Sign Up

Continue with Google
or use


Have an account? Sign In Now

Sign In

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.


Have an account? Sign In Now

Sorry, you do not have permission to ask a question, You must login to ask a question.

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Need An Account, Sign Up Here

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Bengali Forum Logo Bengali Forum Logo
Sign InSign Up

Bengali Forum

Bengali Forum Navigation

  • বিষয়
  • ব্লগ
  • হযবরল
Search
Ask A Question

Mobile menu

Close
Ask A Question
  • বাংলা অভিধান
  • সাহিত্য
  • শিক্ষা
  • রচনা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • ইংলিশ টু বাংলা
  • বিজ্ঞান
  • বাংলা কুইজ
  • ধৰ্ম ও সংস্কৃতি
  • ইতিহাস
  • মতামত

Bengali Forum Latest Questions

In: সাহিত্য

কবিতা : (স্বপ্ন) একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | ekdin rate ami swapno dekhinu poem lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 4:59 am

    স্বপ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু- “চেয়ে দেখো” “চেয়ে দেখো” বলে যেন বিনু। চেয়ে দেখি, ঠোকাঠুকি বরগা-কড়িতে, কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে। ইঁটে-গড়া গণ্ডার বাড়িগুলো সোজা চলিয়াছে, দুদ্দাড় জানালা দরজা। রাস্তা চলেচে যত অজগর সাপ, পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপ্‌ ধাপ্‌। দোকান বাজার সব নামে আরRead more

    স্বপ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

    একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু-
    “চেয়ে দেখো” “চেয়ে দেখো” বলে যেন বিনু।
    চেয়ে দেখি, ঠোকাঠুকি বরগা-কড়িতে,
    কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে।
    ইঁটে-গড়া গণ্ডার বাড়িগুলো সোজা
    চলিয়াছে, দুদ্দাড় জানালা দরজা।
    রাস্তা চলেচে যত অজগর সাপ,
    পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপ্‌ ধাপ্‌।
    দোকান বাজার সব নামে আর উঠে,
    ছাদের গায়েতে ছাদ মরে মাথা কুটে।
    হাওড়ার ব্রিজ চলে মস্ত সে বিছে,
    হ্যারিসন্‌ রোড চলে তার পিছে পিছে।
    মনুমেণ্টের দোল যেন ক্ষ্যাপা হাতি
    শূন্যে দুলায়ে শুঁড় উঠিয়াছে মাতি।
    আমাদের ইস্‌কুল ছোটে হন্‌ হন্‌,
    অঙ্কের বই ছোটে, ছোটে ব্যাকরণ।
    ম্যাপগুলো দেয়ালেতে করে ছট্‌ ফট্‌,
    পাখি যেন মারিতেছে পাখার ঝাপট।
    ঘণ্টা কেবলি দোলে, ঢঙ্‌ ঢঙ্‌ বাজে—
    যত কেন বেলা হোক তবু থামে না যে।
    লক্ষ লক্ষ লোক বলে, “থামো থামো”,
    কোথা হতে কোথা যাবে, একী পাগ্‌লামো।”
    কলিকাতা শোনে না কো চলার খেয়ালে;
    নৃত্যের নেশা তার স্তম্ভে দেয়ালে।
    আমি মনে মনে ভাবি চিন্তা তো নাই,
    কলিকাতা যাক নাকো সোজা বোম্বাই।
    দিল্লি লাহোরে যাক, যাক না আগরা-
    মাথায় পাগ‍্‌ড়ি দেব পায়েতে নাগ্‌রা।
    কিম্বা সে যদি আজ বিলাতেই ছোটে
    ইংরেজ হবে সবে বুট-হ্যাট্‌-কোটে।
    কিসের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল যেই-

    কবিতা সম্মন্দে

    “একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু” রবীন্দ্রনাথের লিখিত একটি কৌতুকপূর্ণ কবিতা । কবি তাঁর স্বপ্নে তাঁর প্রিয় কলকাতা শহরকে দেখেছেন একটি চলমান শহর হিসাবে। কলকাতার বিভিন্ন বিখ্যাত জায়গাগুলি যেমন হাওড়া ব্রিজ, হ্যারিসন রোড সহ জায়গার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি স্বপ্নে সব কিছুকে চলতে দেখেছেন।
    দেখি, কলিকাতা আছে কলিকাতাতেই॥

    See less
      • -1
  • 2
  • 32,877
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু ((রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) kolikata choliyache norite norite lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 4:56 am

    স্বপ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু- “চেয়ে দেখো” “চেয়ে দেখো” বলে যেন বিনু। চেয়ে দেখি, ঠোকাঠুকি বরগা-কড়িতে, কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে। ইঁটে-গড়া গণ্ডার বাড়িগুলো সোজা চলিয়াছে, দুদ্দাড় জানালা দরজা। রাস্তা চলেচে যত অজগর সাপ, পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপ্‌ ধাপ্‌। দোকান বাজার সব নামে আরRead more

    স্বপ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

    একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু-
    “চেয়ে দেখো” “চেয়ে দেখো” বলে যেন বিনু।
    চেয়ে দেখি, ঠোকাঠুকি বরগা-কড়িতে,
    কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে।
    ইঁটে-গড়া গণ্ডার বাড়িগুলো সোজা
    চলিয়াছে, দুদ্দাড় জানালা দরজা।
    রাস্তা চলেচে যত অজগর সাপ,
    পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপ্‌ ধাপ্‌।
    দোকান বাজার সব নামে আর উঠে,
    ছাদের গায়েতে ছাদ মরে মাথা কুটে।
    হাওড়ার ব্রিজ চলে মস্ত সে বিছে,
    হ্যারিসন্‌ রোড চলে তার পিছে পিছে।
    মনুমেণ্টের দোল যেন ক্ষ্যাপা হাতি
    শূন্যে দুলায়ে শুঁড় উঠিয়াছে মাতি।
    আমাদের ইস্‌কুল ছোটে হন্‌ হন্‌,
    অঙ্কের বই ছোটে, ছোটে ব্যাকরণ।
    ম্যাপগুলো দেয়ালেতে করে ছট্‌ ফট্‌,
    পাখি যেন মারিতেছে পাখার ঝাপট।
    ঘণ্টা কেবলি দোলে, ঢঙ্‌ ঢঙ্‌ বাজে—
    যত কেন বেলা হোক তবু থামে না যে।
    লক্ষ লক্ষ লোক বলে, “থামো থামো”,
    কোথা হতে কোথা যাবে, একী পাগ্‌লামো।”
    কলিকাতা শোনে না কো চলার খেয়ালে;
    নৃত্যের নেশা তার স্তম্ভে দেয়ালে।
    আমি মনে মনে ভাবি চিন্তা তো নাই,
    কলিকাতা যাক নাকো সোজা বোম্বাই।
    দিল্লি লাহোরে যাক, যাক না আগরা-
    মাথায় পাগ‍্‌ড়ি দেব পায়েতে নাগ্‌রা।
    কিম্বা সে যদি আজ বিলাতেই ছোটে
    ইংরেজ হবে সবে বুট-হ্যাট্‌-কোটে।
    কিসের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল যেই-

