন !’
    তেরিয়াঁ হইয়া হাঁকিল মোল্লা–”ভ্যালা হলো দেখি লেঠা,
    ভুখা আছ মর গে-ভাগাড়ে গিয়ে ! নামাজ পড়িস বেটা ?”
    ভুখারী কহিল, ‘না বাবা !’ মোল্লা হাঁকিল- ‘তা হলে শালা
    সোজা পথ দেখ !’ গোস্ত-রুটি নিয়া মসজিদে দিল তালা !
    ভুখারী ফিরিয়া চলে,
    চলিতে চলিতে বলে–
    “আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তেমায় কভু,
    আমার ক্ষুধার অন্ন তা’বলে বন্ধ করোনি প্রভু !
    তব মজসিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী,
    মোল্লা-পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবী !”
    কোথা চেঙ্গিস, গজনী-মামুদ, কোথায় কালাপাহাড় ;
    ভেঙ্গে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া- দ্বার !
    খোদার ঘরে কে কপাট লাগায় কে দেয় সেখানে তালা ?
    সব দ্বার এর খোলা র’বে, চালা হাতুড়ি শাবল চালা !
    হায় রে ভজনালয়
    তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের জয় !
    মানুষেরে ঘৃণা করি
    ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি মরি
    ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর করে কেড়ে
    যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে ।
    পুজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল !–মুর্খরা সব শোনো
    মানুষ এনেছে গ্রন্থ,–গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো ।
    আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মদ
    কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবীর,-বিশ্বের সম্পদ,
    আমাদেরি এরা পিতা পিতামহ, এই আমাদের মাঝে
    তাঁদেরি রক্ত কম-বেশী করে প্রতি ধমনীতে বাজে !
    আমরা তাঁদেরি সন্তান , জ্ঞাতি, তাঁদেরি মতন দেহ
    কে জানে কখন মোরাও অমনি হয়ে যেতে পারি কেহ ।
    হেস না বন্ধু ! আমার আমি সে কত অতল অসীম
    আমিই কি জানি কে জানে কে আছে আমাতে মহামহিম।
    হয়ত আমাতে আসিছে কল্কি, তোমাতে মেহেদি ঈসা,
    কে জানে কাহার অন্ত ও আদি, কে পায় কাহার দিশা ?
    কাহারে করিছ ঘৃণা তুমি ভাই, কাহারে মারিছ লাথি ?
    হয়তো উহারই বুকে ভগবান জাগিছেন দিবারাতি !
    অথবা হয়ত কিছুই নহে সে, মহান উচ্চ নহে,
    আছে ক্লেদাক্ত ক্ষত-বিক্ষত পড়িয়া দুঃখ–দহে,
    তবু জগতের যত পবিত্র গ্রন্থ ভজানালয়
    ঐ একখানি ক্ষুদ্র দেহের সম পবিত্র নয় !
    হয়ত ইহারি ঔরসে ভাই ইহারই কুটীর-বাসে
    জন্মিছে কেহ-জোড়া নাই যার জগতের ইতিহাসে !
    যে বাণী আজিও শোনেনি জগৎ, যে মহাশক্তিধরে
    আজিও বিশ্ব দেখেনি–হয়ত আসিছে সে এরই ঘরে !
    ও কে ? চন্ডাল ? চমকাও কেন ? নহে ও ঘৃণ্য জীব !
    ওই হতে পারে হরিশচন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব।
    আজ চন্ডাল, কাল হতে পারে মহাযোগী-সম্রাট,
    তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে, করিবে নান্দী পাঠ ।
    রাখাল বলিয়া কারে কর হেলা, ও-হেলা কাহারে বাজে !
    হয়ত গোপনে ব্রজের গোপাল এসেছে রাখাল সাজে !
    চাষা বলে কর ঘৃণা !
    দেখো চাষা রুপে লুকায়ে জনক বলরাম এলো কি না !
    যত নবী ছিল মেষের রাখাল, তারও ধরিল হাল
    তারাই আনিল অমর বাণী–যা আছে র’বে চিরকাল ।
    দ্বারে গালি খেয়ে ফিরে যায় নিতি ভিখারী ও ভিখারিনী,
    তারি মাঝে কবে এলো ভোলা-নাথ গিরিজায়া, তা কি চিনি !
    তোমার ভোগের হ্রাস হয় পাছে ভিক্ষা-মুষ্টি দিলে
    দ্বার দিয়ে তাই মার দিয়ে তুমি দেবতারে খেদাইলৈ ।
    সে মোর রহিল জমা –
    কে জানে তোমারে লাঞ্ছিতা দেবী করিয়াছে কিনা ক্ষমা !
    বন্ধু, তোমার বুক-ভরা লোভ দু’চোখ স্বার্থ ঠুলি,
    নতুবা দেখিতে, তোমারে সেবিতে দেবতা হয়েছে কুলী ।
    মানুষের বুকে যেটুকু দেবতা, বেদনা মথিত সুধা
    তাই লুটে তুমি খাবে পশু ? তুমি তা দিয়ে মিটাবে ক্ষুধা ?
    তোমার ক্ষুধার আহার তোমার মন্দোদরীই জানে
    তোমার মৃত্যু-বাণ আছে তব প্রাসাদের কোনখানে !
    তোমারি কামনা-রাণী
    যুগে যুগে পশু ফেলেছে তোমায় মৃত্যু বিবরে টানি ।

