Sign Up

Continue with Google
or use


Have an account? Sign In Now

Sign In

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.


Have an account? Sign In Now

Sorry, you do not have permission to ask a question, You must login to ask a question.

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Need An Account, Sign Up Here

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Bengali Forum Logo Bengali Forum Logo
Sign InSign Up

Bengali Forum

Bengali Forum Navigation

  • বিষয়
  • ব্লগ
  • হযবরল
Search
Ask A Question

Mobile menu

Close
Ask A Question
  • বাংলা অভিধান
  • সাহিত্য
  • শিক্ষা
  • রচনা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • ইংলিশ টু বাংলা
  • বিজ্ঞান
  • বাংলা কুইজ
  • ধৰ্ম ও সংস্কৃতি
  • ইতিহাস
  • মতামত

Bengali Forum Latest Questions

In: শিক্ষা, সারাংশ ও সারমর্ম

ভোরাই (সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত) সারাংশ ও মূলভাব | Bhorai Poem Summary in Bengali?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on July 15, 2020 at 8:54 pm

    সারাংশ ও মূলভাব: ভোরাই কবিতাটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের লিখিত অন্যতম একটি কবিতা। এই কবিতাটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের 'বেলাশেষের গান' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 'ভোরাই' শব্দের অর্থ হচ্ছে ভোর বেলার পরিবেশ বা ভোরের গান। কবি এই কবিতায় গ্রামের ভোর বেলার নৈসর্গিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরেছেন। কবিতায় ফুটে উঠেছে ভোর বেলারRead more

    সারাংশ ও মূলভাব:

    ভোরাই কবিতাটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের লিখিত অন্যতম একটি কবিতা। এই কবিতাটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ‘বেলাশেষের গান’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

    ‘ভোরাই’ শব্দের অর্থ হচ্ছে ভোর বেলার পরিবেশ বা ভোরের গান। কবি এই কবিতায় গ্রামের ভোর বেলার নৈসর্গিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরেছেন। কবিতায় ফুটে উঠেছে ভোর বেলার এক অপরূপ দৃশ্য।

    কবি ভোরের আনন্দে মাতোয়ারা। ভোর হয়েছে, চারিদিক হয়েছে আলোকিত, প্রভাতের আলোয় জেগে উঠেছে প্রকৃতি। আর এই আলোয় ফুলগুলি যেন দুলাদুলি করছে বাতাসের মধ্যে। পদ্ম ফুল তার পাপড়িগুলো এমন ভাবে মেলে ধরেছে যেন মনে হচ্ছে সে হাই তুলছে। স্থল থেকে জল পর্যন্ত জেগেছে ভোর হওয়ার সাড়া। সবাই নিদ্রা মুক্ত হয়েছে এবং সেই নিস্তব্ধ জলের নিচে ও ভোরের সাড়া জেগেছে। প্রাতঃ কালের এই সুমিষ্ট বাতাস যেন আল্পনার মত ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে চারিদিক। আর এই ভোরের সুমিষ্ট আবহাওয়া যেন মনকে উৎফুল্লিত করে তুলেছে।

    কবি আরো বলছেন যে ভোরের আলো যেন ধানের মাঠ কে সবুজ রঙে রাঙিয়ে দিয়েছে। এমনকি পুকুরের কচুরিপানায় ও আনন্দের সেই সবুজ রঙ ফুটে উঠেছে। মাঠ পাথার আলোকিত হয়ে উঠেছে, ফুলগুলো হয়ে উঠেছে আরও রঙিন, আকাশ যেন নীল রঙে ভরে গিয়েছে।

    এবং ভোরের এই সুন্দর পরিবেশে কবির কল্পনাগুলো আজ বাধাহীন। কল্পনাগুলো আজ উড়ে উড়ে ভেসে বেড়াচ্ছে ভোরের হালকা হাওয়ায়। হালকা ওজনের ছোট্ট নৌকাগুকলো যেন সেই হাওয়াতেই নেচে উঠেছে। ‌ কল্পনার পায়রা গুলো যেন আলোতেই ভিজে যাচ্ছে।

    কবির কল্পনায় পদ্মফুল গুলো যেন আজ আকাশগঙ্গায় প্রাণ ঢেলে দিয়েছে। এবং পূর্ব আকাশে স্থির মেঘগুলি কবির মন ভুলিয়েছে। কিন্তু তার বিপরীতে পশ্চিম আকাশে মেঘ যেন সিংহের মত কেশর ফুলিয়ে স্থির দাঁড়িয়ে আছে। আলোর লাল আভা আকাশে এমনভাবে ছড়িয়েছে যেন মনে হচ্ছে সিংহ তার কেশর ফুলিয়ে রয়েছে।

    কবি ভোরের এই বাধাহীন কল্পনাতে আরো দেখছেন যে হাঁসগুলি আকাশপথে উড়ে চলেছে, ফুলেরা বাতাসের মধ্যে দুলতে দুলতে হাসাহাসি করছে। রামধনুর সাত রঙ রাঙিয়েছে মাঠ, ঘাট, প্রান্তর। সমস্ত রাতের শিশির পাতায় পাতায় জমে রয়েছে মানিকের মতো। আর দূর্বাঘাসের উপর সেই শিশির কণায় সূর্যের আলো পড়লে মনে হচ্ছে দূর্বা ঘাসের উপর দীপ জ্বলছে।সকালের আলোয় শীতল শিউলি ফুল গুলো যেন নিদ্রিত শিশুর ন্যায় জেগে উঠেছে। এবং সুগন্ধি ফুলের রাত্রের স্বপ্ন কেড়ে যেন চারিদিকে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে।

    তাই কবি বলছেন সকালে চোখ খুলতেই যেন রঙের মেলা ঝিলিমিলি করছে। নীল রঙের সেই জলাশয় যেন আজ মুক্তমনা সবাইকে তার দিকে ডাকছে। তাই কবির প্রশ্ন এই সুন্দর সকাল কে কোনভাবে নষ্ট করা কি ঠিক হবে? যে প্রভাতে ফিঙ পাখি তাঁর বাসা তৈরির জন্য খড়কুটো নিয়ে যাচ্ছে, বুলবুলি মিষ্টি সুর তুলেছে আর পাখির গানে আনন্দে ভরে উঠেছে এই ভুবন।

    তাই বলা যায় ভোরাই নিছক একটি প্রকৃতির কবিতা, প্রকৃতির গান। এই কবিতার মাধ্যমে কবি প্রকৃতির সাজানো সকালের সেই অপরূপ দৃশ্য কে দেখেছেন চোখ ভরে এবং তুলে ধরেছেন সকালের অপূর্ব সুন্দর মুহূর্ত গুলি তাঁর বাধাহীন কল্পনার মাধ্যমে।

    See less
      • 0
  • 1
  • 13,188
  • 0
Answer
In: শিক্ষা, সারাংশ ও সারমর্ম

Mountain and Squirrel কবিতার বাংলা সারাংশ ও মূলভাব | Fable Poem Summary in Bengali?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on July 5, 2020 at 10:32 pm

    Fable By Ralph Waldo Emerson The mountain and the squirrel পাহাড় ও কাঠবিড়ালীর মধ্যে Had a quarrel; একটি ঝগড়া হয়েছিল And the former called the latter "Little Prig." এবং প্রথমজন পরের জনকে বলল "ছোট দাম্ভিক" Bun replied, কাঠবিড়ালী উত্তর দিল, "You are doubtless very big; তুমি নিঃসন্দেহে অনেক বড় But allRead more

    Fable

    By Ralph Waldo Emerson

    The mountain and the squirrel
    পাহাড় ও কাঠবিড়ালীর মধ্যে
    Had a quarrel;
    একটি ঝগড়া হয়েছিল
    And the former called the latter “Little Prig.”
    এবং প্রথমজন পরের জনকে বলল “ছোট দাম্ভিক”
    Bun replied,
    কাঠবিড়ালী উত্তর দিল,
    “You are doubtless very big;
    তুমি নিঃসন্দেহে অনেক বড়
    But all sorts of things and weather
    কিন্তূ অন্যান্য সবকিছু এবং আবহাওয়া
    Must be taken in together
    একসঙ্গে নিতেই হবে
    To make up a year
    একটি বছর গড়তে
    And a Sphere
    এবং একটি গোলক তৈরী করতে
    And I think it’s no disgrace
    এবং আমি মনে করি এটা কোনো লজ্জা নয়
    To occupy my place.
    আমার নিজের জায়গা দখল করা।
    If I’m not so large as you,
    যদিও আমি তোমার মতো এতো বিরাট আকারের নই।
    You are not so small as I,
    তুমি আমার মতো এতো ক্ষুদ্র ও নও
    And not half so spry.
    এবং আমার মতো অর্ধেক প্রাণবন্ত ও নও
    I’ll not deny you make
    আমি অস্বীকার করবো না যে তুমি তৈরী করে দিয়েছো
    A very pretty squirrel track;
    কাঠবিড়ালীর জন্য খুব সুন্দর একটি রাস্তা
    Talents differ: all is well and wisely put;
    প্রতিভা ভিন্ন রকমের হয় : সবই ঠিক আছে এবং বিবেচনা করলে
    If I cannot carry forests on my back,
    আমি যে ভাবে কোনো জঙ্গল আমার পিঠে নিয়ে চলতে পারবো না
    Neither can you crack a nut
    সেইভাবে তুমি ও একটি বাদাম ভাঙতে পারবে না।

     

    Word meaning:

    ➢ Mountain-পাহাড়/পর্বত, Squirrel-কাঠবিড়ালী , Quarrel-ঝগড়া , Former-প্রথমজন/পূর্বের জন , Latter- শেষের জন , Little Prig- ছোট দাম্ভিক , Doubtless-নিঃসন্দেহ , All sorts of things-অন্যান্য সবকিছু , Weather-আবহাওয়া , Together-একসঙ্গে , Sphere-গোলক , Deny-অস্বীকার , Disgrace-লজ্জাজনক নয় এমন , Occupy-দখল, Spry-প্রাণবন্ত , Pretty-সুন্দর , Track-রাস্তা/পথ, Talents-প্রতিভা, Differ-ভিন্ন, Wisely-বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে, Put-রাখা , Carry- বহন করা , Forests-জঙ্গল , Back-পিছন , Crack-ভাঙ্গা , Nut-বাদাম

     

    Summary:

    ➢Fable কবিতাটি একটি শিক্ষণীয় কবিতা। প্রতিভা সবার থাকে তা হতে পারে ছোট অথবা হতে পারে বড়। প্রতিটি মানুষের প্রতিভা সমান হবে তা কিন্তু মোটেও কাম্য নয় কিন্তু তাই বলে কোন একজনের প্রতিভা নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা ঠিক নয়।
    এবং তাই কবি Ralph Waldo Emerson এর এই Fable কবিতাটি একটি চমৎকার উদাহরণ। কবিতাটিতে কবি দেখিয়েছেন যে যদিও পাহাড়ের ঝোপ জঙ্গল বহন করার ক্ষমতা আছে কিন্তু সে চাইলেও কাঠবিড়ালির মতো একটি কাঠ বাদাম ভাঙতে পারবে না। তাই একই রকম ভিন্ন মানুষের প্রতিভা ভিন্ন হয়ে থাকে এবং সবাই একই রকমভাবে একই কাজ করতে পারবে তা মোটেও কাম্য নয়। তাই আমাদের উচিত সবার প্রতিভাকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা।