    কবিতা সম্মন্দে

    “একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু” রবীন্দ্রনাথের লিখিত একটি কৌতুকপূর্ণ কবিতা । কবি তাঁর স্বপ্নে তাঁর প্রিয় কলকাতা শহরকে দেখেছেন একটি চলমান শহর হিসাবে। কলকাতার বিভিন্ন বিখ্যাত জায়গাগুলি যেমন হাওড়া ব্রিজ, হ্যারিসন রোড সহ জায়গার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি স্বপ্নে সব কিছুকে চলতে দেখেছেন।
    দেখি, কলিকাতা আছে কলিকাতাতেই॥

    See less
      • -1
  • 1
  • 8,072
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

রবীন্দ্রসংগীত- তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে | tumi nabo nabo rupe eso prane lyrics in bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 3:48 am

    তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে। এসো গন্ধে বরনে, এসো গানে। এসো অঙ্গে পুলকময় পরশে, এসো চিত্তে অমৃতময় হরষে, এসো মুগ্ধ মুদিত দু নয়ানে॥ এসো নির্মল উজ্জ্বল কান্ত, এসো সুন্দর স্নিগ্ধ প্রশান্ত, এসো এসো হে বিচিত্র বিধানে। এসো দু:খে সুখে, এসো মর্মে, এসো নিত্য নিত্য সব কর্মে; এসো সকল-কর্ম-অবসানে॥

    তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে।

    এসো গন্ধে বরনে, এসো গানে।

    এসো অঙ্গে পুলকময় পরশে,

    এসো চিত্তে অমৃতময় হরষে,

    এসো মুগ্ধ মুদিত দু নয়ানে॥

    এসো নির্মল উজ্জ্বল কান্ত,

    এসো সুন্দর স্নিগ্ধ প্রশান্ত,

    এসো এসো হে বিচিত্র বিধানে।

    এসো দু:খে সুখে, এসো মর্মে,

    এসো নিত্য নিত্য সব কর্মে;

    এসো সকল-কর্ম-অবসানে॥

    See less
      • 0
  • 1
  • 2,633
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

খেয়া কবিতার সারাংশ ও বিষয়বস্তু (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) kheya poem summary in bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on May 9, 2020 at 11:24 pm

    সারাংশ : খেয়া কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত চৈতালি কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। রবীন্দ্রনাথ পতিসরের নাগর নদী ভ্রমণকালে থাকা অবস্থায় এই কবিতা রচনা করেছিলেন। কবি নদীর তীরে গড়ে ওঠা সরল গ্রাম্য জীবনধারা এই কবিতার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। খেয়া রবীন্দ্রনাথের একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা। এই কবিতায় সভ্যতার দুইটিRead more

    সারাংশ :
    খেয়া কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত চৈতালি কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। রবীন্দ্রনাথ পতিসরের নাগর নদী ভ্রমণকালে থাকা অবস্থায় এই কবিতা রচনা করেছিলেন। কবি নদীর তীরে গড়ে ওঠা সরল গ্রাম্য জীবনধারা এই কবিতার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

    খেয়া রবীন্দ্রনাথের একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা। এই কবিতায় সভ্যতার দুইটি দিক; কোলাহল মগ্ন নগর এবং শান্তি প্রবন গ্রামাঞ্চলের জীবনের চরিত্র ফুটে উঠেছে।
    কবিতার প্রথমেই সহজ সরল গ্রামাঞ্চলের শান্তিপ্রিয় মানুষের জীবনের বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে। নদীর দুই তীরে দুইটি গ্রাম কিন্তু এই দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক, জানাশোনা। নিত্যদিন ওরা খেয়ার মাধ্যমে এক গ্রাম হইতে অন্য গ্রামে আসা-যাওয়া করে। তাই খেয়ে নৌকা হয়ে উঠেছে দুই পাড়ের মানুষের আত্মীয়তার অনন্য বাহন।
    গ্রামের মানুষ গুলি এতই সহজ যে ওরা বাইরের জগৎ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। বহির্বিশ্বে কত না যুদ্ধ-বিগ্রহ লড়াই অবিরাম হয়ে যাচ্ছে আর কত না ইতিহাস নিত্যদিনে গড়ে উঠছে। ক্ষমতার লড়াই এর ফলে হচ্ছে রক্তপাত, যুদ্ধ। আর সেই যুদ্ধে কেহ বা ক্ষমতা অর্জন করছে আর কেহ ক্ষমতাচ্যুত হয়ে যাচ্ছে।

    রক্তপ্রবাহের মাঝে ফেনাইয়া উঠে
    সোনার মুকুট কত ফুটে আর টুটে

    অর্থাৎ কত রাজা বা ক্ষমতাবান সরকার যুদ্ধে পরাজিত হচ্ছে আর যুদ্ধে জয় লাভ করছে। এ সবকিছুই যেন এই গ্রামের মানুষদের ছুইতে পারে নাই।
    মানুষের সভ্যতার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্টি হচ্ছে নতুনত্বের। বিজ্ঞানের অগ্রগতি মানব সভ্যতাকে নিয়ে এসেছে এক নতুন স্থানে। মানুষের মনে তৃষ্ণা জেগেছে না জানাকে জানার, অসম্ভবকে সম্ভব করার। তাই আবিষ্কৃত হচ্ছে নতুন পদ্ধতি নতুন প্রযুক্তি। আর তার সঙ্গে উঠছে অনেক হলাহল অর্থাৎ বিশৃঙ্খলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    কিন্তু নদীর এই দুই তীরবর্তী গ্রাম তার ব্যতিক্রম। এখানে নেই কোনো নতুনত্ব, নেই কোনো অগ্রগতি, নেই কোন বহির্বিশ্বের খবর।

    এই খেয়া চিরদিন চলে নদীস্রোতে

    তাদের সরল জীবনযাত্রায় কোন বাধাপ্রাপ্ত হয় নাই। গ্রামের দুই পারের মানুষের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব-সংঘাত ঘটেনি বরং ওদের মধ্যে রয়েছে মিলন, ভালোবাসা এবং আদান প্রদান। তাদের জীবনের নদীস্রোত নদীর খেয়ার মত চলে যাচ্ছে অবলীলায়।

    মূলভাব :

    কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই কবিতার মাধ্যমে নগরজীবনের বা উন্নত সভ্যতার অন্ধকার দিক কে তুলে ধরেছেন। যদিও নগরজীবন বা আধুনিক সভ্যতা গ্রামাঞ্চলের মানুষ থেকে অনেক উন্নত কিন্তু তাদের মধ্যে মিল নেই, মায়া নেই বরং সংঘাত এবং দ্বন্দ্বে পরিপূর্ণ। আর তার বিপরীতে গ্রাম্য জীবনযাত্রা অনুন্নত হওয়া সত্বেও তাদের মধ্যে রয়েছে নিবিড় মিলন, ভালোবাসা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা।

    See less
      • 5
  • 4
  • 63,619
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা : রথযাত্রা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Rath Yatra Poem in Bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 1:37 am

    রথযাত্রা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রথযাত্রার দিন কাছে। তাই রানী রাজাকে বললে, ‘চলো, রথ দেখতে যাই।’ রাজা বললে, ‘আচ্ছা।’ ঘোড়াশাল থেকে ঘোড়া বেরোল, হাতিশাল থেকে হাতি। ময়ূরপংখি যায় সারে সারে, আর বল্লম হাতে সারে সারে সিপাইসান্ত্রি। দাসদাসী দলে দলে পিছে পিছে চলল। কেবল বাকি রইল একজন। রাজবাড়ির ঝাঁটার কাঠি কুড়িযRead more

