Sign Up

Continue with Google
or use


Have an account? Sign In Now

Sign In

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.


Have an account? Sign In Now

Sorry, you do not have permission to ask a question, You must login to ask a question.

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Need An Account, Sign Up Here

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Bengali Forum Logo Bengali Forum Logo
Sign InSign Up

Bengali Forum

Bengali Forum Navigation

  • বিষয়
  • ব্লগ
  • হযবরল
Search
Ask A Question

Mobile menu

Close
Ask A Question
  • বাংলা অভিধান
  • সাহিত্য
  • শিক্ষা
  • রচনা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • ইংলিশ টু বাংলা
  • বিজ্ঞান
  • বাংলা কুইজ
  • ধৰ্ম ও সংস্কৃতি
  • ইতিহাস
  • মতামত

Bengali Forum Latest Questions

In: সাহিত্য

কবিতা : রথযাত্রা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Rath Yatra Poem in Bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 1:37 am

    রথযাত্রা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রথযাত্রার দিন কাছে। তাই রানী রাজাকে বললে, ‘চলো, রথ দেখতে যাই।’ রাজা বললে, ‘আচ্ছা।’ ঘোড়াশাল থেকে ঘোড়া বেরোল, হাতিশাল থেকে হাতি। ময়ূরপংখি যায় সারে সারে, আর বল্লম হাতে সারে সারে সিপাইসান্ত্রি। দাসদাসী দলে দলে পিছে পিছে চলল। কেবল বাকি রইল একজন। রাজবাড়ির ঝাঁটার কাঠি কুড়িযRead more

    রথযাত্রা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রথযাত্রার দিন কাছে।

    তাই রানী রাজাকে বললে, ‘চলো, রথ দেখতে যাই।’

    রাজা বললে, ‘আচ্ছা।’

    ঘোড়াশাল থেকে ঘোড়া বেরোল, হাতিশাল থেকে হাতি। ময়ূরপংখি যায় সারে সারে, আর বল্লম হাতে সারে সারে সিপাইসান্ত্রি। দাসদাসী দলে দলে পিছে পিছে চলল।

    কেবল বাকি রইল একজন। রাজবাড়ির ঝাঁটার কাঠি কুড়িয়ে আনা তার কাজ।

    সর্দার এসে দয়া করে তাকে বললে, ‘ওরে, তুই যাবি তো আয়।’

    সে হাত জোড় করে বললে, ‘আমার যাওয়া ঘটবে না।’

    রাজার কানে কথা উঠল, সবাই সঙ্গে যায়, কেবল সেই দুঃখীটা যায় না।

    রাজা দয়া করে মন্ত্রীকে বললে, ‘ওকেও ডেকে নিয়ো।’

    রাস্তার ধারে তার বাড়ি। হাতি যখন সেইখানে পৌঁছল মন্ত্রী তাকে ডেকে বললে, ‘ওরে দুঃখী, ঠাকুর দেখবি চল্‌।’

    সে হাত জোড় করে বলল, ‘কত চলব। ঠাকুরের দুয়ার পর্যন্ত পৌঁছই এমন সাধ্য কি আমার আছে।’

    মন্ত্রী বললে, ‘ভয় কী রে তোর, রাজার সঙ্গে চলবি।’

    সে বললে, ‘সর্বনাশ! রাজার পথ কি আমার পথ।’

    মন্ত্রী বললে, ‘তবে তোর উপায়? তোর ভাগ্যে কি রথযাত্রা দেখা ঘটবে না।’

    সে বললে, ‘ঘটবে বই কি। ঠাকুর তো রথে করেই আমার দুয়ারে আসেন।’

    মন্ত্রী হেসে উঠল। বললে, ‘তোর দুয়ারে রথের চিহ্ন কই।’

    দুঃখী বললে, ‘তাঁর রথের চিহ্ন পড়ে না।’

    মন্ত্রী বললে, ‘কেন বল্‌ তো।’

    দুঃখী বললে, ‘তিনি যে আসেন পুষ্পকরথে।’

    মন্ত্রী বললে, ‘কই রে সেই রথ।’

    দুঃখী দেখিয়ে দিলে, তার দুয়ারের দুই পাশে দুটি সূর্যমুখী ফুটে আছে।

     

    See less
      • 0
  • 1
  • 11,225
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

দুই বিঘা জমি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Dui Bigha Jomi full Poem in Bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 21, 2020 at 1:41 am

      দুই বিঘা জমি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কথা ও কাহিনী' নামক কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতা। বাংলার গ্রামীণ সমাজের শ্রেণীবিভেদ আর দুর্বলের উপর সবলের অনাচার-অবিচার নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতাটি লিখেছেন। এই কবিতায় গরীব শ্রেণীর অসহায়ত্বের দিক দেখানো হযRead more

     

    দুই বিঘা জমি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কথা ও কাহিনী’ নামক কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতা। বাংলার গ্রামীণ সমাজের শ্রেণীবিভেদ আর দুর্বলের উপর সবলের অনাচার-অবিচার নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতাটি লিখেছেন। এই কবিতায় গরীব শ্রেণীর অসহায়ত্বের দিক দেখানো হয়েছে। এখানে একটি লোকের জমি জোর করে জমিদার এর দখলে নেওয়ার ঘটনা অতি নিপুণভাবে কবিতার ছন্দে বলা হয়েছে। এই কবিতার উপর ভিত্তি করে হিন্দি দো বিঘা জমিন চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতাসমূহ

     

    দুই বিঘা জমি

    শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ভুঁই   আর সবই গেছে ঋণে।
    বাবু বলিলেন, “বুঝেছ উপেন,   এ জমি লইব কিনে।’
    কহিলাম আমি, “তুমি ভূস্বামী,   ভূমির অন্ত নাই।
    চেয়ে দেখো মোর আছে বড়ো-জোর   মরিবার মতো ঠাঁই।’
    শুনি রাজা কহে, “বাপু, জানো তো হে, করেছি বাগানখান
    পেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দিঘে   সমান হইবে টানা–
    ওটা দিতে হবে।’ কহিলাম তবে   বক্ষে জুড়িয়া পাণি
    সজল চক্ষে, “করুণ বক্ষে   গরিবের ভিটেখানি।
    সপ্ত পুরুষ যেথায় মানুষ   সে মাটি সোনার বাড়া,
    দৈন্যের দায়ে বেচিব সে মায়ে   এমনি লক্ষ্মীছাড়া!’
    আঁখি করি লাল রাজা ক্ষণকাল   রহিল মৌনভাবে,
    কহিলেন শেষে ক্রূর হাসি হেসে,  “আচ্ছা, সে দেখা যাবে।’