    See less
      • 1
  • 1
  • 14,824
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

দুরন্ত আশা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Duranta Asha Poem in Bengali lyrics?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on May 8, 2020 at 3:37 pm

    দুরন্ত আশা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ - মানসী মর্মে যবে মত্ত আশা সর্পসম ফোঁষে অদৃষ্টের বন্ধনেতে দাপিয়া বৃথা রোষে তখনো ভালোমানুষ সেজে বাঁধানো হুঁকা যতনে মেজে মলিন তাস সজোরে ভেঁজে খেলিতে হবে কষে! অন্নপায়ী বঙ্গবাসী স্তন্যপায়ী জীব জন-দশেকে জটলা করি তক্তপোষে ব'সে। ভদ্র মোরা, শান্ত বড়ো, পোষ-মানা এ প্রাRead more

    দুরন্ত আশা

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    কাব্যগ্রন্থ – মানসী

    মর্মে যবে মত্ত আশা
    সর্পসম ফোঁষে
    অদৃষ্টের বন্ধনেতে
    দাপিয়া বৃথা রোষে
    তখনো ভালোমানুষ সেজে
    বাঁধানো হুঁকা যতনে মেজে
    মলিন তাস সজোরে ভেঁজে
    খেলিতে হবে কষে!
    অন্নপায়ী বঙ্গবাসী
    স্তন্যপায়ী জীব
    জন-দশেকে জটলা করি
    তক্তপোষে ব’সে।

    ভদ্র মোরা, শান্ত বড়ো,
    পোষ-মানা এ প্রাণ
    বোতাম-আঁটা জামার নীচে
    শান্তিতে শয়ান।
    দেখা হলেই মিষ্ট অতি
    মুখের ভাব শিষ্ট অতি,
    অসল দেহ ক্লিষ্টগতি–
    গৃহের প্রতি টান।
    তৈল-ঢালা স্নিগ্ধ তনু
    নিদ্রারসে ভরা,
    মাথায় ছোটো বহরে বড়ো
    বাঙালি সন্তান।

    ইহার চেয়ে হতেম যদি
    আরব বেদুয়িন!
    চরণতলে বিশাল মরু
    দিগন্তে বিলীন।
    ছুটেছে ঘোড়া, উড়েছে বালি,
    জীবনস্রোত আকাশে ঢালি
    হৃদয়তলে বহ্নি জ্বালি
    চলেছি নিশিদিন।
    বর্শা হাতে, ভর্সা প্রাণে,
    সদাই নিরুদ্দেশ
    মরুর ঝড় যেমন বহে
    সকল বাধাহীন।

    বিপদ-মাঝে ঝাঁপায়ে প’ড়ে
    শোণিত উঠে ফুটে,
    সকল দেহে সকল মনে
    জীবন জেগে উঠে–
    অন্ধকারে সূর্যালোতে
    সন্তরিয়া মৃত্যুস্রোতে
    নৃত্যময় চিত্ত হতে
    মত্ত হাসি টুটে।
    বিশ্বমাঝে মহান যাহা
    সঙ্গী পরানের,
    ঝঞ্ঝামাঝে ধায় সে প্রাণ
    সিন্ধুমাঝে লুটে।

    নিমেষতরে ইচ্ছা করে
    বিকট উল্লাসে
    সকল টুটে যাইতে ছুটে
    জীবন-উচ্ছ্বাসে–
    শূন্য ব্যোম অপরিমাণ
    মদ্যসম করিতে পান
    মুক্ত করি রুদ্ধ প্রাণ
    ঊর্ধ্ব নীলাকাশে।
    থাকিতে নারি ক্ষুদ্র কোণে
    আম্রবনছায়ে
    সুপ্ত হয়ে লুপ্ত হয়ে
    গুপ্ত গৃহবাসে।

    বেহালাখানা বাঁকায়ে ধরি
    বাজাও ওকি সুর–
    তবলা-বাঁয়া কোলেতে টেনে
    বাদ্যে ভরপুর!
    কাগজ নেড়ে উচ্চ স্বরে
    পোলিটিকাল তর্ক করে,
    জানলা দিয়ে পশিছে ঘরে
    বাতাস ঝুরুঝুর।
    পানের বাটা, ফুলের মালা,
    তবলা-বাঁয়া দুটো,
    দম্ভ-ভরা কাগজগুলো
    করিয়া দাও দূর!

    কিসের এত অহংকার!
    দম্ভ নাহি সাজে–
    বরং থাকো মৌন হয়ে
    সসংকোচ লাজে।
    অত্যাচারে মত্ত-পারা
    কভু কি হও আত্মহারা?
    তপ্ত হয়ে রক্তধারা
    ফুটে কি দেহমাঝে?
    অহর্নিশি হেলার হাসি
    তীব্র অপমান
    মর্মতল বিদ্ধ করি
    বজ্রসম বাজে?

    দাস্যসুখে হাস্যমুখ,
    বিনীত জোড়-কর,
    প্রভুর পদে সোহাগ-মদে
    দোদুল কলেবর!
    পাদুকাতলে পড়িয়া লুটি
    ঘৃণায় মাখা অন্ন খুঁটি
    ব্যগ্র হয়ে ভরিয়া মুঠি
    যেতেছ ফিরি ঘর।
    ঘরেতে ব’সে গর্ব কর
    পূর্বপুরুষের,
    আর্যতেজ-দর্প-ভরে
    পৃথ্বী থরথর।

    হেলায়ে মাথা, দাঁতের আগে
    মিষ্ট হাসি টানি
    বলিতে আমি পারিব না তো
    ভদ্রতার বাণী।
    উচ্ছ্বসিত রক্ত আসি
    বক্ষতল ফেলিছে গ্রাসি,
    প্রকাশহীন চিন্তারাশি
    করিছে হানাহানি।
    কোথাও যদি ছুটিতে পাই
    বাঁচিয়া যাই তবে–
    ভব্যতার গণ্ডিমাঝে
    শান্তি নাহি মানি।

    In English Font:

    Duranta Aasha
    Rabindranath Tagore

    Morme jobe motto aasha
    Sharpa momo fushe
    Odrister bondhonete
    Dapia britha rushe
    Takhano valo manush sheje
    Badhano hukka jatane meje
    Molin tar shojore veje
    Khelite hobe koshe!
    Annapayi Bangabashi
    Stonnopayi jib
    Jon dosheke jatola kori
    Taktaposhe boshe

    Bhadro mora, Shanto boro
    Posh-man ei pran
    Botam ata jamar niche
    Shantite shoyan
    Dekha holei misti oti
    Mukher bhav shisto oti,
    Olosh deho klistogati
    Griher proti taan
    Toil-dhala snigdo tanu
    Nidrarashe bhora,
    Mathay choto bahre boro
    Bangali shontan

    Ihar cheye hotam jadi
    Arab beduin
    Charantole bishal maru
    digonte bilin
    Chuteche ghura, ureche bali,
    Jibonsrut aakahse dali
    Hridoytole banni jali
    cholechi nishidin.
    borsha hate, bhorsha prane
    shodai niruddesh
    Marur jhar jemon bohe
    Shakal badhahin

    Bipod majhe japaye pore
    Shonit uthe fute,
    Shakal dehe shakal mone
    Jibon jege uthe
    Ondhokare shurjalote
    shantoriya mrityosrute
    Nrittyomoy chitta hote
    matta hashi tute
    Bissho majhe mohan jaha
    Shangi poraner
    Jhanjhamajhe dhay she pran
    Shindhumajhe lute

    Nimeshtore iccha kore
    Bikot ullashe
    Shakal tute jaite chute
    Jibon ucchashe
    shunno Byom oporiman
    Modyo shomo korite paan
    Mukta kori ruddha pran
    urdha nilakashe
    Thakite nari khudra khone
    ambrobonochaye
    Shupta hoye lupta hoye
    Gupta grihobashe

    Behalakhana bakaye dhari
    bajao oki shur-
    Tabla baya kulete tene
    badye bharpur
    Kagoj nere uccha share
    Political tarko kore
    Janla diye poshiche ghore
    Batash jhurujhur.
    Paner bata fuler mala,
    tabla-baya duto,
    Dambha bhora kagajgulo
    Koria dao dur!

    Kisher eto ohongkar
    dambha nahi shaje
    Barong thako mouno hoye
    Shashangkuch laje
    ottachare motto-para
    kabhu ki ho aatmohara?
    tapta hoye raktadhara
    Fute ki dehomajhe?
    Aharnishi helay hashi
    tibro opoman
    Marmotal biddho kori
    Bajroshomo baje?

    Dashyoshuke hashyomukh
    Biniti Jor-kar
    Prabhur pode shohag-mode
    Dodul kalebor!
    Padukatole podiya luti
    Grinay makha onno khuti
    Bygro hoye bhariya muthi
    jetecho firi ghar
    Gharete boshe garba kar
    Purbapurusher,
    Aarjatej-dorpe-bhore
    Prithbi tharthora

    Helaye matha dater aage
    Mishta hashi tani
    Bolite ami paribo na to
    bhadrotar bani
    Ucchoshito rakta aashi
    Bakkhatal feliche grashi
    prokashhin chintarashi
    Koriche hanahani.
    Kothao jadi chutite pai
    bachiya jai tabe-
    Bhovyotar gandimajhe
    Shanti nahi mani

    See less
      • 0
  • 1
  • 18,882
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

ওরা কাজ করে কবিতার সারাংশ ও মূলভাব | Ora Kaj Kore Poem Summary in Bengali?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on May 16, 2020 at 5:45 pm

    সারাংশ ও মূলভাবঃ আরােগ্য কাব্যগ্রন্থের ‘ওরা কাজ করে’ কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ বিশ্রামরত, কর্মহীন অবস্থায় মহাশূন্যের দিকে তাকিয়ে ছায়াছবি দেখতে পান। সে ছায়াছবিতে ভারতবর্ষের অতীত থেকে আজকের ইতিহাস যেমন তার কাছে প্রকাশিত হয় তেমনই ফুটে ওঠে লােকসাধারণের জীবনসত্য। জীবনের পরমসত্য যে মানুষদের কর্মে, শ্রমRead more

    সারাংশ ও মূলভাবঃ

    আরােগ্য কাব্যগ্রন্থের ‘ওরা কাজ করে’ কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ বিশ্রামরত, কর্মহীন অবস্থায় মহাশূন্যের দিকে তাকিয়ে ছায়াছবি দেখতে পান। সে ছায়াছবিতে ভারতবর্ষের অতীত থেকে আজকের ইতিহাস যেমন তার কাছে প্রকাশিত হয় তেমনই ফুটে ওঠে লােকসাধারণের জীবনসত্য।

    জীবনের পরমসত্য যে মানুষদের কর্মে, শ্রমে, আত্মত্যাগে মহীয়ান তাদেরই জীবন নিষ্প্রদীপ – এ যন্ত্রণা কবির মর্মপীড়ণের মূল ছিলাে। রথের রশি’ নাটিকায় তাই এ মানুষদেরকেই তিনি রাষ্ট্রপরিচালক হিসেবে দেখিয়েছেন। রাষ্ট্র, সভ্যতার প্রবাহিত ইতিহাস ও তাঁর সুললিত ব্যাখ্যা রবীন্দ্রসাহিত্যের অন্যত্রর মতাে ‘ওরা কাজ করে’ কবিতাতেও প্রকাশিত।

