গরু রচনা সূচনা: গরু একটি গৃহপালিত পশু। গৃহস্থালির কাজে গরু একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। গরু আমাদের নানা উপকারে আসে এবং তার দ্বারা অনেক কাজ সাধন করা হয়। প্রাণী হিসেবে গরু একটি শান্তশিষ্ট এবং নিরীহ প্রাণী। আকার ও আকৃতি: গরু একটি চার পা ওয়ালা প্রাণী। উচ্চতায় এটি তিন চার হাত এবং দৈর্ঘ্য পাঁচ ছয় হাত হয়েRead more
গরু রচনা
সূচনা: গরু একটি গৃহপালিত পশু। গৃহস্থালির কাজে গরু একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। গরু আমাদের নানা উপকারে আসে এবং তার দ্বারা অনেক কাজ সাধন করা হয়। প্রাণী হিসেবে গরু একটি শান্তশিষ্ট এবং নিরীহ প্রাণী।
আকার ও আকৃতি: গরু একটি চার পা ওয়ালা প্রাণী। উচ্চতায় এটি তিন চার হাত এবং দৈর্ঘ্য পাঁচ ছয় হাত হয়ে থাকে। গরুর দুই চোখ, দুই কান, দুই শিং,একটি দীর্ঘ মাথা এবং পিছনে একটি লেজ থাকে। গরুর সারা শরীর ছোট এবং ঘন লোমে আবৃত থাকে। গরু লাল,কালো, সাদা ইত্যাদি বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে এবং বিশ্বের সবজায়গায় পাওয়া যায়।
খাদ্য: গরু একটি তৃণভোজী প্রাণী। ঘাস খড় গাছের পাতা গরুর প্রধান খাদ্য। তাছাড়াও ভাতের ফ্যান শুকনো দানা জাতীয় খাবার খেয়ে থাকে।
উপকারিতা: আমাদের জীবনে গরুর উপকারিতা অসীম। গরুর দুধ অত্যন্ত সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। এই দুধ থেকে দই ছানা মাখন কি ইত্যাদি নানারকম দ্রব্য তৈরি করা হয় যেগুলি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।আমরা আমাদের জমি চাষ করতে ষাঁড় বা বলদ ব্যবহার করে থাকি।পণ্য পরিবহনের জন্য গরুর গাড়িও ব্যবহৃত হয়। তাছাড়াও কৃষি ক্ষেত্রে গরুর গোবর একটি উত্তম সার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
উপসংহার: গরু নানা গুণ থাকা সত্ত্বেও গরুর প্রতি আমরা যত্নশীল নই। গরুর উপকারিতার দিকে চেয়ে আমাদের সবাইকে গরুর প্রতি সদয় হওয়া দরকার।গরু পালনে আমাদেরকে উৎসাহিত হওয়া দরকার তাহলে নানাভাবে উপকৃত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারব।
See less
আমাদের বিদ্যালয় সূচনা: আমাদের বিদ্যালয়ের নাম বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয়। ইহা পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় অবস্থিত। ইতিহাস ও ঐতিহ্য: আমাদের বিদ্যালয় আমাদের জেলার এক অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ইহা ১৯৬৫ সনে স্থাপিত হয়। যাত্রারম্ভে ইহা একটি বেসরকারী প্রতিষ্টান ছিল কিন্তু পরবর্তীকালে সরকারি বিদ্যালয় পরRead more
আমাদের বিদ্যালয়
সূচনা: আমাদের বিদ্যালয়ের নাম বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয়। ইহা পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় অবস্থিত।
ইতিহাস ও ঐতিহ্য: আমাদের বিদ্যালয় আমাদের জেলার এক অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ইহা ১৯৬৫ সনে স্থাপিত হয়। যাত্রারম্ভে ইহা একটি বেসরকারী প্রতিষ্টান ছিল কিন্তু পরবর্তীকালে সরকারি বিদ্যালয় পরিণত হয়। আমাদের অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য জ্ঞানী ব্যক্তিবর্গের প্রচেষ্টায় এই স্কুল স্থাপিত হয়।
অবস্থান: আমাদের স্কুল বর্ধমান জেলার উত্তর-পশ্চিম দিকে অবস্থিত। জেলার মহকুমা থেকে আমাদের স্কুলের দূরত্ব অতি সামান্য। জাতীয় রাস্তার পাশে থাকায় এই স্কুলের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই উন্নত।
অবকাঠামো: আমাদের বিদ্যালয়ে আঠারো টি শ্রেণিকক্ষ, দুইটি শিক্ষকদের কক্ষ এবং একটি কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে। তাছাড়াও আমাদের বিদ্যালয়ে একটি লাইব্রেরী এবং একটি সাইন্স ল্যাবরেটরি ও আছে। ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধার্থে আমাদের স্কুলের সম্মুখে একটি খেলার মাঠ ও পার্কিংয়ের ব্যবস্থা আছে।
আমাদের স্কুলে প্রায় আট শত ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। তাদেরকে সর্বমোট পনেরো জন শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়মিত শিক্ষা দান করেন।
সহপাঠ ক্রমিক কার্যাবলী: প্রত্যেকদিন সমাবেশের মধ্যে দিয়েই আমাদের স্কুল আরম্ভ হয়। সমাবেশে শিক্ষকরা বিভিন্ন বিষয়ের উপর বক্তৃতা দিয়ে থাকেন এবং ছাত্ররা অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন বিষয়ের উপর তাদের মতামত উপস্থাপন করে। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে নানারকম সামাজিক এবং ধার্মিক উৎসব, বিশেষ বিশেষ দিবস খুব গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়।
উপসংহার: আমাদের বিদ্যালয় ভালো শিক্ষা এবং ভালো ফলাফলের জন্য পুরো জেলায় শিক্ষানুরাগীদের মধ্যে এক বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। প্রকৃত অর্থে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সবাই বিদ্যালয়ের কল্যাণ কামনা করে। আমি এই বিদ্যালয়ের ছাত্র হিসাবে অনেক গর্ববোধ করে থাকি।
See less