    পরে মাস দেড়ে ভিটে মাটি ছেড়ে   বাহির হইনু পথে–
    করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি   মিথ্যা দেনার খতে।
    এ জগতে, হায়, সেই বেশি চায়   আছে যার ভূরি ভূরি–
    রাজার হস্ত করে সমস্ত   কাঙালের ধন চুরি।
    মনে ভাবিলাম মোরে ভগবান   রাখিবে না মোহগর্তে,
    তাই লিখি দিল বিশ্বনিখিল   দু বিঘার পরিবর্তে।
    সন্ন্যাসীবেশে ফিরি দেশে দেশে   হইয়া সাধুর শিষ্য
    কত হেরিলাম মনোহর ধাম, কত মনোরম দৃশ্য!
    ভূধরে সাগরে বিজনে নগরে   যখন যেখানে ভ্রমি
    তবু নিশিদিনে ভুলিতে পারি নে   সেই দুই বিঘা জমি।
    হাটে মাঠে বাটে এই মতো কাটে   বছর পনেরো-ষোলো–
    একদিন শেষে ফিরিবারে দেশে   বড়ই বাসনা হল।

    নমোনমো নম সুন্দরী মম   জননী বঙ্গভূমি!
    গঙ্গার তীর স্নিগ্ধ সমীর,   জীবন জুড়ালে তুমি।
    অবারিত মাঠ, গগনললাট  চুমে তব পদধূলি,
    ছায়াসুনিবিড় শান্তির নীড়   ছোটো ছোটো গ্রামগুলি।
    পল্লবঘন আম্রকানন   রাখালের খেলাগেহ,
    স্তব্ধ অতল দিঘি কালোজল–  নিশীথশীতল স্নেহ।
    বুকভরা মধু বঙ্গের বধূ   জল লয়ে যায় ঘরে–
    মা বলিতে প্রাণ করে আনচান,   চোখে আসে জল ভরে।
    দুই দিন পরে দ্বিতীয় প্রহরে   প্রবেশিনু নিজগ্রামে–
    কুমোরের বাড়ি দক্ষিণে ছাড়ি   রথতলা করি বামে,
    রাখি হাটখোলা, নন্দীর গোলা, মন্দির করি পাছে
    তৃষাতুর শেষে পঁহুছিনু এসে   আমার বাড়ির কাছে।

    ধিক্‌ ধিক্‌ ওরে, শতধিক্‌ তোরে,   নিলাজ কুলটা ভূমি!
    যখনি যাহার তখনি তাহার,   এই কি জননী তুমি!
    সে কি মনে হবে একদিন যবে   ছিলে দরিদ্রমাতা
    আঁচল ভরিয়া রাখিতে ধরিয়া   ফল ফুল শাক পাতা!
    আজ কোন্‌ রীতে কারে ভুলাইতে   ধরেছ বিলাসবেশ–
    পাঁচরঙা পাতা অঞ্চলে গাঁথা, পুষ্পে খচিত কেশ!
    আমি তোর লাগি ফিরেছি বিবাগি   গৃহহারা সুখহীন–
    তুই হেথা বসি ওরে রাক্ষসী,   হাসিয়া কাটাস দিন!
    ধনীর আদরে গরব না ধরে !   এতই হয়েছ ভিন্ন
    কোনোখানে লেশ নাহি অবশেষ   সেদিনের কোনো চিহ্ন!
    কল্যাণময়ী ছিলে তুমি অয়ি,   ক্ষুধাহরা সুধারাশি!
    যত হাসো আজ যত করো সাজ   ছিলে দেবী, হলে দাসী।

    বিদীর্ণ হিয়া ফিরিয়া ফিরিয়া   চারি দিকে চেয়ে দেখি–
    প্রাচীরের কাছে এখনো যে আছে,   সেই আমগাছ একি!
    বসি তার তলে নয়নের জলে   শান্ত হইল ব্যথা,
    একে একে মনে উদিল স্মরণে   বালক-কালের কথা।
    সেই মনে পড়ে জ্যৈষ্ঠের ঝড়ে  রাত্রে নাহিকো ঘুম,
    অতি ভোরে উঠি তাড়াতাড়ি ছুটি   আম কুড়াবার ধুম।
    সেই সুমধুর স্তব্ধ দুপুর,   পাঠশালা-পলায়ন–
    ভাবিলাম হায় আর কি কোথায়   ফিরে পাব সে জীবন!
    সহসা বাতাস ফেলি গেল শ্বাস   শাখা দুলাইয়া গাছে,
    দুটি পাকা ফল লভিল ভূতল   আমার কোলের কাছে।
    ভাবিলাম মনে বুঝি এতখনে   আমারে চিনিল মাতা,
    স্নেহের সে দানে বহু সম্মানে   বারেক ঠেকানু মাথা।

    হেনকালে হায় যমদূত-প্রায়  কোথা হতে এল মালী,
    ঝুঁটি-বাঁধা উড়ে সপ্তম সুরে   পাড়িতে লাগিল গালি।
    কহিলাম তবে, “আমি তো নীরবে   দিয়েছি আমার সব–
    দুটি ফল তার করি অধিকার,   এত তারি কলরব!’
    চিনিল না মোরে, নিয়ে গেল ধরে  কাঁধে তুলি লাঠিগাছ–
    বাবু ছিপ হাতে পারিষদ-সাথে   ধরিতেছিলেন মাছ।
    শুনি বিবরণ ক্রোধে তিনি কন,   “মারিয়া করিব খুন!’
    বাবু যত বলে পারিষদ-দলে   বলে তার শতগুণ।
    আমি কহিলাম, “শুধু দুটি আম  ভিখ মাগি মহাশয়!’
    বাবু কহে হেসে, “বেটা সাধুবেশে   পাকা চোর অতিশয়।’
    আমি শুনে হাসি আঁখিজলে ভাসি,   এই ছিল মোর ঘটে–
    তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ,   আমি আজ চোর বটে!

    Translation:

    My Little Plot of Land

    (Fakrul Alam)

    Of my land only a little remained, the rest having been mortgaged away.

    The zamidar (landlord) said one day, “Know what Upen? This too should come my way”.

    I said, “O Lord, countless are the plots of land you already own,

    But consider–I only have land enough to bury me when I’m gone!’

    The zamindar brushed me aside saying, “Upen, I’m building a garden,

    Your half-acre will allow me to design for it a lovely fountain–

    You’ll have to sell it to me!”  ……. I replied, tears in my eyes,

    and hands on my heart, “Spare this poor man’s land, or else he dies!