    এ কবিতায় প্রবাহিত ইতিহাসের বিরাট দৃশ্যমালা দরােজা খুলেছে কবির চোখের সামনে। সুদীর্ঘ অতীত থেকে আজ পর্যন্ত ভারতবর্ষের ইতিহাস বিদেশিদের পদলাঞ্ছিত হবার ইতিহাস। অনার্য ভারতে আর্য প্রবেশ এবং “শক-হ্ণ-দল-পাঠান-মােগলের একদেহে লীন হওয়া। বিদেশিদের জয়ােল্লাশ, জয়ৌদ্ধত্ত্বের সামনে অসহায় ভারতবাসী। সমস্ত ভারতজুড়ে বিদেশীয় শাসকদের দম্ভ। প্রত্যক্ষ করেছেন কবি। পাঠান, মােঘলদের জয়স্তম্ভ কালের নিয়মে নিশ্চিহ্ন হয়েছে। সময়ের প্রবাহে ভারত শাস্ত্র করতে এসেছে আর এক বিদেশি ইংরেজ। ইতিহাসচেতনার ব্যঞ্জনাময় প্রকাশে কবি উল্লেখ করেছেন।

    “লৌহ বাঁধা পথে অনল নিঃশ্বাসী রথে।”

    ইংরেজ কীর্তি রেলপথ স্থাপ্নের সংকেতদ্যোতক এই চরণ একইসঙ্গে ইংরেজ লালসারও প্রকাশক। প্রগাঢ় দার্শনিক সত্তার অধিকারী রবীন্দ্রনাথ অবশ্য একইসঙ্গে বলেছেন ইংরেজের পণ্যবাহী সেনা একদিন ভারত থেকে তথা বিশ্ব থেকে লীন হয়ে যাবে।

    ‘জ্যোতিষ্কলােকের পথে রেখামাত্র চিহ্ন আঁকিবে না।

    কবির মৃত্যুর পরে ভারতের স্বাধীনতা এবং কবির জীবদ্দশায় স্বাধীনতা আগমনের লক্ষ্মণ সমাজদেহে প্রকাশিত নয়। তাই কবির প্রত্যয়ী বাণী আমাদের তাঁর দার্শনিক স্বত্তার কাছে শ্রদ্ধাশীল করে তােলে। কবি তাঁর কবিতায় বলেছেন মানুষের জীবনের নিত্যপ্রয়ােজনে যে বিপুল জনতাবলে জীবন থেকে মরণ পর্যন্ত তারাই ধ্রুব, সনাতন। রাজস্তম্ভ ভেঙে যায়, রণডঙ্কা নিঃশব্দ হয়, জয়স্তম্ভ কীর্তিগর্ব ভুলে পুরাকীর্তি হয়ে ওঠে, প্রবল প্রতাপশালীর স্থান হয় ছেলেভুলােনাে ছড়ায় কিন্তু ইতিহাসে প্রাণসঞ্চার করে ওই লােকসাধারণ, সভ্যতার পিলসুজরা, ইতিহাসের রথচক্র ‘ওরা’ই ওদের কর্মের মাধ্যমে সচল রাখে।

    ‘কিষাণের জীবনের শরিক যে জন কর্মে ও কথায় সত্য আত্মীয়তা করেছে অর্জন।

    ‘আরােগ্য কাব্যগ্রন্থের পাঠ্য কবিতায় রবীন্দ্রলােকচেতনের প্রকাশ ঘটেছে সাবলীলভাবে। ১৯৩০ খ্রীঃ-এ। রাশিয়া ভ্রমণের পর রবীন্দ্রনাথ যেন নিপীড়িতের পক্ষে লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা পান। পৃথিবী সে সময় নিদারুণ অর্থদৈণ্যে পিড়ীত, ভারতীয় সমাজও সাম্রাজ্যবাদী শােষণে বিহুল ত্রস্ত। মানবতার বেদীকে রক্তাক্ত করে তুলছে। বিশ্বব্যাপী বণিকতন্ত্রের লােভ। ব্যক্তিজীবনের অসুস্থতায় এ সময়ই কবি পেয়েছেন মৃত্যুর ভয়াবহ আমন্ত্রণের স্বাদ। মানুষ ও পৃথিবীর প্রবাহিত তরঙ্গ তাকে করে তুলছে আরাে দৃঢ়। মানবত্বের পরম সত্য তাই বারংবার রূপ পাচ্ছে তাঁর রচনায়।

    চলিতেছে লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি প্রাণী এই শুধু জানি।। চলিতে চলিতে থামে, পণ্য তার দিয়ে যায় কাকে পশ্চাতে যে রহে নিতে ক্ষণপরে সেও নাহি থাকে। (রােগশয্যায়)
    এই জীবনসত্য বহনকারীদের সম্পর্কে পাঠ্য কবিতায় বলেছেন –

    ‘মাটির পৃথিবী পানে আঁখি মেলি যবে দেখি সেথা কলকলরবে বিপুল জনতা চলে ।
    নানা পথে নানা দলে দলে যুগযুগান্তর হতে মানুষের নিত্যপ্রয়ােজনে। জীবনে মরণে।

    বিশ্বজীবন প্রবাহের এই সত্যকে প্রকাশ গিয়ে এ কবিতায় এদের জীবন, এদের কথা, তাদের ভাষা কোন কিছুই সামাজিক স্বীকৃতি প্রাপ্ত নয় বলে কবি কলকলরবে বলেছেন, বলেছেন এরা কেউ জন নয় – জনতা। এদের ব্যক্তিপরিচয়ে সমাজে উপেক্ষিত বলে কবি এদের কবিতায় তুচ্ছার্থবােধক সর্বনাম ‘ওরা” বলে চিহ্নিত করেছেন। কিন্তু এদের কর্মক্ষেত্র সর্বত্র, এরাই সভ্যতার বাহক, ধারক, পরিচালক – ওরা চিরকাল টানে দাঁড়, ধরে থাকে হাল ওরা মাঠে মাঠে বীজ বােনে, পাকা ধান কাটে।
    সভ্যতা অগ্রগতি ও দিশা দেওয়া এই ব্রাত্য, উপেক্ষিতরা সভ্যতার পিলসূজ। তারাই সভ্যতার গতি ও দিকনির্ণায়ক বলে দেশ-দেশান্তরে, অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ, পজ্ঞাব-বােম্বাই-গুজরাট, সমুদ্র নদীর ঘাট সর্বত্রই শােনা যায় এদের রব। উপনিষদ বলেছে মানবজীবনের মূলমন্ত্র চরৈবতি, চরৈবতি। এরা সেই মন্ত্রকে জীবনের মহামন্ত্রধ্বনিতে রূপান্তরিত করে রেখেছে – আগামীকেও রাখবে।

    See less
      • 3
  • 1
  • 57,140
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

শেষ বসন্ত (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sesh Basanta Bengali Poem lyrics?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on May 10, 2020 at 10:06 pm

    শেষ বসন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ- পূরবী আজিকার দিন না ফুরাতে হবে মোর এ আশা পুরাতে-- শুধু এবারের মতো বসন্তের ফুল যত যাব মোরা দুজনে কুড়াতে। তোমার কাননতলে ফাল্গুন আসিবে বারম্বার, তাহারি একটি শুধু মাগি আমি দুয়ারে তোমার। বেলা কবে গিয়াছে বৃথাই এতকাল ভুলে ছিনু তাই। হঠাৎ তোমার চোখে দেখিয়াছি সন্ধ্যালোRead more

    শেষ বসন্ত

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    কাব্যগ্রন্থ- পূরবী

    আজিকার দিন না ফুরাতে
    হবে মোর এ আশা পুরাতে–
    শুধু এবারের মতো
    বসন্তের ফুল যত
    যাব মোরা দুজনে কুড়াতে।
    তোমার কাননতলে ফাল্গুন আসিবে বারম্বার,
    তাহারি একটি শুধু মাগি আমি দুয়ারে তোমার।

    বেলা কবে গিয়াছে বৃথাই
    এতকাল ভুলে ছিনু তাই।
    হঠাৎ তোমার চোখে
    দেখিয়াছি সন্ধ্যালোকে
    আমার সময় আর নাই।
    তাই আমি একে একে গনিতেছি কৃপণের সম
    ব্যাকুল সংকোচভরে বসন্তশেষের দিন মম।

    ভয় রাখিয়ো না তুমি মনে!
    তোমার বিকচ ফুলবনে
    দেরি করিব না মিছে,
    ফিরে চাহিব না পিছে
    দিনশেষে বিদায়ের ক্ষণে।
    চাব না তোমার চোখে আঁখিজল পাব আশা করি
    রাখিবারে চিরদিন স্মৃতিরে করুণারসে ভরি।

    ফিরিয়া যেয়ো না, শোনো শোনো,
    সূর্য অস্ত যায় নি এখনো।
    সময় রয়েছে বাকি;
    সময়েরে দিতে ফাঁকি
    ভাবনা রেখো না মনে কোনো।
    পাতার আড়াল হতে বিকালের আলোটুকু এসে
    আরো কিছুখন ধরে ঝলুক তোমার কালো কেশে।

    হাসিয়া মধুর উচ্চহাসে
    অকারণ নির্মম উল্লাসে,
    বনসরসীর তীরে
    ভীরু কাঠবিড়ালিরে
    সহসা চকিত কোরো ত্রাসে।
    ভুলে-যাওয়া কথাগুলি কানে কানে করায়ে স্মরণ
    দিব না মন্থর করি ওই তব চঞ্চল চরণ।

    তার পরে যেয়ো তুমি চলে
    ঝরা পাতা দ্রুতপদে দোলে,
    নীড়ে-ফেরা পাখি যবে
    অস্ফুট কাকলিরবে
    দিনান্তেরে ক্ষুব্ধ করি তোলে।
    বেণুবনচ্ছায়াঘন সন্ধ্যায় তোমার ছবি দূরে
    মিলাইবে গোধূলির বাঁশরির সর্বশেষ সুরে।

    রাত্রি যবে হবে অন্ধকার
    বাতায়নে বসিয়ো তোমার।
    সব ছেড়ে যাব, প্রিয়ে,
    সমুখের পথ দিয়ে,
    ফিরে দেখা হবে না তো আর।
    ফেলে দিয়ো ভোরে-গাঁথা ম্লান মল্লিকার মালাখানি।
    সেই হবে স্পর্শ তব, সেই হবে বিদায়ের বাণী।

     

    In English Font:

    Shesh Basanta
    Rabindranath Tagore

    Aajikar din na furate
    Hobe mor e asha purate
    Shudhu ebarer moto
    Basanter ful joto
    Jabo mora dujane kurate
    Tomar kanantole falgun aashibe barombar
    Tahari ekti shudhu magi ami duware tumar

    Bela kobe giyache brithay
    Etokal bhule chinu tai.
    Hothath tomar chokhe
    Dekiyachi shondhaloke
    Amar shomoy ar nai.
    tai ami eke eke gonitechi kriponer shomo
    Byakul shonkochbhore basantashesher din momo

    Bhoy rakhio na tuni mone
    Tumar bikoch fulbone
    Deri korbo na miche
    Fire chahibo na piche
    Din sheshe bidayer khone
    Chabo na tomar chokhe aakhijal pabo aasha kori
    Rakhibatre chirodin sritire karunaroshe bhori.

