Sign Up

Continue with Google
or use


Have an account? Sign In Now

Sign In

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.


Have an account? Sign In Now

Sorry, you do not have permission to ask a question, You must login to ask a question.

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Need An Account, Sign Up Here

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Bengali Forum Logo Bengali Forum Logo
Sign InSign Up

Bengali Forum

Bengali Forum Navigation

  • বিষয়
  • ব্লগ
  • হযবরল
Search
Ask A Question

Mobile menu

Close
Ask A Question
  • বাংলা অভিধান
  • সাহিত্য
  • শিক্ষা
  • রচনা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • ইংলিশ টু বাংলা
  • বিজ্ঞান
  • বাংলা কুইজ
  • ধৰ্ম ও সংস্কৃতি
  • ইতিহাস
  • মতামত

Bengali Forum Latest Questions

In: সাহিত্য

কবিতা : নিষ্কৃতি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Nishkriti by Rabindranath Tagore in Bengali?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on September 5, 2020 at 2:37 am

    নিষ্কৃতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মা কেঁদে কয়, "'মঞ্জুলী মোর ঐ তো কচি মেয়ে, ওরি সঙ্গে বিয়ে দেবে?--বয়সে ওর চেয়ে পাঁচগুনো সে বড়ো;-- তাকে দেখে বাছা আমার ভয়েই জড়সড়। এমন বিয়ে ঘটতে দেব নাকো।" বাপ বললে, "কান্না তোমার রাখো! পঞ্চাননকে পাওয়া গেছে অনেক দিনের খোঁজে, জান না কি মস্ত কুলীন ও যে। সমাজে তো উঠতে হবে সেটা কিRead more

    নিষ্কৃতি

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    মা কেঁদে কয়, “‘মঞ্জুলী মোর ঐ তো কচি মেয়ে,
    ওরি সঙ্গে বিয়ে দেবে?–বয়সে ওর চেয়ে
    পাঁচগুনো সে বড়ো;–
    তাকে দেখে বাছা আমার ভয়েই জড়সড়।
    এমন বিয়ে ঘটতে দেব নাকো।”

    বাপ বললে, “কান্না তোমার রাখো!
    পঞ্চাননকে পাওয়া গেছে অনেক দিনের খোঁজে,
    জান না কি মস্ত কুলীন ও যে।
    সমাজে তো উঠতে হবে সেটা কি কেউ ভাব।
    ওকে ছাড়লে পাত্র কোথায় পাব।”

    মা বললে, “কেন ঐ যে চাটুজ্যেদের পুলিন,
    নাই বা হল কুলীন,–
    দেখতে যেমন তেমনি স্বভাবখানি,
    পাস করে ফের পেয়েছে জলপানি,
    সোনার টুকরো ছেলে।
    এক-পাড়াতে থাকে ওরা–ওরি সঙ্গে হেসে খেলে
    মেয়ে আমার মানুষ হল; ওকে যদি বলি আমি আজই
    এক্খনি হয় রাজি।”

    বাপ বললে, “থামো,
    আরে আরে রামোঃ।
    ওরা আছে সমাজের সব তলায়।
    বামুন কি হয় পৈতে দিলেই গলায়?
    দেখতে শুনতে ভালো হলেই পাত্র হল! রাধে!
    স্ত্রীবুদ্ধি কি শাস্ত্রে বলে সাধে।”

    যেদিন ওরা গিনি দিয়ে দেখলে কনের মুখ
    সেদিন থেকে মঞ্জুলিকার বুক
    প্রতি পলের গোপন কাঁটায় হল রক্তে মাখা।
    মায়ের স্নেহ অন্তর্যামী, তার কাছে তো রয় না কিছুই ঢাকা;
    মায়ের ব্যথা মেয়ের ব্যথা চলতে খেতে শুতে
    ঘরের আকাশ প্রতিক্ষণে হানছে যেন বেদনা-বিদ্যুতে।

    অটলতার গভীর গর্ব বাপের মনে জাগে,–
    সুখে দুঃখে দ্বেষে রাগে
    ধর্ম থেকে নড়েন তিনি নাই হেন দৌর্বল্য।
    তাঁর জীবনের রথের চাকা চলল
    লোহার বাঁধা রাস্তা দিয়ে প্রতিক্ষণেই,
    কোনোমতেই ইঞ্চিখানেক এদিক-ওদিক একটু হবার জো নেই।

    তিনি বলেন, তাঁর সাধনা বড়োই সুকঠোর,
    আর কিছু নয়, শুধুই মনের জোর,
    অষ্টাবক্র জমদগ্নি প্রভৃতি সব ঋষির সঙ্গে তুল্য,
    মেয়েমানুষ বুঝবে না তার মূল্য।

    অন্তঃশীলা অশ্রুনদীর নীরব নীরে
    দুটি নারীর দিন বয়ে যায় ধীরে।
    অবশেষে বৈশাখে এক রাতে
    মঞ্জুলিকার বিয়ে হল পঞ্চাননের সাথে।
    বিদায়বেলায় মেয়েকে বাপ বলে দিলেন মাথায় হস্ত ধরি
    “হও তুমি সাবিত্রীর মতো এই কামনা করি।”

    কিমাশ্চর্যমতঃপরং, বাপের সাধন-জোরে
    আশীর্বাদের প্রথম অংশ দু-মাস যেতেই ফলল কেমন করে–
    পঞ্চাননকে ধরল এসে যমে;
    কিন্তু মেয়ের কপালক্রমে
    ফলল না তার শেষের দিকটা, দিলে না যম ফিরে,
    মঞ্জুলিকা বাপের ঘরে ফিরে এল সিঁদুর মুছে শিরে।

    দুঃখে সুখে দিন হয়ে যায় গত
    স্রোতের জলে ঝরে-পড়া ভেসে-যাওয়া ফুলের মতো,
    অবশেষে হল
    মঞ্জুলিকার বয়স ভরা ষোলো।
    কখন শিশুকালে
    হৃদয়-লতার পাতার অন্তরালে
    বেরিয়েছিল একটি কুঁড়ি
    প্রাণের গোপন রহস্যতল ফুঁড়ি;
    জানত না তো আপনাকে সে,
    শুধায় নি তার নাম কোনোদিন বাহির হতে খেপা বাতাস এসে,
    সেই কুঁড়ি আজ অন্তরে তার উঠছে ফুটে
    মধুর রসে ভরে উঠে’।
    সে যে প্রেমের ফুল
    আপনি রাঙা পাপড়িভারে আপনি সমাকুল।
    আপনাকে তার চিনতে যে আর নাইকো বাকি,
    তাইতো থাকি থাকি
    চমকে ওঠে নিজের পানে চেয়ে।
    আকাশপারের বাণী তারে ডাক দিয়ে যায় আলোর ঝরনা বেয়ে;
    রাতের অন্ধকারে
    কোন্ অসীমের রোদনভরা বেদন লাগে তারে।
    বাহির হতে তার
    ঘুচে গেছে সকল অলংকার;
    অন্তর তার রাঙিয়ে ওঠে স্তরে স্তরে,
    তাই দেখে সে আপনি ভেবে মরে।
    কখন কাজের ফাঁকে
    জানলা ধরে চুপ করে সে বাইরে চেয়ে থাকে–
    যেখানে ওই শজনে গাছের ফুলের ঝুরি বেড়ার গায়ে
    রাশি রাশি হাসির ঘায়ে
    আকাশটারে পাগল করে দিবসরাতি।

    যে ছিল তার ছেলেবেলার খেলাঘরের সাথি
    আজ সে কেমন করে
    জলস্থলের হৃদয়খানি দিল ভরে।
    অরূপ হয়ে সে যেন আজ সকল রূপে রূপে
    মিশিয়ে গেল চুপে চুপে।
    পায়ের শব্দ তারি
    মরমরিত পাতায় পাতায় গিয়েছে সঞ্চারি।
    কানে কানে তারি করুণ বাণী
    মৌমাছিদের পাখার গুনগুনানি।

    মেয়ের নীরব মুখে
    কী দেখে মা, শেল বাজে তার বুকে।
    না-বলা কোন্ গোপন কথার মায়া
    মঞ্জুলিকার কালো চোখে ঘনিয়ে তোলে জলভরা এক ছায়া;
    অশ্রু-ভেজা গভীর প্রাণের ব্যথা
    এনে দিল অধরে তার শরৎনিশির স্তব্ধ ব্যাকুলতা।
    মায়ের মুখে অন্ন রোচে নাকো–
    কেঁদে বলে, “হায় ভগবান, অভাগীরে ফেলে কোথায় থাক।”

    একদা বাপ দুপুরবেলায় ভোজন সাঙ্গ করে
    গুড়গুড়িটার নলটা মুখে ধরে,
    ঘুমের আগে, যেমন চিরাভ্যাস,
    পড়তেছিলেন ইংরেজি এক প্রেমের উপন্যাস।
    মা বললেন, বাতাস করে গায়ে,
    কখনো বা হাত বুলিয়ে পায়ে,
    “যার খুশি সে নিন্দে করুক, মরুক বিষে জ্বরে
    আমি কিন্তু পারি যেমন ক’রে
    মঞ্জুলিকার দেবই দেব বিয়ে।”

    বাপ বললেন, কঠিন হেসে, “তোমরা মায়ে ঝিয়ে
    এক লগ্নেই বিয়ে ক’রো আমার মরার পরে,
    সেই কটা দিন থাকো ধৈর্য ধরে।”
    এই বলে তাঁর গুড়গুড়িতে দিলেন মৃদু টান।
    মা বললেন, “‘উঃ কী পাষাণ প্রাণ,
    স্নেহমায়া কিচ্ছু কি নেই ঘটে।”
    বাপ বললেন, “আমি পাষাণ বটে।
    ধর্মের পথ কঠিন বড়ো, ননির পুতুল হলে
    এতদিনে কেঁদেই যেতেম গলে।”

    মা বললেন, “হায় রে কপাল। বোঝাবই বা কারে।
    তোমার এ সংসারে
    ভরা ভোগের মধ্যখানে দুয়ার এঁটে
    পলে পলে শুকিয়ে মরবে ছাতি ফেটে
    একলা কেবল একটুকু ঐ মেয়ে,
    ত্রিভুবনে অধর্ম আর নেই কিছু এর চেয়ে।
    তোমার পুঁথির শুকনো পাতায় নেই তো কোথাও প্রাণ,
    দরদ কোথায় বাজে সেটা অন্তর্যামী জানেন ভগবান।”