    For seven generations we’ve tilled this plot and it’s everything to me,

    Selling it will be like selling my mother because of poverty!”

    The zamindar reddened, kept mum for a bit, and then gave a peculiar smile

    In a forbidding manner, he muttered under his breath, “we’ll see in a while!’

     

    In six weeks I was forced out of my ancestral land and into the road

    By a court decree. Falsely, it said I had defaulted on a loan and owed

    The zamindar the whole lot! Alas, in this world those who have most want all

    Even the king won’t stop until he has grabbed everything–big or small!

    I consoled myself: God has decided not to confine me to this small plot of land;

    Perhaps I am fated to roam far and wide and end up in some distant strand.

    And so I became a mendicant’s assistant and followed him everywhere

    Visiting shrines that were memorable and seeing sights that were fair.

    But no matter whether I climbed high peaks or reached a remote river bend

    The thing I could never forget night or day was my little plot of land!

    And so I traversed country fairs, fields, and roads for fifteen years or so

    Until homesickness made me feel to my country once more I must go.

     

    I thought as I went: motherland Bengal–I bow to you lovingly!

    Your exquisite riverbanks and gentle winds will surely revive me.

    I’ll thrill at skies kissing dust swirling up from wide open fields,

    I’ll seek in the sylvan shade of a tiny village an abode of perfect bliss.

    Bengal’s shaded ponds will be calm and comforting to see

    And surely I’ll delight at sweet village belles carrying water home daily.

    Such thoughts of my motherland made me sad and tears welled up in me.

    Two days later–at noon– I entered my village– oh so eagerly!

    Past the potter’s shop and left of the field where festivals are held I sped

    Leaving the fairground–site of all delight– and the temple ground,

    I hurried to my homestead–thirsty, eager and completely exhausted!

     

    Shame, shame, oh shame on you, my shameless little plot of land!

    How is it that you yielded so easily to the seducer’s blandishment?

    Don’t you remember how you once nurtured me with what little you had?

    How you provided me with fruits, flowers and produce from your bed?

    Who are you trying to seduce now in fancy and dazzling dresses?

    Why deck yourself in alluring colors and flower-studded tresses?

    It was for you I came back worn out by years of wandering

    But you, wanton, are only bent on being coy and enchanting!

    Riches enticed you and the landlord’s wealth made all the difference

    Nothing remained of what you once were — a maiden in essence!

    So bountiful and giving once, so caring, sweet and pleasant,

    Seduce him all you can– once a goddess, now you’re a mere servant!

     

    With a grieving heart I looked around and what then did I see?

    Still erect where it always stood was my favorite mango tree!

    I sat down and wept till tears doused the pain that was in me

    One by one, images of childhood resurfaced in my memory.

    How after summer storms I wouldn’t sleep at all,

    Knowing I had to gather by dawn the mangoes sure to fall

    I thought of still fun-filled afternoons when we played hooky

    And I felt: what a pity that such days I will never again see!

     

    Suddenly a gusting wind shook the branches of the tree

    and two ripe mangoes fell on the spot where I happened to be.

    Surely, I thought, my mother has finally seen her long lost son,

    I picked up the mangoes she lovingly gave me on this occasion.

     

    Suddenly, as if an angel of death, an Oriya gardener was in the scene

    Hair in knot, this man swore and threatened in a way that was obscene.

    I told him, “I gave up all years ago without protesting the court decree

    Why fuss if I pick up two mangoes from what was my property?”

    Unimpressed, the gardener seized me, directing his stick at my head.

    Dragging me to his landlord, he complained to him about what I said.

    The zamidar, egged on by his cronies, thundered, “You’re as good as dead!”

    But his abuse was nothing compared to what his cronies had to say.

    All I could say in defense was, “my lord, those mangoes fell my way.”

    The zamindar said, “This scoundrel acts innocent but is a big thief!”

    With tears in my eyes I laughed at being made the source of all mischief.

     

    I laughed at my fate and at all those years I spent in grief

    Indeed, he is the saint now and I am the thief!

    See less
      • 0
  • 1
  • 14,101
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

বোঝাপড়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Bojhapora Poem Lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on July 17, 2020 at 1:57 am
    This answer was edited.

    বোঝাপড়া কবিতার সব প্রশ্ন উত্তর এই লিংকে  বোঝাপড়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Bojhapora Poem lyrics

    বোঝাপড়া কবিতার সব প্রশ্ন উত্তর এই লিংকে 

    বোঝাপড়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Bojhapora Poem lyrics

    বোঝাপড়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) bojhapora poem lyrics

    See less
      • 1
  • 2
  • 31,557
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কালের যাত্রার ধ্বনি (বিদায়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Kaler Jatrar Dhwani Poem lyrics Bangla

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 13, 2020 at 2:56 am

    বিদায় কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও। তারি রথ নিত্যই উধাও জাগাইছে অন্তরীক্ষে হৃদয়স্পন্দন, চক্রে-পিষ্ট আঁধারের বক্ষ-ফাটা তারার ক্রন্দন। ওগো বন্ধু, সেই ধাবমান কাল জড়ায়ে ধরিল মোরে ফেলি তার জাল– তুলে নিল দ্রুতরথে দুঃসাহসী ভ্রমণের পথে তোমা হতে বহুদূরে। মনে হয় অজস্র মৃত্যুরে পার হয়ে আসিলাম আজি নবপ্রভাতRead more

    বিদায়

    কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও।
    তারি রথ নিত্যই উধাও
    জাগাইছে অন্তরীক্ষে হৃদয়স্পন্দন,
    চক্রে-পিষ্ট আঁধারের বক্ষ-ফাটা তারার ক্রন্দন।
    ওগো বন্ধু, সেই ধাবমান কাল
    জড়ায়ে ধরিল মোরে ফেলি তার জাল–
    তুলে নিল দ্রুতরথে
    দুঃসাহসী ভ্রমণের পথে
    তোমা হতে বহুদূরে।
    মনে হয় অজস্র মৃত্যুরে
    পার হয়ে আসিলাম
    আজি নবপ্রভাতের শিখরচূড়ায়,
    রথের চঞ্চল বেগ হাওয়ায় উড়ায়
    আমার পুরানো নাম।
    ফিরিবার পথ নাহি;
    দূর হতে যদি দেখ চাহি
    পারিবে না চিনিতে আমায়।
    হে বন্ধু, বিদায়।