    Firiya jeyo na, Shono shono,
    Surja osta jay ni ekhono.
    Shomoy royeche baki;
    Shomoyere dite faki
    Bhabona rekho na mone kono
    Patar aaral hote bikaler aalotuku eshe
    Aro kichukhan dhore jhaluk tomar kalo keshe.

    Hashiya madhur ucchahashe
    Okaron nirmom ullashe
    banshoroshir tire
    Bhiru kathbiralire
    Shohosha chokito koro trashe
    Bhule jawa kothagulikane kane koraye sharan
    Dibo ba manthar kori oi taba chanchal charan.

    Tar pore jeyo tumi chole
    Jhorapata drutopode dole,
    Nire fera pakhi jobe
    Osfut Kakolirobe
    Dinantore khubda kori tule
    Benubonocchayaghana shondhay Tumar chobi dure
    Milaibe Godholir basharir Sharbashesh shure

    Ratri Jobe hobe ondhakar
    batayone boshiyo tomar
    Shab chere jabo, priye
    Shamukher path diye Fire dekha hobe na to ar
    Fele diyo bhore-gatha mlan mollikar malakhani
    Shei hobe sparsho tabo, shei hobe bidayer bani

    See less
      • 1
  • 1
  • 15,054
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

একটি সংলাপ (সুভাষ মুখোপাধ্যায়) Ekti Songlap Kobita lyrics in Bengali?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on May 3, 2020 at 10:56 am

    একটি সংলাপ - সুভাষ মুখোপাধ্যায় মেয়ে: তুমি কি চাও আমার ভালবাসা ? ছেলে: হ্যাঁ, চাই ! মেয়ে: গায়ে কিন্তু তার কাদা মাখা ! ছেলে: যেমন তেমনিভাবেই চাই । মেয়ে: আমার আখেরে কী হবে বলা হোক । ছেলে: বেশ! মেয়ে: আর আমি জিগ্যেস করতে চাই । ছেলে: করো । মেয়ে: ধরো’ আমি কড়া নাড়লাম । ছেলে: আমি হাত ধরে ভেতরে নিয়ে যাবRead more

    একটি সংলাপ – সুভাষ মুখোপাধ্যায়

    মেয়ে: তুমি কি চাও আমার ভালবাসা ?
    ছেলে: হ্যাঁ, চাই !
    মেয়ে: গায়ে কিন্তু তার কাদা মাখা !
    ছেলে: যেমন তেমনিভাবেই চাই ।
    মেয়ে: আমার আখেরে কী হবে বলা হোক ।
    ছেলে: বেশ!
    মেয়ে: আর আমি জিগ্যেস করতে চাই ।
    ছেলে: করো ।
    মেয়ে: ধরো’ আমি কড়া নাড়লাম ।
    ছেলে: আমি হাত ধরে ভেতরে নিয়ে যাব !
    মেয়ে: ধরো’ তোমাকে তলব করলাম ।
    ছেলে: আমি হুজুরে হাজির হব ।
    মেয়ে: তাতে যদি বিপদ ঘটে ?
    ছেলে: আমি সে বিপদে ঝাঁপ দেব ।
    মেয়ে: যদি তোমার সঙ্গে প্রতারণা করি?
    ছেলে: আমি ক্ষমা করে দেব ।
    মেয়ে: তোমাকে তর্জনী তুলে বলব, গান গাও ।
    ছেলে: আমি গাইব ।
    মেয়ে: বলব,কোনো বন্ধু এলে তার মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দাও।
    ছেলে: বন্ধ করে দেব ।
    মেয়ে: তোমাকে বলব, প্রাণ নাও ।
    ছেলে: আমি নেব ।
    মেয়ে: বলব, প্রাণ দাও ।
    ছেলে: দেব ।
    মেয়ে: যদি তলিয়ে যাই ?
    ছেলে: আমি টেনে তুলবো ।
    মেয়ে: তাতে যদি ব্যথা লাগে ?
    ছেলে: সহ্য করব ।
    মেয়ে: আর যদি থাকে বাধার দেয়াল ?
    ছেলে: ভেঙ্গে ফেলব ।
    মেয়ে: যদি থাকে একশো গিঠঁ ?
    ছেলে: তাহলেও ।
    মেয়ে: তুমি চাও আমার ভালবাসা ?
    ছেলে: হ্যাঁ, তোমার ভালবাসা ।
    মেয়ে: তুমি কখনোই পাবে না ।
    ছেলে: কিন্তু কেন ?
    মেয়ে: কারণ, যারা ত্রীতদাস আমি তাদের কখনই ভালবাসি না ।

    In English Font:

    Ekti Songlap
    Subhash Mukopadhay

    Meye- Tumi ki chao amar valobasha
    Chele- Ha, chai!
    Meye- Gaye kintu tar kada makha
    Chele- Jemon temnibhabei chai.
    Meye- Amar aakher ki hobe bola houk.
    Chele- Besh!
    Meye- Aar ami jiggesh korte chai.
    Chele- koro
    Meye- Dhoro ami kora narlam.
    Chele- Ami hath dhore vitore niye jabo
    Meye- Dhoro tumake talab korlam.
    Chele- Ami huzure hajir hobo.
    Meye- Tate jadi bipod ghote?
    Chele-Ami she bipode jhap debo
    Meye- Jadi tumar shange protarona kori?
    Chele- Ami gaibo
    Meye- Bolobo, Kuno bandhu eletar mukher upar darja bandha kore dao.,
    Chele- bandha kore debo.
    Meye- Tumake balbo pran nao.
    Chele- Ami nebo.
    Meye- Balbo pran dao.
    Chele- Debo.
    Meye- Jadi taliye jai?
    Chele- Ami tene tulbo
    Meye- Tate jadi betha lage?
    Chele- shojyo karbo
    Meye- Ar jadi thake badhar deyal?
    Chele- Venge felbo
    Meye- Jadi thake eksho gith?
    Chele- taholeo.
    Meye- tumi chao amar valobasha?
    Chele- ha, Tumar valobasha
    Meye- Tumi khakhonoi pabe na.
    chele- kintu keno?
    Meye- Karon, Jara tritidash ami tader kakhanoi valobashi na.

    See less
      • 0
  • 1
  • 5,913
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতাঃ বাংলা টাংলা ( অপূর্ব দত্ত ) Bangla Tangla Poem by Apurba Dutta in Bangali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on May 1, 2020 at 5:58 am

    বাংলা-টাংলা - অপূর্ব দত্ত অ্যানুয়ালের রেজাল্ট হাতে বাড়ি ফিরল ছেলে মা বলল—কোন পেপারে কত নাম্বার পেলে ? হিস্ট্রিতে মম, এইটি ফোর, ম্যাথসে নাইন জিরাে, মা বলল—ফ্যান্টাস্টিক, জাস্ট লাইক এ হিরাে। সায়েন্সে ড্যাড, নট সাে ফেয়ার, ওনলি সিক্সটি নাইন, ইংলিশে জাস্ট নাইনটি টু, অলটুগেদার ফাইন। জিয়ােগ্রাফির পেপাRead more

    বাংলা-টাংলা – অপূর্ব দত্ত

    অ্যানুয়ালের রেজাল্ট হাতে বাড়ি ফিরল ছেলে
    মা বলল—কোন পেপারে কত নাম্বার পেলে ?
    হিস্ট্রিতে মম, এইটি ফোর, ম্যাথসে নাইন জিরাে,
    মা বলল—ফ্যান্টাস্টিক, জাস্ট লাইক এ হিরাে।
    সায়েন্সে ড্যাড, নট সাে ফেয়ার, ওনলি সিক্সটি নাইন,
    ইংলিশে জাস্ট নাইনটি টু, অলটুগেদার ফাইন।
    জিয়ােগ্রাফির পেপারে তাে হান্ড্রেডে হান্ড্রেড,
    ডুবিয়ে দিল বেংগলিটা ভেরি পুয়াের গ্রেড।
    ছেলের মাথায় হাত রেখে মা ঠোট বেঁকিয়ে বলে –
    নেভার মাইন্ড, বেংগলিটা না শিখলেও চলে।
    বাবা বলল–বেশ বলেছ বঙ্গমাতার কন্যে,
    বাংলা-টাংলা আমার মতাে অশিক্ষিতের জন্যে।
    বিদ্যাসাগর রবীন্দ্রনাথ নেহাৎ ছিলেন বােকা,
    না হলে কেউ শখ করে হয় বাংলা বইয়ের পােকা?
    মা বলল—চুপ করাে তাে, ওর ফল্টটা কিসে
    স্কুলে কেন বেংগলিটা পড়ায় না ইংলিশে ?

     

     

    In English font:

    Bangla Tangla

    Annual r result hate bari ferlo chele
    Maa bollo-Kuno paper e koto number pele?
    History te Mom, Eighty four, maths e nine zero,
    Maa bollo-fantastic Just like a hero.
    Science e dad not so fair, Only sixty nine,
    English e just ninety two, Altogether fine.
    geographyr paper to hundred e hundred
    Dubiye dilo Bengali ta very poor grade.
    Cheler mathay haat rekhe Maa thut bekiye bole-
    Never mind, Bengali ta na shikleo chole.
    Baba bollo-besh bolecho bongomatar konna,
    bangla tangla amar moto oshikkiter jone
    Vidyashagar Rabindranath nehat chilen buka,
    na hole keu shokh kore hoy bangla boier puka?
    Maa bollo, Chup kara to, Or fault ta kishe
    School e keno Bengali ta poray na English e?

    See less
      • 0
  • 1
  • 32,289
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতাঃ জন্মদিন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Jonmodin Poem by Rabindranath Tagore in Bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on May 5, 2020 at 1:05 pm
    This answer was edited.