    – কাজী নজরুল ইসলাম

    See less
      • 0
  • 1
  • 2,700
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

he mor durbhaga desh poem?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 8, 2020 at 12:44 am
    This answer was edited.

     রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হে মোর দুর্ভাগা দেশ, যাদের করেছ অপমান, অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান! মানুষের অধিকারে বঞ্চিত করেছ যারে, সম্মুখে দাঁড়ায়ে রেখে তবু কোলে দাও নাই স্থান, অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান। মানুষের পরশেরে প্রতিদিন ঠেকাইয়া দূরে ঘৃণা করিয়াছ তুমি মানুষের প্রাণের ঠাকুরে। বিধাতার রুদ্ররোষেRead more

     রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    হে মোর দুর্ভাগা দেশ, যাদের করেছ অপমান,

    অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান!

    মানুষের অধিকারে

    বঞ্চিত করেছ যারে,

    সম্মুখে দাঁড়ায়ে রেখে তবু কোলে দাও নাই স্থান,

    অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।

    মানুষের পরশেরে প্রতিদিন ঠেকাইয়া দূরে

    ঘৃণা করিয়াছ তুমি মানুষের প্রাণের ঠাকুরে।

    বিধাতার রুদ্ররোষে

    দুর্ভিক্ষের দ্বারে বসে

    ভাগ করে খেতে হবে সকলের সাথে অন্নপান।

    অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।

    তোমার আসন হতে যেথায় তাদের দিলে ঠেলে

    সেথায় শক্তিরে তব নির্বাসন দিলে অবহেলে।

    চরণে দলিত হয়ে

    ধুলায় সে যায় বয়ে

    সে নিম্নে নেমে এসো, নহিলে নাহি রে পরিত্রাণ।

    অপমানে হতে হবে আজি তোরে সবার সমান।

    যারে তুমি নীচে ফেল সে তোমারে বাঁধিবে যে নীচে

    পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।

    অজ্ঞানের অন্ধকারে

    আড়ালে ঢাকিছ যারে

    তোমার মঙ্গল ঢাকি গড়িছে সে ঘোর ব্যবধান।

    অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।

    শতেক শতাব্দী ধরে নামে শিরে অসম্মানভার,

    মানুষের নারায়ণে তবুও কর না নমস্কার।

    তবু নত করি আঁখি

    দেখিবারে পাও না কি

    নেমেছে ধুলার তলে হীন পতিতের ভগবান,

    অপমানে হতে হবে সেথা তোরে সবার সমান।

    দেখিতে পাও না তুমি মৃত্যুদূত দাঁড়ায়েছে দ্বারে,

    অভিশাপ আঁকি দিল তোমার জাতির অহংকারে।

    সবারে না যদি ডাক’,

    এখনো সরিয়া থাক’,

    আপনারে বেঁধে রাখ’ চৌদিকে জড়ায়ে অভিমান–

    মৃত্যুমাঝে হবে তবে চিতাভস্মে সবার সমান।

     

    English Translation:
    Oh my wretched country!