    কোনোদিন কর্মহীন পূর্ণ অবকাশে,
    বসন্তবাতাসে
    অতীতের তীর হতে যে রাত্রে বহিবে দীর্ঘশ্বাস,
    ঝরা বকুলের কান্না ব্যথিবে আকাশ,
    সেইক্ষণে খুঁজে দেখো, কিছু মোর পিছে রহিল সে
    তোমার প্রাণের প্রান্তে; বিস্মৃতপ্রদোষে
    হয়তো দিবে সে জ্যোতি,
    হয়তো ধরিবে কভু নামহারা-স্বপ্নের মুরতি।
    তবু সে তো স্বপ্ন নয়,
    সব চেয়ে সত্য মোর, সেই মৃত্যুঞ্জয়,
    সে আমার প্রেম।
    তারে আমি রাখিয়া এলেম
    অপরিবর্তন অর্ঘ্য তোমার উদ্দেশে।
    পরিবর্তনের স্রোতে আমি যাই ভেসে
    কালের যাত্রায়।
    হে বন্ধু, বিদায়।
    তোমার হয় নি কোনো ক্ষতি
    মর্তের মৃত্তিকা মোর, তাই দিয়ে অমৃত-মুরতি
    যদি সৃষ্টি করে থাক, তাহারি আরতি
    হোক তব সন্ধ্যাবেলা।
    পূজার সে খেলা
    ব্যাঘাত পাবে না মোর প্রত্যহের ম্লানস্পর্শ লেগে;
    তৃষার্ত আবেগবেগে
    ভ্রষ্ট নাহি হবে তার কোনো ফুল নৈবেদ্যের থালে।
    তোমার মানসভোজে সযত্নে সাজালে
    যে ভাবরসের পাত্র বাণীর তৃষায়,
    তার সাথে দিব না মিশায়ে
    যা মোর ধূলির ধন, যা মোর চক্ষের জলে ভিজে।
    আজও তুমি নিজে
    হয়তো বা করিবে রচন
    মোর স্মৃতিটুকু দিয়ে স্বপ্নাবিষ্ট তোমার বচন।
    ভার তার না রহিবে, না রহিবে দায়।
    হে বন্ধু, বিদায়।

    মোর লাগি করিয়ো না শোক,
    আমার রয়েছে কর্ম, আমার রয়েছে বিশ্বলোক।
    মোর পাত্র রিক্ত হয় নাই,
    শূন্যেরে করিব পূর্ণ, এই ব্রত বহিব সদাই।
    উৎকণ্ঠ আমার লাগি কেহ যদি প্রতীক্ষিয়া থাকে
    সেই ধন্য করিবে আমাকে।
    শুক্লপক্ষ হতে আনি
    রজনীগন্ধার বৃন্তখানি
    যে পারে সাজাতে
    অর্ঘ্যথালা কৃষ্ণপক্ষ-রাতে,
    যে আমারে দেখিবারে পায়
    অসীম ক্ষমায়
    ভালোমন্দ মিলায়ে সকলি,
    এবার পূজায় তারি আপনারে দিতে চাই বলি।
    তোমারে যা দিয়েছিনু, তার
    পেয়েছ নিঃশেষ অধিকার।
    হেথা মোর তিলে তিলে দান,
    করুণ মুহূর্তগুলি গণ্ডূষ ভরিয়া করে পান
    হৃদয়-অঞ্জলি হতে মম।
    ওগো তুমি নিরুপম,
    হে ঐশ্বর্যবান,
    তোমারে যা দিয়েছিনু সে তোমারি দান;
    গ্রহণ করেছ যত ঋণী তত করেছ আমায়।
    হে বন্ধু, বিদায়।

    – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    See less
      • 1
  • 3
  • 36,045
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

চৈত্র পবনে মন চিত্ত বনে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Chaitra Pabane Lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 11, 2020 at 12:26 am

    চৈত্র পবনে মন চিত্ত বনে বাণীমঞ্জরী সঞ্চলিতা ওগো ললিতা।। যদি বিজনে দিন বহে যায় খর তপনে ঝরে পড়ে হায়। অনাদরে হবে ধূলিদলিতা ওগো ললিতা।। তোমার লাগিয়া আছি পথ চাহি বুঝি বেলা আর নাহি নাহি। বনছায়াতে তারে দেখা দাও করুণ হাতে তুলে নিয়ে যাও। কণ্ঠহারে করো সঙ্কলিতা ওগো ললিতা।।

    চৈত্র পবনে মন চিত্ত বনে

    বাণীমঞ্জরী সঞ্চলিতা

    ওগো ললিতা।।

    যদি বিজনে দিন বহে যায়

    খর তপনে ঝরে পড়ে হায়।

    অনাদরে হবে ধূলিদলিতা

    ওগো ললিতা।।

    তোমার লাগিয়া আছি পথ চাহি

    বুঝি বেলা আর নাহি নাহি।

    বনছায়াতে তারে দেখা দাও

    করুণ হাতে তুলে নিয়ে যাও।

    কণ্ঠহারে করো সঙ্কলিতা

    ওগো ললিতা।।

    See less
      • 0
  • 1
  • 3,645
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

সাধারণ মেয়ে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) | Sadharon Meye Lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 26, 2020 at 3:17 am

    সাধারণ মেয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিঃ দ্রঃ - সাধারণ মেয়ে কবিতার সারাংশ ও বিষয়বস্তু এই লিঙ্কে আমি অন্তঃপুরের মেয়ে, চিনবে না আমাকে। তোমার শেষ গল্পের বইটি পড়েছি, শরৎবাবু, ‘বাসি ফুলের মালা'। তোমার নায়িকা এলোকেশীর মরণ-দশা ধরেছিল পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে। পঁচিশ বছর বয়সের সঙ্গে ছিল তার রেষারেষি, দেখলেম তুমি মহদাশয়Read more

    সাধারণ মেয়ে

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    বিঃ দ্রঃ – সাধারণ মেয়ে কবিতার সারাংশ ও বিষয়বস্তু এই লিঙ্কে

    আমি অন্তঃপুরের মেয়ে,
    চিনবে না আমাকে।
    তোমার শেষ গল্পের বইটি পড়েছি, শরৎবাবু,
    ‘বাসি ফুলের মালা’।
    তোমার নায়িকা এলোকেশীর মরণ-দশা ধরেছিল
    পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে।
    পঁচিশ বছর বয়সের সঙ্গে ছিল তার রেষারেষি,
    দেখলেম তুমি মহদাশয় বটে —
    জিতিয়ে দিলে তাকে।