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মদিন নিয়ে অনেক কবিতা লিখেছেন। তাঁর একটি কাব্যগ্রন্থের নাম "জন্মদিনে" সেই কাব্যে রয়েছে ২৯ টি কবিতা। এখানে তিনটি কবিতা দেয়া হলো যেগুলি তার অন্যান্য কাব্যের অন্তর্গত। জন্মদিন (তোমরা রচিলে যারে) কাব্যগ্রন্থ-নবজাতক জন্মদিন (আজ মম জন্মদিন। সদ্যই প্রাণের প্রান্তপথে) কাব্যগ্রন্থ-সেঁজুতিRead more

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মদিন নিয়ে অনেক কবিতা লিখেছেন। তাঁর একটি কাব্যগ্রন্থের নাম “জন্মদিনে” সেই কাব্যে রয়েছে ২৯ টি কবিতা।
    এখানে তিনটি কবিতা দেয়া হলো যেগুলি তার অন্যান্য কাব্যের অন্তর্গত।

    • জন্মদিন (তোমরা রচিলে যারে) কাব্যগ্রন্থ-নবজাতক
    • জন্মদিন (আজ মম জন্মদিন। সদ্যই প্রাণের প্রান্তপথে) কাব্যগ্রন্থ-সেঁজুতি
    • জন্মদিন (দৃষ্টিজালে জড়ায় ওকে হাজারখানা চোখ) কাব্যগ্রন্থ-সেঁজুতি

     
    আরও পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতাসমূহ

    জন্মদিন

    তোমরা রচিলে যারে
    নানা অলংকারে
    তারে তো চিনি নে আমি,
    চেনেন না মোর অন্তর্যামী
    তোমাদের স্বাক্ষরিত সেই মোর নামের প্রতিমা।
    বিধাতার সৃষ্টিসীমা
    তোমাদের দৃষ্টির বাহিরে।
    কালসমুদ্রের তীরে
    বিরলে রচেন মূর্তিখানি
    বিচিত্রিত রহস্যের যবনিকা টানি
    রূপকার আপন নিভৃতে।
    বাহির হইতে
    মিলায়ে আলোক অন্ধকার
    কেহ এক দেখে তারে, কেহ দেখে আর।
    খণ্ড খণ্ড রূপ আর ছায়া,
    আর কল্পনার মায়া
    আর মাঝে মাঝে শূন্য, এই নিয়ে পরিচয় গাঁথে
    অপরিচয়ের ভূমিকাতে।
    সংসারখেলার কক্ষে তাঁর
    যে-খেলেনা রচিলেন মূর্তিকার
    মোরে লয়ে মাটিতে আলোতে,
    সাদায় কালোতে,
    কে না জানে সে ক্ষণভঙ্গুর
    কালের চাকার নিচে নিঃশেষে ভাঙিয়া হবে চুর।
    সে বহিয়া এনেছে যে-দান
    সে করে ক্ষণেকতরে অমরের ভান–
    সহসা মুহূর্তে দেয় ফাঁকি,
    মুঠি-কয় ধূলি রয় বাকি,
    আর থাকে কালরাত্রি সব-চিহ্ন-ধুয়ে-মুছে-ফেলা।
    তোমাদের জনতার খেলা
    রচিল যে পুতুলিরে
    সে কি লুব্ধ বিরাট ধূলিরে
    এড়ায়ে আলোতে নিত্য রবে।
    এ কথা কল্পনা কর যবে
    তখন আমার
    আপন গোপন রূপকার
    হাসেন কি আঁখিকোণে,
    সে কথাই ভাবি আজ মনে

     

    জন্মদিন

    দৃষ্টিজালে জড়ায় ওকে হাজারখানা চোখ,
    ধ্বনির ঝড়ে বিপন্ন ওই লোক।
    জন্মদিনের মুখর তিথি যারা ভুলেই থাকে,
    দোহাই ওগো, তাদের দলে লও এ মানুষটাকে–
    সজনে পাতার মতো যাদের হালকা পরিচয়,
    দুলুক খসুক শব্দ নাহি হয়।
    সবার মাঝে পৃথক ও যে ভিড়ের কারাগারে
    খ্যাতি-বেড়ির নিরন্ত ঝংকারে।
    সবাই মিলে নানা রঙে রঙিন করছে ওরে,
    নিলাজ মঞ্চে রাখছে তুলে ধরে,
    আঙুল তুলে দেখাচ্ছে দিনরাত;
    কোথায় লুকোয় ভেবে না পায়, আড়াল ভূমিসাৎ।
    দাও-না ছেড়ে ওকে
    স্নিগ্ধ -আলো শ্যামল-ছায়া বিরল-কথার লোকে,
    বেড়াহীন বিরাট ধূলি-‘পর,
    সেই যেখানে মহাশিশুর আদিম খেলাঘর।
    ভোরবেলাকার পাখির ডাকে প্রথম খেয়া এসে
    ঠেকল যখন সব-প্রথমের চেনাশোনার দেশে,
    নামল ঘাটে যখন তারে সাজ রাখে নি ঢেকে,
    ছুটির আলো নগ্ন গায়ে লাগল আকাশ থেকে–
    যেমন করে লাগে তরীর পালে,
    যেমন লাগে অশোক গাছের কচি পাতার ডালে।
    নাম ভোলা ফুল ফুটল ঘাসে ঘাসে
    সেই প্রভাতের সহজ অবকাশে।
    ছুটির যজ্ঞে পুষ্পহোমে জাগল বকুলশাখা,
    ছুটির শূন্যে ফাগুনবেলা মেলল সোনার পাখা।
    ছুটির কোণে গোপনে তার নাম
    আচম্কা সেই পেয়েছিল মিষ্টিসুরের দাম;
    কানে কানে সে নাম ডাকার ব্যথা উদাস করে
    চৈত্রদিনের স্তব্ধ দুইপ্রহরে।
    আজ সবুজ এই বনের পাতায় আলোর ঝিকিঝিকি
    সেই নিমেষের তারিখ দিল লিখি।
    তাহারে ডাক দিয়েছিল পদ্মানদীর ধারা,
    কাঁপন-লাগা বেণুর শিরে দেখেছে শুকতারা;
    কাজল-কালো মেঘের পুঞ্জ সজল সমীরণে
    নীল ছায়াটি বিছিয়েছিল তটের বনে বনে;
    ও দেখেছে গ্রামের বাঁকা বাটে
    কাঁখে কলস মুখর মেয়ে চলে স্নানের ঘাটে;
    সর্ষেতিসির খেতে
    দুইরঙা সুর মিলেছিল অবাক আকাশেতে;
    তাই দেখেছে চেয়ে চেয়ে অস্তরবির রাগে–
    বলেছিল, এই তো ভালো লাগে।
    সেই-যে ভালো-লাগাটি তার যাক সে রেখে পিছে,
    কীর্তি যা সে গেঁথেছিল হয় যদি হোক মিছে,
    না যদি রয় নাই রহিল নাম–
    এই মাটিতে রইল তাহার বিস্মিত প্রণাম।

     

    জন্মদিন

    আজ মম জন্মদিন। সদ্যই প্রাণের প্রান্তপথে
    ডুব দিয়ে উঠেছে সে বিলুপ্তির অন্ধকার হতে
    মরণের ছাড়পত্র নিয়ে। মনে হতেছে কী জানি
    পুরাতন বৎসরের গ্রন্থিবাঁধা জীর্ণ মালাখানি
    সেথা গেছে ছিন্ন হয়ে; নবসূত্রে পড়ে আজি গাঁথা
    নব জন্মদিন। জন্মোৎসবে এই-যে আসন পাতা
    হেথা আমি যাত্রী শুধু, অপেক্ষা করিব, লব টিকা
    মৃত্যুর দক্ষিণ হস্ত হতে, নূতন অরুণলিখা
    যবে দিবে যাত্রার ইঙ্গিত।
    আজ আসিয়াছে কাছে
    জন্মদিন মৃত্যুদিন, একাসনে দোঁহে বসিয়াছে,
    দুই আলো মুখোমুখি মিলিছে জীবনপ্রান্তে মম
    রজনীর চন্দ্র আর প্রত্যুষের শুকতারাসম–
    এক মন্ত্রে দোঁহে অভ্যর্থনা।
    প্রাচীন অতীত, তুমি
    নামাও তোমার অর্ঘ্য; অরূপ প্রাণের জন্মভূমি,
    উদয়শিখরে তার দেখো আদিজ্যোতি। করো মোরে
    আশীর্বাদ, মিলাইয়া যাক তৃষাতপ্ত দিগন্তরে
    মায়াবিনী মরীচিকা। ভরেছিনু আসক্তির ডালি
    কাঙালের মতো; অশুচি সঞ্চয়পাত্র করো খালি,
    ভিক্ষামুষ্টি ধূলায় ফিরায়ে লও, যাত্রাতরী বেয়ে
    পিছু ফিরে আর্ত চক্ষে যেন নাহি দেখি চেয়ে চেয়ে
    জীবনভোজের শেষ উচ্ছিষ্টের পানে।
    হে বসুধা,
    নিত্য নিত্য বুঝায়ে দিতেছ মোরে– যে তৃষ্ণা, যে ক্ষুধা
    তোমার সংসাররথে সহস্রের সাথে বাঁধি মোরে
    টানায়েছে রাত্রিদিন স্থুল সূক্ষ্ম নানাবিধ ডোরে
    নানা দিকে নানা পথে, আজ তার অর্থ গেল কমে
    ছুটির গোধূলিবেলা তন্দ্রালু আলোকে। তাই ক্রমে
    ফিরায়ে নিতেছ শক্তি, হে কৃপণা, চক্ষুকর্ণ থেকে
    আড়াল করিছ স্বচ্ছ আলো; দিনে দিনে টানিছে কে
    নিষ্প্রভ নেপথ্যপানে। আমাতে তোমার প্রায়োজন
    শিথিল হয়েছে, তাই মূল্য মোর করিছ হরণ,
    দিতেছ ললাটপটে বর্জনের ছাপ। কিন্তু জানি,
    তোমার অবজ্ঞা মোরে পারে না ফেলিতে দূরে টানি।
    তব প্রয়োজন হতে অতিরিক্ত যে মানুষ তারে
    দিতে হবে চরম সম্মান তব শেষ নমস্কারে।
    যদি মোরে পঙ্গু কর, যদি মোরে কর অন্ধপ্রায়,
    যদি বা প্রচ্ছন্ন কর নিঃশক্তির প্রদোষচ্ছায়ায়,
    বাঁধ বার্ধক্যের জালে, তবু ভাঙা মন্দিরবেদীতে
    প্রতিমা অক্ষুণ্ন রবে সগৌরবে; তারে কেড়ে নিতে
    শক্তি নাই তব।
    ভাঙো ভাঙো, উচ্চ করো ভগ্নস্তূপ,
    জীর্ণতার অন্তরালে জানি মোর আনন্দস্বরূপ
    রয়েছে উজ্জ্বল হয়ে। সুধা তারে দিয়েছিল আনি
    প্রতিদিন চতুর্দিকে রসপূর্ণ আকাশের বাণী;
    প্রত্যুত্তরে নানা ছন্দে গেয়েছে সে “ভালোবাসিয়াছি’।
    সেই ভালোবাসা মোরে তুলেছে স্বর্গের কাছাকাছি
    ছাড়ায়ে তোমার অধিকার। আমার সে ভালোবাসা
    সব ক্ষয়ক্ষতিশেষে অবশিষ্ট রবে; তার ভাষা
    হয়তো হারাবে দীপ্তি অভ্যাসের ম্লানস্পর্শ লেগে,
    তবু সে অমৃতরূপ সঙ্গে রবে যদি উঠি জেগে
    মৃত্যুপরপারে। তারি অঙ্গে এঁকেছিল পত্রলিখা
    আম্রমঞ্জরীর রেণু, এঁকেছে পেলব শেফালিকা
    সুগন্ধি শিশিরকণিকায়; তারি সূক্ষ্ম উত্তরীতে
    গেঁথেছিল শিল্পকারু প্রভাতের দোয়েলের গীতে
    চকিত কাকলিসূত্রে; প্রিয়ার বিহ্বল স্পর্শখানি
    সৃষ্টি করিয়াছে তার সর্বদেহে রোমাঞ্চিত বাণী,
    নিত্য তাহা রয়েছে সঞ্চিত। যেথা তব কর্মশালা
    সেথা বাতায়ন হতে কে জানি পরায়ে দিত মালা
    আমার ললাট ঘেরি সহসা ক্ষণিক অবকাশে,
    সে নহে ভৃত্যের পুরস্কার; কী ইঙ্গিতে কী আভাসে
    মুহূর্তে জানায়ে চলে যেত অসীমের আত্মীয়তা
    অধরা অদেখা দূত, বলে যেত ভাষাতীত কথা
    অপ্রয়োজনের মানুষেরে।
    সে মানুষ, হে ধরণী,
    তোমার আশ্রয় ছেড়ে যাবে যবে, নিয়ো তুমি গণি
    যা-কিছু দিয়েছ তারে, তোমার কর্মীর যত সাজ,
    তোমার পথের যে পাথেয়, তাহে সে পাবে না লাজ;
    রিক্ততায় দৈন্য নহে। তবু জেনো অবজ্ঞা করি নি
    তোমার মাটির দান, আমি সে মাটির কাছে ঋণী–
    জানায়েছি বারংবার, তাহারি বেড়ার প্রান্ত হতে
    অমূর্তের পেয়েছি সন্ধান। যবে আলোতে আলোতে
    লীন হত দড়যবনিকা, পুষ্পে পুষ্পে তৃণে তৃণে
    রূপে রসে সেই ক্ষণে যে গূঢ় রহস্য দিনে দিনে
    হত নিঃশ্বসিত, আজি মর্তের অপর তীরে বুঝি
    চলিতে ফিরানু মুখ তাহারি চরম অর্থ খুঁজি।
    যবে শান্ত নিরাসক্ত গিয়েছি তোমার নিমন্ত্রণে
    তোমার অমরাবতী সুপ্রসন্ন সেই শুভক্ষণে
    মুক্তদ্বার; বুভুক্ষুর লালসারে করে সে বঞ্চিত;
    তাহার মাটির পাত্রে যে অমৃত রয়েছে সঞ্চিত
    নহে তাহা দীন ভিক্ষু লালায়িত লোলুপের লাগি।
    ইন্দ্রের ঐশ্বর্য নিয়ে হে ধরিত্রী, আছ তুমি জাগি
    ত্যাগীরে প্রত্যাশা করি, নির্লোভেরে সঁপিতে সম্মান,
    দুর্গমের পথিকেরে আতিথ্য করিতে তব দান
    বৈরাগ্যের শুভ্র সিংহাসনে। ক্ষুব্ধযারা, লুব্ধ যারা,
    মাংসগন্ধে মুগ্ধ যারা, একান্ত আত্মার দৃষ্টিহারা
    শ্মশানের প্রান্তচর, আবর্জনাকুণ্ড তব ঘেরি
    বীভৎস চীৎকারে তারা রাত্রিদিন করে ফেরাফেরি,
    নির্লজ্জ হিংসায় করে হানাহানি।
    শুনি তাই আজি
    মানুষ-জন্তুর হুহুংকার দিকে দিকে উঠে বাজি।
    তবু যেন হেসে যাই যেমন হেসেছি বারে বারে
    পণ্ডিতের মূঢ়তায়, ধনীর দৈন্যের অত্যাচারে,
    সজ্জিতের রূপের বিদ্রূপে। মানুষের দেবতারে
    ব্যঙ্গ করে যে অপদেবতা বর্বর মুখবিকারে
    তারে হাস্য হেনে যাব, বলে যাব, “এ প্রহসনের
    মধ্য-অঙ্কে অকস্মাৎ হবে লোপ দুষ্ট স্বপনের;
    নাট্যের কবররূপে বাকি শুধু রবে ভস্মরাশি
    দগ্ধশেষ মশালের, আর অদৃষ্টের অট্টহাসি।’
    বলে যাব, “দ্যূতচ্ছলে দানবের মূঢ় অপব্যয়
    গ্রন্থিতে পারে না কভু ইতিবৃত্তে শাশ্বত অধ্যায়।’
    বৃথা বাক্য থাক্। তব দেহলিতে শুনি ঘন্টা বাজে,
    শেষপ্রহরের ঘন্টা; সেই সঙ্গে ক্লান্ত বক্ষোমাঝে
    শুনি বিদায়ের দ্বার খুলিবার শব্দ সে অদূরে
    ধ্বনিতেছে সূর্যাস্তের রঙে রাঙা পূরবীর সুরে।
    জীবনের স্মৃতিদীপে আজিও দিতেছে যারা জ্যোতি
    সেই ক’টি বাতি দিয়ে রচিব তোমার সন্ধ্যারতি
    সপ্তর্ষির দৃষ্টির সম্মুখে; দিনান্তের শেষ পলে
    রবে মোর মৌন বীণা মূর্ছিয়া তোমার পদতলে।
    আর রবে পশ্চাতে আমার, নাগকেশরের চারা
    ফুল যার ধরে নাই, আর রবে খেয়াতরীহারা
    এ পারের ভালোবাসা– বিরহস্মৃতির অভিমানে
    ক্লান্ত হয়ে রাত্রিশেষে ফিরিবে সে পশ্চাতের পানে।

