Sign Up

Continue with Google
or use


Have an account? Sign In Now

Sign In

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.


Have an account? Sign In Now

Sorry, you do not have permission to ask a question, You must login to ask a question.

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Need An Account, Sign Up Here

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Bengali Forum Logo Bengali Forum Logo
Sign InSign Up

Bengali Forum

Bengali Forum Navigation

  • বিষয়
  • ব্লগ
  • হযবরল
Search
Ask A Question

Mobile menu

Close
Ask A Question
  • বাংলা অভিধান
  • সাহিত্য
  • শিক্ষা
  • রচনা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • ইংলিশ টু বাংলা
  • বিজ্ঞান
  • বাংলা কুইজ
  • ধৰ্ম ও সংস্কৃতি
  • ইতিহাস
  • মতামত

Bengali Forum Latest Questions

In: সাহিত্য

কালের যাত্রার ধ্বনি (বিদায়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Kaler Jatrar Dhwani Poem lyrics Bangla

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 13, 2020 at 2:56 am

    বিদায় কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও। তারি রথ নিত্যই উধাও জাগাইছে অন্তরীক্ষে হৃদয়স্পন্দন, চক্রে-পিষ্ট আঁধারের বক্ষ-ফাটা তারার ক্রন্দন। ওগো বন্ধু, সেই ধাবমান কাল জড়ায়ে ধরিল মোরে ফেলি তার জাল– তুলে নিল দ্রুতরথে দুঃসাহসী ভ্রমণের পথে তোমা হতে বহুদূরে। মনে হয় অজস্র মৃত্যুরে পার হয়ে আসিলাম আজি নবপ্রভাতRead more

    বিদায়

    কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও।
    তারি রথ নিত্যই উধাও
    জাগাইছে অন্তরীক্ষে হৃদয়স্পন্দন,
    চক্রে-পিষ্ট আঁধারের বক্ষ-ফাটা তারার ক্রন্দন।
    ওগো বন্ধু, সেই ধাবমান কাল
    জড়ায়ে ধরিল মোরে ফেলি তার জাল–
    তুলে নিল দ্রুতরথে
    দুঃসাহসী ভ্রমণের পথে
    তোমা হতে বহুদূরে।
    মনে হয় অজস্র মৃত্যুরে
    পার হয়ে আসিলাম
    আজি নবপ্রভাতের শিখরচূড়ায়,
    রথের চঞ্চল বেগ হাওয়ায় উড়ায়
    আমার পুরানো নাম।
    ফিরিবার পথ নাহি;
    দূর হতে যদি দেখ চাহি
    পারিবে না চিনিতে আমায়।
    হে বন্ধু, বিদায়।

    কোনোদিন কর্মহীন পূর্ণ অবকাশে,
    বসন্তবাতাসে
    অতীতের তীর হতে যে রাত্রে বহিবে দীর্ঘশ্বাস,
    ঝরা বকুলের কান্না ব্যথিবে আকাশ,
    সেইক্ষণে খুঁজে দেখো, কিছু মোর পিছে রহিল সে
    তোমার প্রাণের প্রান্তে; বিস্মৃতপ্রদোষে
    হয়তো দিবে সে জ্যোতি,
    হয়তো ধরিবে কভু নামহারা-স্বপ্নের মুরতি।
    তবু সে তো স্বপ্ন নয়,
    সব চেয়ে সত্য মোর, সেই মৃত্যুঞ্জয়,
    সে আমার প্রেম।
    তারে আমি রাখিয়া এলেম
    অপরিবর্তন অর্ঘ্য তোমার উদ্দেশে।
    পরিবর্তনের স্রোতে আমি যাই ভেসে
    কালের যাত্রায়।
    হে বন্ধু, বিদায়।
    তোমার হয় নি কোনো ক্ষতি
    মর্তের মৃত্তিকা মোর, তাই দিয়ে অমৃত-মুরতি
    যদি সৃষ্টি করে থাক, তাহারি আরতি
    হোক তব সন্ধ্যাবেলা।
    পূজার সে খেলা
    ব্যাঘাত পাবে না মোর প্রত্যহের ম্লানস্পর্শ লেগে;
    তৃষার্ত আবেগবেগে
    ভ্রষ্ট নাহি হবে তার কোনো ফুল নৈবেদ্যের থালে।
    তোমার মানসভোজে সযত্নে সাজালে
    যে ভাবরসের পাত্র বাণীর তৃষায়,
    তার সাথে দিব না মিশায়ে
    যা মোর ধূলির ধন, যা মোর চক্ষের জলে ভিজে।
    আজও তুমি নিজে
    হয়তো বা করিবে রচন
    মোর স্মৃতিটুকু দিয়ে স্বপ্নাবিষ্ট তোমার বচন।
    ভার তার না রহিবে, না রহিবে দায়।
    হে বন্ধু, বিদায়।

    মোর লাগি করিয়ো না শোক,
    আমার রয়েছে কর্ম, আমার রয়েছে বিশ্বলোক।
    মোর পাত্র রিক্ত হয় নাই,
    শূন্যেরে করিব পূর্ণ, এই ব্রত বহিব সদাই।
    উৎকণ্ঠ আমার লাগি কেহ যদি প্রতীক্ষিয়া থাকে
    সেই ধন্য করিবে আমাকে।
    শুক্লপক্ষ হতে আনি
    রজনীগন্ধার বৃন্তখানি
    যে পারে সাজাতে
    অর্ঘ্যথালা কৃষ্ণপক্ষ-রাতে,
    যে আমারে দেখিবারে পায়
    অসীম ক্ষমায়
    ভালোমন্দ মিলায়ে সকলি,
    এবার পূজায় তারি আপনারে দিতে চাই বলি।
    তোমারে যা দিয়েছিনু, তার
    পেয়েছ নিঃশেষ অধিকার।
    হেথা মোর তিলে তিলে দান,
    করুণ মুহূর্তগুলি গণ্ডূষ ভরিয়া করে পান
    হৃদয়-অঞ্জলি হতে মম।
    ওগো তুমি নিরুপম,
    হে ঐশ্বর্যবান,
    তোমারে যা দিয়েছিনু সে তোমারি দান;
    গ্রহণ করেছ যত ঋণী তত করেছ আমায়।
    হে বন্ধু, বিদায়।

    – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    See less
      • 1
  • 3
  • 34,730
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

আজি দখিন দুয়ার খোলা (রবীন্দ্রসঙ্গীত বসন্ত উৎসব) basanta rabindra sangeet lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 11, 2020 at 12:46 am

    আজি দখিন-দুয়ার খোলা, এসো হে, এসো হে, এসো হে আমার বসন্ত এসো। দিব হৃদয়দোলায় দোলা, এসো হে, এসো হে, এসো হে আমার বসন্ত এসো॥ নব শ্যামল শোভন রথে এসো বকুল-বিছানো পথে, এসো বাজায়ে ব্যাকুল বেণু মেখে পিয়ালফুলের রেণু, এসো হে, এসো হে, এসো হে আমার বসন্ত এসো॥ এসো ঘনপল্লবপুঞ্জে এসো হে, এসো হে, এসো হে। এসো বনমল্লিকাকRead more

    আজি দখিন-দুয়ার খোলা,

    এসো হে, এসো হে, এসো হে আমার বসন্ত এসো।

    দিব হৃদয়দোলায় দোলা,

    এসো হে, এসো হে, এসো হে আমার বসন্ত এসো॥

    নব শ্যামল শোভন রথে এসো বকুল-বিছানো পথে,

    এসো বাজায়ে ব্যাকুল বেণু মেখে পিয়ালফুলের রেণু,

    এসো হে, এসো হে, এসো হে আমার বসন্ত এসো॥

    এসো ঘনপল্লবপুঞ্জে এসো হে, এসো হে, এসো হে।

    এসো বনমল্লিকাকুঞ্জে এসো হে, এসো হে, এসো হে।

    মৃদু মধুর মদির হেসে এসো পাগল হাওয়ার দেশে,

    তোমার উতলা উত্তরীয় তুমি আকাশে উড়ায়ে দিয়ো–

    এসো হে, এসো হে, এসো হে আমার বসন্ত, এসো॥

    See less
      • 0
  • 1
  • 2,257
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