    বাপ একটু হাসল কেবল, ভাবলে, “মেয়েমানুষ
    হৃদয়তাপের ভাপে-ভরা ফানুস।
    জীবন একটা কঠিন সাধন–নেই সে ওদের জ্ঞান।”
    এই বলে ফের চলল পড়া ইংরেজি সেই প্রেমের উপাখ্যান।

    দুখের তাপে জ্বলে জ্বলে অবশেষে নিবল মায়ের তাপ;
    সংসারেতে একা পড়লেন বাপ।
    বড়ো ছেলে বাস করে তার স্ত্রীপুত্রদের সাথে
    বিদেশে পাটনাতে।
    দুই মেয়ে তার কেউ থাকে না কাছে,
    শ্বশুরবাড়ি আছে।
    একটি থাকে ফরিদপুরে,
    আরেক মেয়ে থাকে আরো দূরে
    মাদ্রাজে কোন্ বিন্ধ্যগিরির পার।
    পড়ল মঞ্জুলিকার ‘পরে বাপের সেবাভার।
    রাঁধুনে ব্রাহ্মণের হাতে খেতে করেন ঘৃণা,
    স্ত্রীর রান্না বিনা
    অন্নপানে হত না তার রুচি।
    সকালবেলায় ভাতের পালা, সন্ধ্যাবেলায় রুটি কিংবা লুচি;
    ভাতের সঙ্গে মাছের ঘটা
    ভাজাভুজি হত পাঁচটা-ছটা;
    পাঁঠা হত রুটি-লুচির সাথে।
    মঞ্জুলিকা দুবেলা সব আগাগোড়া রাঁধে আপন হাতে।
    একাদশী ইত্যাদি তার সকল তিথিতেই
    রাঁধার ফর্দ এই।
    বাপের ঘরটি আপনি মোছে ঝাড়ে
    রৌদ্রে দিয়ে গরম পোশাক আপনি তোলে পাড়ে।
    ডেস্কে বাক্সে কাগজপত্র সাজায় থাকে থাকে,
    ধোবার বাড়ির ফর্দ টুকে রাখে।
    গয়লানী আর মুদির হিসাব রাখতে চেষ্টা করে,
    ঠিক দিতে ভুল হলে তখন বাপের কাছে ধমক খেয়ে মরে।
    কাসুন্দি তার কোনোমতেই হয় না মায়ের মতো,
    তাই নিয়ে তার কত
    নালিশ শুনতে হয়।
    তা ছাড়া তার পান-সাজাটা মনের মতো নয়।
    মায়ের সঙ্গে তুলনাতে পদেপদেই ঘটে যে তার ত্রুটি।
    মোটামুটি–
    আজকালকার মেয়েরা কেউ নয় সেকালের মতো।
    হয়ে নীরব নত,
    মঞ্জুলী সব সহ্য করে, সর্বদাই সে শান্ত,
    কাজ করে অক্লান্ত।
    যেমন করে মাতা বারংবার
    শিশু ছেলের সহস্র আবদার
    হেসে সকল বহন করেন স্নেহের কৌতুকে,
    তেমনি করেই সুপ্রসন্ন মুখে
    মঞ্জুলী তার বাপের নালিশ দন্ডে দন্ডে শোনে,
    হাসে মনে মনে।
    বাবার কাছে মায়ের স্মৃতি কতই মূল্যবান
    সেই কথাটা মনে ক’রে গর্বসুখে পূর্ণ তাহার-প্রাণ।
    “আমার মায়ের যত্ন যে-জন পেয়েছে একবার
    আর-কিছু কি পছন্দ হয় তার।”

    হোলির সময় বাপকে সেবার বাতে ধরল ভারি।
    পাড়ায় পুলিন করছিল ডাক্তারি,
    ডাকতে হল তারে।
    হৃদয়যন্ত্র বিকল হতে পারে
    ছিল এমন ভয়।
    পুলিনকে তাই দিনের মধ্যে বারেবারেই আসতে যেতে হয়।
    মঞ্জুলী তার সনে
    সহজভাবেই কইবে কথা যতই করে মনে
    ততই বাধে আরো।
    এমন বিপদ কারো
    হয় কি কোনোদিন।
    গলাটি তার কাঁপে কেন, কেন এতই ক্ষীণ,
    চোখের পাতা কেন
    কিসের ভারে জড়িয়ে আসে যেন।
    ভয়ে মরে বিরহিণী
    শুনতে যেন পাবে কেহ রক্তে যে তা’র বাজে রিনিরিনি।
    পদ্মপাতায় শিশির যেন, মনখানি তার বুকে
    দিবারাত্রি টলছে কেন এমনতরো ধরা-পড়ার মুখে।

    ব্যামো সেরে আসছে ক্রমে,
    গাঁঠের ব্যথা অনেক এল কমে।
    রোগী শয্যা ছেড়ে
    একটু এখন চলে হাত-পা নেড়ে।
    এমন সময় সন্ধ্যাবেলা
    হাওয়ায় যখন যূথীবনের পরানখানি মেলা,
    আঁধার যখন চাঁদের সঙ্গে কথা বলতে যেয়ে
    চুপ ক’রে শেষ তাকিয়ে থাকে চেয়ে,
    তখন পুলিন রোগী-সেবার পরামর্শ-ছলে
    মঞ্জুলিরে পাশের ঘরে ডেকে বলে–
    “জান তুমি তোমার মায়ের সাধ ছিল এই চিতে
    মোদের দোঁহার বিয়ে দিতে।
    সে ইচ্ছাটি তাঁরি
    পুরাতে চাই যেমন করেই পারি।
    এমন করে আর কেন দিন কাটাই মিছিমিছি।”

    “না না, ছি ছি, ছি ছি।”
    এই ব’লে সে মঞ্জুলিকা দু-হাত দিয়ে মুখখানি তার ঢেকে
    ছুটে গেল ঘরের থেকে।
    আপন ঘরে দুয়ার দিয়ে পড়ল মেঝের ‘পরে–
    ঝরঝরিয়ে ঝরঝরিয়ে বুক ফেটে তার অশ্রু ঝরে পড়ে।
    ভাবলে, “পোড়া মনের কথা এড়ায় নি ওঁর চোখ।
    আর কেন গো। এবার মরণ হ’ক।”

    মঞ্জুলিকা বাপের সেবায় লাগল দ্বিগুণ ক’রে
    অষ্টপ্রহর ধরে।
    আবশ্যকটা সারা হলে তখন লাগে অনাবশ্যক কাজে,
    যে-বাসনটা মাজা হল আবার সেটা মাজে।
    দু-তিন ঘন্টা পর
    একবার যে-ঘর ঝেড়েছে ফের ঝাড়ে সেই ঘর।
    কখন যে স্নান, কখন যে তার আহার,
    ঠিক ছিল না তাহার।
    কাজের কামাই ছিল নাকো যতক্ষণ না রাত্রি এগারোটায়
    শ্রান্ত হয়ে আপনি ঘুমে মেঝের ‘পরে লোটায়।
    যে দেখল সে-ই অবাক হয়ে রইল চেয়ে,
    বললে, “ধন্যি মেয়ে।”

    বাপ শুনে কয় বুক ফুলিয়ে, “গর্ব করি নেকো,
    কিন্তু তবু আমার মেয়ে সেটা স্মরণ রেখো।
    ব্রহ্মচর্য- ব্রত
    আমার কাছেই শিক্ষা যে ওর। নইলে দেখতে অন্যরকম হ’ত।
    আজকালকার দিনে
    সংযমেরি কঠোর সাধন বিনে
    সমাজেতে রয় না কোনো বাঁধ,
    মেয়েরা তাই শিখছে কেবল বিবিয়ানার ছাঁদ।”

    স্ত্রীর মরণের পরে যবে
    সবেমাত্র এগারো মাস হবে,
    গুজব গেল শোনা
    এই বাড়িতে ঘটক করে আনাগোনা।
    প্রথম শুনে মঞ্জুলিকার হয় নিকো বিশ্বাস,
    তার পরে সব রকম দেখে ছাড়লে নিশ্বাস।
    ব্যস্ত সবাই, কেমনতরো ভাব
    আসছে ঘরে নানা রকম বিলিতি আসবাব।
    দেখলে বাপের নতুন করে সাজসজ্জা শুরু,
    হঠাৎ কালো ভ্রমরকৃষ্ণ ভুরু,
    পাকাচুল সব কখন হল কটা,
    চাদরেতে যখন-তখন গন্ধ মাখার ঘটা।

    মার কথা আজ মঞ্জুলিকার পড়ল মনে
    বুকভাঙা এক বিষম ব্যথার সনে।
    হ’ক না মৃত্যু, তবু
    এ-বাড়ির এই হাওয়ার সঙ্গে বিরহ তাঁর ঘটে নাই তো কভু।
    কল্যাণী সেই মূর্তিখানি সুধামাখা
    এ সংসারের মর্মে ছিল আঁকা;
    সাধ্বীর সেই সাধনপুণ্য ছিল ঘরের মাঝে,
    তাঁরি পরশ ছিল সকল কাজে।
    এ সংসারে তাঁর হবে আজ পরম মৃত্যু, বিষম অপমান–
    সেই ভেবে যে মঞ্জুলিকার ভেঙে পড়ল প্রাণ।

    ছেড়ে লজ্জাভয়
    কন্যা তখন নিঃসংকোচে কয়
    বাপের কাছে গিয়ে,–
    “তুমি নাকি করতে যাবে বিয়ে।
    আমরা তোমার ছেলেমেয়ে নাতনী-নাতি যত
    সবার মাথা করবে নত?
    মায়ের কথা ভুলবে তবে?
    তোমার প্রাণ কি এত কঠিন হবে।”

    বাবা বললে শুষ্ক হাসে,
    “কঠিন আমি কেই বা জানে না সে?
    আমার পক্ষে বিয়ে করা বিষম কঠোর কর্ম,
    কিন্তু গৃহধর্ম
    স্ত্রী না হলে অপূর্ণ যে রয়
    মনু হতে মহাভারত সকল শাস্ত্রে কয়।
    সহজ তো নয় ধর্মপথে হাঁটা,
    এ তো কেবল হৃদয় নিয়ে নয়কো কাঁদাকাটা।
    যে করে ভয় দুঃখ নিতে দুঃখ দিতে
    সে কাপুরুষ কেনই আসে পৃথিবীতে।”

    বাখরগঞ্জে মেয়ের বাপের ঘর।
    সেথায় গেলেন বর
    বিয়ের কদিন আগে, বৌকে নিয়ে শেষে
    যখন ফিরে এলেন দেশে
    ঘরেতে নেই মঞ্জুলিকা। খবর পেলেন চিঠি পড়ে
    পুলিন তাকে বিয়ে করে
    গেছে দোঁহা ফরাক্কাবাদ চলে,
    সেইখানেতে ঘর পাতবে ব’লে।
    আগুন হয়ে বাপ
    বারে বারে দিলেন অভিশাপ।

     

    In English Font:

    Nishkriti
    Rabindranath Tagore

    Ma kede koy, “‘manjuli mor ai to koci meye,
    Ori sange biye debe?–Boyoshe or cheye
    Pachguno se boṛo;–
    Take dekhe bacha amar bhaye’i jaṛasaṛa.
    Emani biye ghaṭ te debe nako.”