    রথযাত্রা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রথযাত্রার দিন কাছে।

    তাই রানী রাজাকে বললে, ‘চলো, রথ দেখতে যাই।’

    রাজা বললে, ‘আচ্ছা।’

    ঘোড়াশাল থেকে ঘোড়া বেরোল, হাতিশাল থেকে হাতি। ময়ূরপংখি যায় সারে সারে, আর বল্লম হাতে সারে সারে সিপাইসান্ত্রি। দাসদাসী দলে দলে পিছে পিছে চলল।

    কেবল বাকি রইল একজন। রাজবাড়ির ঝাঁটার কাঠি কুড়িয়ে আনা তার কাজ।

    সর্দার এসে দয়া করে তাকে বললে, ‘ওরে, তুই যাবি তো আয়।’

    সে হাত জোড় করে বললে, ‘আমার যাওয়া ঘটবে না।’

    রাজার কানে কথা উঠল, সবাই সঙ্গে যায়, কেবল সেই দুঃখীটা যায় না।

    রাজা দয়া করে মন্ত্রীকে বললে, ‘ওকেও ডেকে নিয়ো।’

    রাস্তার ধারে তার বাড়ি। হাতি যখন সেইখানে পৌঁছল মন্ত্রী তাকে ডেকে বললে, ‘ওরে দুঃখী, ঠাকুর দেখবি চল্‌।’

    সে হাত জোড় করে বলল, ‘কত চলব। ঠাকুরের দুয়ার পর্যন্ত পৌঁছই এমন সাধ্য কি আমার আছে।’

    মন্ত্রী বললে, ‘ভয় কী রে তোর, রাজার সঙ্গে চলবি।’

    সে বললে, ‘সর্বনাশ! রাজার পথ কি আমার পথ।’

    মন্ত্রী বললে, ‘তবে তোর উপায়? তোর ভাগ্যে কি রথযাত্রা দেখা ঘটবে না।’

    সে বললে, ‘ঘটবে বই কি। ঠাকুর তো রথে করেই আমার দুয়ারে আসেন।’

    মন্ত্রী হেসে উঠল। বললে, ‘তোর দুয়ারে রথের চিহ্ন কই।’

    দুঃখী বললে, ‘তাঁর রথের চিহ্ন পড়ে না।’

    মন্ত্রী বললে, ‘কেন বল্‌ তো।’

    দুঃখী বললে, ‘তিনি যে আসেন পুষ্পকরথে।’

    মন্ত্রী বললে, ‘কই রে সেই রথ।’

    দুঃখী দেখিয়ে দিলে, তার দুয়ারের দুই পাশে দুটি সূর্যমুখী ফুটে আছে।

     

    See less
      • 0
  • 1
  • 10,425
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

ছন্নছাড়া (অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত) achintya kumar sengupta kobita chonnochara lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 28, 2020 at 4:56 am

    ছন্নছাড়া | chonnochara অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত গলির মোড়ে একটা গাছ দাঁড়িয়ে গাছ না গাছের প্রেতচ্ছায়া — আঁকাবাঁকা শুকনো কতকগুলি কাঠির কঙ্কাল শূন্যের দিকে এলোমেলো তুলে দেওয়া, রুক্ষ রুষ্ট রিক্ত জীর্ণ লতা নেই পাতা নেই ছায়া নেই ছাল-বাকল নেই নেই কোথাও এক আঁচড় সবুজের প্রতিশ্রুতি এক বিন্দু সরসের সম্ভাবনাRead more

    ছন্নছাড়া | chonnochara

    অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত

    গলির মোড়ে একটা গাছ দাঁড়িয়ে
    গাছ না গাছের প্রেতচ্ছায়া —
    আঁকাবাঁকা শুকনো কতকগুলি কাঠির কঙ্কাল
    শূন্যের দিকে এলোমেলো তুলে দেওয়া,
    রুক্ষ রুষ্ট রিক্ত জীর্ণ
    লতা নেই পাতা নেই ছায়া নেই ছাল-বাকল নেই
    নেই কোথাও এক আঁচড় সবুজের প্রতিশ্রুতি
    এক বিন্দু সরসের সম্ভাবনা |
    ওই পথ দিয়ে
    জরুরি দরকারে যাচ্ছিলাম ট্যাক্সি ক’রে |
    ড্রাইভার বললে, ওদিকে যাব না |
    দেখছেন না ছন্নছাড়া ক’টা বেকার ছোকরা
    রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছে–
    চোঙা প্যান্ট, চোখা জুতো, রোখা মেজাজ, ঠোকা কপাল–
    ওখান দিয়ে গেলেই গাড়ি থামিয়ে লিফট চাইবে,
    বলবে, হাওয়া খাওয়ান |

    ওরা কারা ?
    চেনেন না ওদের ?
    ওরা বিরাট এক নৈরাজ্যের –এক নেই রাজ্যের বাসিন্দে |
    ওদের কিছু নেই
    ভিটে নেই ভিত নেই রীতি নেই নীতি নেই
    আইন নেই কানুন নেই বিনয় নেই ভদ্রতা নেই
    শ্লীলতা-শালীনতা নেই |
    ঘেঁষবেন না ওদের কাছে |

    কেন নেই ?
    ওরা যে নেই রাজ্যের বাসিন্দে–
    ওদের জন্যে কলেজে সিট নেই
    অফিসে চাকরি নেই
    কারখানায় কাজ নেই
    ট্রামে-বাসে জায়গা নেই

    মেলায়-খেলায় টিকিট নেই
    হাসপাতালে বেড নেই
    বাড়িতে ঘর নেই
    খেলবার মাঠ নেই
    অনুসরণ করবার নেতা নেই
    প্রেরণা-জাগানো প্রেম নেই
    ওদের প্রতি সম্ভাষণে কারু দরদ নেই–
    ঘরে-বাইরে উদাহরণ যা আছে
    তা ক্ষুধাহরণের সুধাক্ষরণের উদাহরণ নয়,
    তা সুধাহরণের ক্ষুধাভরণের উদাহরণ–
    শুধু নিজের দিকে ঝোল- টানা |
    এক ছিল মধ্যবিত্ত বাড়ির এক চিলতে ফালতু এক রক
    তাও দিয়েছে লোপট ক’রে |

    তাই এখন পথে এসে দাঁড়িয়েছে সড়কের মাঝখানে |
    কোথ্বকে আসছে সেই অতীতের স্মৃতি নেই |
    কোথায় দাঁড়িয়ে আছে সেই বর্তমানের গতি নেই
    কোথায় চলেছে নেই সেই ভবিষ্যতের ঠিকানা |

    সেচ-হীন ক্ষেত
    মণি-হীন চোখ
    চোখ-হীন মুখ
    একটা স্ফুলিঙ্গ-হীন ভিজে বারুদের স্তুপ |