চৈত্র পবনে মন চিত্ত বনে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Chaitra Pabane Lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 11, 2020 at 12:26 am

    চৈত্র পবনে মন চিত্ত বনে বাণীমঞ্জরী সঞ্চলিতা ওগো ললিতা।। যদি বিজনে দিন বহে যায় খর তপনে ঝরে পড়ে হায়। অনাদরে হবে ধূলিদলিতা ওগো ললিতা।। তোমার লাগিয়া আছি পথ চাহি বুঝি বেলা আর নাহি নাহি। বনছায়াতে তারে দেখা দাও করুণ হাতে তুলে নিয়ে যাও। কণ্ঠহারে করো সঙ্কলিতা ওগো ললিতা।।

    চৈত্র পবনে মন চিত্ত বনে

    বাণীমঞ্জরী সঞ্চলিতা

    ওগো ললিতা।।

    যদি বিজনে দিন বহে যায়

    খর তপনে ঝরে পড়ে হায়।

    অনাদরে হবে ধূলিদলিতা

    ওগো ললিতা।।

    তোমার লাগিয়া আছি পথ চাহি

    বুঝি বেলা আর নাহি নাহি।

    বনছায়াতে তারে দেখা দাও

    করুণ হাতে তুলে নিয়ে যাও।

    কণ্ঠহারে করো সঙ্কলিতা

    ওগো ললিতা।।

    See less
      • 0
  • 1
  • 3,411
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

প্রিয় নেতাজী (শুভ্রা ঘোষ ) priyo netaji poem lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 26, 2020 at 3:16 am

    প্রিয় নেতাজী, অনেক দিন ধরে চিঠি লিখবো ভাবছিলাম কিছুতেই আর হয়ে উঠছিলো না। আজ কোনো একটা ঘটনার নিরিখে, তোমাকে চিঠি লিখতে বসলাম। ছেলেবেলায় আমাদের দোতলা ড্রইং রুমে, তোমার ছবি। জন্মদিনে পেতাম বই, সেখানেও তুমি বাবার গল্পে তোমারি বীরত্ব। দেখতে দেখতে, শুনতে শুনতে, ক্রমে আমিও তোমার ভক্ত। বাবা বলতেন, ইন্ডিয়ারRead more

    প্রিয় নেতাজী,
    অনেক দিন ধরে চিঠি লিখবো ভাবছিলাম
    কিছুতেই আর হয়ে উঠছিলো না।
    আজ কোনো একটা ঘটনার নিরিখে,
    তোমাকে চিঠি লিখতে বসলাম।

    ছেলেবেলায় আমাদের দোতলা ড্রইং রুমে,
    তোমার ছবি।
    জন্মদিনে পেতাম বই, সেখানেও তুমি
    বাবার গল্পে তোমারি বীরত্ব।
    দেখতে দেখতে, শুনতে শুনতে,
    ক্রমে আমিও তোমার ভক্ত।
    বাবা বলতেন,
    ইন্ডিয়ার আর একজন নেতাজীর দরকার ছিল
    মা গাইতেন,
    বীর সুভাষের মহান দেশ।
    দাদু বলতেন,
    ছেলেটাকে ওরা শেষ করে দিলো
    ঠাম্মার চোখে তখন, আঁচলের খুঁট।
    এসবের মধ্যে বড়ো হওয়া আমিও,
    কেমন একটা ঘরের মধ্যে থাকতাম।
    ভাবতাম, পারতে তুমি সব পারতে,
    যদি আর একবার,
    একবার আমাদের মধ্যে তোমাকে পেতাম।

    আজ উত্তর চল্লিশেও আমার একই ভোর
    তুমি পারতে, কেন না দেশের মাটিতে
    দেশোপ্রেমের মতো জোরালো একটা ঝাঁকুনি
    দেবার ক্ষমতা তখন আর কারুর ছিল না।
    এখনও আছে কি ?

    তোমার হারিয়ে যাবার পর,
    দেশে কত কমিশন বসেছে।
    ভারতের পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণে
    কোনো পীর, কোনো সন্তো,
    কোনো দয়ালু বৃদ্ধ কে দেখে
    ভুল করেছে সবাই,
    ছুটে গেছে তুমি মনে করে।
    কিন্তু ফিরেছে মাথা নেড়ে,
    তবু তোমাকে পাবার আশায় বুক বেঁধেছে।
    তুমি তো শুধু বসু বাড়ির নও,
    গোটা ভারতবর্ষের মনিকোঠার হীরক।
    যার আলোর শুদ্ধতা,
    কালো কে সাদা করতে পারে।
    এই বিশ্বাসে ভর করে সবাই ভেবেছিলো
    তুমি আসবে, আসবেই।
    কিন্তু এলে না।

    কেটে গেলো অনেক গুলো বছর,
    পেরিয়ে এলাম জীবনের অনেক গলি খুঁজে।
    তুমি এখন বিমান বন্দরে, সভা সমিতিতে,
    রিসার্চ বিউরোতে,
    এমন কি ছেলের নামকরণেও,
    শুধু হৃদয় যেন দোলা দেয় না।

    জানো ? তোমার জন্মদিনটা
    এখন সবাই ছুটির দিন বলে
    আয়েশ করে উপভোগ করে।
    আর ছেলেরা, তারা তো এখন
    দেশ থেকে বিদেশের খবরই বেশি রাখে।
    আর মেয়েরা, তারাও স্বাধীনতার
    ভেলায় চড়ে হতচকিত।
    শুধু মাটিটা কাঁদে,
    সেই কান্না যেন ভূমিকম্প, খরা
    এলেনিনও, বন্যা হয়ে চারিদিক ভাসিয়ে দেয়।

    এখনো অভিমান করে শুয়ে থাকবে রেনকোজিতে?
    আজ যখন ঘাড়ের উপর AK-47 এর নিশ্বাষ
    রক্তের হরি খেলা ধর্মের জিগিরে
    তখন শোনাও সেই আওয়াজ।

    আমি সুভাষ বলছি,
    মেয়েটা দৌড়ে এসে বলবে,
    মা.. মা দেখো উনি আসছেন
    পাশের বাড়ির মেসোমশাই ডাকবেন জানলা দিয়ে
    বৌমা আমি বলিনি উনি ফিরে আসবেন ?
    খোলা জানালার ধরে দাঁড়াবেন মায়েরা,
    তাদের ডান হাতে শঙ্খ, বাঁ চোখে জল,
    নদী হবে উত্তল, নৌকা বেসামাল
    পরান মাঝিও চেঁচাবে,
    উনি আসতেসেন…

    সবুজ মাঠে শিশুদের হাতে পতাকার দোলা
    উনি আসছেন, উনি আসছেন,
    উনি ফিরে আসছেন।

    তোমার হারিয়ে যাওয়া জন্মদিনের ভেতর থেকে
    উঠে আসুক, আর একটা ২৩শে
    আজ স্বাধীনতার ঠিক আগের মুহূর্তে দাঁড়িয়ে
    তোমাকে আমার এই চিঠি
    প্রণাম নিও, ভালো থেকো নেতাজী।

    See less
      • 0
  • 1
  • 12,397
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

যমুনাবতী (শঙ্খ ঘোষ ) Jamunabati Poem Lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 26, 2020 at 3:15 am

    যমুনাবতী | jamunabati নিভন্ত এই চুল্লিতে মা একটু আগুন দে, আরেকটুকাল বেঁচেই থাকি বাঁচার আনন্দে! নোটন নোটন পায়রাগুলি খাঁচাতে বন্দী- দুয়েক মুঠো ভাত পেলে তা ওড়াতে মন দিই! হায় তোকে ভাত দেবো কী করে যে ভাত দেবো হায় হায় তোকে ভাত দিই কী দিয়ে যে ভাত দিই হায় ‘নিভন্ত এই চুল্লি তবে একটু আগুন দে, হাড়ের শRead more

    যমুনাবতী | jamunabati
    নিভন্ত এই চুল্লিতে মা
    একটু আগুন দে,
    আরেকটুকাল বেঁচেই থাকি
    বাঁচার আনন্দে!
    নোটন নোটন পায়রাগুলি
    খাঁচাতে বন্দী-
    দুয়েক মুঠো ভাত পেলে তা
    ওড়াতে মন দিই!