    See less
      • 1
  • 1
  • 33,341
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

তেজ -দেবব্রত সিংহ | Tej Kobita lyrics in Bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on April 24, 2020 at 2:36 am

    তেজ -দেবব্রত সিংহ ‘আমি জামবনির কুঁইরি পাড়ার শিবু কুঁইরির বিটি সাঁঝলি বটে।’ কাগজওয়ালারা বইললেক, “উঁ অতটুকু বইললে হবেক কেনে? তুমি এবারকার মাধ্যমিকে পত্থম হইছ। তোমাকে বইলতে হবেক আরো কিছু।” পঞ্চায়েতের অনি বৌদি, পধান, উপপধান, এইমেলে, এম.পি- সব একেবারে হামলিয়ে পড়ল আমাদের মাটির কুঁইড়েঘরে। জামবনি ইস্কুলের হRead more

    তেজ -দেবব্রত সিংহ

    ‘আমি জামবনির কুঁইরি পাড়ার শিবু কুঁইরির বিটি সাঁঝলি বটে।’

    কাগজওয়ালারা বইললেক,
    “উঁ অতটুকু বইললে হবেক কেনে?
    তুমি এবারকার মাধ্যমিকে পত্থম হইছ।
    তোমাকে বইলতে হবেক আরো কিছু।”

    পঞ্চায়েতের অনি বৌদি, পধান, উপপধান, এইমেলে, এম.পি-
    সব একেবারে হামলিয়ে পড়ল আমাদের মাটির কুঁইড়েঘরে।

    জামবনি ইস্কুলের হেডমাস্টার
    কোন বিহান বেলায় টিনের আগর খুইলে,
    হেইকে, ডেইকে, ঘুম ভাঙাই- খবরটা যখন পথম শুনালেক
    তখন মাকে জড়াই শুয়ে ছিলুম আমি।
    কুঁড়াঘরের ঘুটঘুইটা আঁধারে হেডমাস্টার মশাইরে দেইখে
    চোখ কচালে মায়ের পারা আমিও হাঁ – হয়ে ভাইবে ছিলেম।
    -একি স্বপন দেখছি নাকি-
    স্যার বইলল, এটা স্বপুন লয়, স্বপুন লয়, সত্যি বইটে।
    কথাটো শুইনে কেঁইনদে ভাসায়েছিলুম আমরা মা বিটি।

    আজ বাপ বেঁইচে থাইকলে
    আমি মানুষটাকে দেখাইতে পাইত্থম। দেখাইতে পাইতত্থেম বহুত কিছু-
    আমার বুকের ভিতর
    যে তেজালো সইনঝা বাতিটা জ্বালায়ে ছিল মানুষটা।
    সেই বাতিটা আজকে কেমন আমাদের কুঁইড়ে ঘরটাকে আলো কইরেছে।
    সেটো দেখাইতে পাইত্থম।

    আপনারা বইলছেন বটে
    “তুমাদের মতো মেইয়ারা যদি উঠে আসে তবে ভারতবর্ষ উঠে আসে।”
    কথাটা খুবই সত্যি, কিন্তু
    উঠে আসার রাস্তাটা যে এখোন তৈয়ার হয় নাই।
    খাড়া পাহাড়ে উঠা যে কি জিনিস।
    বহুত দম লাগে। বহুত ত্যাজ লাগে…

    আমি জামবনির কুঁইরি পাড়ার শিবু কুঁইরির বিটি সাঁঝলি।
    যখন থেকে হুঁশ হইছে তখন থেকে শুইনে আসছি
    “বিটি না মাটি’
    ঠাকুমা বইলথক্,
    পরের ঘরে হেঁইসেল ঠেইলবেক্ তার আবার লিখাপড়া’

    গাঁয়ের বাবুরা বইলথক্
    “দ্যাখ সাঁঝলি – মন খারাপ কইরলি তো হেইরে গেলি।
    শুন যে যা বইলছে বলুক্। সে সব কথা এক কানে সিধালে
    আর এক কানে বার কইরে দিবি।’

    তখ্যান বাবুপাড়ার দেঘইরা ঘরে কামিন খাইটতক মা।
    ক্ষয় রোগের তাড়সে-মায়ের গতরটা ভাঙে নাই অতোটা।
    মাঝে মইধ্যে জ্বরটর আইত বটে, জ্বর এলে মা
    চুপচাপ এঙনাতে তালাই পাইতে শুইয়ে থাইকতো।
    মনে আছে সে ছিল এক জাঁড় কালের সকাল।
    রোদ উঠেছিল ঝলমলানি ঝিঙা ফুলা রোদ।
    আমি সে রোদে পিঠ দিয়া গা দুলাই পড়ছিলাম
    ইতিহাস…
    কেলাস সেভেনের সামন্ত রাজাদের ইতিহাস।

    দে ঘরের গিন্নি লোক পাঠাইছিল বারকতক।
    মায়ের জ্বর সে তারা শুইনতে নাই চায়!
    আমাদের দিদি বুঢ়ি তখনো বাঁইচে।
    ছেঁড়া কম্বল মুড়হি দিয়ে বিড়ি ফুকছিল বুড়হি।
    শেষতক্ বুড়হি সেদিন পড়া থেকে উঠাই
    মায়ের কাইজ টুকুন কইরতে পাঠাই ছিল বাবু ঘরে।

    পুরানো ফটক ঘেরা উঠান-অতোবড়ো দরদালান- অতোবড়ো বারান্দা,
    সব ঝাঁট ফাট দিয়ে সাফ সুতরো করে আসছিলুম চইলে,
    দেঘইরে গিন্নি নাই ছাইড়ল্যাক, একগাদা এটাকাটা-জুঠা বাসন
    আমার সামনে আইনে ধইরে দিলেক। বইল্লুম
    “আমি তোমাদের জুঠা বাসন ধুইতে লাইরবো,”
    বাবু গিন্নির সেকি রাগ’-
    “কি বইল্লি তুই যতবড়ো মু লয় তত বড়ো কথা? জানিস,
    তর মা, তর মায়ের মা, তার মায়ের মা সবাই এতক্কাল
    আমাদের জুঠা বাসন ধুয়ে গুজারে গ্যালো
    আর তুই আমাদের জুঠা বাসন ধুইতে লাইরবি!”
    বল্লুম “হ আমি তোমাদের জুঠা বাসন ধুইতে লাইরবো।
    তোমরা লোক দেখে লাওগা। আমি চইল্লোম”
    কথাটো বইলে গটগট গটগট কইরে বাবু গিন্নির মুখের সামনে
    আমি বেড়োই চইলে আইলম।”

    তা বাদে সে লিয়ে কি কাইন্ড। কি ঝাম্যালা।
    বেলা ডুবলে মাহাতোদের ধান কাট্টে বাপ ঘরে ফিরে আইলে
    দুপাতা লিখাপড়া করা লাত্নির ছোট মুখে বড়ো থুতির কথা
    সাতকাহন কইরে বইলেছিল বুড়হি দিদি।

    মা কুনো রা কাড়ে নাই।
    আঘর মাসের সইন্ ঝা বেলাই এঙ্গ্নাতে আগুন জ্বেইলে
    গা-হাত-পা সেঁকছিল মা।

    একমাথা ঝাঁকড়া চুল ঝাঁকানো বাপের পেটানো পাথরের মুখটা
    ঝইলকে উঠেছিল আগুনের আঁচে।
    আমি বাপের অমুন চেহারা কুনোদিন দেখি লাই।
    বাপ সেদিন মা আর দিদি বুড়ির সমুখে আমাকে কাইছে ডেইকে
    মাথায় হাত বুলাই গম্ গইমা গলায় বইলেছিল –

    যা কইরেছিস্! বেশ্ কইরেছিস্।
    শুন্, তর মা, তর মায়ের মা, তার মায়ের মা- সবাই কইরেছে কামিনগিরি।
    বাবুঘরে গতর খাটাই খাইয়েছে। তাইতে হইছে টা কি।
    তাতে হইছে টা কি! ই-কথাটো মনে রাখবি সাঝ্লি,
    তুই কিন্তু কামিন হবার লাগে জম্মাস লাই।
    যত বড় লাট সাহেবই হোক কেনে কারু কাছে মাথা নোয়াই
    নিজের ত্যাজ বিকাবি লাই।
    এই ত্যাজ টুকুর ল্যাইগে লিখাপড়া শিখাচ্ছি তুকে।
    না হলে আমাদের মতো হা-ভাতা মানুষের ঘরে আর আছে টা কি?”