    নিজের কথা বলি।
    বয়স আমার অল্প।
    একজনের মন ছুঁয়েছিল
    আমার এই কাঁচা বয়সের মায়া।
    তাই জেনে পুলক লাগত আমার দেহে —
    ভুলে গিয়েছিলেম, অত্যন্ত সাধারণ মেয়ে আমি।
    আমার মতো এমন আছে হাজার হাজার মেয়ে,
    অল্পবয়সের মন্ত্র তাদের যৌবনে।

    তোমাকে দোহাই দিই,
    একটি সাধারণ মেয়ের গল্প লেখো তুমি।
    বড়ো দুঃখ তার।
    তারও স্বভাবের গভীরে
    অসাধারণ যদি কিছু তলিয়ে থাকে কোথাও
    কেমন করে প্রমাণ করবে সে,
    এমন কজন মেলে যারা তা ধরতে পারে।
    কাঁচা বয়সের জাদু লাগে ওদের চোখে,
    মন যায় না সত্যের খোঁজে,
    আমরা বিকিয়ে যাই মরীচিকার দামে।

    কথাটা কেন উঠল তা বলি।
    মনে করো তার নাম নরেশ।
    সে বলেছিল কেউ তার চোখে পড়ে নি আমার মতো।
    এতবড়ো কথাটা বিশ্বাস করব যে সাহস হয় না,
    না করব যে এমন জোর কই।

    একদিন সে গেল বিলেতে।
    চিঠিপত্র পাই কখনো বা।
    মনে মনে ভাবি, রাম রাম! এত মেয়েও আছে সে দেশে,
    এত তাদের ঠেলাঠেলি ভিড়!
    আর তারা কি সবাই অসামান্য —
    এত বুদ্ধি, এত উজ্জ্বলতা।
    আর তারা সবাই কি আবিষ্কার করেছে এক নরেশ সেনকে
    স্বদেশে যার পরিচয় চাপা ছিল দশের মধ্যে।

    গেল মেলের চিঠিতে লিখেছে
    লিজির সঙ্গে গিয়েছিল সমুদ্রে নাইতে —
    বাঙালি কবির কবিতা ক’ লাইন দিয়েছে তুলে
    সেই যেখানে উর্বশী উঠছে সমুদ্র থেকে —
    তার পরে বালির ‘পরে বসল পাশাপাশি —
    সামনে দুলছে নীল সমুদ্রের ঢেউ,
    আকাশে ছড়ানো নির্মল সূর্যালোক।
    লিজি তাকে খুব আস্তে আস্তে বললে,
    ‘এই সেদিন তুমি এসেছ, দুদিন পরে যাবে চলে;
    ঝিনুকের দুটি খোলা,
    মাঝখানটুকু ভরা থাক্‌
    একটি নিরেট অশ্রুবিন্দু দিয়ে —
    দুর্লভ , মূল্যহীন। ‘
    কথা বলবার কী অসামান্য ভঙ্গি।
    সেইসঙ্গে নরেশ লিখেছে, ‘কথাগুলি যদি বানানো হয় দোষ কী,
    কিন্তু চমৎকার —
    হীরে-বসানো সোনার ফুল কি সত্য, তবুও কি সত্য নয়। ‘
    বুঝতেই পারছ
    একটা তুলনার সংকেত ওর চিঠিতে অদৃশ্য কাঁটার মতো
    আমার বুকের কাছে বিঁধিয়ে দিয়ে জানায় —
    আমি অত্যন্ত সাধারণ মেয়ে।
    মূল্যবানকে পুরো মূল্য চুকিয়ে দিই
    এমন ধন নেই আমার হাতে।
    ওগো, নাহয় তাই হল,
    নাহয় ঋণীই রইলেম চিরজীবন।

    পায়ে পড়ি তোমার, একটা গল্প লেখো তুমি শরৎবাবু,
    নিতান্তই সাধারণ মেয়ের গল্প —
    যে দুর্ভাগিনীকে দূরের থেকে পাল্লা দিতে হয়
    অন্তত পাঁচ-সাতজন অসামান্যার সঙ্গে —
    অর্থাৎ, সপ্তরথিনীর মার।
    বুঝে নিয়েছি আমার কপাল ভেঙেছে,
    হার হয়েছে আমার।
    কিন্তু তুমি যার কথা লিখবে
    তাকে জিতিয়ে দিয়ো আমার হয়ে,
    পড়তে পড়তে বুক যেন ওঠে ফুলে।
    ফুলচন্দন পড়ুক তোমার কলমের মুখে।

    তাকে নাম দিয়ো মালতী।
    ওই নামটা আমার।
    ধরা পড়বার ভয় নেই।
    এমন অনেক মালতী আছে বাংলাদেশে,
    তারা সবাই সামান্য মেয়ে।
    তারা ফরাসি জর্মান জানে না,
    কাঁদতে জানে। কী করে জিতিয়ে দেবে।
    উচ্চ তোমার মন, তোমার লেখনী মহীয়সী।
    তুমি হয়তো ওকে নিয়ে যাবে ত্যাগের পথে,
    দুঃখের চরমে, শকুন্তলার মতো।
    দয়া কোরো আমাকে।
    নেমে এসো আমার সমতলে।
    বিছানায় শুয়ে শুয়ে রাত্রির অন্ধকারে
    দেবতার কাছে যে অসম্ভব বর মাগি —
    সে বর আমি পাব না,
    কিন্তু পায় যেন তোমার নায়িকা।
    রাখো-না কেন নরেশকে সাত বছর লণ্ডনে,
    বারে বারে ফেল করুক তার পরীক্ষায়,
    আদরে থাক্‌ আপন উপাসিকামণ্ডলীতে।
    ইতিমধ্যে মালতী পাস করুক এম . এ .
    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে,
    গণিতে হোক প্রথম তোমার কলমের এক আঁচড়ে।
    কিন্তু ওইখানেই যদি থাম
    তোমার সাহিত্যসম্রাট নামে পড়বে কলঙ্ক।
    আমার দশা যাই হোক
    খাটো কোরো না তোমার কল্পনা।
    তুমি তো কৃপণ নও বিধাতার মতো।
    মেয়েটাকে দাও পাঠিয়ে য়ুরোপে।
    সেখানে যারা জ্ঞানী, যারা বিদ্বান, যারা বীর,
    যারা কবি, যারা শিল্পী, যারা রাজা,
    দল বেঁধে আসুক ওর চার দিকে।
    জ্যোতির্বিদের মতো আবিষ্কার করুক ওকে —
    শুধু বিদুষী ব’লে নয়, নারী ব’লে।
    ওর মধ্যে যে বিশ্ববিজয়ী জাদু আছে
    ধরা পড়ুক তার রহস্য, মূঢ়ের দেশে নয় —
    যে দেশে আছে সমজদার, আছে দরদি,
    আছে ইংরেজ জর্মান ফরাসি।
    মালতীর সম্মানের জন্য সভা ডাকা হোক-না, বড়ো বড়ো নামজাদার সভা।
    মনে করা যাক সেখানে বর্ষণ হচ্ছে মুষলধারে চাটুবাক্য,
    মাঝখান দিয়ে সে চলেছে অবহেলায় —
    ঢেউয়ের উপর দিয়ে যেন পালের নৌকো।
    ওর চোখ দেখে ওরা করছে কানাকানি,
    সবাই বলছে ভারতবর্ষের সজল মেঘ আর উজ্জ্বল রৌদ্র
    মিলেছে ওর মোহিনী দৃষ্টিতে।
    ( এইখানে জনান্তিকে বলে রাখি
    সৃষ্টিকর্তার প্রসাদ সত্যই আছে আমার চোখে।
    বলতে হল নিজের মুখেই,
    এখনো কোনো য়ুরোপীয় রসজ্ঞের
    সাক্ষাৎ ঘটে নি কপালে। )
    নরেশ এসে দাঁড়াক সেই কোণে,
    আর তার সেই অসামান্য মেয়ের দল।