    হায় তোকে ভাত দেবো কী করে যে ভাত দেবো হায়
    হায় তোকে ভাত দিই কী দিয়ে যে ভাত দিই হায়

    ‘নিভন্ত এই চুল্লি তবে
    একটু আগুন দে,
    হাড়ের শিরায় শিখার মাতন
    মরার আনন্দে!
    দু’পারে দুই রুই কাতলার
    মারণী ফন্দী-
    বাঁচার আশায় হাত-হাতিয়ার
    মৃত্যুতে মন দিই!

    বর্গী না টর্গী না কংকে কে সামলায়
    ধার চকচকে থাবা দেখছো না হামলায়?
    যাস নে ও হামলায় যাসনে!
    কানা কন্যার মায়ের ধমনীতে আকুল ঢেই তোলে- জ্বলে না,
    মায়ের কান্নায় মেয়ের রক্তের উষ্ঞ হাহাকার মরেনা
    চললো মেয়ে রণে চললো!
    বাজে না ডম্বরু অস্ত্র ঝনঝন করে না জানলো না কেউ তা
    চললো মেয়ে রণে চললো!
    পেশীর দৃঢ় ব্যথ, মুঠোর দৃঢ় কথা, চোখের দৃঢ় জ্বালা সঙ্গে
    চললো মেয়ে রণে চললো!

    নেকড়ে-ওজর মৃত্যু এলো
    মৃত্যুরই গান গা-
    মায়ের চোখে বাপের চোখে
    দু’তিনটে গঙ্গা!

    দূর্বাতে তার রক্ত লেগে
    সহস্র সঙ্গী
    জাগে ধ্বক ধ্বক, যগ্গে ঢালে
    সহস্র মণ ঘি!

    যমনাবতী সরস্বতী কাল যমুনার বিয়ে
    যমুনা তার বাসর রচে বারুদ বুকে দিয়ে
    বিষের টোপর নিয়ে!
    যমুনাবতী সরস্বতী গেছে এ-পথ দিয়ে
    দিয়েছে পথ গিয়ে!

    নিভন্ত এই চুল্লিতে আগুন ফলেছে!!

    See less
      • -1
  • 2
  • 18,328
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

সাধারণ মেয়ে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) | Sadharon Meye Lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 26, 2020 at 3:17 am

    সাধারণ মেয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিঃ দ্রঃ - সাধারণ মেয়ে কবিতার সারাংশ ও বিষয়বস্তু এই লিঙ্কে আমি অন্তঃপুরের মেয়ে, চিনবে না আমাকে। তোমার শেষ গল্পের বইটি পড়েছি, শরৎবাবু, ‘বাসি ফুলের মালা'। তোমার নায়িকা এলোকেশীর মরণ-দশা ধরেছিল পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে। পঁচিশ বছর বয়সের সঙ্গে ছিল তার রেষারেষি, দেখলেম তুমি মহদাশয়Read more

    সাধারণ মেয়ে

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    বিঃ দ্রঃ – সাধারণ মেয়ে কবিতার সারাংশ ও বিষয়বস্তু এই লিঙ্কে

    আমি অন্তঃপুরের মেয়ে,
    চিনবে না আমাকে।
    তোমার শেষ গল্পের বইটি পড়েছি, শরৎবাবু,
    ‘বাসি ফুলের মালা’।
    তোমার নায়িকা এলোকেশীর মরণ-দশা ধরেছিল
    পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে।
    পঁচিশ বছর বয়সের সঙ্গে ছিল তার রেষারেষি,
    দেখলেম তুমি মহদাশয় বটে —
    জিতিয়ে দিলে তাকে।

    নিজের কথা বলি।
    বয়স আমার অল্প।
    একজনের মন ছুঁয়েছিল
    আমার এই কাঁচা বয়সের মায়া।
    তাই জেনে পুলক লাগত আমার দেহে —
    ভুলে গিয়েছিলেম, অত্যন্ত সাধারণ মেয়ে আমি।
    আমার মতো এমন আছে হাজার হাজার মেয়ে,
    অল্পবয়সের মন্ত্র তাদের যৌবনে।

    তোমাকে দোহাই দিই,
    একটি সাধারণ মেয়ের গল্প লেখো তুমি।
    বড়ো দুঃখ তার।
    তারও স্বভাবের গভীরে
    অসাধারণ যদি কিছু তলিয়ে থাকে কোথাও
    কেমন করে প্রমাণ করবে সে,
    এমন কজন মেলে যারা তা ধরতে পারে।
    কাঁচা বয়সের জাদু লাগে ওদের চোখে,
    মন যায় না সত্যের খোঁজে,
    আমরা বিকিয়ে যাই মরীচিকার দামে।

    কথাটা কেন উঠল তা বলি।
    মনে করো তার নাম নরেশ।
    সে বলেছিল কেউ তার চোখে পড়ে নি আমার মতো।
    এতবড়ো কথাটা বিশ্বাস করব যে সাহস হয় না,
    না করব যে এমন জোর কই।

    একদিন সে গেল বিলেতে।
    চিঠিপত্র পাই কখনো বা।
    মনে মনে ভাবি, রাম রাম! এত মেয়েও আছে সে দেশে,
    এত তাদের ঠেলাঠেলি ভিড়!
    আর তারা কি সবাই অসামান্য —
    এত বুদ্ধি, এত উজ্জ্বলতা।
    আর তারা সবাই কি আবিষ্কার করেছে এক নরেশ সেনকে
    স্বদেশে যার পরিচয় চাপা ছিল দশের মধ্যে।

    গেল মেলের চিঠিতে লিখেছে
    লিজির সঙ্গে গিয়েছিল সমুদ্রে নাইতে —
    বাঙালি কবির কবিতা ক’ লাইন দিয়েছে তুলে
    সেই যেখানে উর্বশী উঠছে সমুদ্র থেকে —
    তার পরে বালির ‘পরে বসল পাশাপাশি —
    সামনে দুলছে নীল সমুদ্রের ঢেউ,
    আকাশে ছড়ানো নির্মল সূর্যালোক।
    লিজি তাকে খুব আস্তে আস্তে বললে,
    ‘এই সেদিন তুমি এসেছ, দুদিন পরে যাবে চলে;
    ঝিনুকের দুটি খোলা,
    মাঝখানটুকু ভরা থাক্‌
    একটি নিরেট অশ্রুবিন্দু দিয়ে —
    দুর্লভ , মূল্যহীন। ‘
    কথা বলবার কী অসামান্য ভঙ্গি।
    সেইসঙ্গে নরেশ লিখেছে, ‘কথাগুলি যদি বানানো হয় দোষ কী,
    কিন্তু চমৎকার —
    হীরে-বসানো সোনার ফুল কি সত্য, তবুও কি সত্য নয়। ‘
    বুঝতেই পারছ
    একটা তুলনার সংকেত ওর চিঠিতে অদৃশ্য কাঁটার মতো
    আমার বুকের কাছে বিঁধিয়ে দিয়ে জানায় —
    আমি অত্যন্ত সাধারণ মেয়ে।
    মূল্যবানকে পুরো মূল্য চুকিয়ে দিই
    এমন ধন নেই আমার হাতে।
    ওগো, নাহয় তাই হল,
    নাহয় ঋণীই রইলেম চিরজীবন।