    Bap bolle, “kanna tomar rakho!
    Pancanan ke pawa geche anek diner khoje,
    Jano na ki masta kulina o je.
    Samaje to uṭh-te hobe seṭa ki ke’u bhabo.
    Oke chaṛle patra kothay pabo.”

    Ma bolle, “keno ai je chatudera pulin,
    Na’i ba halo kulin,–
    Dekhte jemon temon sbabhbakhani,
    Pash kare pher peyeche jalpani,
    Sonar ṭukro chele.
    Ek-paṛate thake ora–ori saṅge heshe khele
    Meye amar manuṣh holo; oke jadi boli ami aji
    Ekhoni hoy raji.”

    Bap bolle, “thamo,
    Are are Ramo.
    Ora ache samajer sab talay.
    Bamun ki hoy paite dile’i galay?
    Dekhte śunte bhalo hole’i patra holo! Radhe!
    Sribud’dhi ki śastre bole sadhe.”

    Jedin ora gini diye dekhle koner mukh
    Sedina theke manjulikar buk
    Prati poler gopan kaṭay holo rakte makha.
    Mayer sneho antarjamī, tar kache to roy na kichu’i ḍhaka;
    Mayer byatha meyer byatha cholte khete śute
    Gharer akash pratikhaṇe hanche jeno bedana-bidyute.

    Aṭalatar gabhīr garba baper mon jage,-
    Sukhe dukhe dbeṣhe rage
    Dharma theke naṛen tini na’i heno daurbolya.
    Tar jīboner rather chaka chollo
    lohar badha rasta diye pratikhane e
    konomate’i incikhanek edik-odik ekṭu habar jo ne’i.

     

    See less
      • 0
  • 2
  • 5,626
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা : ক্যামেলিয়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Camellia Poem by Rabindranath Tagore in Bengali lyrics?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on June 28, 2020 at 2:14 am
    This answer was edited.

    ক্যামেলিয়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাম তার কমলা,দেখেছি তার খাতার উপরে লেখা।সে চলেছিল ট্রামে, তার ভাইকে নিয়ে কলেজের রাস্তায়।আমি ছিলেম পিছনের বেঞ্চিতে।মুখের এক পাশের নিটোল রেখাটি দেখা যায়,আর ঘাড়ের উপর কোমল চুলগুলি খোঁপার নীচে।কোলে তার ছিল বই আর খাতা।যেখানে আমার নামবার সেখানে নামা হল না।এখন থেকে সময়ের হিসাবRead more

    ক্যামেলিয়া

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    নাম তার কমলা,
    দেখেছি তার খাতার উপরে লেখা।
    সে চলেছিল ট্রামে, তার ভাইকে নিয়ে কলেজের রাস্তায়।
    আমি ছিলেম পিছনের বেঞ্চিতে।
    মুখের এক পাশের নিটোল রেখাটি দেখা যায়,
    আর ঘাড়ের উপর কোমল চুলগুলি খোঁপার নীচে।
    কোলে তার ছিল বই আর খাতা।
    যেখানে আমার নামবার সেখানে নামা হল না।

    এখন থেকে সময়ের হিসাব করে বেরোই–
    সে হিসাব আমার কাজের সঙ্গে ঠিকটি মেলে না,
    প্রায় ঠিক মেলে ওদের বেরোবার সময়ের সঙ্গে,
    প্রায়ই হয় দেখা।
    মনে মনে ভাবি, আর-কোনো সম্বন্ধ না থাক্,
    ও তো আমার সহযাত্রিণী।
    নির্মল বুদ্ধির চেহারা
    ঝক্ঝক্ করছে যেন।
    সুকুমার কপাল থেকে চুল উপরে তোলা,
    উজ্জ্বল চোখের দৃষ্টি নিঃসংকোচ।
    মনে ভাবি একটা কোনো সংকট দেখা দেয় না কেন,
    উদ্ধার করে জন্ম সার্থক করি–
    রাস্তার মধ্যে একটা কোনো উৎপাত,
    কোনো-একজন গুণ্ডার স্পর্ধা।
    এমন তো আজকাল ঘটেই থাকে।
    কিন্তু আমার ভাগ্যটা যেন ঘোলা জলের ডোবা,
    বড়ো রকম ইতিহাস ধরে না তার মধ্যে,
    নিরীহ দিনগুলো ব্যাঙের মতো একঘেয়ে ডাকে–
    না সেখানে হাঙর-কুমিরের নিমন্ত্রণ, না রাজহাঁসের।
    একদিন ছিল ঠেলাঠেলি ভিড়।

    কমলার পাশে বসেছে একজন আধা-ইংরেজ।
    ইচ্ছে করছিল, অকারণে টুপিটা উড়িয়ে দিই তার মাথা থেকে,
    ঘাড়ে ধরে তাকে রাস্তায় দিই নামিয়ে।
    কোনো ছুতো পাই নে, হাত নিশ্পিশ্ করে।
    এমন সময়ে সে এক মোটা চুরোট ধরিয়ে
    টানতে করলে শুরু।
    কাছে এসে বললুম, “ফেলো চুরোট।’
    যেন পেলেই না শুনতে,
    ধোঁওয়া ওড়াতে লাগল বেশ ঘোরালো করে।
    মুখ থেকে টেনে ফেলে দিলেম চুরোট রাস্তায়।
    হাতে মুঠো পাকিয়ে একবার তাকালো কট্মট্ ক’রে–
    আর কিছু বললে না, এক লাফে নেমে গেল।
    বোধ হয় আমাকে চেনে।
    আমার নাম আছে ফুটবল খেলায়,
    বেশ একটু চওড়া গোছের নাম।
    লাল হয়ে উঠল মেয়েটির মুখ,
    বই খুলে মাথা নিচু করে ভান করলে পড়বার।
    হাত কাঁপতে লাগল,
    কটাক্ষেও তাকালে না বীরপুরুষের দিকে।
    আপিসের বাবুরা বললে, “বেশ করেছেন মশায়।’
    একটু পরেই মেয়েটি নেমে পড়ল অজায়গায়,
    একটা ট্যাক্সি নিয়ে গেল চলে।

    পরদিন তাকে দেখলুম না,
    তার পরদিনও না,
    তৃতীয় দিনে দেখি
    একটা ঠেলাগাড়িতে চলেছে কলেজে।
    বুঝলুম, ভুল করেছি গোঁয়ারের মতো।
    ও মেয়ে নিজের দায় নিজেই পারে নিতে,
    আমাকে কোনো দরকারই ছিল না।
    আবার বললুম মনে মনে,
    ভাগ্যটা ঘোলা জলের ডোবা–
    বীরত্বের স্মৃতি মনের মধ্যে কেবলই আজ আওয়াজ করছে
    কোলাব্যাঙের ঠাট্টার মতো।
    ঠিক করলুম ভুল শোধরাতে হবে।

    খবর পেয়েছি গরমের ছুটিতে ওরা যায় দার্জিলিঙে।
    সেবার আমারও হাওয়া বদলাবার জরুরি দরকার।
    ওদের ছোট্ট বাসা, নাম দিয়েছে মতিয়া–
    রাস্তা থেকে একটু নেমে এক কোণে
    গাছের আড়ালে,
    সামনে বরফের পাহাড়।
    শোনা গেল আসবে না এবার।
    ফিরব মনে করছি এমন সময়ে আমার এক ভক্তের সঙ্গে দেখা,
    মোহনলাল–
    রোগা মানুষটি, লম্বা, চোখে চশমা,
    দুর্বল পাকযন্ত্র দার্জিলিঙের হাওয়ায় একটু উৎসাহ পায়।
    সে বললে, “তনুকা আমার বোন,
    কিছুতে ছাড়বে না তোমার সঙ্গে দেখা না করে।’
    মেয়েটি ছায়ার মতো,
    দেহ যতটুকু না হলে নয় ততটুকু–
    যতটা পড়াশোনায় ঝোঁক, আহারে ততটা নয়।
    ফুটবলের সর্দারের ‘পরে তাই এত অদ্ভুত ভক্তি–
    মনে করলে আলাপ করতে এসেছি সে আমার দুর্লভ দয়া।
    হায় রে ভাগ্যের খেলা!