    আর তার পরে?
    তার পরে আমার নটেশাকটি মুড়োল,
    স্বপ্ন আমার ফুরোল।
    হায় রে সামান্য মেয়ে!
    হায় রে বিধাতার শক্তির অপব্যয়!

    See less
      • -1
  • 1
  • 9,259
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

তোমার অসীমে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Tomaro Asime Lyrics in Bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 25, 2020 at 2:48 pm

    তোমার অসীমে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে যত দূরে আমি ধাই, কোথাও দুঃখ, কোথাও মৃত্যু, কোথা বিচ্ছেদ নাই। তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে যত দূরে আমি ধাই। মৃত্যু সে ধরে মৃত্যুর রূপ দুঃখ হয় হে দুঃখের কূপ, তোমা হতে যবে হইয়ে বিমুখ আপনার পানে চাই। তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে যত দূরে আমি ধাই। হে পূর্ণ তবRead more

    তোমার অসীমে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর )
    তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে
    যত দূরে আমি ধাই,
    কোথাও দুঃখ, কোথাও মৃত্যু,
    কোথা বিচ্ছেদ নাই।
    তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে
    যত দূরে আমি ধাই।

    মৃত্যু সে ধরে মৃত্যুর রূপ
    দুঃখ হয় হে দুঃখের কূপ,
    তোমা হতে যবে হইয়ে বিমুখ
    আপনার পানে চাই।
    তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে
    যত দূরে আমি ধাই।

    হে পূর্ণ তব চরণের কাছে
    যাহা কিছু সব আছে, আছে, আছে,
    নাই নাই ভয়, সে শুধু আমারই,
    নিশিদিন কাঁদি তাই।

    অন্তরগ্লানি সংসারভার
    পলক ফেলিতে কোথা একাকার,
    জীবনের মাঝে স্বরূপ তোমার
    রাখিবারে যদি পাই।
    তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে
    যত দূরে আমি ধাই,
    কোথাও দুঃখ, কোথাও মৃত্যু,
    কোথা বিচ্ছেদ নাই।
    তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে
    যত দূরে আমি ধাই।

    See less
      • -1
  • 1
  • 5,824
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

লুকোচুরি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) bangla kobita lukochuri rabindranath thakur

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 27, 2020 at 3:11 am

    "লুকোচুরি"-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমি যদি দুষ্টুমি ক'রে চাঁপার গাছে চাঁপা হয়ে ফুটি, ভোরের বেলা মা গো, ডালের 'পরে কচি পাতায় করি লুটোপুটি, তবে তুমি আমার কাছে হারো, তখন কি মা চিনতে আমায় পারো। তুমি ডাক, "খোকা কোথায় ওরে।' আমি শুধু হাসি চুপটি করে। যখন তুমি থাকবে যে কাজ নিয়ে সবই আমি দেখব নয়ন মেলে। স্নানটি করে চRead more

    “লুকোচুরি”-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    আমি যদি দুষ্টুমি ক’রে
    চাঁপার গাছে চাঁপা হয়ে ফুটি,
    ভোরের বেলা মা গো, ডালের ‘পরে
    কচি পাতায় করি লুটোপুটি,
    তবে তুমি আমার কাছে হারো,
    তখন কি মা চিনতে আমায় পারো।
    তুমি ডাক, “খোকা কোথায় ওরে।’
    আমি শুধু হাসি চুপটি করে।
    যখন তুমি থাকবে যে কাজ নিয়ে
    সবই আমি দেখব নয়ন মেলে।
    স্নানটি করে চাঁপার তলা দিয়ে
    আসবে তুমি পিঠেতে চুল ফেলে;
    এখান দিয়ে পুজোর ঘরে যাবে,
    দূরের থেকে ফুলের গন্ধ পাবে —
    তখন তুমি বুঝতে পারবে না সে
    তোমার খোকার গায়ের গন্ধ আসে।
    দুপুর বেলা মহাভারত-হাতে
    বসবে তুমি সবার খাওয়া হলে,
    গাছের ছায়া ঘরের জানালাতে
    পড়বে এসে তোমার পিঠে কোলে,
    আমি আমার ছোট্ট ছায়াখানি
    দোলাব তোর বইয়ের ‘পরে আনি —
    তখন তুমি বুঝতে পারবে না সে
    তোমার চোখে খোকার ছায়া ভাসে।
    সন্ধেবেলায় প্রদীপখানি জ্বেলে
    যখন তুমি যাবে গোয়ালঘরে
    তখন আমি ফুলের খেলা খেলে
    টুপ্ করে মা, পড়ব ভুঁয়ে ঝরে।
    আবার আমি তোমার খোকা হব,
    “গল্প বলো’ তোমায় গিয়ে কব।
    তুমি বলবে, “দুষ্টু, ছিলি কোথা।’
    আমি বলব, “বলব না সে কথা ।

    See less
      • 1
  • 1
  • 10,713
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

তোমার মনের মন্দিরে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) tomar monero mondire lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 21, 2020 at 3:40 am

    ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনে আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে, ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনে আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে.. আমার পরানে যে গান বাজিছে তাহার তালটি শিখো তোমার চরণমঞ্জীরে, ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনে আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে.. ধরিয়া রাখিয়ো সোহাগে আদরে আমার মুখর পাখি তোমার প্রাসাদপ্Read more

    ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনে
    আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে,
    ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনে
    আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে..