    পায়ে পড়ি তোমার, একটা গল্প লেখো তুমি শরৎবাবু,
    নিতান্তই সাধারণ মেয়ের গল্প —
    যে দুর্ভাগিনীকে দূরের থেকে পাল্লা দিতে হয়
    অন্তত পাঁচ-সাতজন অসামান্যার সঙ্গে —
    অর্থাৎ, সপ্তরথিনীর মার।
    বুঝে নিয়েছি আমার কপাল ভেঙেছে,
    হার হয়েছে আমার।
    কিন্তু তুমি যার কথা লিখবে
    তাকে জিতিয়ে দিয়ো আমার হয়ে,
    পড়তে পড়তে বুক যেন ওঠে ফুলে।
    ফুলচন্দন পড়ুক তোমার কলমের মুখে।

    তাকে নাম দিয়ো মালতী।
    ওই নামটা আমার।
    ধরা পড়বার ভয় নেই।
    এমন অনেক মালতী আছে বাংলাদেশে,
    তারা সবাই সামান্য মেয়ে।
    তারা ফরাসি জর্মান জানে না,
    কাঁদতে জানে। কী করে জিতিয়ে দেবে।
    উচ্চ তোমার মন, তোমার লেখনী মহীয়সী।
    তুমি হয়তো ওকে নিয়ে যাবে ত্যাগের পথে,
    দুঃখের চরমে, শকুন্তলার মতো।
    দয়া কোরো আমাকে।
    নেমে এসো আমার সমতলে।
    বিছানায় শুয়ে শুয়ে রাত্রির অন্ধকারে
    দেবতার কাছে যে অসম্ভব বর মাগি —
    সে বর আমি পাব না,
    কিন্তু পায় যেন তোমার নায়িকা।
    রাখো-না কেন নরেশকে সাত বছর লণ্ডনে,
    বারে বারে ফেল করুক তার পরীক্ষায়,
    আদরে থাক্‌ আপন উপাসিকামণ্ডলীতে।
    ইতিমধ্যে মালতী পাস করুক এম . এ .
    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে,
    গণিতে হোক প্রথম তোমার কলমের এক আঁচড়ে।
    কিন্তু ওইখানেই যদি থাম
    তোমার সাহিত্যসম্রাট নামে পড়বে কলঙ্ক।
    আমার দশা যাই হোক
    খাটো কোরো না তোমার কল্পনা।
    তুমি তো কৃপণ নও বিধাতার মতো।
    মেয়েটাকে দাও পাঠিয়ে য়ুরোপে।
    সেখানে যারা জ্ঞানী, যারা বিদ্বান, যারা বীর,
    যারা কবি, যারা শিল্পী, যারা রাজা,
    দল বেঁধে আসুক ওর চার দিকে।
    জ্যোতির্বিদের মতো আবিষ্কার করুক ওকে —
    শুধু বিদুষী ব’লে নয়, নারী ব’লে।
    ওর মধ্যে যে বিশ্ববিজয়ী জাদু আছে
    ধরা পড়ুক তার রহস্য, মূঢ়ের দেশে নয় —
    যে দেশে আছে সমজদার, আছে দরদি,
    আছে ইংরেজ জর্মান ফরাসি।
    মালতীর সম্মানের জন্য সভা ডাকা হোক-না, বড়ো বড়ো নামজাদার সভা।
    মনে করা যাক সেখানে বর্ষণ হচ্ছে মুষলধারে চাটুবাক্য,
    মাঝখান দিয়ে সে চলেছে অবহেলায় —
    ঢেউয়ের উপর দিয়ে যেন পালের নৌকো।
    ওর চোখ দেখে ওরা করছে কানাকানি,
    সবাই বলছে ভারতবর্ষের সজল মেঘ আর উজ্জ্বল রৌদ্র
    মিলেছে ওর মোহিনী দৃষ্টিতে।
    ( এইখানে জনান্তিকে বলে রাখি
    সৃষ্টিকর্তার প্রসাদ সত্যই আছে আমার চোখে।
    বলতে হল নিজের মুখেই,
    এখনো কোনো য়ুরোপীয় রসজ্ঞের
    সাক্ষাৎ ঘটে নি কপালে। )
    নরেশ এসে দাঁড়াক সেই কোণে,
    আর তার সেই অসামান্য মেয়ের দল।

    আর তার পরে?
    তার পরে আমার নটেশাকটি মুড়োল,
    স্বপ্ন আমার ফুরোল।
    হায় রে সামান্য মেয়ে!
    হায় রে বিধাতার শক্তির অপব্যয়!

    See less
      • -1
  • 1
  • 9,203
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

আমিই সেই মেয়ে (কবিতা সিংহ) Ami Sei Meye by Kabita Singha lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 26, 2020 at 3:20 am
    This answer was edited.

    আমিই সেই মেয়ে- কবিতা সিংহ আমিই সেই মেয়েটি সেই মেয়ে যার জন্মের সময় কোন শাঁখ বাজেনি জন্ম থেকেই যে জ্যোতিষীর ছঁকে বন্দী যার লগ্ন রাশি রাহু কেতুর দিশা খোঁজা হয়েছে না, তার নিজের জন্য নয় তার পিতার জন্য আর ভাই এর জন্য তার স্বামীর জন্য তার পুত্রের জন্য কিন্তু যার গর্ভ থেকে আমার জন্ম সেই মায়ের কথা বলেনRead more

    আমিই সেই মেয়ে- কবিতা সিংহ

    আমিই সেই মেয়েটি সেই মেয়ে
    যার জন্মের সময় কোন শাঁখ বাজেনি
    জন্ম থেকেই যে জ্যোতিষীর ছঁকে বন্দী
    যার লগ্ন রাশি রাহু কেতুর
    দিশা খোঁজা হয়েছে না, তার নিজের জন্য নয়
    তার পিতার জন্য আর ভাই এর জন্য
    তার স্বামীর জন্য তার পুত্রের জন্য
    কিন্তু যার গর্ভ থেকে আমার জন্ম
    সেই মায়ের কথা বলেনি কেউ।

    আমিই সেই মেয়েটি সেই মেয়েটি
    যে জন্ম থেকেই বিবাহের
    জন্য বলি প্রদত্ত
    যার বাইরের চেহারা
    চোখ – নাক-মুখ- ত্বক- চুল – রঙ
    নিয়েই দর কষাকষি
    কাল না ফর্সা
    খাঁদা না টিকালো
    লম্বা না বেঁটে
    খুতখুতে না টানা টানা
    যার মাথার বাইরেটা নিয়েই সকলের ভাবনা
    মাথার ভিতরটা নিয়ে কারও কোন মাথা ব্যথা নেই
    আমিই সেই মেয়েটি যে ছোটবেলা থেকে শুনেছে
    জোরে জোরে কথা বলতে নেই
    ছুটতে নেই -চেঁচাতে নেই- হাসতে নেই
    এমন কি কাঁদলেও তা লুকিয়ে লুকিয়ে

    আমিই সেই মেয়েটি যাকে বলতে নেই –
    খিদে পেয়েছে – ঘুম পেয়েছে – ইচ্ছে করছেনা-
    ক্লান্ত লাগছে -আর পারছিনা — আর পারছিনা।
    আমিই সেই মেয়েটি খেলার জন্য যার
    হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে পুতুল
    পুতুলের আদল পাবার জন্য
    পুতুলের সংসার বানাবার জন্য।

    আমিই সেই মেয়েটি যে গত কোন
    শতাব্দী তে পাঁচ বছর বয়সে মালা দিয়েছে –
    গঙ্গা যাত্রীর গলায়
    কুলীন ব্রাম্মন এর তিনশো পঁয়ষট্টি তম স্ত্রীর
    অন্যতমা হয়ে স্বামীর গরবে হয়েছি গরবিনী
    একাদশীর দিন অবুজ দশমীর বালিকার তৃষ্ণায় –
    আটক ঘরের মাটি লেহন করতে করতে প্রান ত্যাগ করেছি
    সন্তানের পর সন্তান জন্ম দিতে দিতে যন্ত্রণায়
    মুখ থুবড়ে পরেছি সূতিকাগারে
    জ্বলে পুড়ে মরেছি সতীদাহে।