    যেদিন নেমে আসব তার দু দিন আগে তনুকা বললে,
    “একটি জিনিস দেব আপনাকে, যাতে মনে থাকবে আমাদের কথা–
    একটি ফুলের গাছ।’
    এ এক উৎপাত। চুপ করে রইলেম।
    তনুকা বললে, “দামি দুর্লভ গাছ,
    এ দেশের মাটিতে অনেক যত্নে বাঁচে।’
    জিগেস করলেম, “নামটা কী?’
    সে বললে “ক্যামেলিয়া’।
    চমক লাগল–
    আর-একটা নাম ঝলক দিয়ে উঠল মনের অন্ধকারে।
    হেসে বললেম, “ক্যামেলিয়া,
    সহজে বুঝি এর মন মেলে না।’
    তনুকা কী বুঝলে জানি নে, হঠাৎ লজ্জা পেলে,
    খুশিও হল।
    চললেম টবসুদ্ধ গাছ নিয়ে।
    দেখা গেল পার্শ্ববর্তিনী হিসাবে সহযাত্রিণীটি সহজ নয়।
    একটা দো-কামরা গাড়িতে
    টবটাকে লুকোলেম নাবার ঘরে।
    থাক্ এই ভ্রমণবৃত্তান্ত,
    বাদ দেওয়া যাক আরো মাস কয়েকের তুচ্ছতা।

    পুজোর ছুটিতে প্রহসনের যবনিকা উঠল
    সাঁওতাল পরগনায়।
    জায়গাটা ছোটো। নাম বলতে চাই নে–
    বায়ুবদলের বায়ু-গ্রস্তদল এ জায়গার খবর জানে না।
    কমলার মামা ছিলেন রেলের এঞ্জিনিয়র।
    এইখানে বাসা বেঁধেছেন
    শালবনে ছায়ায়, কাঠবিড়ালিদের পাড়ায়।
    সেখানে নীল পাহাড় দেখা যায় দিগন্তে,
    অদূরে জলধারা চলেছে বালির মধ্যে দিয়ে,
    পলাশবনে তসরের গুটি ধরেছে,
    মহিষ চরছে হর্তকি গাছের তলায়–
    উলঙ্গ সাঁওতালের ছেলে পিঠের উপরে।
    বাসাবাড়ি কোথাও নেই,
    তাই তাঁবু পাতলেম নদীর ধারে।
    সঙ্গী ছিল না কেউ,
    কেবল ছিল টবে সেই ক্যামেলিয়া।

    কমলা এসেছে মাকে নিয়ে।
    রোদ ওঠবার আগে
    হিমে-ছোঁওয়া স্নিগ্ধ হাওয়ায়
    শাল-বাগানের ভিতর দিয়ে বেড়াতে যায় ছাতি হাতে।
    মেঠো ফুলগুলো পায়ে এসে মাথা কোটে,
    কিন্তু সে কি চেয়ে দেখে।
    অল্পজল নদী পায়ে হেঁটে
    পেরিয়ে যায় ও পারে,
    সেখানে সিসুগাছের তলায় বই পড়ে।
    আর আমাকে সে যে চিনেছে
    তা জানলেম আমাকে লক্ষ্য করে না বলেই।

    একদিন দেখি নদীর ধারে বালির উপর চড়িভাতি করছে এরা।
    ইচ্ছে হল গিয়ে বলি, আমাকে দরকার কি নেই কিছুতেই।
    আমি পারি জল তুলে আনতে নদী থেকে–
    পারি বন থেকে কাঠ আনতে কেটে,
    আর, তা ছাড়া কাছাকাছি জঙ্গলের মধ্যে
    একটা ভদ্রগোছের ভালুকও কি মেলে না।

    দেখলেম দলের মধ্যে একজন যুবক–
    শট্-পরা, গায়ে রেশমের বিলিতি জামা,
    কমলার পাশে পা ছড়িয়ে
    হাভানা চুরোট খাচ্ছে।
    আর, কমলা অন্যমনে টুকরো টুকরো করছে
    একটা শ্বেতজবার পাপড়ি,
    পাশে পড়ে আছে
    বিলিতি মাসিক পত্র।

    মুহূর্তে বুঝলেম এই সাঁওতাল পরগনার নির্জন কোণে
    আমি অসহ্য অতিরিক্ত, ধরবে না কোথাও।
    তখনি চলে যেতেম, কিন্তু বাকি আছে একটি কাজ।
    আর দিন-কয়েকেই ক্যামেলিয়া ফুটবে,
    পাঠিয়ে দিয়ে তবে ছুটি।
    সমস্ত দিন বন্দুক ঘাড়ে শিকারে ফিরি বনে জঙ্গলে,
    সন্ধ্যার আগে ফিরে এসে টবে দিই জল
    আর দেখি কুঁড়ি এগোল কত দূর।

    সময় হয়েছে আজ।
    যে আনে আমার রান্নার কাঠ।
    ডেকেছি সেই সাঁওতাল মেয়েটিকে।
    তার হাত দিয়ে পাঠাব
    শালপাতার পাত্রে।
    তাঁবুর মধ্যে বসে তখন পড়ছি ডিটেকটিভ গল্প।
    বাইরে থেকে মিষ্টিসুরে আওয়াজ এল, “বাবু, ডেকেছিস কেনে।’
    বেরিয়ে এসে দেখি ক্যামেলিয়া
    সাঁওতাল মেয়ের কানে,
    কালো গালের উপর আলো করেছে।
    সে আবার জিগেস করলে, “ডেকেছিস কেনে।’
    আমি বললেম, “এইজন্যেই।’
    তার পরে ফিরে এলেম কলকাতায়।

     

    In English Font:

    Camellia

    Rabindranath Tagore

    Tar naam Komola
    Dekhechi tar khatar upore lekha.
    se cholechilo trame, tar bhai ke niye colleger rastay
    Ami chilem pichoner benchite.
    Mukher ek pasher nitol rekhati deka jay,
    Ar gader upor kumol chulguli khupar niche.
    Kole tar chilo boi ar khata.
    jekhane amar nambar shekhane nama holo na.

    Ekhon theke somoyer hishab kore beroi-
    Se hishab amar kajer songe thikti mele na ,
    pray thik mele oder berobar somoyer songe,
    prai e hoy dekha.
    Mone mone bhabi, aar-kuno shmmondho na thak,
    O to amar shohojatrini.
    Nirmal buddhir chehara
    jhakjhak korche jeno.
    Sukumar kopal theke chul upore tula,
    ujjal chokher dristi nishonkoch.
    Mone bhavi ekta kono shonkot dekha jay na keno,
    Uddhar kore janmo sharthok kori
    Rastar moddhe ekta kono utpat
    Kono ekjon gundar spordha.
    Emon to aajkal ghotei thake
    Kintu amar vagyota jeno ghula joler duba
    Boro rokom itihash dhore na tar moddhe
    niriho dingulo benger moto ekgeye dake
    Na shekhane hangor-kumirer niyontron, na rajhasher.
    Ekdin chilo theltheli bhir.

    Komolar pashe boseche ekjon adha Engraj
    Icche korchilo, okarone tupita uriye dei tar matha theke,
    Ghare dhore take rastay di namiye.
    Kuno chut pai ne, Hath nimpish kore.
    Emon shomoye she ek mota churot dhoriye
    Tante korle shuru.
    Kache eshe Bollum, “Felo churot”.
    Jeno pelei na shunte,
    Dhuwa orate laglo besh ghuralo kore.
    Mukh theke tene fele dilem churot rastay
    Hath mutho pakiye ekbar takalo kotakkho kore
    Ar kichu bolle na, ek lafe neme gele
    Budh hoy amake chine.
    Amar naam aache football khelay,
    Besh ektu chora gocher naam.
    Lal hoye uthlo meyetir mukh,
    Boi khule matha nichu kore van korle porbar
    hath kaple laglo,
    kotakkheo takale na birpurusher dike.
    Aapisher babura bolle, “Besh korechen moshay”
    ektu porei neme porlo ojaygay,
    Ekta taxi niye chole gelo

    See less
      • 0
  • 1
  • 13,671
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা : দেবতার বিদায় (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Debotar Biday by Rabindranath Tagore?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on September 8, 2020 at 2:03 am
    This answer was edited.

    দেবতার বিদায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ- চৈতালি    দেবতামন্দিরমাঝে ভকত প্রবীণজপিতেছে জপমালা বসি নিশিদিন।হেনকালে সন্ধ্যাবেলা ধুলিমাখা দেহেবস্ত্রহীন জীর্ণ দীন পশিল সে গেহে।কহিল কাতরকণ্ঠে “গৃহ মোর নাইএক পাশে দয়া করে দেহো মোরে ঠাঁই।”সসংকোচে ভক্তবর কহিলেন তারে,“আরে আরে অপবিত্র, দূর হয়ে যারে।”সে কহিল,Read more

    দেবতার বিদায়

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    কাব্যগ্রন্থ- চৈতালি   

    দেবতামন্দিরমাঝে ভকত প্রবীণ
    জপিতেছে জপমালা বসি নিশিদিন।
    হেনকালে সন্ধ্যাবেলা ধুলিমাখা দেহে
    বস্ত্রহীন জীর্ণ দীন পশিল সে গেহে।
    কহিল কাতরকণ্ঠে “গৃহ মোর নাই
    এক পাশে দয়া করে দেহো মোরে ঠাঁই।”
    সসংকোচে ভক্তবর কহিলেন তারে,
    “আরে আরে অপবিত্র, দূর হয়ে যারে।”
    সে কহিল, “চলিলাম”—চক্ষের নিমেষে
    ভিখারি ধরিল মূর্তি দেবতার বেশে।
    ভক্ত কহে, “প্রভু, মোরে কী ছল ছলিলে!”
    দেবতা কহিল, “মোরে দূর করি দিলে।
    জগতে দরিদ্ররূপে ফিরি দয়াতরে,
    গৃহহীনে গৃহ দিলে আমি থাকি ঘরে।”

     

    আরও পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতাসমূহ

    In English Font: 

    Debotar biday

    Rabindranath Tagore

    Debota mandiro-majhe bhakata prabiṇ
    Japiteche japamala bosi nishidin.
    Henokale sandhyabela dhulimakha dehe
    Bastrahīna jirṇa deen pashilo se gehe.
    Kahilo katar-kaṇṭhe “griha mor na’i
    Ek paśhe daya kore deho mor ṭhai.”
    Sosangkoche bhaktabar kahilen tare,
    “are are apabitra, dur hoye jare.”
    Se kahilo, “chalilam”—chakker nimiṣhe
    Bhikhari dharilo murti debatar beshe.
    Bhakta kahe, “prabhu, mōre ki chal chalile!”
    Debata kahilo, “more dur kori dile.
    Jagate daridrarupe firi doyatore,
    Grihohine griha dile ami thaki ghore

    See less
      • 0
  • 1
  • 8,451
  • 1
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা : প্রশ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Proshno Kobita Rabindranath Tagore in Bengali?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on August 13, 2020 at 1:01 pm

    প্রশ্ন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ - পরিশেষ রচনাকাল - পৌষ, ১৩৩৮   ভগবান, তুমি যুগে যুগে দূত পাঠায়েছ বারে বারে দয়াহীন সংসারে- তারা বলে গেল `ক্ষমা করো সবে', বলে গেল `ভালোবাসো- অন্তর হতে বিদ্বেষবিষ নাশো'। বরণীয় তারা, স্মরণীয় তার, তবুও বাহির-দ্বারে আজি দুর্দিনে ফিরানু তাদের ব্যর্থ নমস্কারে॥ আRead more

    প্রশ্ন

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    কাব্যগ্রন্থ – পরিশেষ
    রচনাকাল – পৌষ, ১৩৩৮