    You will be humiliated in the same way you humiliated others for so long.
    Those whom you deprived of basic humanity
    Whom you zealously excluded, despite being in the same boat
    You will be brought down to your knees one day.
    You left them out in the cold, day in and day out
    You despised the very soul of the people
    You will be paid back in the same coin
    When you will have to eat and drink along with them
    One day at the doorway of deprivation.
    .
    You ostracized and cornered them
    With your own your own strength you labeled them with your disdain
    You trampled them under your feet
    You will have to come down to their status one day for salvation; there is no other way out
    You too will have to experience their humiliation, one day.
    With your wickedness you rebuffed them as lowly
    You repudiated them as backward and brought yourself down to the level of backwardness.
    You thrust them into the darkness of ignorance thus building up a vast chasm
    Which will one day be bridged only through your immense ignominy
    Heaps of degradation have dominated for centuries

    You have not allowed them to move forward even an inch
    You too will be disgraced just like the ones whom you disgraced one day.
    You are still blind to the monarch of mortality at your door who has cursed you for your racial arrogance.
    If you still revile them, keep them distant, and surround yourself with pride and prejudice
    Death will one day bring you down to the same obscurity–to the ashes, all alike.

    See less
      • 0
  • 1
  • 1,845
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

হে মোর দুর্ভাগা দেশ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) He mor durbhaga desh kobita?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 8, 2020 at 12:43 am
    This answer was edited.

     রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হে মোর দুর্ভাগা দেশ, যাদের করেছ অপমান, অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান! মানুষের অধিকারে বঞ্চিত করেছ যারে, সম্মুখে দাঁড়ায়ে রেখে তবু কোলে দাও নাই স্থান, অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান। মানুষের পরশেরে প্রতিদিন ঠেকাইয়া দূরে ঘৃণা করিয়াছ তুমি মানুষের প্রাণের ঠাকুরে। বিধাতার রুদ্ররোষেRead more

     রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    হে মোর দুর্ভাগা দেশ, যাদের করেছ অপমান,
    অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান!
    মানুষের অধিকারে
    বঞ্চিত করেছ যারে,
    সম্মুখে দাঁড়ায়ে রেখে তবু কোলে দাও নাই স্থান,
    অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।
    মানুষের পরশেরে প্রতিদিন ঠেকাইয়া দূরে
    ঘৃণা করিয়াছ তুমি মানুষের প্রাণের ঠাকুরে।
    বিধাতার রুদ্ররোষে
    দুর্ভিক্ষের দ্বারে বসে
    ভাগ করে খেতে হবে সকলের সাথে অন্নপান।
    অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।

    তোমার আসন হতে যেথায় তাদের দিলে ঠেলে
    সেথায় শক্তিরে তব নির্বাসন দিলে অবহেলে।
    চরণে দলিত হয়ে
    ধুলায় সে যায় বয়ে
    সে নিম্নে নেমে এসো, নহিলে নাহি রে পরিত্রাণ।
    অপমানে হতে হবে আজি তোরে সবার সমান।
    যারে তুমি নীচে ফেল সে তোমারে বাঁধিবে যে নীচে
    পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।
    অজ্ঞানের অন্ধকারে
    আড়ালে ঢাকিছ যারে
    তোমার মঙ্গল ঢাকি গড়িছে সে ঘোর ব্যবধান।
    অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।
    শতেক শতাব্দী ধরে নামে শিরে অসম্মানভার,
    মানুষের নারায়ণে তবুও কর না নমস্কার।
    তবু নত করি আঁখি
    দেখিবারে পাও না কি
    নেমেছে ধুলার তলে হীন পতিতের ভগবান,
    অপমানে হতে হবে সেথা তোরে সবার সমান।
    দেখিতে পাও না তুমি মৃত্যুদূত দাঁড়ায়েছে দ্বারে,
    অভিশাপ আঁকি দিল তোমার জাতির অহংকারে।
    সবারে না যদি ডাক’,
    এখনো সরিয়া থাক’,
    আপনারে বেঁধে রাখ’ চৌদিকে জড়ায়ে অভিমান–
    মৃত্যুমাঝে হবে তবে চিতাভস্মে সবার সমান।

    আরও পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতাসমূহ

     

    English Translation:

    Oh my wretched country!