    আমি বুঝতে পারিনি যে চাকরীর জায়গায়
    নিজের কাজের কুশলতা দেখাতে নেই
    আমি বুঝতে পারিনি যে আমার প্রেমিককে
    তার প্রেম পত্রের বানান ভুল গুল ধরিয়ে দেওটাই
    আমার ভুল হয়ে ছিল
    আমি বুঝতে পারিনি আমি যদি কবি হতে চাই
    আমার বন্ধুরা বলবে ”ওটা কবিতা হয়নি পদ্য হয়েছে”

    আমি বুঝতে পারিনি যে বিংশ শতাব্দীর শেষ সীমানায় এসে দাড়িয়েও
    এইপুরুষ শাসিত সমাজ বুদ্ধিমতিদের জন্য অপ্রস্তুত
    আমি সেই মেয়েটি যে দেখেছে একটি নারী
    কেমন করে নিছক মেয়েছেলে বনে যায়
    চরিত্রের উলটো দিকে হেঁটে যায় সফল স্বামীদের গিন্নীরা
    শিক্ষার চেয়ে উজ্জলতা পায় বেনারসি সাড়ীর ফুলকি
    বুদ্ধির চেয়ে দিপ্তিমান হয়ে ওঠে অন্ধকারে হীরা পান্না

    আমি সেই মেয়েটি জানেন আমি সেই মেয়েটি
    যে জীবনের কয়েকটি বছর ভুলের পরে ভুল
    পুনরুপি ভুল করে চলেছি
    অন্ধকারের দিনে ফিরতে পারিনা বলেই কি
    আমি অপমানের জলন্ত কয়লার উপর দিকে হেঁটে যেতে চাই
    যেতে চাই দুঃখের দিকে
    আমি প্রনাম জানাই সেই প্রথম আগুনকে
    যার নাম বর্ণপরিচয়
    সেই অগ্নি সুদ্ধ পরম্পরাকে সেইসব পুরুষ রমণীকে
    যারা উনবিংশ শতাব্দীর অন্ধকারের হাতলে জ্ঞানের আলো জ্বালিয়ে
    এক জন্মে আমাকে জন্ম জন্মান্তরের দরজা খুলে দিয়েছে।

    আমি আজ প্রেমের জন্য ফেলে যাচ্ছি আরাম-
    শোকার্জিত শাকান্নের জন্য ফেলে যাচ্ছি ক্রীতদাসের চর্ব্যচোষ্য
    জেগে থাকার জন্য ফেলে যাচ্ছি ভাত ঘুম,
    যন্ত্রণার জন্য ফেলে যাচ্ছি সুখ –
    জ্ঞানের জন্য ফেলে যাচ্ছি অন্ধতা
    আনন্দের জন্য ফেলে যাচ্ছি সাফল্য
    অমৃতের জন্য ঐশ্বর্য।
    আমার হাতে জ্বলছে দিশারীদের শিক্ষার মহান আগুন

    আমিই সেই মেয়েটি———
    আপনারা নিজের দর্পণে দেখে আমাকে চিনুন
    আমাকে চিনুন – আমাকে চিনুন।।

     

     

    English Transliteration: 

     

    Ami Shei Meyeti, Shei meye
    jar jonmer shomoy kono shakh bajeni
    Jonmo thekei je Jyotishir choke bondi
    jar logno rasi rahu ketur
    Disha Khuja hoyeche na, tar nijer jonno noy
    Tar pitar jonno r bhai er jonno
    tar shamir jonno r putrer jonno
    Kintu jar gorvo theke amar janma
    Shei mayer kotha boleni keu.

    Ami Shei Meyeti, Shei meyeti
    Je janma thekei bibaher
    Jonno bole prodotto
    jar bairer chehara
    chok-Nak-mukh-tak-chul-rang
    Niyei dor koshakoshi
    kalo na forsha
    Khada na tikalo
    lomba na bete
    khutkhute na tantana
    jar mathar baireta niyei shokoler bhabona
    mathar vitorta niye kar o kuno matha byatha nei

    Ami shei meyeti je chotobela theke shuneche
    Jore jore kotha bolte nei
    Chutte nei-chechate nei-hashte nei
    Emonki kadleo ta lukiye lukiye
    Ami shei meyeti jake bolte nei
    Khide peyeche-ghum peyeche-icche korchena
    Klanta lagche-aar parchi na- r parchi na

    Ami Shei Meyeti khelar jonno jar
    haate tule dewa hocche putul
    Putuler aadol pawar jonno
    Putuler shonshar banabar jonno

    Ami Shei Meyeti Je goto kono
    shotabdi te panch bachar boyoshe mala diyeche
    Ganga jatrir golay
    Kulin Brahmaner tin sho poyshotti tama strir
    Onnotama hoye shamir garabe hoyechi garabini
    ekadashir din abuj dashamir balikar trishnay
    aatak ghorer mati lehon korte korte pran tyag korechi
    Shontaner par shantan janma dite dite jantronay
    Mukh thubre porechi shutikagare
    Jole pure morechi shotidahe.

    Ami bujhte parini je charir jaygay
    Nijer kajer kushalata dekhate nei
    Ami bujhte parini je amar premik ke
    Tar prem potrer banan bhulgulo dhoriye dewatai
    Amar bhul hoyechilo
    Ami bujhte parini ami jodio kobi hote chai
    Amar bandura bolbe “ota kobita hoini podyo hoyeche”
    Ami bujhte parini je bingsho shotabdir shesh shimanay eshe dariye o
    Ei purush shashito shomaj buddhimatider jonno oprastut

    Ami shei meyeti je dekheche ekti naari
    kemon kore nisok meyechele bone jay
    Charitrer ulto dike hete jay shofol shamider ginnira
    Shikkhar cheye ujjolota pay benarashi sharir fulki
    Buddhir cheye diptoman hoye uthe ondhokare hira panna

     

    See less
      • 0
  • 1
  • 13,126
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

আমিই সেই মেয়ে (তছলিমা নাসরিন) ami sei meye poem lyrics pdf

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 26, 2020 at 3:25 am

    আমিই সেই মেয়ে (তছলিমা নাসরিন) আমিই সেই মেয়ে। বাসে ট্রেনে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন যার শাড়ি, কপালের টিপ কানের দুল আর পায়ের গোড়ালি আপনি রোজ দেখেন। আর আরও অনেক কিছু দেখতে পাবার স্বপ্ন দেখেন। স্বপ্নে যাকে ইচ্ছে মতন দেখেন। আমিই সেই মেয়ে। বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামে দিনের আলোয় যার ছায়া মাড়ানো আপনার ধর্মেRead more

    আমিই সেই মেয়ে (তছলিমা নাসরিন)

    আমিই সেই মেয়ে।
    বাসে ট্রেনে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন
    যার শাড়ি, কপালের টিপ কানের দুল আর পায়ের গোড়ালি
    আপনি রোজ দেখেন।
    আর
    আরও অনেক কিছু দেখতে পাবার স্বপ্ন দেখেন।
    স্বপ্নে যাকে ইচ্ছে মতন দেখেন।
    আমিই সেই মেয়ে।

    বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামে দিনের আলোয় যার ছায়া মাড়ানো
    আপনার ধর্মে নিষিদ্ধ, আর রাতের গভীরে যাকে বস্তি থেকে
    তুলে আনতে পাইক বরকন্দাজ পাঠান আপনি
    আর সুসজ্জিত বিছানায় যার জন্য অপেক্ষায় অধীন হয়
    আপনার রাজকীয় লাম্পট্য
    আমিই সেই মেয়ে।

    আমিই সেই মেয়ে- আসামের চাবাগানে ঝুপড়ি কামিন বস্তি থেকে
    যাকে আপনি নিয়ে যেতে চান সাহেবি বাংলোয় মধ্যরাতে
    ফায়ার প্লেসের ঝলসে ওঠা আলোয় মদির চোখে দেখতে চান
    যার অনাবৃত শরীর
    আমি সেই মেয়ে।