     

    ভগবান, তুমি যুগে যুগে দূত পাঠায়েছ বারে বারে
    দয়াহীন সংসারে-
    তারা বলে গেল `ক্ষমা করো সবে’, বলে গেল `ভালোবাসো-
    অন্তর হতে বিদ্বেষবিষ নাশো’।
    বরণীয় তারা, স্মরণীয় তার, তবুও বাহির-দ্বারে
    আজি দুর্দিনে ফিরানু তাদের ব্যর্থ নমস্কারে॥

    আমি যে দেখেছি গোপন হিংসা কপটরাত্রি-ছায়ে
    হেনেছে নিঃসহায়ে।
    আমি যে দেখেছি- প্রতিকারহীন, শক্তের অপরাধে
    বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে।
    আমি যে দেখিনু তরুণ বালক উন্মাদ হয়ে ছুটে
    কী যন্ত্রনায় মরেছে পাথরে নিষ্ফল মাথা কুটে॥

    কন্ঠ আমার রুদ্ধ আজিকে, বাঁশি সংগীতহারা,
    অমবস্যার কারা
    লুপ্ত করেছে আমার ভুবন দুঃসপ্নের তলে।
    তাই তো তোমায় শুধাই অশ্রুজলে—
    যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
    তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

    আরও পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতাসমূহ

     

    Proshno Kobita Rabindranath Tagore in Bengali:

    Prosno
    Rabindranath Tagore

    Bhagaban tumi juge juge dut, patiyecho bare bare
    Doyahin songshare,
    tara bole gelo ‘Khoma koro shobe’, bole gelo valobasho
    Ontor hote Biddeshbish nasho
    Baroniyo tara, shoroniyo tara, Tabu o bahir dare
    Aaji durdine firanu tader bertho nomoskare

    Ami je dekechi gopon hingsha kopot ratrichaye
    Heneche Nisshohaye,
    Ami je dekechi protikarhin shaktir opradhe
    Bicharer bani nirobe nivrite kade
    Ami je dekhinu tarun balok unmad hoye chute
    ki jontronay moreche pathore nishfol matha kute

    kosto amar ruddho aajike, bashi songeethara
    omaboshyar kara
    Lupto koreche amar bhubon dusshoponer tole,
    tai to tumay shudhai osrujole
    jahara tumar bishaiche bayu, Nivaiche tobo alo,
    Tumi ki tader khoma koriyacho, tumi ki beshecho valo.

     

    See less
      • 0
  • 1
  • 20,562
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

অভিসার (সন্ন্যাসী উপগুপ্ত) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Upagupta Poem lyrics in Bengali and English?

  1. Nibedita Paul
    Nibedita Paul
    Added an answer on May 31, 2020 at 4:32 am
    This answer was edited.

    অভিসার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্য : কথা বোধিসত্তাবদান-কল্পলতা সন্ন্যাসী উপগুপ্ত মথুরাপুরীর প্রাচীরের তলে একদা ছিলেন সুপ্ত-- নগরীর দীপ নিবেছে পবনে, দুয়ার রুদ্ধ পৌর ভবনে, নিশীথের তারা শ্রাবণগগনে ঘন মেঘে অবলুপ্ত। (অভিসার - অনুসরণ, প্রাচীর-দেয়াল, সুপ্ত  - নিদ্রিত, পবন - বাতাস, নিশীথ- রাত্রি, রুদ্ধ- বন্ধ, অRead more

    অভিসার

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
    কাব্য : কথা

    বোধিসত্তাবদান-কল্পলতা

    সন্ন্যাসী উপগুপ্ত
    মথুরাপুরীর প্রাচীরের তলে
    একদা ছিলেন সুপ্ত–
    নগরীর দীপ নিবেছে পবনে,
    দুয়ার রুদ্ধ পৌর ভবনে,
    নিশীথের তারা শ্রাবণগগনে
    ঘন মেঘে অবলুপ্ত।

    (অভিসার – অনুসরণ, প্রাচীর-দেয়াল, সুপ্ত  – নিদ্রিত, পবন – বাতাস, নিশীথ- রাত্রি, রুদ্ধ- বন্ধ, অবলুপ্ত-অদৃশ্য)

    কাহার নূপুরশিঞ্জিত পদ
    সহসা বাজিল বক্ষে!
    সন্ন্যাসীবর চমকি জাগিল,
    স্বপ্নজড়িমা পলকে ভাগিল,
    রূঢ় দীপের আলোক লাগিল
    ক্ষমাসুন্দর চক্ষে।

    (সহসা  –  অকস্মাৎ/হঠাৎ,  বক্ষে – বুকে, নূপুরশিঞ্জিত- নুপুরপরিহিত, পদ- পা, রূঢ়  – রুক্ষ, কঠোর)

    নগরীর নটী চলে অভিসারে
    যৌবনমদে মত্তা।
    অঙ্গ আঁচল সুনীল বরন,
    রুনুঝুনু রবে বাজে আভরণ–
    সন্ন্যাসী-গায়ে পড়িতে চরণ
    থামিল বাসবদত্তা।

    (আঁচল – কাপড়ের খুঁটি, সুনীল  – গাঢ় নীল, বরন – বর্ণ, রব  – শব্দ/ধ্বনি, আভরণ  – ভূষণ, চরণ – পা, বাসব  – দেবরাজ ইন্দ্র)

    প্রদীপ ধরিয়া হেরিল তাঁহার
    নবীন গৌরকান্তি–
    সৌম্য সহাস তরুণ বয়ান,
    করুণাকিরণে বিকচ নয়ান,
    শুভ্র ললাটে ইন্দুসমান
    ভাতিছে স্নিগ্ধ শান্তি।

    (সৌম্য  – শান্ত ও সুন্দর, সহাস্য  – হাস্যরত, বয়ান   – বদন/মুখ, বিকচ  – বিকশিত, নয়ান – নয়ন, শুভ্র – শুক্ল/সিত, ললাট  – অদৃষ্ট, ইন্দু  – চাঁদ) 

    কহিল রমণী ললিত কণ্ঠে,
    নয়নে জড়িত লজ্জা,
    ক্ষমা করো মোরে কুমার কিশোর,
    দয়া করো যদি গৃহে চলো মোর,
    এ ধরণীতল কঠিন কঠোর
    এ নহে তোমার শয্যা।’

    (ভাতিছে- প্রবাহে, রমণী -নারী, ললিত – চারু/সুন্দর, ধরণী  – ধরা/পৃথিবী)

    সন্ন্যাসী কহে করুণ বচনে,
    “অয়ি লাবণ্যপুঞ্জ,
    এখনো আমার সময় হয় নি,
    যেথায় চলেছ যাও তুমি ধনী,
    সময় যেদিন আসিবে আপনি
    যাইব তোমার কুঞ্জ,’

    (বচন  – বাক্য/কথা, অয়ি  – ওগো, লাবণ্য  – সৌন্দর্য, কুঞ্জ  – লতাদি দ্বারা আচ্ছাদিত গৃহাকার স্থান)

    সহসা ঝঞ্ঝা তড়িৎশিখায়
    মেলিল বিপুল আস্য।
    রমণী কাঁপিয়া উঠিল তরাসে,
    প্রলয়শঙ্খ বাজিল বাতাসে,
    আকাশে বজ্র ঘোর পরিহাসে
    হাসিল অট্টহাস্য।

    (ঝঞ্ছা  – প্রবল ঝটিকা, তড়িৎ  – বিদু্যৎ, আস্য  – মুখ, তরাস  – ত্রাস/ভয়,  প্রলয়  – সর্বাত্মক ধ্বংস, পরিহাস  – ঠাট্টা, তামাশা)

    বর্ষ তখনো হয় নাই শেষ,
    এসেছে চৈত্রসন্ধ্যা।
    বাতাস হয়েছে উতলা আকুল,
    পথতরুশাখে ধরেছে মুকুল,
    রাজার কাননে ফুটেছে বকুল
    পারুল রজনীগন্ধা।

    (তরু  –  বৃক্ষ/ গাছ, কানন  – বাগান, মুকুল  – কলিকা/কুঁড়ি)

    অতি দূর হতে আসিছে পবনে
    বাঁশির মদির মন্দ্র।
    জনহীন পুরী, পুরবাসী সবে
    গেছে মধুবনে ফুল-উৎসবে–
    শূন্য নগরী নিরখি নীরবে
    হাসিছে পূর্ণচন্দ্র।

    ( মন্দ্র  – গম্ভীর ধ্বনি, পুরী   – গৃহ/ভবন স্বর্ণপুরী)

    নির্জন পথে জ্যোৎস্না-আলোতে
    সন্ন্যাসী একা যাত্রী।
    মাথার উপরে তরুবীথিকার
    কোকিল কুহরি উঠে বারবার,
    এতদিন পরে এসেছে কি তাঁর
    আজি অভিসাররাত্রি?

    (বীথী   – শ্রেণী, সারি)

    নগর ছাড়ায়ে গেলেন দণ্ডী
    বাহিরপ্রাচীরপ্রান্তে।
    দাঁড়ালেন আসি পরিখার পারে–
    আম্রবনের ছায়ার আঁধারে
    কে ওই রমণী প’ড়ে এক ধারে
    তাঁহার চরণোপ্রান্তে!

    (আম্র   – আম)

    নিদারুণ রোগে মারীগুটিকায়
    ভরে গেছে তার অঙ্গ–
    রোগমসী ঢালা কালী তনু তার
    লয়ে প্রজাগণে পুরপরিখার
    বাহিরে ফেলেছে, করি’ পরিহার
    বিষাক্ত তার সঙ্গ।

    (তনু,- দেহ/শরীর, পরিহার – বর্জন/ত্যাগ,  গুটি-গুটিকা-  ছোট দানা/ বসন্ত রোগের ব্রণ)

    সন্ন্যাসী বসি আড়ষ্ট শির
    তুলি নিল নিজ অঙ্কে–
    ঢালি দিল জল শুষ্ক অধরে,
    মন্ত্র পড়িয়া দিল শির-‘পরে,
    লেপি দিল দেহ আপনার করে
    শীতচন্দনপঙ্কে।
    ঝরিছে মুকুল, কূজিছে কোকিল,
    যামিনী জোছনামত্তা।

    (আড়ষ্ট – অসাড়/ জড়,  অধর – ঠোঁট/নিচের ঠোঁট, যামিনী   – রাত্রি)

    “কে এসেছ তুমি ওগো দয়াময়’
    শুধাইল নারী, সন্ন্যাসী কয়–
    “আজি রজনীতে হয়েছে সময়,
    এসেছি বাসবদত্তা!’