    আমার পরানে যে গান বাজিছে
    তাহার তালটি শিখো তোমার চরণমঞ্জীরে,
    ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনে
    আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে..

    ধরিয়া রাখিয়ো সোহাগে আদরে
    আমার মুখর পাখি তোমার প্রাসাদপ্রাঙ্গণে,
    মনে করে সখী বাঁধিয়া রাখিয়ো
    আমার হাতের রাখী তোমার কনককঙ্কণে..

    ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনে
    আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে,
    আমার লতার একটি মুকুল
    ভুলিয়া তুলিয়া রেখো তোমার অলকবন্ধনে..

    আমার স্মরণ শুভ সিন্দুরে
    একটি বিন্দু এঁকো তোমার ললাটচন্দনে,
    আমার মনের মোহের মাধুরী
    মাখিয়া রাখিয়া দিয়ো তোমার অঙ্গসৌরভে..

    আমার আকুল জীবনমরণ
    টুটিয়া লুটিয়া নিয়ো তোমার অতুল গৌরবে,
    ভালোবেসে সখী নিভৃতে যতনে
    আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে..

    See less
      • 0
  • 1
  • 5,402
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

আজি এ প্রভাতে রবির কর (নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Aji e probhate robir kor full poem in bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on February 14, 2020 at 11:12 pm
    This answer was edited.

    নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ | nirjharer swapnabhanga আজি এ প্রভাতে রবির কর কেমনে পশিল প্রাণের পর, কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাতপাখির গান! না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ। জাগিয়া উঠেছে প্রাণ, ওরে উথলি উঠেছে বারি, ওরে প্রাণের বাসনা প্রাণের আবেগ রুধিয়া রাখিতে নারি। থর থর করি কাঁপিছে ভূধর, শিলা রাশRead more

    নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ | nirjharer swapnabhanga

    আজি এ প্রভাতে রবির কর
    কেমনে পশিল প্রাণের পর,
    কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাতপাখির গান!
    না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।
    জাগিয়া উঠেছে প্রাণ,
    ওরে উথলি উঠেছে বারি,
    ওরে প্রাণের বাসনা প্রাণের আবেগ রুধিয়া রাখিতে নারি।
    থর থর করি কাঁপিছে ভূধর,
    শিলা রাশি রাশি পড়িছে খসে,
    ফুলিয়া ফুলিয়া ফেনিল সলিল
    গরজি উঠিছে দারুণ রোষে।
    হেথায় হোথায় পাগলের প্রায়
    ঘুরিয়া ঘুরিয়া মাতিয়া বেড়ায় –
    বাহিরেতে চায়, দেখিতে না পায় কোথায় কারার দ্বার।
    কেন রে বিধাতা পাষাণ হেন,
    চারি দিকে তার বাঁধন কেন!
    ভাঙ্ রে হৃদয়, ভাঙ্ রে বাঁধন,
    সাধ্ রে আজিকে প্রাণের সাধন,
    লহরীর পরে লহরী তুলিয়া
    আঘাতের পরে আঘাত কর্।
    মাতিয়া যখন উঠেছে পরান
    কিসের আঁধার, কিসের পাষাণ!
    উথলি যখন উঠেছে বাসনা
    জগতে তখন কিসের ডর!

    আরও পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতাসমূহ

    আমি ঢালিব করুণাধারা,
    আমি ভাঙিব পাষাণকারা,
    আমি জগৎ প্লাবিয়া বেড়াব গাহিয়া
    আকুল পাগল-পারা।
    কেশ এলাইয়া, ফুল কুড়াইয়া,
    রামধনু-আঁকা পাখা উড়াইয়া,
    রবির কিরণে হাসি ছড়াইয়া দিব রে পরান ঢালি।
    শিখর হইতে শিখরে ছুটিব,
    ভূধর হইতে ভূধরে লুটিব,
    হেসে খলখল গেয়ে কলকল তালে তালে দিব তালি।
    এত কথা আছে, এত গান আছে, এত প্রাণ আছে মোর,
    এত সুখ আছে, এত সাধ আছে – প্রাণ হয়ে আছে ভোর।।

    কী জানি কী হল আজি, জাগিয়া উঠিল প্রাণ –
    দূর হতে শুনি যেন মহাসাগরের গান।
    ওরে, চারি দিকে মোর
    এ কী কারাগার ঘোর –
    ভাঙ্ ভাঙ্ ভাঙ্ কারা, আঘাতে আঘাত কর্।
    ওরে আজ কী গান গেয়েছে পাখি,
    এসেছে রবির কর।।

    English transliteration:

    Aaji E Probhater rabir kar
    Kemone Poshila praner par,
    kemone poshila guhar aadhare probhatpakhir gaan!
    Na jani keno re eto din pore jagiya uthilo pran.
    Jagiya utheche pran.
    Ore uthli utheche bari,
    Ore praner bashona praner aabeg rudhiya rakhite nari.
    Thar thar kori kapiche bhudhar,
    Shila rashi rashi poriche khashe
    Fuliya Fuliya fenin shalil
    Garji uthiche darun roshe
    Hetay huthay pagaler prai
    Ghuriya ghuriya matia beray
    bahirete chay, dekhite na pay kothay karar dhar.
    Keno re bidhata pashan heno,
    Chari dike tar badhan keno.
    bhang re hridoy, bhang re badhan
    Shad re aajike praner shadhan,
    Laharir pare lahari tulia
    Agather pare aaghat kara
    matia jokhon utheche poran
    Kisher aaadhar, kisher pashan
    Uthli jokhon utheche bashana
    Jogote takhan kisher bhoy

    Ami dhalibo Karunadhara
    Ami vangibo pashankara,
    Ami jagat plabia berabo gahiya
    aakul pagal para.
    Kesh elaiya, ful kuraiyya
    Ramdhanu aaka pakha uraiyya
    Rabir kirone hashi choraiyya dibo re poran dhali
    Shikhar hoite shikhore chutibo,
    Bhudhar hoite bhudhare lutibo
    heshe khalkhal geye kalkal tale tale dibo tali
    Eto kotha aache, eto gaan aache, eto pran aache mor
    Eto shukh aache, eto shadh aache- pran hoye aache vor

    Ki jani ki holo aaji, jagiya uthilo pran-
    Dur hote shuni jeno mahashagorer gaan
    Ore charidike mor
    E ki karagaar ghur-
    Bhang bhang bhang kara, aaghate aaghate kar.
    Esheche rabir kar.