    রাজস্থানের শুকনো উঠোন থেকে পিপাসার জল আনতে যাকে আপনি
    পাঠিয়ে দেন দশ মাইল দূরে সরকারি ইঁদারায়- আর কুড়ি মাইল
    হেঁটে ক্লান্ত বিধ্বস্ত যে রমণী ঘড়া কাঁখে ঘরে ফিরলেই যাকে বসিয়ে দেন
    চুলার আগুনের সামনে আপনার রুটি বানাতে
    আমিই সেই মেয়ে।

    আমিই সেই মেয়ে- যাকে নিয়ে আপনি মগ্ন হতে চান গঙ্গার ধারে কিংবা
    ভিক্টোরিয়ার সবুজে কিংবা সিনেমা হলের নীল অন্ধকারে, যার
    চোখে আপনি একে দিতে চান ঝুটা স্বপ্নের কাজল আর ফুরিয়ে যাওয়া
    সিগারেটের প্যাকেটের মত যাকে পথের পাশে ছুঁড়ে ফেলে আপনার ফুল সাজানো
    গাড়ি শুভবিবাহ সুসম্পন্ন করতে ছুটে যায় শহরের পথে-
    কনে দেখা আলোর গোধুলিতে একা দাঁড়িয়ে থাকা
    আমিই সেই মেয়ে।

    আমিই সেই মেয়ে- এমন কি দেবতারাও যাকে ক্ষমা করেন না। অহংকার
    আর শক্তির দম্ভে যার গর্ভে রেখে যান কুমারীর অপমান
    আর চোখের জলে কুন্তী হয়ে নদীর জলে
    বিসর্জন দিতে হয় কর্ণকে। আত্মজকে।
    আমিই সেই মেয়ে।

    সংসারে অসময়ের আমিই ভরসা।
    আমার ছাত্র পড়ানো টাকায় মায়ের ওষুধ কেনা হয়।
    আমার বাড়তি রোজগারে ভাইয়ের বই কেনা হয়।
    আমার সমস্ত শরীর প্রবল বৃষ্টিতে ভিজতে থাকে।
    কালো আকাশ মাথায় নিয়ে
    আমি ছাতা হয়ে থাকি।
    ছাতার নিচে সুখে বাঁচে সংসার।

    আপনি
    আপনারা
    আমার জন্য অনেক করেছেন।
    সাহিত্যে কাব্যে শাস্ত্রে লোকাচারে আমাকে
    মা বলে পুজো করেছেন।
    প্রকৃতি বলে আদিখ্যেতা করেছেন- আর
    শহর গঞ্জের কানাগলিতে
    ঠোঁটে রঙ মাখিয়ে কুপি হাতে দাঁড় করিয়েও দিয়েছেন।
    হ্যা, আমিই সেই মেয়ে।
    একদিন হয়ত
    হয়ত একদিন- হয়ত অন্য কোন এক দিন
    আমার সমস্ত মিথ্যে পোশাক ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে
    আমিই হয়ে উঠবো সেই অসামান্যা !
    খোলা চুল মেঘের মত ঢাকবে আমার খোলা পিঠ।
    দু চোখে জ্বলবে ভীষণ আগুন।
    কপাল-ঠিকরে বেরুবে ভয়ঙ্কর তেজরশ্মি।
    হাতে ঝলসে উঠবে সেই খড়গ।
    দুপায়ের নুপুরে বেজে উঠবে রণদুন্দভি।
    নৃশংস অট্টহাসিতে ভরে উঠবে আকাশ।
    দেবতারাও আতঙ্কে স্তব্ধ হয়ে বলতে থাকবেন
    মহামেঘপ্রভাং ঘোরাং মুক্তকেশীং চতুর্ভুজাং
    কালিকাং দক্ষিণাং মুণ্ডমালা বিভুষিতাং।

    বীভৎস দাবানলের মত
    আমি এগোতে থাকবো ! আর আমার এগিয়ে যাবার পথের দুপাশে
    মুণ্ডহীন অসংখ্য দেহ ছটফট করতে থাকবে-
    সভ্যতার দেহ
    প্রগতির দেহ-
    উন্নতির দেহ-
    সমাজের দেহ

    হয়ত আমিই সেই মেয়ে ! হয়ত ! হয়ত বা।

    See less
      • 0
  • 1
  • 648
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

আমিই সেই মেয়ে (তছলিমা নাসরিন) ami sei meyeti lyrics in bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 26, 2020 at 3:25 am

    আমিই সেই মেয়ে (তছলিমা নাসরিন) আমিই সেই মেয়ে। বাসে ট্রেনে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন যার শাড়ি, কপালের টিপ কানের দুল আর পায়ের গোড়ালি আপনি রোজ দেখেন। আর আরও অনেক কিছু দেখতে পাবার স্বপ্ন দেখেন। স্বপ্নে যাকে ইচ্ছে মতন দেখেন। আমিই সেই মেয়ে। বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামে দিনের আলোয় যার ছায়া মাড়ানো আপনার ধর্মেRead more

    আমিই সেই মেয়ে (তছলিমা নাসরিন)

    আমিই সেই মেয়ে।
    বাসে ট্রেনে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন
    যার শাড়ি, কপালের টিপ কানের দুল আর পায়ের গোড়ালি
    আপনি রোজ দেখেন।
    আর
    আরও অনেক কিছু দেখতে পাবার স্বপ্ন দেখেন।
    স্বপ্নে যাকে ইচ্ছে মতন দেখেন।
    আমিই সেই মেয়ে।

    বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামে দিনের আলোয় যার ছায়া মাড়ানো
    আপনার ধর্মে নিষিদ্ধ, আর রাতের গভীরে যাকে বস্তি থেকে
    তুলে আনতে পাইক বরকন্দাজ পাঠান আপনি
    আর সুসজ্জিত বিছানায় যার জন্য অপেক্ষায় অধীন হয়
    আপনার রাজকীয় লাম্পট্য
    আমিই সেই মেয়ে।

    আমিই সেই মেয়ে- আসামের চাবাগানে ঝুপড়ি কামিন বস্তি থেকে
    যাকে আপনি নিয়ে যেতে চান সাহেবি বাংলোয় মধ্যরাতে
    ফায়ার প্লেসের ঝলসে ওঠা আলোয় মদির চোখে দেখতে চান
    যার অনাবৃত শরীর
    আমি সেই মেয়ে।

    রাজস্থানের শুকনো উঠোন থেকে পিপাসার জল আনতে যাকে আপনি
    পাঠিয়ে দেন দশ মাইল দূরে সরকারি ইঁদারায়- আর কুড়ি মাইল
    হেঁটে ক্লান্ত বিধ্বস্ত যে রমণী ঘড়া কাঁখে ঘরে ফিরলেই যাকে বসিয়ে দেন
    চুলার আগুনের সামনে আপনার রুটি বানাতে
    আমিই সেই মেয়ে।

    আমিই সেই মেয়ে- যাকে নিয়ে আপনি মগ্ন হতে চান গঙ্গার ধারে কিংবা
    ভিক্টোরিয়ার সবুজে কিংবা সিনেমা হলের নীল অন্ধকারে, যার
    চোখে আপনি একে দিতে চান ঝুটা স্বপ্নের কাজল আর ফুরিয়ে যাওয়া
    সিগারেটের প্যাকেটের মত যাকে পথের পাশে ছুঁড়ে ফেলে আপনার ফুল সাজানো
    গাড়ি শুভবিবাহ সুসম্পন্ন করতে ছুটে যায় শহরের পথে-
    কনে দেখা আলোর গোধুলিতে একা দাঁড়িয়ে থাকা
    আমিই সেই মেয়ে।