    You will be humiliated in the same way you humiliated others for so long.
    Those whom you deprived of basic humanity
    Whom you zealously excluded, despite being in the same boat
    You will be brought down to your knees one day.
    You left them out in the cold, day in and day out
    You despised the very soul of the people
    You will be paid back in the same coin
    When you will have to eat and drink along with them
    One day at the doorway of deprivation.
    .
    You ostracized and cornered them
    With your own your own strength you labeled them with your disdain
    You trampled them under your feet
    You will have to come down to their status one day for salvation; there is no other way out
    You too will have to experience their humiliation, one day.
    With your wickedness you rebuffed them as lowly
    You repudiated them as backward and brought yourself down to the level of backwardness.
    You thrust them into the darkness of ignorance thus building up a vast chasm
    Which will one day be bridged only through your immense ignominy
    Heaps of degradation have dominated for centuries

    You have not allowed them to move forward even an inch
    You too will be disgraced just like the ones whom you disgraced one day.
    You are still blind to the monarch of mortality at your door who has cursed you for your racial arrogance.
    If you still revile them, keep them distant, and surround yourself with pride and prejudice
    Death will one day bring you down to the same obscurity–to the ashes, all alike.

    See less
      • 0
  • 1
  • 8,979
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

হেলাল হাফিজ -ক্যাক্টাস | helal hafiz er bangla kobita?

  • 0
  • 453
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

হেলাল হাফিজ -প্রস্থান | helal hafiz er kobita?

  • 0
  • 474
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

হেলাল হাফিজ -তুমি ডাক দিলে | helal hafiz bangla kobita tumi dak dile?

  • 0
  • 690
  • 0
Answer
Load More Questions

Sidebar

আরও দেখুন

  • কবিতা : আবহমান (নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী) Nirendranath Chakraborty Poem Abohoman
  • কবিতা : অমলকান্তি | Nirendranath Chakraborty Poem Amalkanti
  • কবিতা : নিঃস্বার্থ (সুকুমার রায়) Bangla Kobita Nisarto Sukumar Roy
  • কবিতাঃ যাবার দিনে এই কথাটি | Jabar Dine Ei Kothati Lyrics in Bengali
  • যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | Jodi Prem Dile na Prane Lyrics
  • রবীন্দ্রসংগীতঃ মহারাজ একি সাজে | Maharajo Eki Saje Lyrics in Bengali
  • রবীন্দ্রসংগীতঃ খরবায়ু বয় বেগে | Khara Bayu Boy Bege Lyrics in Bengali
  • রবীন্দ্রসংগীতঃ এই লভিনু সঙ্গ তব | Ei lobhinu Songo Tobo Lyrics in Bengali
  • রবীন্দ্রসংগীতঃ বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে | Barshan Mandrita Andhakare lyrics
  • Martyrs of Barak Valley Language Movement | ১৯ মে আসামের বাংলাভাষা শহীদদের পরিচিতি
  • হোরিখেলা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Hori Khela Poem by Rabindranath Tagore Lyrics
  • কবিতা : একুশে আইন | Ekushe Ain Poem By Sukumar Roy
  • কবিতা : ঠিকানা | Thikana Poem By Sukumar Roy
  • কবিতা : জীবনের হিসাব | Jiboner Hisab Sukumar Roy Kobita
  • কবিতা : বোম্বাগড়ের রাজা | Bombagorer Raja Sukumar Roy Kobita
  • কবিতা : ভয় পেয়োনা (সুকুমার রায়) Bhoy Peona Sukumar Roy Kobita
  • কবিতা : কাতুকুতু বুড়ো | Katukutu Buro Sukumar Roy Kobita lyrics
  • কবিতা : রাম গরুড়ের ছানা | Kobita Ramgorurer Chhana Sukumar Roy
  • কবিতা : বিজ্ঞ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Biggo by Rabindranath Tagore Lyrics
  • কবিতা : সবলা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sobola by Rabindranath Tagore Lyrics
Join us on Telegram
Join our FaceBook Group