    English Transliteration:

    Abhishar
    Rabindranath tagore

    Bodhisottabadon-kolpona
    Sonnyashi upogupto
    Mothurapurir prachirer tole
    Ekoda chilen supto–
    nogorir deel nibeche pobone,
    Duar ruddha pouro bhobone,
    Nishither tara srabongogone
    Ghono meg obolupto.

    Kahar nupurshingit pod
    Sohosha bajilo bokke!
    Sonnyashibor chomki jagilo,
    Shopnojorima poloke bhagilo,
    Ruro deeper alok lagilo
    Khomashundar chokke.
    Nogorir noti chole abhisare
    Joubonmode motta.
    Ongi anchal sunil boron,
    Runujhunu robe baje aboron–
    Sonnyashi-gaye porite choron
    Thamilo basbodotta.
    Prodip dhoriya herilo tahar
    Nobin gourokanti–
    Soummya sahosh torun boyan,
    Korunakirone bikocho noyan,
    Shubro lolate indusoman
    Bhatiche snighdha shanti.
    Kohilo romoni lolito khonte,
    Noyone jorito lojja,
    Khoma koro more kumar kishor,
    Doya koro jodi grihe cholo mor,
    E dhoronitol kothin kothor
    E nohe tomar shojjya.
    Sonnyashi kohe torun bichone,
    “Oyi labonnyapunjo,
    Ekhono amar somoy hoy ni,
    Jethay cholche jao tumi dhoni,
    Somoy jedin ashibe apni
    Jaibi tumar kunjo,
    Sohisha jhonjha toritshikhay
    Melilo bipul ashhya.
    Romoni kapiya uthilo torashe,
    Proloyoshongho bajilo batashe,
    Akashe bojro ghor porihashe
    hashilo ottohashya.
    ……
    Borsho tokhono hoy ni sesh,
    Esheche choitrosondhya.
    Batash hoyeche utola akul,
    Pothotorushakhe dhoreche mukul,
    Rajar kanone futeche bokul
    Parul rojonigondha .
    Oti duur hote ashiche pobone
    Bashir modir mondro.
    Jonohin puri, purobashi sobe
    Geche modhubone ful-utshobe–
    Sunnyo nogori nirkhi nirobe
    Hashiche purnochondro.
    Nirjon pothe jyotsna-alote
    Sonnyashi ek jatri.
    Mathar upore torubithikar
    Kokil khori uthe barbar,
    Etodin pore esheche ki tar
    Aji abhisharratri?
    Nogor charay gelen dondi
    Bahirprachirprante.
    Daralen ashi porikhar pare–
    Amroboner chayar adhare
    Ke oi romoni pore ek dhare
    Tahar choronoprante!
    Nidarun roge marigutikay
    Bhore geche tar songe–
    Rogmoshidhala kali tonu tar
    Loye projagone puroporikhar
    Bahire feleche, kori porihar
    Bishakto tar songo.
    Sonnyashi boshi arosto shir
    Tuli nilo nij onke–
    Dhali dilo jol shusko odhore,
    Montro poriya dilo shir pore,
    Lepi dilo deho apnar kore
    Shitchandanponghe.
    Jhoriche mukul, kujiche kokil,
    Jamini jochnamotta.
    “Ke eshecho tumi ogo doyamoy”
    Sudhailo nari, sonnyashi koy–
    “Ani rojonite hoyeche somoy,
    Eshechi bashobodotta!”

    See less
      • 0
  • 2
  • 12,584
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা : মূল্যপ্রাপ্তি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Mulya Prapti Poem in Bengali?

  1. Nibedita Paul
    Nibedita Paul
    Added an answer on July 9, 2020 at 1:31 am
    This answer was edited.

    মূল্যপ্রাপ্তি -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অবদানশতক অঘ্রাণে শীতের রাতে নিষ্ঠুর শিশিরঘাতেপদ্মগুলি গিয়াছে মরিয়া--সুদাস মালীর ঘরে কাননের সরোবরেএকটি ফুটেছে কী করিয়া।তুলি লয়ে বেচিবারে গেল সে প্রাসাদদ্বারে,মাগিল রাজার দরশন--হেনকালে হেরি ফুল আনন্দে পুলকাকুলপথিক কহিল একজন,"অকালের পদ্ম তব আমি এটি কিনি লব,কত মূল্য লইবেRead more

    মূল্যপ্রাপ্তি

    -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    অবদানশতক

    অঘ্রাণে শীতের রাতে নিষ্ঠুর শিশিরঘাতে
    পদ্মগুলি গিয়াছে মরিয়া–
    সুদাস মালীর ঘরে কাননের সরোবরে
    একটি ফুটেছে কী করিয়া।
    তুলি লয়ে বেচিবারে গেল সে প্রাসাদদ্বারে,
    মাগিল রাজার দরশন–
    হেনকালে হেরি ফুল আনন্দে পুলকাকুল
    পথিক কহিল একজন,
    “অকালের পদ্ম তব আমি এটি কিনি লব,
    কত মূল্য লইবে ইহার?
    বুদ্ধ ভগবান আজ এসেছেন পুরমাঝ
    তাঁর পায়ে দিব উপহার।
    ‘মালী কহে, “এক মাষা স্বর্ণ পাব মনে আশা।’
    পথিক চাহিল তাহা দিতে–
    হেনকালে সমারোহে বহু পূজা-অর্ঘ্য বহে
    নৃপতি বাহিরে আচম্বিতে।
    রাজেন্দ্র প্রসেনজিৎ উচ্চারি মঙ্গলগীত
    চলেছেন বুদ্ধদরশনে–
    হেরি অকালের ফুল শুধালেন, “কত মূল?
    কিনি দিব প্রভুর চরণে।
    ‘মালী কহে, “হে রাজন্‌, স্বর্ণমাষা দিয়ে পণ
    কিনিছেন এই মহাশয়।’
    “দশ মাষা দিব আমি’ কহিলা ধরণীস্বামী,
    “বিশ মাষা দিব’ পান্থকয়।
    দোঁহে কহে “দেহো দেহো’, হার নাহি মানে কেহ–
    মূল্য বেড়ে ওঠে ক্রমাগত।
    মালী ভাবে যাঁর তরে এ দোঁহে বিবাদ করে
    তাঁরে দিলে আরো পাব কত!
    কহিল সে করজোড়ে, “দয়া করে ক্ষম মোরে–
    এ ফুল বেচিতে নাহি মন।
    ‘এত বলি ছুটিল সে যেথা রয়েছেন বসে
    বুদ্ধদেব উজলি কানন।
    বসেছেন পদ্মাসনে প্রসন্ন প্রশান্ত মনে,
    নিরঞ্জন আনন্দমূরতি।
    দৃষ্টি হতে শান্তি ঝরে, স্ফুরিছে অধর-‘পরে
    করুণার সুধাহাস্যজ্যোতি।
    সুদাস রহিল চাহি– নয়নে নিমেষ নাহি,
    মুখে তার বাক্য নাহি সরে।
    সহসা ভূতলে পড়ি পদ্মটি রাখিল ধরি
    প্রভুর চরণপদ্ম-‘পরে।
    বরষি অমৃতরাশি বুদ্ধ শুধালেন হাসি,
    ‘কহো বৎস, কী তব প্রার্থনা।
    ‘ব্যাকুল সুদাস কহে, “প্রভু, আর কিছু নহে,
    চরণের ধূলি এক কণা।’

    Mulya Prapti Poem in Bengali

    Mullyoprapti

    Rabindranath Tagore

    Oghrane shiter rate nisthur raate
    Podmoguli giyache moria
    Sudash malir ghoreKanoner sorobore
    Ekti futeche ki koria
    Tuli loye bechibare gelo se proshaddhare
    magilo Rajar dorshon.
    henokale heri ful Aanonde pulkakul
    Pothik kohilo ekjon,
    ‘okaler podmo tobo ami eti kine lobo
    Koto mullyo hoibe ihar
    Budha Bhogoban aaj esechen puromajh
    Tar paye dibo upohar.
    mali kohe, “ek masha shorno pabe mone asha”
    Pothik chahilo taha dite
    Henokale somaruhe bahu puja-orgyo bohe
    Nripoti bahire aachombito
    Rajendra Prosenjit ucchari mongolgeet
    Cholechen budha dorshone-
    Heri okaler ful shudhalen, “koto mul”?
    Kini dibo prabhur chorone.
    Mali kohe, “he rajon shornomasha diye pon
    Kinichen ei mohashoy.
    “Dash masha dibo aami” kohila dhoronishami,
    “bish masha dibo” pantokoy.
    Duhe kohe “deho deho’, E duhe bibad kore
    Mullyo bere uthe kromagata
    Mali bhabe jar tore e duhe bibad kore
    tare dile aaro pabo koto!
    Kohilo sae korojure, “doya kore khomo more”
    E ful bechite nahi mono’
    Eto bole chutilo she jetha royechen boshe
    Buddhadeb ujli kanan.
    Boshechen poddashone proshonno proshanto mone,
    Nironjon Anandomurti
    dristi hote santi jhore, sfuriche odhor-pore
    Karunar sudha-hashyo-jyoti
    Sudash rohilo chahi- noyone nimesh nahi
    Mukhe tar bakyo nahi shore.
    Sohosha bhutole pori poddoti rakhilo dhori
    Pabhur choronpoddo pore
    Baroshi omrito rashi buddha sudhalen hashi
    “koho botsho ki taba prarthona”.
    Byakul sudash kohe, “prabhu ar kichu nohe,
    Choroner dhuli ek kona’.

    See less
      • 0
  • 1
  • 20,041
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা : পূজারিনী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Pujarini Poem by Rabindranath Tagore in Bengali?