    আমিই সেই মেয়ে- এমন কি দেবতারাও যাকে ক্ষমা করেন না। অহংকার
    আর শক্তির দম্ভে যার গর্ভে রেখে যান কুমারীর অপমান
    আর চোখের জলে কুন্তী হয়ে নদীর জলে
    বিসর্জন দিতে হয় কর্ণকে। আত্মজকে।
    আমিই সেই মেয়ে।

    সংসারে অসময়ের আমিই ভরসা।
    আমার ছাত্র পড়ানো টাকায় মায়ের ওষুধ কেনা হয়।
    আমার বাড়তি রোজগারে ভাইয়ের বই কেনা হয়।
    আমার সমস্ত শরীর প্রবল বৃষ্টিতে ভিজতে থাকে।
    কালো আকাশ মাথায় নিয়ে
    আমি ছাতা হয়ে থাকি।
    ছাতার নিচে সুখে বাঁচে সংসার।

    আপনি
    আপনারা
    আমার জন্য অনেক করেছেন।
    সাহিত্যে কাব্যে শাস্ত্রে লোকাচারে আমাকে
    মা বলে পুজো করেছেন।
    প্রকৃতি বলে আদিখ্যেতা করেছেন- আর
    শহর গঞ্জের কানাগলিতে
    ঠোঁটে রঙ মাখিয়ে কুপি হাতে দাঁড় করিয়েও দিয়েছেন।
    হ্যা, আমিই সেই মেয়ে।
    একদিন হয়ত
    হয়ত একদিন- হয়ত অন্য কোন এক দিন
    আমার সমস্ত মিথ্যে পোশাক ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে
    আমিই হয়ে উঠবো সেই অসামান্যা !
    খোলা চুল মেঘের মত ঢাকবে আমার খোলা পিঠ।
    দু চোখে জ্বলবে ভীষণ আগুন।
    কপাল-ঠিকরে বেরুবে ভয়ঙ্কর তেজরশ্মি।
    হাতে ঝলসে উঠবে সেই খড়গ।
    দুপায়ের নুপুরে বেজে উঠবে রণদুন্দভি।
    নৃশংস অট্টহাসিতে ভরে উঠবে আকাশ।
    দেবতারাও আতঙ্কে স্তব্ধ হয়ে বলতে থাকবেন
    মহামেঘপ্রভাং ঘোরাং মুক্তকেশীং চতুর্ভুজাং
    কালিকাং দক্ষিণাং মুণ্ডমালা বিভুষিতাং।

    বীভৎস দাবানলের মত
    আমি এগোতে থাকবো ! আর আমার এগিয়ে যাবার পথের দুপাশে
    মুণ্ডহীন অসংখ্য দেহ ছটফট করতে থাকবে-
    সভ্যতার দেহ
    প্রগতির দেহ-
    উন্নতির দেহ-
    সমাজের দেহ

    হয়ত আমিই সেই মেয়ে ! হয়ত ! হয়ত বা।

    See less
      • 0
  • 1
  • 634
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

কবিতাঃ আমিই সেই মেয়ে | Ami sei meye by Taslima Nasrin lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 26, 2020 at 3:25 am
    This answer was edited.

    (বিশেষ নোট : তাসলিমা নাসরিন আমি সেই মেয়ে নাম দিয়ে কোনো কবিতা লিখেন নি। আমি সেই মেয়ে নাম দিয়ে দুইটি কবিতা লিখা হয়েছে। একটা লিখেছেন শুভ দাশগুপ্ত এবং উন্নতি লিখেছেন কবিতা সিংহ।) আমিই সেই মেয়ে (শুভ দাশগুপ্ত) আমিই সেই মেয়ে। বাসে ট্রেনে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন যার শাড়ি, কপালের টিপ কানের দুল আর পায়ের গRead more

    (বিশেষ নোট : তাসলিমা নাসরিন আমি সেই মেয়ে নাম দিয়ে কোনো কবিতা লিখেন নি। আমি সেই মেয়ে নাম দিয়ে দুইটি কবিতা লিখা হয়েছে। একটা লিখেছেন শুভ দাশগুপ্ত এবং উন্নতি লিখেছেন কবিতা সিংহ।)

    আমিই সেই মেয়ে (শুভ দাশগুপ্ত)

    আমিই সেই মেয়ে।
    বাসে ট্রেনে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন
    যার শাড়ি, কপালের টিপ কানের দুল আর পায়ের গোড়ালি
    আপনি রোজ দেখেন।
    আর
    আরও অনেক কিছু দেখতে পাবার স্বপ্ন দেখেন।
    স্বপ্নে যাকে ইচ্ছে মতন দেখেন।
    আমিই সেই মেয়ে।
    বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামে দিনের আলোয় যার ছায়া মাড়ানো
    আপনার ধর্মে নিষিদ্ধ, আর রাতের গভীরে যাকে বস্তি থেকে
    তুলে আনতে পাইক বরকন্দাজ পাঠান আপনি
    আর সুসজ্জিত বিছানায় যার জন্য অপেক্ষায় অধীন হয়
    আপনার রাজকীয় লাম্পট্য
    আমিই সেই মেয়ে।
    আমিই সেই মেয়ে- আসামের চাবাগানে ঝুপড়ি কামিন বস্তি থেকে
    যাকে আপনি নিয়ে যেতে চান সাহেবি বাংলোয় মধ্যরাতে
    ফায়ার প্লেসের ঝলসে ওঠা আলোয় মদির চোখে দেখতে চান
    যার অনাবৃত শরীর
    আমি সেই মেয়ে।
    রাজস্থানের শুকনো উঠোন থেকে পিপাসার জল আনতে যাকে আপনি
    পাঠিয়ে দেন দশ মাইল দূরে সরকারি ইঁদারায়- আর কুড়ি মাইল
    হেঁটে ক্লান্ত বিধ্বস্ত যে রমণী ঘড়া কাঁখে ঘরে ফিরলেই যাকে বসিয়ে দেন
    চুলার আগুনের সামনে আপনার রুটি বানাতে
    আমিই সেই মেয়ে।
    আমিই সেই মেয়ে- যাকে নিয়ে আপনি মগ্ন হতে চান গঙ্গার ধারে কিংবা
    ভিক্টোরিয়ার সবুজে কিংবা সিনেমা হলের নীল অন্ধকারে, যার
    চোখে আপনি একে দিতে চান ঝুটা স্বপ্নের কাজল আর ফুরিয়ে যাওয়া
    সিগারেটের প্যাকেটের মত যাকে পথের পাশে ছুঁড়ে ফেলে আপনার ফুল সাজানো
    গাড়ি শুভবিবাহ সুসম্পন্ন করতে ছুটে যায় শহরের পথে-
    কনে দেখা আলোর গোধুলিতে একা দাঁড়িয়ে থাকা
    আমিই সেই মেয়ে।
    আমিই সেই মেয়ে- এমন কি দেবতারাও যাকে ক্ষমা করেন না। অহংকার
    আর শক্তির দম্ভে যার গর্ভে রেখে যান কুমারীর অপমান
    আর চোখের জলে কুন্তী হয়ে নদীর জলে
    বিসর্জন দিতে হয় কর্ণকে। আত্মজকে।
    আমিই সেই মেয়ে।
    সংসারে অসময়ের আমিই ভরসা।
    আমার ছাত্র পড়ানো টাকায় মায়ের ওষুধ কেনা হয়।
    আমার বাড়তি রোজগারে ভাইয়ের বই কেনা হয়।
    আমার সমস্ত শরীর প্রবল বৃষ্টিতে ভিজতে থাকে।
    কালো আকাশ মাথায় নিয়ে
    আমি ছাতা হয়ে থাকি।
    ছাতার নিচে সুখে বাঁচে সংসার।
    আপনি
    আপনারা
    আমার জন্য অনেক করেছেন।
    সাহিত্যে কাব্যে শাস্ত্রে লোকাচারে আমাকে
    মা বলে পুজো করেছেন।
    প্রকৃতি বলে আদিখ্যেতা করেছেন- আর
    শহর গঞ্জের কানাগলিতে
    ঠোঁটে রঙ মাখিয়ে কুপি হাতে দাঁড় করিয়েও দিয়েছেন।
    হ্যা, আমিই সেই মেয়ে।
    একদিন হয়ত
    হয়ত একদিন- হয়ত অন্য কোন এক দিন
    আমার সমস্ত মিথ্যে পোশাক ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে
    আমিই হয়ে উঠবো সেই অসামান্যা !
    খোলা চুল মেঘের মত ঢাকবে আমার খোলা পিঠ।
    দু চোখে জ্বলবে ভীষণ আগুন।
    কপাল-ঠিকরে বেরুবে ভয়ঙ্কর তেজরশ্মি।
    হাতে ঝলসে উঠবে সেই খড়গ।
    দুপায়ের নুপুরে বেজে উঠবে রণদুন্দভি।
    নৃশংস অট্টহাসিতে ভরে উঠবে আকাশ।
    দেবতারাও আতঙ্কে স্তব্ধ হয়ে বলতে থাকবেন
    মহামেঘপ্রভাং ঘোরাং মুক্তকেশীং চতুর্ভুজাং
    কালিকাং দক্ষিণাং মুণ্ডমালা বিভুষিতাং।
    বীভৎস দাবানলের মত
    আমি এগোতে থাকবো ! আর আমার এগিয়ে যাবার পথের দুপাশে
    মুণ্ডহীন অসংখ্য দেহ ছটফট করতে থাকবে-
    সভ্যতার দেহ
    প্রগতির দেহ-
    উন্নতির দেহ-
    সমাজের দেহ
    হয়ত আমিই সেই মেয়ে ! হয়ত ! হয়ত বা।