    আমি জামবনির কুইরি পাড়ার শিবু কুইরির বিটি সাঁঝলি,
    কবেকার সেই কেলাস সেভেনের কথা ভাবতে যায়ে
    কাগজওয়ালা টিভিওয়ালাদের সামনে এখুন কি যে বলি…

    তালপাতার রদ দিয়ে ঘেরা গোবুর লতার এঙ্গনাতে লুকে এখন লুকাকার।
    তার মাঝে বাঁশি বাজাই, জিপগাড়িতে চেইপে
    আগুপিছু পুলিশ লিয়ে মন্ত্রী আইল্যাক ছুটে।
    ‘কুথায় সাঁঝলি কুইরি কুথায়’, বইলতে বইলতে
    বন্দুকধারী পুলিশ লিয়ে সুজা আমাদের মাটির কুইড়ে ঘরে,

    হেডমাস্টার বইললে ‘পনাম কর, সাঁঝলি পনামকর’
    মন্ত্রী তখন পিঠ চাপড়াইল্যাক। পিঠ চাপরাই বইল্লেক,
    “তুমি কামিন খেইটে মাইধ্যমিকে পথম হইছ,
    তাই তুমারে দেইখতে আইলম্, সত্যিই বড় গরীব অবস্থা বটে।
    তুমাদের মতো মিয়ারা যাতে উঠে আসে
    তার লাগেই তো আমাদের পার্টি, তার লাগেই তো আমাদের সরকার।
    – এই লাও, দশ হাজার টাকার চেকটা এখুন লাও।
    শুন আমরা তুমাকে আরো ফুল দিব, সম্মর্ধ্বনা দিব,
    আরো দ্যাদার টাকা তুলে দিব।–
    এই টিবির লোক, কাগুজের লোক, কারা আছেন, ই-দিকে আসেন।“

    তক্ষুনি ছোট বড় কতরকমের সব ঝইলকে উঠল ক্যামেরা,
    ঝইলকে উঠল মন্ত্রীর মুখ। না না মন্ত্রী লয়, মন্ত্রী লয়,
    ঝইলকে উঠল আমার বাপের মুখ।
    গন্ গনা আগুনের পারা আগুন মানুষের মুখ।
    আমি তক্ষুনি বইলে উঠলম-
    “না না ই টাকা আমার নাই লাইগব্যাক। আর আপনারা
    যে আমায় ফুল দিব্যান, সম্মর্ধ্বনা দিব্যান বইলছেন তাও আমার নাই লাইগব্যাক।’

    মন্ত্রী তখন ঢোক গিলল্যাক।
    গাঁয়ের সেই দেঘইর‍্যা গিন্নির বড় ব্যাটা এখুন পাটির বড় ল্যাতা।
    ভিড় ঠেলে সে আইসে বইলল্যাক-
    “ ক্যানে, কি হইছেরে সাঁঝলি,
    তুই তো আমাদের বাড়ি কামিন ছিলি।
    বল তর কি কি লাইগব্যাক, বল, তর কি কি লাইগব্যাক খুলে বল খালি,”

    বইল্ লম –
    “ আমার পারা শয়ে শয়ে আর অনেক সাঁঝলি আছে।
    আর শিবু কুইরির বিটি আছে গাঁ গিরামে। তারা যদ্দিন
    অন্ধকারে পইড়ে থাইকবেক তারা যদ্দিন লিখ-পড়ার লাগে কাঁইদে বুলব্যাক্।
    তদ্দিন কুনো বাবুর দয়া আমার নাই লাইগব্যাক্। শুইনছ্যান আপনারা
    তদ্দিন কুনো বাবুর দয়া আমার নাই লাইগ্ ব্যাক।“

     

    English transliteration:

    Mu Jambanir kuiri parar shibu Kuirir biti Shajhli bote.

    Kagajwalara boillek
    Uuh ototuku bolole hobek kene?
    Tumi ebarkar maddyomik prothom hoiso.
    Tumake boilte hobek aaro kichu.

    Ponchayeter oni boudi, podhan, upapadhan, Eimele, MP
    Shob ekebare halmliye podlo amader matir kuireghore.

    Jamboni schooler headmaster
    Kono bihan belay tiner aagar khuile
    Heike, Deike, Ghum bhangai- khabarta jokhon prothom shunlek
    Takhan maake jorai shuye chilum aami.
    Kudaghorer ghutghuita aadhare deadmaster moshire deikhe
    Chokh kochale mayer para amio ha- hoye bhaibe chilem.
    -Eki shopon deksi naki-
    Sir boillo, Eta shpun loy, Shapun loy, Shottyi boite.
    KOthatu shuinle keinde bhashachilem amara ma beti

    Aj bap beiche thaikle
    Ami manushtake dekhaite paithum. Dekhaite paithem bahut kicu
    Amar buker vitor
    Je tejalo shoijha batita jalaye chilo manushta.
    Shei batita aajke kemon aamader kuire ghartake aalo koireche
    Sheto dekhaite paithum

    Apnara boilchen bote
    “Tumader moto meiyara jodi uth aashe tobe bharatborsho uthe aashe.
    Kothata khub e shotti kintu
    uthe aashar rasta je ekhono taiyyar hoy nai.
    khara pahare utha je ki jinish.
    bahut dam lage baht tej lage

    Ami Jambanir kuiri parar shibu Kuirir biti Shajhli.
    jakhan theke hush oise takhan theke shuine aashchi
    “biti na mati”
    Thakuma boiltak
    Parer ghare heichel theilbek tar abar likhapora’

    gayer babura boilthok
    deykh Shajhli- Mon kharap karli mto heiri geli.
    Shun je ja boilche baluk. She shob kotha ek kane shidhale
    Aar ek kane bar koira dibi.

    Takhan babuparar deghroiya ghaare kamin khaitak ma.
    Khay roger tadoshe -mayer gatarta venge nai otota.
    majhe moddhe jartor aaito bote, Jar ele maa
    Chupchap egnate talai paite shuiye thaikto.
    Mone aache she chilo ek jaro kaler shokal.
    Rod uthechichilo jhalmalani jinga ful rod
    Ami she rode pith diya ga dulai parchilam
    itihash…
    Kelas sevener shamanta rajader itihas

     

    See less
      • 0
  • 1
  • 18,994
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

বেহালার ছেলেটা (সুবোধ সরকার) Behalar Cheleta Poem lyrics in Bengali

  1. Durba
    Durba
    Added an answer on April 23, 2020 at 1:36 am

    বেহালার ছেলেটা - সুবোধ সরকার বেহালা কোনও গ্রাম নয়। বেহালা কোনও উপত্যকা নয়। বেহালা কোনও শহর নয়। বেহালা কোনও আঙুরখেত নয়। রাত সাড়ে দশটায় নক্ষত্রের আলোয় ট্রামভর্তি লোক। রাত এগারোটায় খিদিরপুরের দিক থেকে পাঁচখানা ৩৭ নম্বর ছুটে আসছে গোটা খিদিরপুর নিয়ে। রাত বারোটায় ডায়মন্ডহারবার রোড চলতে শরু করল। ডায়মন্ডহারRead more

    বেহালার ছেলেটা – সুবোধ সরকার

    বেহালা কোনও গ্রাম নয়।
    বেহালা কোনও উপত্যকা নয়।
    বেহালা কোনও শহর নয়।
    বেহালা কোনও আঙুরখেত নয়।
    রাত সাড়ে দশটায় নক্ষত্রের আলোয় ট্রামভর্তি লোক।
    রাত এগারোটায় খিদিরপুরের দিক থেকে পাঁচখানা ৩৭ নম্বর
    ছুটে আসছে গোটা খিদিরপুর নিয়ে।
    রাত বারোটায় ডায়মন্ডহারবার রোড চলতে শরু করল।
    ডায়মন্ডহারবার রোড কীর্তিনাশার মতো ছড়িয়ে পড়ল ভারতবর্ষে।
    কয়েক হাজার মাইল দূরে বেহালার ছেলেটা ব্যাট করছে এখন।
    শান্ত কিন্তু রাগী
    স্থির কিন্তু তেজী
    সমাহিত কিন্তু ছটফটে
    ‘মা, দেখ, কী সুন্দর দেখাচ্ছে আমাদের ছেলেটাকে’।
    কে বলল কথাটা?
    আমি
    কে আমি? তারাতলায় থাকো।
    না, আমি রাজারহাটে থাকি, আমি বারাসতে থাকি
    আমি বহরমপুর, আমি বালুরঘাট, আমি কুচবিহার।
    রাত্রি সাড়ে বারোটা। আকাশ থমথমে। ভারতবর্ষের আকাশ
    চিরকালই থমথমে। জ্যোৎস্নায় ভরে গেছে ভারতবর্ষ
    গরীবের ভারত, অভিজাতের ভারত, দলিত ভারত।

    একটা দুরন্ত ছয় মারল ছেলেটা।
    জ্যোৎস্না পার হয়ে বলটা গিয়ে পড়ল আসামের জঙ্গলে,
    সেখানে তিনজন টেররিস্ট বসে আছে সাইনাইড খাবে বলে
    তিনজনই লাফিয়ে উঠল, আঃ মৃত্যু! দাঁড়াও!
    আর একটা ছয় দেখে যেতে চাই
    জ্যোৎস্না পার হয়ে, পার হয়ে, বল এসে পড়ল এবার
    বম্বের ধারাভিতে-এশিয়ার সবচেয়ে বড় বস্তি
    তিনজন মারামারি করছিল রুটি তরকা নিয়ে,
    থেমে গেল। জোয়ারের মত বেরিয়ে গেল গোটা ঝোপড়ি
    খেতে-না-পাওয়া জ্যোৎস্নায় থমকে দাঁড়ানো ভারতবর্ষ।
    জ্যোৎস্না পার হয়ে বল এসে পড়ল আহমেদাবাদে
    বল জিজ্ঞেস করল, তোমরা কাকে পুড়িয়ে মারছ?
    বল এসে পড়ল শ্রীনগরে,বল জিজ্ঞেস করল :
    কী হয়েছে তোমাদের, এত বছর ধরে
    একই ভুল করে চলেছ তোমরা?
    মা, দেখ কী সুন্দর দেখাচ্ছে আমাদের ছেলেটাকে!
    কে? কে বলল কথাটা?
    আমি? আমি কে?
    আমি ধর্ম, আমি অধর্ম, আমি ব্রাহ্মণ, আমি মেথর,
    আমি রাস্তা ঝাঁট দিই, আমি ইটভাটায় ইট তুলি
    আমি কলেজে পড়ি, আমি জেলখানায়
    আমি মাঠে, আমি বস্তিতে, আমি বারোতলায় …
    আমাকে চিনলে না ?
    আমি ভারতবর্ষ।