    আমি বললুম, না ওদিক দিয়েই যাব,
    ওখান দিয়েই আমার শর্টকাট |
    ওদের কাছাকাছি হতেই মুখ বাড়িয়ে
    জিজ্ঞেস করলুম,
    তোমাদের ট্যাক্ সি লাগবে ? লিফট চাই ?
    আরে এই তো ট্যাক্ সি, এই তো ট্যাক্ সি, লে হালুয়া
    সোল্লাসে চেঁচিয়ে উঠল ওরা
    সিটি দিয়ে উঠল
    পেয়ে গেছি পেয়ে গেছি চল পানসি বেলঘরিয়া |
    তিন-তিনটে ছোকরা উঠে পড়ল ট্যাক্ সীতে,
    বললুম কদ্দুর যাবে |
    এই কাছেই | ওই দেখতে পাচ্ছেন না ভিড় ?
    সিনেমা না, জলসা না, নয় কোনো ফিল্মি তারকার অভ্যর্থনা |
    একটা নিরীহ লোক গাড়িচাপা পড়েছে,
    চাপা দিয়ে গাড়িটা উধাও–
    আমাদের দলের কয়েকজন গাড়িটার পিছে ধাওয়া করেছে
    আমরা খালি ট্যাক্ সি খুঁজছি |
    কে সে লোক ?
    একটা বেওয়ারিশ ভিখিরি |
    রক্তে-মাংসে দলা পাকিয়ে গেছে |
    ওর কেউ নেই কিছু নেই
    শোবার জন্য ফুটপাথ আছে তো মাথার উপরে ছাদ নেই,
    ভিক্ষার জন্য পাত্র একটা আছে তো
    তার মধ্যে প্রকান্ড একটা ফুটো |
    রক্তে মাখামাখি সেই দলা-পাকানো ভিখিরিকে
    ওরা পাঁজাকোলা করে ট্যাক্ সির মধ্যে তুলে নিল |
    চেঁচিয়ে উঠল সমস্বরে –আনন্দে ঝংকৃত হয়ে–
    প্রাণ আছে, এখনো প্রাণ আছে |

    রক্তের দাগ থেকে আমার ভব্যতা ও শালীনতাকে বাঁচাতে গিয়ে
    আমি নেমে পড়লুম তাড়াতাড়ি |
    তারপর সহসা শহরের সমস্ত কর্কশে-কঠিনে
    সিমেন্টে-কংক্রিটে |
    ইটে-কাঠে-পিচে-পাথরে দেয়ালে-দেয়ালে
    বেজে উঠল এক দুর্বার উচ্চারণ
    এক প্রত্যয়ের তপ্ত শঙ্খধ্বনি–
    প্রাণ আছে, এখনো প্রাণ আছে
    সমস্ত বাধা-নিষেধের বাইরেও
    আছে অস্তিত্বের অধিকার |

    ফিরে আসতেই দেখি
    গলির মোড়ে গাছের সেই শুকনো বৈরাগ্য বিদীর্ণ ক’রে
    বেরিয়ে পড়েছে হাজার-হাজার সোনালি কচি পাতা
    মর্মরিত হচ্ছে বাতাসে,
    দেখতে দেখতে গুচ্ছে গুচ্ছে উথলে উঠছে ফুল
    ঢেলে দিয়েছে বুকের সুগন্ধ,
    উড়ে এসেছে রঙ-বেরঙের পাখি
    শুরু করেছে কলকন্ঠের কাকলি,
    ধীরে ধীরে ঘন পত্রপুঞ্জে ফেলেছে স্নেহার্দ্র দীর্ঘছায়া
    যেন কোনো শ্যামল আত্মীয়তা |
    অবিশ্বাস্য চোখে চেয়ে দেখলুম
    কঠোরের প্রচ্ছন্নে মাধুর্যের বিস্তীর্ণ আয়োজন |
    প্রাণ আছে, প্রাণ আছে– শুধু প্রাণই আশ্চর্য সম্পদ
    এক ক্ষয়হীন আশা
    এক মৃত্যুহীন মর্যাদা |

    কবিতা সম্মন্দে

    এই কবিতাটি ’পুব-পশ্চিম’ কবিতা গ্রন্থের অন্তর্গত । অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত ‘কল্লোল’ গোষ্ঠীর অন্যতম লেখক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে অতি আধুনিক ধারা সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯২৫-এ তিনি ‘কল্লোল’ পত্রিকা পত্রিকা প্রকাশের সামগ্রিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন। একদিকে রোমান্টিকতা, অন্যদিকে গণচেতনা তাঁর কবিতার ভাববস্তু নির্মাণে বৈচিত্র্য এনেছে।এইসব কবির সমবায়ে বাংলা কবিতায় প্রকৃত আধুনিকতার সৃষ্টি হয়।

    See less
      • 0
  • 1
  • 5,996
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা – আগামী (সুকান্ত ভহট্টাচার্য) sukanta bhattacharya poem agami

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 28, 2020 at 4:24 am

    আগামী – সুকান্ত ভট্টাচার্য জড় নই, মৃত নই, নই অন্ধকারের খনিজ, আমি তো জীবন্ত প্রাণ, আমি এক অঙ্কুরিত বীজ; মাটিতে লালিত ভীরু, শুদু আজ আকাশের ডাকে মেলেছি সন্দিগ্ধ চোখ, স্বপ্ন ঘিরে রয়েছে আমাকে। যদিও নগণ্য আমি, তুচ্ছ বটবৃক্ষের সমাজে তবু ক্ষুদ্র এ শরীরে গোপনে মর্মরধ্বনি বাজে, বিদীর্ণ করেছি মাটি, দেখেছি আলোরRead more

    আগামী – সুকান্ত ভট্টাচার্য

    জড় নই, মৃত নই, নই অন্ধকারের খনিজ,
    আমি তো জীবন্ত প্রাণ, আমি এক অঙ্কুরিত বীজ;
    মাটিতে লালিত ভীরু, শুদু আজ আকাশের ডাকে
    মেলেছি সন্দিগ্ধ চোখ, স্বপ্ন ঘিরে রয়েছে আমাকে।
    যদিও নগণ্য আমি, তুচ্ছ বটবৃক্ষের সমাজে
    তবু ক্ষুদ্র এ শরীরে গোপনে মর্মরধ্বনি বাজে,
    বিদীর্ণ করেছি মাটি, দেখেছি আলোর আনাগোনা
    শিকড়ে আমার তাই অরণ্যের বিশাল চেতনা।
    আজ শুধু অঙ্কুরিত, জানি কাল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাতা
    উদ্দাম হাওয়ার তালে তাল রেখে নেড়ে যাবে মাথা;
    তার পর দৃপ্ত শাখা মেলে দেব সবার সম্মুখে,
    ফোটাব বিস্মিত ফুল প্রতিবেশী গাছেদের মুখে।
    সংহত কঠিন ঝড়ে দৃঢ়প্রাণ প্রত্যেক শিকড়;
    শাখায় শাখায় বাঁধা, প্রত্যাহত হবে জানি ঝড়;
    অঙ্কুরিত বন্ধু যত মাথা তুলে আমারই আহ্বানে
    জানি তারা মুখরিত হবে নব অরণ্যের গানে।
    আগামী বসন্তে জেনো মিশে যাব বৃহতের দলে;
    জয়ধ্বনি কিশলয়ে; সম্বর্ধনা জানাবে সকলে।
    ক্ষুদ্র আমি তুচ্ছ নই- জানি আমি ভাবী বনস্পতি,
    বৃষ্টির, মাটির রসে পাই আমি তারি তো সম্মতি।
    সেদিন ছায়ায় এসো; হানো যদি কঠিন কুঠারে
    তবুও তোমায় আমি হাতছানি দেব বারে বারে;
    ফল দেব, ফুল দেব, দেব আমি পাখিরও কূজন
    একই মাটিতে পুষ্ট তোমাদের আপনার জন।।