  1. Nibedita Paul
    Nibedita Paul
    Added an answer on August 20, 2020 at 10:12 pm

    পূজারিনী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ- কথা তারিখ - ১৮ আশ্বিন, ১৩০৬   (অবদান শতক) নৃপতি বিম্বিসার নমিয়া বুদ্ধে মাগিয়া লইলা পাদ-নখ-কণা তাঁর। স্থাপিয়া নিভৃত প্রাসাদ-কাননে তাহারি উপরে রচিলা যতনে অতি অপরূপ শিলাময় স্তূপ শিল্পশোভার সার । সন্ধ্যাবেলায় শুচিবাস পরি রাজবধূ রাজবালা আসিতেন, ফুল সাজায়Read more

    পূজারিনী

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    কাব্যগ্রন্থ- কথা
    তারিখ – ১৮ আশ্বিন, ১৩০৬

     

    (অবদান শতক)

    নৃপতি বিম্বিসার
    নমিয়া বুদ্ধে মাগিয়া লইলা
    পাদ-নখ-কণা তাঁর।
    স্থাপিয়া নিভৃত প্রাসাদ-কাননে
    তাহারি উপরে রচিলা যতনে
    অতি অপরূপ শিলাময় স্তূপ
    শিল্পশোভার সার ।
    সন্ধ্যাবেলায় শুচিবাস পরি
    রাজবধূ রাজবালা
    আসিতেন, ফুল সাজায়ে ডালায়
    স্তূপপদমূলে সোনার থালায়
    আপনার হাতে দিতেন জ্বালায়ে
    কনক প্রদীপমালা ।

    অজাত শত্রু রাজা হোলো যবে
    পিতার আসনে আসি
    পিতার ধর্ম শোণিতের স্রোতে
    মুছিয়া ফেলিল রাজপুরী হতে

    সঁপিল যজ্ঞ-অনল-আলোতে
    বৌদ্ধ-শাস্ত্ররাশি।
    কহিলা ডাকিয়া অজাতশত্রু
    রাজপুরনারী সবে,—
    বেদ ব্রাহ্মণ রাজা ছাড়া আর
    কিছু নাই ভবে পুজা করিবার
    এই ক’টি কথা জেনো মনে সার—
    ভুলিলে বিপদ হবে।

    আরও পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতাসমূহ

    সেদিন শারদ-দিবা-অবসান,—
    শ্ৰীমতী নামে সে দাসী
    পুণ্যশীতল সলিলে নাহিয়া
    পুষ্প প্রদীপ থালায় বাহিয়৷
    রাজমহিষীর চরণে চাহিয়া
    নীরবে দাঁড়াল আসি।
    শিহরি সভয়ে মহিষী কহিলা—
    এ কথা নাহি কি মনে
    অজাতশত্রু করেছে রটনা—
    স্তূপে যে করিবে অৰ্ঘ্যরচনা
    শূলের উপরে মরিবে সে জনা
    অথবা নির্বাসনে।

    সেথা হতে ফিরি গেল চলি ধীরি
    বধূ অমিতার ঘরে।
    সমুখে রাখিয়া স্বর্ণ-মুকুর,
    বাঁধিতেছিল সে দীর্ঘ চিকুর,
    আঁকিতেছিল সে যত্নে সিঁদুর
    সিথির সীমার পরে।
    শ্ৰীমতীরে হেরি বাঁকি গেল রেখা
    কাঁপি গেল তার হাত,-
    কহিল অবোধ, কী সাহস-বলে
    এনেছিস পূজা,এখনি যা চ’লে
    কে কোথা দেখিবে, ঘটিবে তাহলে
    বিষম বিপদপাত।

     

    অস্ত-রবির রশ্মি-আভায়
    খোলা জানালার ধারে
    কুমারী শুক্লা বসি একাকিনী
    পড়িতে নিরত কাব্য-কাহিনী,
    চমকি উঠিল শুনি কিঙ্কিণী
    চাহিয়া দেখিল দ্বারে।
    শ্ৰীমতীরে হেরি পুঁথি রাখি ভূমে
    দ্রুতপদে গেল কাছে।

    কহে সাবধানে তার কানে কানে
    রাজার আদেশ আজি কে না জানে,
    এমনি ক’রে কি মরণের পানে
    ছুটিয়া চলিতে আছে।
    দ্বার হতে দ্বারে ফিরিল শ্রীমতী
    লইয়া অৰ্ঘ্যথালি।
    “হে পুরবাসিনী” সবে ডাকি কয়,—
    “হয়েছে প্রভুর পূজার সময়”—
    শুনি ঘরে ঘরে কেহ পায় ভয়
    কেহ দেয় তারে গালি।

    দিবসের শেষ আলোক মিলাল
    নগর সৌধপরে॥
    পথ জনহীন আঁধারে বিলীন,
    কলকোলাহল হয়ে এল ক্ষীণ,
    আরতিঘণ্টা ধ্বনিল প্রাচীন
    রাজ-দেবালয় ঘরে।
    শারদ নিশির স্বচ্ছ তিমিরে
    জ্বলে অগণ্য তারা।
    সিংহদুয়ারে বাজিল বিষাণ,
    বন্দীরা ধরে সন্ধ্যার তান,

    “মন্ত্রণাসভা হোলো সমাধান”
    দ্বারী ফুকারিয়া বলে।

    এমন সময়ে হেরিলা চমকি
    প্রাসাদে প্রহরী যত—
    রাজার বিজন কানন মাঝারে
    স্তূপপদমূলে গহন আঁধারে
    জ্বলিতেছে কেন, যেন সারে সারে
    প্রদীপমালার মতো।
    মুক্তকৃপাণে পুররক্ষক
    তখনি ছুটিয়া আসি
    শুধাল—“কে তুই ওরে দুর্মতি,
    মরিবার তরে করিস আরতি।”
    মধুর কণ্ঠে শুনিল “শ্ৰীমতী
    আমি বুদ্ধের দাসী।”
    সেদিন শুভ্ৰ পাষাণ-ফলকে
    পড়িল রক্ত-লিখা।
    সেদিন শারদ স্বচ্ছ নিশীথে
    প্রাসাদ কাননে নীরবে নিভৃতে
    স্তূপপদমূলে নিবিল চকিতে
    শেষ আরতির শিখা৷

     

    Pujarini Poem by Rabindranath Tagore:

    Pujarini

    Rabindranath Tagore

    (Abadan-Shatak)
    Nipriti bimbisar
    Namiya buddhe magiya loila
    Padan-khakana tar.
    Stapiya nivrito prashad-kanane
    Tahari upore racila jatane
    Oti aparup shilamaya sthup
    Shilposhovar sar.

    Sandhya belay shuchibash pori
    Rajbadhu Rajbala
    Ashiten phul sajaye ḍalay,
    Stupa-pada-mule sonar thalay
    Apanar hathe diten jalaye
    Kanak-pradip-mala.

    Ajatsatru raja holo jabe,
    Pitar ashone asi
    Pitar̥ dharma shonither srote
    Muchiya felilo rajpuri hote–
    Shopilo jagga-anal-alote
    Baud’dha-sastra-rashi.

    Kahilo ḍakiya ajatsatru
    Rajpuranari sobe,
    “bed brahman raja chara ar
    kichu na bhobe puja koribar
    Ei kati katha jeno mone shar-
    Bhulile bipad hobe. ‘

    Sedin sharad-diba-abashan-
    Srimoti name she dashi
    Punyasitala salile nahiya,
    Puṣhpa-pradip thalay bahiya,
    Rajmahishir charane cahiya
    Nirobe daralo asi.

    Sihari sobhoye mahiṣhi kahila,
    “e katha nahi ki mane,
    Ajatsatru kareche ratana
    Stupe je koribe arghya-rachana
    Shuler upore maribe se jana
    Othoba nirbashane? ‘

    Setha hote phiri gelo choli dhire
    Badhu amitar ghare.
    Samukhe rakhiya sarnamukur
    Badhitechilo se dirgha chikur,
    Akitechilo se jatne sinḍur
    Shimantashima-‘pre.

    See less
      • 1
  • 2
  • 33,889
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা : অভিসার (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Abhisar Poem lyrics in Bengali?

  1. Nibedita Paul
    Nibedita Paul
    Added an answer on May 31, 2020 at 4:21 am

    অভিসার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্য : কথা বোধিসত্তাবদান-কল্পলতা সন্ন্যাসী উপগুপ্ত মথুরাপুরীর প্রাচীরের তলে একদা ছিলেন সুপ্ত-- নগরীর দীপ নিবেছে পবনে, দুয়ার রুদ্ধ পৌর ভবনে, নিশীথের তারা শ্রাবণগগনে ঘন মেঘে অবলুপ্ত। (অভিসার - অনুসরণ, প্রাচীর-দেয়াল, সুপ্ত  - নিদ্রিত, পবন - বাতাস, নিশীথ- রাত্রি, রুদ্ধ- বন্ধ, অRead more

    অভিসার

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
    কাব্য : কথা

    বোধিসত্তাবদান-কল্পলতা

    সন্ন্যাসী উপগুপ্ত
    মথুরাপুরীর প্রাচীরের তলে
    একদা ছিলেন সুপ্ত–
    নগরীর দীপ নিবেছে পবনে,
    দুয়ার রুদ্ধ পৌর ভবনে,
    নিশীথের তারা শ্রাবণগগনে
    ঘন মেঘে অবলুপ্ত।

    (অভিসার – অনুসরণ, প্রাচীর-দেয়াল, সুপ্ত  – নিদ্রিত, পবন – বাতাস, নিশীথ- রাত্রি, রুদ্ধ- বন্ধ, অবলুপ্ত-অদৃশ্য)

    কাহার নূপুরশিঞ্জিত পদ
    সহসা বাজিল বক্ষে!
    সন্ন্যাসীবর চমকি জাগিল,
    স্বপ্নজড়িমা পলকে ভাগিল,
    রূঢ় দীপের আলোক লাগিল
    ক্ষমাসুন্দর চক্ষে।

    (সহসা  –  অকস্মাৎ/হঠাৎ,  বক্ষে – বুকে, নূপুরশিঞ্জিত- নুপুরপরিহিত, পদ- পা, রূঢ়  – রুক্ষ, কঠোর)

    নগরীর নটী চলে অভিসারে
    যৌবনমদে মত্তা।
    অঙ্গ আঁচল সুনীল বরন,
    রুনুঝুনু রবে বাজে আভরণ–
    সন্ন্যাসী-গায়ে পড়িতে চরণ
    থামিল বাসবদত্তা।

    (আঁচল – কাপড়ের খুঁটি, সুনীল  – গাঢ় নীল, বরন – বর্ণ, রব  – শব্দ/ধ্বনি, আভরণ  – ভূষণ, চরণ – পা, বাসব  – দেবরাজ ইন্দ্র)