    ট্রামলাইন চলে গেছে গরিবের ঘর ছুঁয়ে
    অনন্ত নক্ষত্রে ঘেরা ওটাই বেহালা, ওটাই ওর পাড়া
    বিদ্যুৎবেগে একটা বল ছুটে যাচ্ছে বাউন্ডারির বাইরে
    গ্যালারি নয়, গোটা ভারত বর্ষ উঠে দাঁড়িয়েছে এত রাতে
    ধর্ম ভুলে, জাতি ভুলে, দাঙ্গা ভুলে
    বলটা কোথায় গিয়ে পড়ল একটু দেখবে বলে।

     

     

    English transliteration:

     

    Behala kuno gram noy.
    Behala kuno upottoka noy.
    Behala kuno shohor noy.
    Behala kuno angurkhet noy.
    Raat share doshtay nokkhotrer aaloy tram bhorti lok
    Raat egarotay Khidirpurer dik theke pachkhana 37 number
    Chute aashche khidirpur niye.

    Raat batrotay Dimond harbour road cholte shuru korlo.
    Dimond harbour road kirtinashar moto choriye porlo bharatbarshe.
    Koyek hajar mile dure Behalar cheleta bat korche ekhon
    Shanto kintu raagi
    Stir kintu tyaji
    Shomahito kintu chotfote
    Maa, dekh, ki shundor dekhacche amader cheletake.
    Ke bollo kothata?
    aami
    Ke aami? taratolay thako.
    Na, ami rajarhaate thaki, ami barasat e thaki
    Ami Bohorampur, am i Balurghat, ami Coachbehar
    ratri share barota.Aakash thomthome.bharatborsher aakash
    chirokal e thomthome. Josnay bhore geche Bharatbarsha
    Goriber Bhartat, Obhijater Bharat, Dalit Bharat

    Ekta duronto choy marlo cheleta.
    Josna par hoye ballta giye porlo Assamer jongole,
    Shekhane tinjon terrorist boshe aasche signboard khabe bole
    tinjon lafiye uthlo, Aah mrittu| Darao!
    Aar ekta choy dekhe jete chai
    Josna par hoye, par hoye, ball eshe porlo ebar
    Bomber Dharavite-Asia r shobcheye boro basti
    tinjon maramari korchilo roti torka niye,
    theme gelo. jowarer moto beriye gelo guta jhopri
    Khete na pawa josnay thamke darano Bharatbarsha

    Josna par hoye ball eshe porlo ebar Ahmedabad e
    ball jiggesh karlo tumra kake puriya marcho?
    ball eshe porlo Srinagar e, ball jiggesh karlo:
    Ki hoyeche tumader eto bochor dhore
    Eki bhul kore cholecho tumara?

    Maa, dekh, ki shundor dekhacche amader cheletake.
    Ke? ke bollo kothata?
    aami? ami ke?
    Ami dharma, ami odharma, ami Brahman,ami Methor
    Ami rasta jhat di, Ami It vatai it tuli
    Ami cllege e pori, ami jailkhanay
    Ami mathe, ami bastite, ami barotolay
    Amake chinle na?
    Ami Bharatbarsha

    Tram line chole geche goriber ghar chuye
    ononto nokkhotre ghera otai behala, otai or para
    Bidyut bege ekta ball chute jacche boundarir baire
    Gallary noy, Guta Bharatbarsha uthe dariyeche eto raate
    dharma bhule, Jati bhule, danga bhule
    Ball ta kuthay giye porlo ektu dekhbe bole.

    See less
      • 0
  • 1
  • 9,864
  • 0
Answer
Load More Questions

Sidebar

আরও দেখুন

  • আঠারো বছর বয়স কবিতার সারমর্ম | Atharo Bochor Boyosh Poem Summary in Bengali?
  • অমলকান্তি কবিতার সারমর্ম বিষয়বস্তু | Amalkanti Poem Summary in Bengali?
  • Mountain and Squirrel কবিতার বাংলা সারাংশ ও মূলভাব | Fable Poem Summary in Bengali?
  • রূপসী বাংলা কবিতার সারমর্ম ও বিষয়বস্তু | ruposhi bangla poem summary
  • বনলতা সেন কবিতার সারাংশ ও মূলভাব | bonolota sen kobita summary in bengali
  • দারিদ্র্য কবিতার মূলভাব ও আলোচনা | Daridro poem summary in Bengali
  • জয় গোস্বামীর নুন কবিতার বিষয়বস্তু | Nun Bengali Poem Summary?
  • তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা (শামসুর রহমান) কবিতার সারমর্ম ও বিষয়বস্তু | shadhinota tumi summary in bengali
  • সিঁড়ি (সুকান্ত ভট্টাচার্য ) কবিতার সারমর্ম ও বিষয়বস্তু | bengali poem siri summary
  • রানার (সুকান্ত ভট্টাচার্য ) কবিতার সারমর্ম ও বিষয়বস্তু | ranar poem summary in bengali
  • বনলতা সেন কবিতার সারমর্ম ও বিষয়বস্তু | bonolota sen poem explanation in bengali
  • কবিতা: হাওয়ার রাত (জীবনান্দ দাস) সারমর্ম ও বিষয়বস্তু | windy night poem by jibanananda das summary
  • আবার আসিব ফিরে কবিতার সারমর্ম ও বিষয়বস্তু | abar asibo phire poem summary in bengali
  • আবার আসিব ফিরে সারাংশ | abar asibo phire poem summary
  • নারী কবিতার সারমর্ম ও মূলভাব | Nari poem summary in Bengali
  • সাম্যবাদী কবিতার বিষয়বস্তু ও মূলভাব | Samyabadi Poem Summary in Bengali
  • সারাংশ – বাংলার মুখ | Banglar Mukh Ami Dekhiachi Poem Summary in Bengali
  • জন্মভূমি আজ কবিতার সারমর্ম | Jonmobhumi Aj Summary in Bengali?
  • রাস্তা কারো একার নয় কবিতার সারাংশ | Rasta Karo Ekar Noy Poem Summary in Bengali?
  • সারাংশ – গুপ্তধন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Guptodhon Rabindranath Tagore Summary
Join us on Telegram
Join our FaceBook Group

বিষয়

All Bangla Paragraph (105) Apurba Dutta Poems (4) Bangla application format (11) Bangla Choto Golpo (7) Bangla dorkhasto lekha (11) Bangla gazal lyrics (8) Bangla GK (177) Bangla Kobita (203) Bangla Rachana (105) baul gaan lyrics (6) baul song lyrics (6) Bengali antonyms (40) Bengali Essay (105) Bengali letter Writing (11) Bengali lullaby lyrics (3) bengali lyrics (82) Bengali Meaning (259) bengali poem (14) Bengali Poems (124) Bengali Poem Summary (21) Bengali Rachana (99) Bengali short story (7) bengali song lyrics (98) bengali song lyrics in bengali (98) Bengali synonyms (33) chandrabindu lyrics (2) English grammar in Bengali (6) English to Bengali Meaning (270) English to Bengali Translation (256) Essay (75) Full form (14) general knowledge bengali (7) indian history in bengali (9) Joy Goswami kobita (4) kazi nazrul islamer kobita (8) Kobita (143) lyrics (17) Myth (3) nirendranath chakraborty poem (5) Nirmalendu Goon Poems (6) Paragraph (20) Parts of speech in Bengali (6) Pod Poriborton (39) Poem (3) poem summary in bengali (21) rabindranath tagore poems (57) Rabindra Sangeet lyrics (5) shakti chattopadhyay poems (7) Social Science (6) Somarthok Shobdo (33) Somas Bangla Grammar (15) sukanta bhattacharya kobita (4) Sukumar Roy Poem (16) Summary (8) অনুচ্ছেদ (127) অপূর্ব দত্তের কবিতা (4) আধ্যাত্মিক (10) ইংরেজি অনুবাদ (6) ইংরেজি থেকে বাংলা (6) ইংলিশ বাংলা অনুবাদ (6) ইন্টারনেট (1) ইসলাম (18) ইসলাম ধর্মীয় প্রশ্ন উত্তর (18) ইসলামী নাত ও গজল (8) ইসলামী সংগীত লিরিক্স (8) কবিতা (26) কবিতার সারাংশ ও সারমর্ম (21) কাজী নজরুল ইসলাম (8) কুসংস্কার (3) গানের কথা (14) ঘুম পাড়ানি গান lyrics (3) ছোটগল্প (7) জয় গোস্বামী (4) জয় গোস্বামীর কবিতা (4) জেনারেল নলেজ (7) জেনারেল নলেজ প্রশ্ন ও উত্তর (39) নির্মলেন্দু গুণের কবিতা (6) নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কবিতা (5) পদ পরিবর্তন (39) পূর্ণরূপ (14) প্রকৃতি (17) প্রক্রিতি (23) ফলমূল (28) ফুল ফর্ম (14) বাংলা general knowledge (52) বাংলা অর্থ (275) বাংলা আবেদন পত্র (11) বাংলা কবিতা (219) বাংলা কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (68) বাংলা গান লিরিক্স (97) বাংলা গানের লিরিক্স (98) বাংলা ছোট গল্প (7) বাংলা দরখাস্ত নমুনা (11) বাংলা প্রবন্ধ (97) বাংলা বাক্য রচনা (176) বাংলা বিপরীত শব্দ (40) বাংলা রচনা (127) বাউল গান লিরিক্স (6) বাক্য রচনা (176) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (1) বিজ্ঞান শিক্ষা (17) বিপরীত শব্দ (40) বোঝাপড়া কবিতা (3) ব্যাখ্যা (8) ভক্তিভাজন (10) ভারতের ইতিহাস (9) ভূগোল (5) মধ্যযুগের ভারতের ইতিহাস (9) মূলভাব (8) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (34) রবীন্দ্রসংগীত (1) রবীন্দ্র সংগীত লিরিক্স (5) লিরিক্স (17) শক্তি চট্টোপাধ্যায় kobita (7) শঙ্খ ঘোষ (8) শুভ দাশগুপ্ত (7) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (5) সন্ধি বিচ্ছেদ (8) সন্ধি বিচ্ছেদ ব্যবহার (8) সমাজ বিজ্ঞান (6) সমার্থক শব্দ (33) সমাস (15) সারাংশ (8) সুকান্তের কবিতা (4) সুকুমার রায় (16)

Footer

© 2025 Bengali Forum · All rights reserved. Contact Us

Add Bengali Forum to your Homescreen!

Add