    কবিতা সম্মন্দে
    এই কবিতা সুকান্ত ভট্টাচার্যের প্রথম কাব্যগ্রন্থ “ছাড়পত্র”(১৯৪৮) এর অন্তর্ভুক্ত ।

     

    See less
      • 0
  • 1
  • 5,097
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা – বোধন (সুকান্ত ভট্টাচার্য) bodhon poem lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 28, 2020 at 3:53 am

    বোধন হে মহামানব, একবার এসো ফিরে শুধু একবার চোখ মেলো এই গ্রাম নগরের ভিড়ে, এখানে মৃত্যু হানা দেয় বারবার; লোকচক্ষুর আড়ালে এখানে জমেছে অন্ধকার । এই যে আকাশ, দিগন্ত, মাঠ স্বপ্নে সবুজ মাটি নীরবে মৃত্যু গেড়েছে এখানে ঘাঁটি; কোথাও নেইকো পার মারী ও মড়ক, মন্বন্তর, ঘন ঘন বন্যার আঘাতে আঘাতে ছিন্নভিন্ন ভাঙা নৌকারRead more

    বোধন

    হে মহামানব, একবার এসো ফিরে
    শুধু একবার চোখ মেলো এই গ্রাম নগরের ভিড়ে,
    এখানে মৃত্যু হানা দেয় বারবার;
    লোকচক্ষুর আড়ালে এখানে জমেছে অন্ধকার ।
    এই যে আকাশ, দিগন্ত, মাঠ স্বপ্নে সবুজ মাটি
    নীরবে মৃত্যু গেড়েছে এখানে ঘাঁটি;
    কোথাও নেইকো পার
    মারী ও মড়ক, মন্বন্তর, ঘন ঘন বন্যার
    আঘাতে আঘাতে ছিন্নভিন্ন ভাঙা নৌকার পাল,
    এখানে চরম দুঃখ কেটেছে সর্বনাশের খাল,
    ভাঙা ঘর, ফাঁকা ভিটেতে জমেছে নির্জনতার কালো,
    হে মহামানব, এখানে শুকনো পাতায় আগুন জ্বালো ।

    ব্যাহত জীবনযাত্রা, চুপি চুপি কান্না বও বুকে,
    হে নীড়-বিহারী সঙ্গী ! আজ শুধু মনে মনে ধুঁকে
    ভেবেছ সংসারসিন্ধু কোনোমতে হয়ে যাবে পার
    পায়ে পায়ে বাধা ঠেলে । তবু আজো বিস্ময় আমার –
    ধূর্ত, প্রবঞ্চক যারা কেড়েছে মুখের শেষ গ্রাস
    তাদের করেছ ক্ষমা, ডেকেছ নিজের সর্বনাশ ।
    তোমার ক্ষেতের শস্য
    চুরি ক’রে যারা গুপ্তকক্ষতে জমায়
    তাদেরি দুপায়ে প্রাণ ঢেলে দিলে দুঃসহ ক্ষমায়;
    লোভের পাপের দুর্গ গম্বুজ ও প্রাসাদে মিনারে
    তুমি যে পেতেছ হাত; আজ মাথা ঠুকে বারে বারে
    অভিশাপ দাও যদি, বারংবার হবে তা নিষ্ফল –
    তোমার অন্যায়ে জেনো এ অন্যায় হয়েছে প্রবল ।
    তুমি তো প্রহর গোনো,
    তারা মুদ্রা গোনে কোটি কোটি,
    তাদের ভাণ্ডার পূর্ণ; শূন্য মাঠে কঙ্কাল-করোটি
    তোমাকে বিদ্রূপ করে, হাতছানি দিয়ে কাছে ডাকে –
    কুজ্ঝটি তোমার চোখে, তুমি ঘুরে ফের দুর্বিপাকে ।

    পৃথিবী উদাস, শোনো হে দুনিয়াদার !
    সামনে দাঁড়িয়ে মৃত্যু-কালো পাহাড়
    দগ্ধ হৃদয়ে যদিও ফেরাও ঘাড়
    সামনে পেছনে কোথাও পাবে না পার :
    কি করে খুলবে মৃত্যু-ঠেকানো দ্বার –
    এই মুহূর্তে জবাব দেবে কি তার ?

    লক্ষ লক্ষ প্রাণের দাম
    অনেক দিয়েছি; উজাড় গ্রাম ।
    সুদ ও আসলে আজকে তাই
    যুদ্ধ শেষের প্রাপ্য চাই ।

    কৃপণ পৃথিবী, লোভের অস্ত্র
    দিয়ে কেড়ে নেয় অন্নবস্ত্র,
    লোলুপ রসনা মেলা পৃথিবীতে
    বাড়াও ও-হাত তাকে ছিঁড়ে নিতে ।
    লোভের মাথায় পদাঘাত হানো-
    আনো, রক্তের ভাগীরথী আনো ।
    দৈত্যরাজের যত অনুচর
    মৃত্যুর ফাঁদ পাতে পর পর;
    মেলো চোখ আজ ভাঙো সে ফাঁদ-
    হাঁকো দিকে দিকে সিংহনাদ ।

    তোমার ফসল, তোমার মাটি
    তাদের জীয়ন ও মরণকাঠি
    তোমার চেতনা চালিত হাতে ।
    এখনও কাঁপবে আশঙ্কাতে ?
    স্বদেশপ্রেমের ব্যাঙ্গমা পাখি
    মারণমন্ত্র বলে, শোনো তা কি ?
    এখনো কি তুমি আমি স্বতন্ত্র ?
    করো আবৃত্তি, হাঁকো সে মন্ত্র :
    শোন্ রে মালিক, শোন্‌রে মজুতদার !
    তোদের প্রাসাদে জমা হল কত মৃত মানুষের হাড়-
    হিসাব কি দিবি তার ?

    প্রিয়াকে আমার কেড়েছিস তোরা,
    ভেঙেছিস ঘরবাড়ি,
    সে কথা কি আমি জীবনে মরণে
    কখনো ভুলতে পারি ?
    আদিম হিংস্র মানবিকতার যদি আমি কেউ হই
    স্বজনহারানো শ্মশানে তোদের
    চিতা আমি তুলবই ।

    শোন্ রে মজুতদার,
    ফসল ফলানো মাটিতে রোপণ
    করব তোকে এবার ।

    তারপর বহুশত যুগ পরে
    ভবিষ্যতের কোনো যাদুঘরে
    নৃতত্ত্ববিদ্ হয়রান হয়ে মুছবে কপাল তার,
    মজুতদার ও মানুষের হাড়ে মিল খুঁজে পাওয়া ভার ।
    তেরোশো সালের মধ্যবর্তী মালিক, মজুতদার
    মানুষ ছিল কি ? জবাব মেলে না তার ।