    See less
      • 0
  • 1
  • 7,907
  • 0
Answer
Load More Questions

Sidebar

আরও দেখুন

  • কবিতা : প্রশ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Proshno Kobita Rabindranath Tagore in Bengali?
  • অভিসার (সন্ন্যাসী উপগুপ্ত) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Upagupta Poem lyrics in Bengali and English?
  • কবিতা : মূল্যপ্রাপ্তি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Mulya Prapti Poem in Bengali?
  • কবিতা : পূজারিনী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Pujarini Poem by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতা : অভিসার (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Abhisar Poem lyrics in Bengali?
  • কবিতাঃ শঙ্খ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sankha by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতাঃ পৃথিবী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Prithibi Poem by Rabindranath Tagore lyrics?
  • কবিতাঃ দুষ্টু (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Dustu Poem By Rabindranath Tagore lyrics?
  • লুকোচুরি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Poem Lukochuri Rabindranath Tagore Bengali Script?
  • কবিতাঃ সাগরিকা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sagarika Poem by Rabindranath in Bengali?
  • দুরন্ত আশা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Duranta Asha Poem in Bengali lyrics?
  • শেষ বসন্ত (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sesh Basanta Bengali Poem lyrics?
  • কবিতাঃ জন্মদিন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Jonmodin Poem by Rabindranath Tagore in Bengali
  • কবিতা : চরম মূল্য (The last bargain) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | the last bargain poem in bengali
  • কবিতা : (স্বপ্ন) একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | ekdin rate ami swapno dekhinu poem lyrics
  • একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু ((রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) kolikata choliyache norite norite lyrics
  • খেয়া কবিতার সারাংশ ও বিষয়বস্তু (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) kheya poem summary in bengali
  • কবিতা : রথযাত্রা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Rath Yatra Poem in Bengali
  • দুই বিঘা জমি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Dui Bigha Jomi full Poem in Bengali
  • বোঝাপড়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Bojhapora Poem Lyrics
Join us on Telegram
Join our FaceBook Group

বিষয়

All Bangla Paragraph (105) Apurba Dutta Poems (4) Bangla application format (11) Bangla Choto Golpo (7) Bangla dorkhasto lekha (11) Bangla gazal lyrics (8) Bangla GK (177) Bangla Kobita (203) Bangla Rachana (105) baul gaan lyrics (6) baul song lyrics (6) Bengali antonyms (40) Bengali Essay (105) Bengali letter Writing (11) Bengali lullaby lyrics (3) bengali lyrics (82) Bengali Meaning (259) bengali poem (14) Bengali Poems (124) Bengali Poem Summary (21) Bengali Rachana (99) Bengali short story (7) bengali song lyrics (98) bengali song lyrics in bengali (98) Bengali synonyms (33) chandrabindu lyrics (2) English grammar in Bengali (6) English to Bengali Meaning (270) English to Bengali Translation (256) Essay (75) Full form (14) general knowledge bengali (7) indian history in bengali (9) Joy Goswami kobita (4) kazi nazrul islamer kobita (8) Kobita (143) lyrics (17) Myth (3) nirendranath chakraborty poem (5) Nirmalendu Goon Poems (6) Paragraph (20) Parts of speech in Bengali (6) Pod Poriborton (39) Poem (3) poem summary in bengali (21) rabindranath tagore poems (57) Rabindra Sangeet lyrics (5) shakti chattopadhyay poems (7) Social Science (6) Somarthok Shobdo (33) Somas Bangla Grammar (15) sukanta bhattacharya kobita (4) Sukumar Roy Poem (16) Summary (8) অনুচ্ছেদ (127) অপূর্ব দত্তের কবিতা (4) আধ্যাত্মিক (10) ইংরেজি অনুবাদ (6) ইংরেজি থেকে বাংলা (6) ইংলিশ বাংলা অনুবাদ (6) ইন্টারনেট (1) ইসলাম (18) ইসলাম ধর্মীয় প্রশ্ন উত্তর (18) ইসলামী নাত ও গজল (8) ইসলামী সংগীত লিরিক্স (8) কবিতা (26) কবিতার সারাংশ ও সারমর্ম (21) কাজী নজরুল ইসলাম (8) কুসংস্কার (3) গানের কথা (14) ঘুম পাড়ানি গান lyrics (3) ছোটগল্প (7) জয় গোস্বামী (4) জয় গোস্বামীর কবিতা (4) জেনারেল নলেজ (7) জেনারেল নলেজ প্রশ্ন ও উত্তর (39) নির্মলেন্দু গুণের কবিতা (6) নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কবিতা (5) পদ পরিবর্তন (39) পূর্ণরূপ (14) প্রকৃতি (17) প্রক্রিতি (23) ফলমূল (28) ফুল ফর্ম (14) বাংলা general knowledge (52) বাংলা অর্থ (275) বাংলা আবেদন পত্র (11) বাংলা কবিতা (219) বাংলা কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (68) বাংলা গান লিরিক্স (97) বাংলা গানের লিরিক্স (98) বাংলা ছোট গল্প (7) বাংলা দরখাস্ত নমুনা (11) বাংলা প্রবন্ধ (97) বাংলা বাক্য রচনা (176) বাংলা বিপরীত শব্দ (40) বাংলা রচনা (127) বাউল গান লিরিক্স (6) বাক্য রচনা (176) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (1) বিজ্ঞান শিক্ষা (17) বিপরীত শব্দ (40) বোঝাপড়া কবিতা (3) ব্যাখ্যা (8) ভক্তিভাজন (10) ভারতের ইতিহাস (9) ভূগোল (5) মধ্যযুগের ভারতের ইতিহাস (9) মূলভাব (8) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (34) রবীন্দ্রসংগীত (1) রবীন্দ্র সংগীত লিরিক্স (5) লিরিক্স (17) শক্তি চট্টোপাধ্যায় kobita (7) শঙ্খ ঘোষ (8) শুভ দাশগুপ্ত (7) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (5) সন্ধি বিচ্ছেদ (8) সন্ধি বিচ্ছেদ ব্যবহার (8) সমাজ বিজ্ঞান (6) সমার্থক শব্দ (33) সমাস (15) সারাংশ (8) সুকান্তের কবিতা (4) সুকুমার রায় (16)

Footer

© 2025 Bengali Forum · All rights reserved. Contact Us

Add Bengali Forum to your Homescreen!

Add