     

    See less
      • 0
  • 1
  • 75,534
  • 0
Answer
Load More Questions

Sidebar

আরও দেখুন

  • কবিতা : প্রশ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Proshno Kobita Rabindranath Tagore in Bengali?
  • অভিসার (সন্ন্যাসী উপগুপ্ত) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Upagupta Poem lyrics in Bengali and English?
  • কবিতা : মূল্যপ্রাপ্তি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Mulya Prapti Poem in Bengali?
  • কবিতা : পূজারিনী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Pujarini Poem by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতা : অভিসার (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Abhisar Poem lyrics in Bengali?
  • কবিতাঃ শঙ্খ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sankha by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতাঃ পৃথিবী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Prithibi Poem by Rabindranath Tagore lyrics?
  • কবিতাঃ দুষ্টু (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Dustu Poem By Rabindranath Tagore lyrics?
  • লুকোচুরি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Poem Lukochuri Rabindranath Tagore Bengali Script?
  • কবিতাঃ সাগরিকা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sagarika Poem by Rabindranath in Bengali?
  • দুরন্ত আশা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Duranta Asha Poem in Bengali lyrics?
  • শেষ বসন্ত (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sesh Basanta Bengali Poem lyrics?
  • কবিতাঃ জন্মদিন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Jonmodin Poem by Rabindranath Tagore in Bengali
  • কবিতা : চরম মূল্য (The last bargain) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | the last bargain poem in bengali
  • কবিতা : (স্বপ্ন) একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | ekdin rate ami swapno dekhinu poem lyrics
  • একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু ((রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) kolikata choliyache norite norite lyrics
  • খেয়া কবিতার সারাংশ ও বিষয়বস্তু (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) kheya poem summary in bengali
  • দুই বিঘা জমি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Dui Bigha Jomi full Poem in Bengali
  • বোঝাপড়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Bojhapora Poem Lyrics
  • কালের যাত্রার ধ্বনি (বিদায়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Kaler Jatrar Dhwani Poem lyrics Bangla
Join us on Telegram
Join our FaceBook Group

বিষয়

All Bangla Paragraph (105) Apurba Dutta Poems (4) Bangla application format (11) Bangla Choto Golpo (7) Bangla dorkhasto lekha (11) Bangla gazal lyrics (8) Bangla GK (177) Bangla Kobita (203) Bangla Rachana (105) baul gaan lyrics (6) baul song lyrics (6) Bengali antonyms (40) Bengali Essay (105) Bengali letter Writing (11) Bengali lullaby lyrics (3) bengali lyrics (82) Bengali Meaning (259) bengali poem (14) Bengali Poems (124) Bengali Poem Summary (21) Bengali Rachana (99) Bengali short story (7) bengali song lyrics (98) bengali song lyrics in bengali (98) Bengali synonyms (33) chandrabindu lyrics (2) English grammar in Bengali (6) English to Bengali Meaning (270) English to Bengali Translation (256) Essay (75) Full form (14) general knowledge bengali (7) indian history in bengali (9) Joy Goswami kobita (4) kazi nazrul islamer kobita (8) Kobita (143) lyrics (17) Myth (3) nirendranath chakraborty poem (5) Nirmalendu Goon Poems (6) Paragraph (20) Parts of speech in Bengali (6) Pod Poriborton (39) Poem (3) poem summary in bengali (21) rabindranath tagore poems (57) Rabindra Sangeet lyrics (5) shakti chattopadhyay poems (7) Social Science (6) Somarthok Shobdo (33) Somas Bangla Grammar (15) sukanta bhattacharya kobita (4) Sukumar Roy Poem (16) Summary (8) অনুচ্ছেদ (127) অপূর্ব দত্তের কবিতা (4) আধ্যাত্মিক (10) ইংরেজি অনুবাদ (6) ইংরেজি থেকে বাংলা (6) ইংলিশ বাংলা অনুবাদ (6) ইন্টারনেট (1) ইসলাম (18) ইসলাম ধর্মীয় প্রশ্ন উত্তর (18) ইসলামী নাত ও গজল (8) ইসলামী সংগীত লিরিক্স (8) কবিতা (26) কবিতার সারাংশ ও সারমর্ম (21) কাজী নজরুল ইসলাম (8) কুসংস্কার (3) গানের কথা (14) ঘুম পাড়ানি গান lyrics (3) ছোটগল্প (7) জয় গোস্বামী (4) জয় গোস্বামীর কবিতা (4) জেনারেল নলেজ (7) জেনারেল নলেজ প্রশ্ন ও উত্তর (39) নির্মলেন্দু গুণের কবিতা (6) নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কবিতা (5) পদ পরিবর্তন (39) পূর্ণরূপ (14) প্রকৃতি (17) প্রক্রিতি (23) ফলমূল (28) ফুল ফর্ম (14) বাংলা general knowledge (52) বাংলা অর্থ (275) বাংলা আবেদন পত্র (11) বাংলা কবিতা (219) বাংলা কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (68) বাংলা গান লিরিক্স (97) বাংলা গানের লিরিক্স (98) বাংলা ছোট গল্প (7) বাংলা দরখাস্ত নমুনা (11) বাংলা প্রবন্ধ (97) বাংলা বাক্য রচনা (176) বাংলা বিপরীত শব্দ (40) বাংলা রচনা (127) বাউল গান লিরিক্স (6) বাক্য রচনা (176) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (1) বিজ্ঞান শিক্ষা (17) বিপরীত শব্দ (40) বোঝাপড়া কবিতা (3) ব্যাখ্যা (8) ভক্তিভাজন (10) ভারতের ইতিহাস (9) ভূগোল (5) মধ্যযুগের ভারতের ইতিহাস (9) মূলভাব (8) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (34) রবীন্দ্রসংগীত (1) রবীন্দ্র সংগীত লিরিক্স (5) লিরিক্স (17) শক্তি চট্টোপাধ্যায় kobita (7) শঙ্খ ঘোষ (8) শুভ দাশগুপ্ত (7) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (5) সন্ধি বিচ্ছেদ (8) সন্ধি বিচ্ছেদ ব্যবহার (8) সমাজ বিজ্ঞান (6) সমার্থক শব্দ (33) সমাস (15) সারাংশ (8) সুকান্তের কবিতা (4) সুকুমার রায় (16)

Footer

© 2025 Bengali Forum · All rights reserved. Contact Us