    আজ আর বিমূঢ় আস্ফালন নয়,
    দিগন্তে প্রত্যাসন্ন সর্বনাশের ঝড়;
    আজকের নৈঃশব্দ্য হোক যুদ্ধারম্ভের স্বীকৃতি ।
    দু হাতে বাজাও প্রতিশোধের উন্মত্ত দামামা,
    প্রার্থনা করো :
    হে জীবন, হে যুগ-সন্ধিকালের চেতনা-
    আজকে শক্তি দাও, যুগ যুগ বাঞ্ছিত দুর্দমনীয় শক্তি,
    প্রাণে আর মনে দাও শীতের শেষের
    তুষার-গলানো উত্তাপ ।
    টুকরো টুকরো ক’রে ছেঁড়ো তোমার
    অন্যায় আর ভীরুতার কলঙ্কিত কাহিনী ।
    শোষক আর শাসকের নিষ্ঠুর একতার বিরুদ্ধে
    একত্রিত হোক আমাদের সংহতি ।

    তা যদি না হয় মাথার উপরে ভয়ঙ্কর
    বিপদ নামুক, ঝড়ে বন্যায় ভাঙুক ঘর;
    তা যদি না হয়, বুঝবো তুমি তো মানুষ নও-
    গোপনে গোপনে দেশদ্রোহীর পতাকা বও ।
    ভারতবর্ষ মাটি দেয়নিকো, দেয় নি জল
    দেয় তোমার মুখেতে অন্ন, বহুতে বল
    পূর্বপুরুষ অনুপস্থিত রক্তে, তাই
    ভারতবর্ষে আজকে তোমার নেইকো ঠাঁই ॥

    সারমর্ম

    এই কবিতা সুকান্ত ভট্টাচার্যের প্রথম কাব্যগ্রন্থ “ছাড়পত্র”(১৯৪৮) এর অন্তর্ভুক্ত । বামপন্থী মনোভাবাপন্ন সুকান্তের কবিতায় স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে সাম্যবাদী চিন্তা,শোষিত-নিপীড়িত মানুষের বঞ্চনার বিরুদ্ধে তীব্র সক্রোধ প্রতিবাদ।যে সময় অন্যান্য তরুণেরা সরল তরল প্রেমের কবিতা লেখে,সে বয়সে সুকান্তের কবিতা আগুন জ্বেলে দিচ্ছে অসাম্যের বিরুদ্ধে,পূঁজিবাদী সমাজব্যবস্থার নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে।”বোধন” কবিতাটিও তার ব্যতিক্রম নয়।শোষক ও শাসিতের অবসান কল্পে শোষিত ও শাসিতের জাগরণের কবিতা সুকান্ত ভট্টাচার্যের “বোধন”

    See less
      • 1
  • 1
  • 17,827
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

দুই বিঘা জমি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Dui Bigha Jomi full Poem in Bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 21, 2020 at 1:41 am

      দুই বিঘা জমি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কথা ও কাহিনী' নামক কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতা। বাংলার গ্রামীণ সমাজের শ্রেণীবিভেদ আর দুর্বলের উপর সবলের অনাচার-অবিচার নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতাটি লিখেছেন। এই কবিতায় গরীব শ্রেণীর অসহায়ত্বের দিক দেখানো হযRead more

     

    দুই বিঘা জমি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কথা ও কাহিনী’ নামক কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতা। বাংলার গ্রামীণ সমাজের শ্রেণীবিভেদ আর দুর্বলের উপর সবলের অনাচার-অবিচার নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতাটি লিখেছেন। এই কবিতায় গরীব শ্রেণীর অসহায়ত্বের দিক দেখানো হয়েছে। এখানে একটি লোকের জমি জোর করে জমিদার এর দখলে নেওয়ার ঘটনা অতি নিপুণভাবে কবিতার ছন্দে বলা হয়েছে। এই কবিতার উপর ভিত্তি করে হিন্দি দো বিঘা জমিন চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতাসমূহ

     

    দুই বিঘা জমি

    শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ভুঁই   আর সবই গেছে ঋণে।
    বাবু বলিলেন, “বুঝেছ উপেন,   এ জমি লইব কিনে।’
    কহিলাম আমি, “তুমি ভূস্বামী,   ভূমির অন্ত নাই।
    চেয়ে দেখো মোর আছে বড়ো-জোর   মরিবার মতো ঠাঁই।’
    শুনি রাজা কহে, “বাপু, জানো তো হে, করেছি বাগানখান
    পেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দিঘে   সমান হইবে টানা–
    ওটা দিতে হবে।’ কহিলাম তবে   বক্ষে জুড়িয়া পাণি
    সজল চক্ষে, “করুণ বক্ষে   গরিবের ভিটেখানি।
    সপ্ত পুরুষ যেথায় মানুষ   সে মাটি সোনার বাড়া,
    দৈন্যের দায়ে বেচিব সে মায়ে   এমনি লক্ষ্মীছাড়া!’
    আঁখি করি লাল রাজা ক্ষণকাল   রহিল মৌনভাবে,
    কহিলেন শেষে ক্রূর হাসি হেসে,  “আচ্ছা, সে দেখা যাবে।’

    পরে মাস দেড়ে ভিটে মাটি ছেড়ে   বাহির হইনু পথে–
    করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি   মিথ্যা দেনার খতে।
    এ জগতে, হায়, সেই বেশি চায়   আছে যার ভূরি ভূরি–
    রাজার হস্ত করে সমস্ত   কাঙালের ধন চুরি।
    মনে ভাবিলাম মোরে ভগবান   রাখিবে না মোহগর্তে,
    তাই লিখি দিল বিশ্বনিখিল   দু বিঘার পরিবর্তে।
    সন্ন্যাসীবেশে ফিরি দেশে দেশে   হইয়া সাধুর শিষ্য
    কত হেরিলাম মনোহর ধাম, কত মনোরম দৃশ্য!
    ভূধরে সাগরে বিজনে নগরে   যখন যেখানে ভ্রমি
    তবু নিশিদিনে ভুলিতে পারি নে   সেই দুই বিঘা জমি।
    হাটে মাঠে বাটে এই মতো কাটে   বছর পনেরো-ষোলো–
    একদিন শেষে ফিরিবারে দেশে   বড়ই বাসনা হল।

    নমোনমো নম সুন্দরী মম   জননী বঙ্গভূমি!
    গঙ্গার তীর স্নিগ্ধ সমীর,   জীবন জুড়ালে তুমি।
    অবারিত মাঠ, গগনললাট  চুমে তব পদধূলি,
    ছায়াসুনিবিড় শান্তির নীড়   ছোটো ছোটো গ্রামগুলি।
    পল্লবঘন আম্রকানন   রাখালের খেলাগেহ,
    স্তব্ধ অতল দিঘি কালোজল–  নিশীথশীতল স্নেহ।
    বুকভরা মধু বঙ্গের বধূ   জল লয়ে যায় ঘরে–
    মা বলিতে প্রাণ করে আনচান,   চোখে আসে জল ভরে।
    দুই দিন পরে দ্বিতীয় প্রহরে   প্রবেশিনু নিজগ্রামে–
    কুমোরের বাড়ি দক্ষিণে ছাড়ি   রথতলা করি বামে,
    রাখি হাটখোলা, নন্দীর গোলা, মন্দির করি পাছে
    তৃষাতুর শেষে পঁহুছিনু এসে   আমার বাড়ির কাছে।