বিষয়

All Bangla Paragraph (105) Apurba Dutta Poems (4) Bangla application format (11) Bangla Choto Golpo (7) Bangla dorkhasto lekha (11) Bangla gazal lyrics (8) Bangla GK (177) Bangla Kobita (203) Bangla Rachana (105) baul gaan lyrics (6) baul song lyrics (6) Bengali antonyms (40) Bengali Essay (105) Bengali letter Writing (11) Bengali lullaby lyrics (3) bengali lyrics (82) Bengali Meaning (259) bengali poem (14) Bengali Poems (124) Bengali Poem Summary (21) Bengali Rachana (99) Bengali short story (7) bengali song lyrics (98) bengali song lyrics in bengali (98) Bengali synonyms (33) chandrabindu lyrics (2) English grammar in Bengali (6) English to Bengali Meaning (270) English to Bengali Translation (256) Essay (75) Full form (14) general knowledge bengali (7) indian history in bengali (9) Joy Goswami kobita (4) kazi nazrul islamer kobita (8) Kobita (143) lyrics (17) Myth (3) nirendranath chakraborty poem (5) Nirmalendu Goon Poems (6) Paragraph (20) Parts of speech in Bengali (6) Pod Poriborton (39) Poem (3) poem summary in bengali (21) rabindranath tagore poems (57) Rabindra Sangeet lyrics (5) shakti chattopadhyay poems (7) Social Science (6) Somarthok Shobdo (33) Somas Bangla Grammar (15) sukanta bhattacharya kobita (4) Sukumar Roy Poem (16) Summary (8) অনুচ্ছেদ (127) অপূর্ব দত্তের কবিতা (4) আধ্যাত্মিক (10) ইংরেজি অনুবাদ (6) ইংরেজি থেকে বাংলা (6) ইংলিশ বাংলা অনুবাদ (6) ইন্টারনেট (1) ইসলাম (18) ইসলাম ধর্মীয় প্রশ্ন উত্তর (18) ইসলামী নাত ও গজল (8) ইসলামী সংগীত লিরিক্স (8) কবিতা (26) কবিতার সারাংশ ও সারমর্ম (21) কাজী নজরুল ইসলাম (8) কুসংস্কার (3) গানের কথা (14) ঘুম পাড়ানি গান lyrics (3) ছোটগল্প (7) জয় গোস্বামী (4) জয় গোস্বামীর কবিতা (4) জেনারেল নলেজ (7) জেনারেল নলেজ প্রশ্ন ও উত্তর (39) নির্মলেন্দু গুণের কবিতা (6) নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কবিতা (5) পদ পরিবর্তন (39) পূর্ণরূপ (14) প্রকৃতি (17) প্রক্রিতি (23) ফলমূল (28) ফুল ফর্ম (14) বাংলা general knowledge (52) বাংলা অর্থ (275) বাংলা আবেদন পত্র (11) বাংলা কবিতা (219) বাংলা কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (68) বাংলা গান লিরিক্স (97) বাংলা গানের লিরিক্স (98) বাংলা ছোট গল্প (7) বাংলা দরখাস্ত নমুনা (11) বাংলা প্রবন্ধ (97) বাংলা বাক্য রচনা (176) বাংলা বিপরীত শব্দ (40) বাংলা রচনা (127) বাউল গান লিরিক্স (6) বাক্য রচনা (176) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (1) বিজ্ঞান শিক্ষা (17) বিপরীত শব্দ (40) বোঝাপড়া কবিতা (3) ব্যাখ্যা (8) ভক্তিভাজন (10) ভারতের ইতিহাস (9) ভূগোল (5) মধ্যযুগের ভারতের ইতিহাস (9) মূলভাব (8) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (34) রবীন্দ্রসংগীত (1) রবীন্দ্র সংগীত লিরিক্স (5) লিরিক্স (17) শক্তি চট্টোপাধ্যায় kobita (7) শঙ্খ ঘোষ (8) শুভ দাশগুপ্ত (7) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (5) সন্ধি বিচ্ছেদ (8) সন্ধি বিচ্ছেদ ব্যবহার (8) সমাজ বিজ্ঞান (6) সমার্থক শব্দ (33) সমাস (15) সারাংশ (8) সুকান্তের কবিতা (4) সুকুমার রায় (16)

Footer

© 2025 Bengali Forum · All rights reserved. Contact Us

Add Bengali Forum to your Homescreen!

Add