    ধিক্‌ ধিক্‌ ওরে, শতধিক্‌ তোরে,   নিলাজ কুলটা ভূমি!
    যখনি যাহার তখনি তাহার,   এই কি জননী তুমি!
    সে কি মনে হবে একদিন যবে   ছিলে দরিদ্রমাতা
    আঁচল ভরিয়া রাখিতে ধরিয়া   ফল ফুল শাক পাতা!
    আজ কোন্‌ রীতে কারে ভুলাইতে   ধরেছ বিলাসবেশ–
    পাঁচরঙা পাতা অঞ্চলে গাঁথা, পুষ্পে খচিত কেশ!
    আমি তোর লাগি ফিরেছি বিবাগি   গৃহহারা সুখহীন–
    তুই হেথা বসি ওরে রাক্ষসী,   হাসিয়া কাটাস দিন!
    ধনীর আদরে গরব না ধরে !   এতই হয়েছ ভিন্ন
    কোনোখানে লেশ নাহি অবশেষ   সেদিনের কোনো চিহ্ন!
    কল্যাণময়ী ছিলে তুমি অয়ি,   ক্ষুধাহরা সুধারাশি!
    যত হাসো আজ যত করো সাজ   ছিলে দেবী, হলে দাসী।

    বিদীর্ণ হিয়া ফিরিয়া ফিরিয়া   চারি দিকে চেয়ে দেখি–
    প্রাচীরের কাছে এখনো যে আছে,   সেই আমগাছ একি!
    বসি তার তলে নয়নের জলে   শান্ত হইল ব্যথা,
    একে একে মনে উদিল স্মরণে   বালক-কালের কথা।
    সেই মনে পড়ে জ্যৈষ্ঠের ঝড়ে  রাত্রে নাহিকো ঘুম,
    অতি ভোরে উঠি তাড়াতাড়ি ছুটি   আম কুড়াবার ধুম।
    সেই সুমধুর স্তব্ধ দুপুর,   পাঠশালা-পলায়ন–
    ভাবিলাম হায় আর কি কোথায়   ফিরে পাব সে জীবন!
    সহসা বাতাস ফেলি গেল শ্বাস   শাখা দুলাইয়া গাছে,
    দুটি পাকা ফল লভিল ভূতল   আমার কোলের কাছে।
    ভাবিলাম মনে বুঝি এতখনে   আমারে চিনিল মাতা,
    স্নেহের সে দানে বহু সম্মানে   বারেক ঠেকানু মাথা।

    হেনকালে হায় যমদূত-প্রায়  কোথা হতে এল মালী,
    ঝুঁটি-বাঁধা উড়ে সপ্তম সুরে   পাড়িতে লাগিল গালি।
    কহিলাম তবে, “আমি তো নীরবে   দিয়েছি আমার সব–
    দুটি ফল তার করি অধিকার,   এত তারি কলরব!’
    চিনিল না মোরে, নিয়ে গেল ধরে  কাঁধে তুলি লাঠিগাছ–
    বাবু ছিপ হাতে পারিষদ-সাথে   ধরিতেছিলেন মাছ।
    শুনি বিবরণ ক্রোধে তিনি কন,   “মারিয়া করিব খুন!’
    বাবু যত বলে পারিষদ-দলে   বলে তার শতগুণ।
    আমি কহিলাম, “শুধু দুটি আম  ভিখ মাগি মহাশয়!’
    বাবু কহে হেসে, “বেটা সাধুবেশে   পাকা চোর অতিশয়।’
    আমি শুনে হাসি আঁখিজলে ভাসি,   এই ছিল মোর ঘটে–
    তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ,   আমি আজ চোর বটে!

    Translation:

    My Little Plot of Land

    (Fakrul Alam)

    Of my land only a little remained, the rest having been mortgaged away.

    The zamidar (landlord) said one day, “Know what Upen? This too should come my way”.

    I said, “O Lord, countless are the plots of land you already own,

    But consider–I only have land enough to bury me when I’m gone!’

    The zamindar brushed me aside saying, “Upen, I’m building a garden,

    Your half-acre will allow me to design for it a lovely fountain–

    You’ll have to sell it to me!”  ……. I replied, tears in my eyes,

    and hands on my heart, “Spare this poor man’s land, or else he dies!

    For seven generations we’ve tilled this plot and it’s everything to me,

    Selling it will be like selling my mother because of poverty!”

    The zamindar reddened, kept mum for a bit, and then gave a peculiar smile

    In a forbidding manner, he muttered under his breath, “we’ll see in a while!’

     

    In six weeks I was forced out of my ancestral land and into the road

    By a court decree. Falsely, it said I had defaulted on a loan and owed

    The zamindar the whole lot! Alas, in this world those who have most want all

    Even the king won’t stop until he has grabbed everything–big or small!

    I consoled myself: God has decided not to confine me to this small plot of land;

    Perhaps I am fated to roam far and wide and end up in some distant strand.

    And so I became a mendicant’s assistant and followed him everywhere

    Visiting shrines that were memorable and seeing sights that were fair.

    But no matter whether I climbed high peaks or reached a remote river bend

    The thing I could never forget night or day was my little plot of land!

    And so I traversed country fairs, fields, and roads for fifteen years or so

    Until homesickness made me feel to my country once more I must go.

     

    I thought as I went: motherland Bengal–I bow to you lovingly!

    Your exquisite riverbanks and gentle winds will surely revive me.

    I’ll thrill at skies kissing dust swirling up from wide open fields,

    I’ll seek in the sylvan shade of a tiny village an abode of perfect bliss.

    Bengal’s shaded ponds will be calm and comforting to see

    And surely I’ll delight at sweet village belles carrying water home daily.

    Such thoughts of my motherland made me sad and tears welled up in me.

    Two days later–at noon– I entered my village– oh so eagerly!

    Past the potter’s shop and left of the field where festivals are held I sped

    Leaving the fairground–site of all delight– and the temple ground,

    I hurried to my homestead–thirsty, eager and completely exhausted!

     

    Shame, shame, oh shame on you, my shameless little plot of land!

    How is it that you yielded so easily to the seducer’s blandishment?

    Don’t you remember how you once nurtured me with what little you had?

    How you provided me with fruits, flowers and produce from your bed?

    Who are you trying to seduce now in fancy and dazzling dresses?

    Why deck yourself in alluring colors and flower-studded tresses?

    It was for you I came back worn out by years of wandering

    But you, wanton, are only bent on being coy and enchanting!

    Riches enticed you and the landlord’s wealth made all the difference

    Nothing remained of what you once were — a maiden in essence!

    So bountiful and giving once, so caring, sweet and pleasant,

    Seduce him all you can– once a goddess, now you’re a mere servant!

     

    With a grieving heart I looked around and what then did I see?

    Still erect where it always stood was my favorite mango tree!

    I sat down and wept till tears doused the pain that was in me

    One by one, images of childhood resurfaced in my memory.

    How after summer storms I wouldn’t sleep at all,

    Knowing I had to gather by dawn the mangoes sure to fall

    I thought of still fun-filled afternoons when we played hooky

    And I felt: what a pity that such days I will never again see!

     

    Suddenly a gusting wind shook the branches of the tree

    and two ripe mangoes fell on the spot where I happened to be.

    Surely, I thought, my mother has finally seen her long lost son,

    I picked up the mangoes she lovingly gave me on this occasion.

     

    Suddenly, as if an angel of death, an Oriya gardener was in the scene

    Hair in knot, this man swore and threatened in a way that was obscene.

    I told him, “I gave up all years ago without protesting the court decree

    Why fuss if I pick up two mangoes from what was my property?”

    Unimpressed, the gardener seized me, directing his stick at my head.

    Dragging me to his landlord, he complained to him about what I said.

    The zamidar, egged on by his cronies, thundered, “You’re as good as dead!”

    But his abuse was nothing compared to what his cronies had to say.

    All I could say in defense was, “my lord, those mangoes fell my way.”

    The zamindar said, “This scoundrel acts innocent but is a big thief!”

    With tears in my eyes I laughed at being made the source of all mischief.

     

    I laughed at my fate and at all those years I spent in grief

    Indeed, he is the saint now and I am the thief!

    See less
      • 0
  • 1
  • 13,833
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

বোঝাপড়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Bojhapora Poem Lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on July 17, 2020 at 1:57 am
    This answer was edited.

    বোঝাপড়া কবিতার সব প্রশ্ন উত্তর এই লিংকে  বোঝাপড়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Bojhapora Poem lyrics

    বোঝাপড়া কবিতার সব প্রশ্ন উত্তর এই লিংকে 

    বোঝাপড়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Bojhapora Poem lyrics

    বোঝাপড়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) bojhapora poem lyrics

    See less
      • 1
  • 2
  • 30,909
  • 0
Answer
Load More Questions

Sidebar

আরও দেখুন

  • কবিতা : প্রশ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Proshno Kobita Rabindranath Tagore in Bengali?
  • অভিসার (সন্ন্যাসী উপগুপ্ত) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Upagupta Poem lyrics in Bengali and English?
  • কবিতা : মূল্যপ্রাপ্তি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Mulya Prapti Poem in Bengali?
  • কবিতা : পূজারিনী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Pujarini Poem by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতা : অভিসার (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Abhisar Poem lyrics in Bengali?
  • কবিতাঃ শঙ্খ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sankha by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতাঃ পৃথিবী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Prithibi Poem by Rabindranath Tagore lyrics?
  • কবিতাঃ দুষ্টু (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Dustu Poem By Rabindranath Tagore lyrics?
  • লুকোচুরি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Poem Lukochuri Rabindranath Tagore Bengali Script?
  • কবিতাঃ সাগরিকা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sagarika Poem by Rabindranath in Bengali?
  • দুরন্ত আশা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Duranta Asha Poem in Bengali lyrics?
  • শেষ বসন্ত (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sesh Basanta Bengali Poem lyrics?
  • কবিতাঃ জন্মদিন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Jonmodin Poem by Rabindranath Tagore in Bengali
  • কবিতা : চরম মূল্য (The last bargain) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | the last bargain poem in bengali
  • একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু ((রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) kolikata choliyache norite norite lyrics
  • খেয়া কবিতার সারাংশ ও বিষয়বস্তু (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) kheya poem summary in bengali
  • কবিতা : রথযাত্রা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Rath Yatra Poem in Bengali
  • দুই বিঘা জমি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Dui Bigha Jomi full Poem in Bengali
  • বোঝাপড়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Bojhapora Poem Lyrics
  • কালের যাত্রার ধ্বনি (বিদায়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Kaler Jatrar Dhwani Poem lyrics Bangla
Join us on Telegram
Join our FaceBook Group

বিষয়

All Bangla Paragraph (105) Apurba Dutta Poems (4) Bangla application format (11) Bangla Choto Golpo (7) Bangla dorkhasto lekha (11) Bangla gazal lyrics (8) Bangla GK (177) Bangla Kobita (203) Bangla Rachana (105) baul gaan lyrics (6) baul song lyrics (6) Bengali antonyms (40) Bengali Essay (105) Bengali letter Writing (11) Bengali lullaby lyrics (3) bengali lyrics (82) Bengali Meaning (259) bengali poem (14) Bengali Poems (124) Bengali Poem Summary (21) Bengali Rachana (99) Bengali short story (7) bengali song lyrics (98) bengali song lyrics in bengali (98) Bengali synonyms (33) chandrabindu lyrics (2) English grammar in Bengali (6) English to Bengali Meaning (270) English to Bengali Translation (256) Essay (75) Full form (14) general knowledge bengali (7) indian history in bengali (9) Joy Goswami kobita (4) kazi nazrul islamer kobita (8) Kobita (143) lyrics (17) Myth (3) nirendranath chakraborty poem (5) Nirmalendu Goon Poems (6) Paragraph (20) Parts of speech in Bengali (6) Pod Poriborton (39) Poem (3) poem summary in bengali (21) rabindranath tagore poems (57) Rabindra Sangeet lyrics (5) shakti chattopadhyay poems (7) Social Science (6) Somarthok Shobdo (33) Somas Bangla Grammar (15) sukanta bhattacharya kobita (4) Sukumar Roy Poem (16) Summary (8) অনুচ্ছেদ (127) অপূর্ব দত্তের কবিতা (4) আধ্যাত্মিক (10) ইংরেজি অনুবাদ (6) ইংরেজি থেকে বাংলা (6) ইংলিশ বাংলা অনুবাদ (6) ইন্টারনেট (1) ইসলাম (18) ইসলাম ধর্মীয় প্রশ্ন উত্তর (18) ইসলামী নাত ও গজল (8) ইসলামী সংগীত লিরিক্স (8) কবিতা (26) কবিতার সারাংশ ও সারমর্ম (21) কাজী নজরুল ইসলাম (8) কুসংস্কার (3) গানের কথা (14) ঘুম পাড়ানি গান lyrics (3) ছোটগল্প (7) জয় গোস্বামী (4) জয় গোস্বামীর কবিতা (4) জেনারেল নলেজ (7) জেনারেল নলেজ প্রশ্ন ও উত্তর (39) নির্মলেন্দু গুণের কবিতা (6) নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কবিতা (5) পদ পরিবর্তন (39) পূর্ণরূপ (14) প্রকৃতি (17) প্রক্রিতি (23) ফলমূল (28) ফুল ফর্ম (14) বাংলা general knowledge (52) বাংলা অর্থ (275) বাংলা আবেদন পত্র (11) বাংলা কবিতা (219) বাংলা কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (68) বাংলা গান লিরিক্স (97) বাংলা গানের লিরিক্স (98) বাংলা ছোট গল্প (7) বাংলা দরখাস্ত নমুনা (11) বাংলা প্রবন্ধ (97) বাংলা বাক্য রচনা (176) বাংলা বিপরীত শব্দ (40) বাংলা রচনা (127) বাউল গান লিরিক্স (6) বাক্য রচনা (176) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (1) বিজ্ঞান শিক্ষা (17) বিপরীত শব্দ (40) বোঝাপড়া কবিতা (3) ব্যাখ্যা (8) ভক্তিভাজন (10) ভারতের ইতিহাস (9) ভূগোল (5) মধ্যযুগের ভারতের ইতিহাস (9) মূলভাব (8) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (34) রবীন্দ্রসংগীত (1) রবীন্দ্র সংগীত লিরিক্স (5) লিরিক্স (17) শক্তি চট্টোপাধ্যায় kobita (7) শঙ্খ ঘোষ (8) শুভ দাশগুপ্ত (7) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (5) সন্ধি বিচ্ছেদ (8) সন্ধি বিচ্ছেদ ব্যবহার (8) সমাজ বিজ্ঞান (6) সমার্থক শব্দ (33) সমাস (15) সারাংশ (8) সুকান্তের কবিতা (4) সুকুমার রায় (16)

Footer

© 2025 Bengali Forum · All rights reserved. Contact Us

Add Bengali Forum to your Homescreen!

Add