    প্রদীপ ধরিয়া হেরিল তাঁহার
    নবীন গৌরকান্তি–
    সৌম্য সহাস তরুণ বয়ান,
    করুণাকিরণে বিকচ নয়ান,
    শুভ্র ললাটে ইন্দুসমান
    ভাতিছে স্নিগ্ধ শান্তি।

    (সৌম্য  – শান্ত ও সুন্দর, সহাস্য  – হাস্যরত, বয়ান   – বদন/মুখ, বিকচ  – বিকশিত, নয়ান – নয়ন, শুভ্র – শুক্ল/সিত, ললাট  – অদৃষ্ট, ইন্দু  – চাঁদ) 

    কহিল রমণী ললিত কণ্ঠে,
    নয়নে জড়িত লজ্জা,
    ক্ষমা করো মোরে কুমার কিশোর,
    দয়া করো যদি গৃহে চলো মোর,
    এ ধরণীতল কঠিন কঠোর
    এ নহে তোমার শয্যা।’

    (ভাতিছে- প্রবাহে, রমণী -নারী, ললিত – চারু/সুন্দর, ধরণী  – ধরা/পৃথিবী)

    সন্ন্যাসী কহে করুণ বচনে,
    “অয়ি লাবণ্যপুঞ্জ,
    এখনো আমার সময় হয় নি,
    যেথায় চলেছ যাও তুমি ধনী,
    সময় যেদিন আসিবে আপনি
    যাইব তোমার কুঞ্জ,’

    (বচন  – বাক্য/কথা, অয়ি  – ওগো, লাবণ্য  – সৌন্দর্য, কুঞ্জ  – লতাদি দ্বারা আচ্ছাদিত গৃহাকার স্থান)

    সহসা ঝঞ্ঝা তড়িৎশিখায়
    মেলিল বিপুল আস্য।
    রমণী কাঁপিয়া উঠিল তরাসে,
    প্রলয়শঙ্খ বাজিল বাতাসে,
    আকাশে বজ্র ঘোর পরিহাসে
    হাসিল অট্টহাস্য।

    (ঝঞ্ছা  – প্রবল ঝটিকা, তড়িৎ  – বিদু্যৎ, আস্য  – মুখ, তরাস  – ত্রাস/ভয়,  প্রলয়  – সর্বাত্মক ধ্বংস, পরিহাস  – ঠাট্টা, তামাশা)

    বর্ষ তখনো হয় নাই শেষ,
    এসেছে চৈত্রসন্ধ্যা।
    বাতাস হয়েছে উতলা আকুল,
    পথতরুশাখে ধরেছে মুকুল,
    রাজার কাননে ফুটেছে বকুল
    পারুল রজনীগন্ধা।

    (তরু  –  বৃক্ষ/ গাছ, কানন  – বাগান, মুকুল  – কলিকা/কুঁড়ি)

    অতি দূর হতে আসিছে পবনে
    বাঁশির মদির মন্দ্র।
    জনহীন পুরী, পুরবাসী সবে
    গেছে মধুবনে ফুল-উৎসবে–
    শূন্য নগরী নিরখি নীরবে
    হাসিছে পূর্ণচন্দ্র।

    ( মন্দ্র  – গম্ভীর ধ্বনি, পুরী   – গৃহ/ভবন স্বর্ণপুরী)

    নির্জন পথে জ্যোৎস্না-আলোতে
    সন্ন্যাসী একা যাত্রী।
    মাথার উপরে তরুবীথিকার
    কোকিল কুহরি উঠে বারবার,
    এতদিন পরে এসেছে কি তাঁর
    আজি অভিসাররাত্রি?

    (বীথী   – শ্রেণী, সারি)

    নগর ছাড়ায়ে গেলেন দণ্ডী
    বাহিরপ্রাচীরপ্রান্তে।
    দাঁড়ালেন আসি পরিখার পারে–
    আম্রবনের ছায়ার আঁধারে
    কে ওই রমণী প’ড়ে এক ধারে
    তাঁহার চরণোপ্রান্তে!

    (আম্র   – আম)

    নিদারুণ রোগে মারীগুটিকায়
    ভরে গেছে তার অঙ্গ–
    রোগমসী ঢালা কালী তনু তার
    লয়ে প্রজাগণে পুরপরিখার
    বাহিরে ফেলেছে, করি’ পরিহার
    বিষাক্ত তার সঙ্গ।

    (তনু,- দেহ/শরীর, পরিহার – বর্জন/ত্যাগ,  গুটি-গুটিকা-  ছোট দানা/ বসন্ত রোগের ব্রণ)

    সন্ন্যাসী বসি আড়ষ্ট শির
    তুলি নিল নিজ অঙ্কে–
    ঢালি দিল জল শুষ্ক অধরে,
    মন্ত্র পড়িয়া দিল শির-‘পরে,
    লেপি দিল দেহ আপনার করে
    শীতচন্দনপঙ্কে।
    ঝরিছে মুকুল, কূজিছে কোকিল,
    যামিনী জোছনামত্তা।

    (আড়ষ্ট – অসাড়/ জড়,  অধর – ঠোঁট/নিচের ঠোঁট, যামিনী   – রাত্রি)

    “কে এসেছ তুমি ওগো দয়াময়’
    শুধাইল নারী, সন্ন্যাসী কয়–
    “আজি রজনীতে হয়েছে সময়,
    এসেছি বাসবদত্তা!’

    English Transliteration:

    Abhishar
    Rabindranath tagore

    Bodhisottabadon-kolpona
    Sonnyashi upogupto
    Mothurapurir prachirer tole
    Ekoda chilen supto–
    nogorir deel nibeche pobone,
    Duar ruddha pouro bhobone,
    Nishither tara srabongogone
    Ghono meg obolupto.

    Kahar nupurshingit pod
    Sohosha bajilo bokke!
    Sonnyashibor chomki jagilo,
    Shopnojorima poloke bhagilo,
    Ruro deeper alok lagilo
    Khomashundar chokke.
    Nogorir noti chole abhisare
    Joubonmode motta.
    Ongi anchal sunil boron,
    Runujhunu robe baje aboron–
    Sonnyashi-gaye porite choron
    Thamilo basbodotta.
    Prodip dhoriya herilo tahar
    Nobin gourokanti–
    Soummya sahosh torun boyan,
    Korunakirone bikocho noyan,
    Shubro lolate indusoman
    Bhatiche snighdha shanti.
    Kohilo romoni lolito khonte,
    Noyone jorito lojja,
    Khoma koro more kumar kishor,
    Doya koro jodi grihe cholo mor,
    E dhoronitol kothin kothor
    E nohe tomar shojjya.
    Sonnyashi kohe torun bichone,
    “Oyi labonnyapunjo,
    Ekhono amar somoy hoy ni,
    Jethay cholche jao tumi dhoni,
    Somoy jedin ashibe apni
    Jaibi tumar kunjo,
    Sohisha jhonjha toritshikhay
    Melilo bipul ashhya.
    Romoni kapiya uthilo torashe,
    Proloyoshongho bajilo batashe,
    Akashe bojro ghor porihashe
    hashilo ottohashya.
    ……
    Borsho tokhono hoy ni sesh,
    Esheche choitrosondhya.
    Batash hoyeche utola akul,
    Pothotorushakhe dhoreche mukul,
    Rajar kanone futeche bokul
    Parul rojonigondha .
    Oti duur hote ashiche pobone
    Bashir modir mondro.
    Jonohin puri, purobashi sobe
    Geche modhubone ful-utshobe–
    Sunnyo nogori nirkhi nirobe
    Hashiche purnochondro.
    Nirjon pothe jyotsna-alote
    Sonnyashi ek jatri.
    Mathar upore torubithikar
    Kokil khori uthe barbar,
    Etodin pore esheche ki tar
    Aji abhisharratri?
    Nogor charay gelen dondi
    Bahirprachirprante.
    Daralen ashi porikhar pare–
    Amroboner chayar adhare
    Ke oi romoni pore ek dhare
    Tahar choronoprante!
    Nidarun roge marigutikay
    Bhore geche tar songe–
    Rogmoshidhala kali tonu tar
    Loye projagone puroporikhar
    Bahire feleche, kori porihar
    Bishakto tar songo.
    Sonnyashi boshi arosto shir
    Tuli nilo nij onke–
    Dhali dilo jol shusko odhore,
    Montro poriya dilo shir pore,
    Lepi dilo deho apnar kore
    Shitchandanponghe.
    Jhoriche mukul, kujiche kokil,
    Jamini jochnamotta.
    “Ke eshecho tumi ogo doyamoy”
    Sudhailo nari, sonnyashi koy–
    “Ani rojonite hoyeche somoy,
    Eshechi bashobodotta!”

    See less
      • 0
  • 1
  • 22,045
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতাঃ শঙ্খ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sankha by Rabindranath Tagore in Bengali?

  1. Nibedita Paul
    Nibedita Paul
    Added an answer on May 31, 2020 at 1:20 am

    শঙ্খ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্য-বলাকা তোমার শঙ্খ ধুলায় প'ড়ে, কেমন করে সইব। বাতাস আলো গেল মরে এ কী রে দুর্দৈব। লড়বি কে আয় ধ্বজা বেয়ে, গান আছে যার ওঠ-না গেয়ে, চলবি যারা চল্ রে ধেয়ে, আয় না রে নিঃশঙ্ক। ধুলয় পড়ে রইল চেয়ে ওই যে অভয় শঙ্খ। চলেছিলাম পূজার ঘরে সাজিয়ে ফুলের অর্ঘ্য। খুঁজি সারাদিনের পরে কোথায় শান্তRead more

    শঙ্খ

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    কাব্য-বলাকা

    তোমার শঙ্খ ধুলায় প’ড়ে,
    কেমন করে সইব।
    বাতাস আলো গেল মরে
    এ কী রে দুর্দৈব।
    লড়বি কে আয় ধ্বজা বেয়ে,
    গান আছে যার ওঠ-না গেয়ে,
    চলবি যারা চল্ রে ধেয়ে,
    আয় না রে নিঃশঙ্ক।
    ধুলয় পড়ে রইল চেয়ে
    ওই যে অভয় শঙ্খ।

    চলেছিলাম পূজার ঘরে
    সাজিয়ে ফুলের অর্ঘ্য।
    খুঁজি সারাদিনের পরে
    কোথায় শান্তি-শর্গ।
    এবার আমার হৃদয়-ক্ষত
    ভেবেছিলাম হবে গত,
    ধুয়ে মলিন চিহ্ন যত
    হব নিষ্কলঙ্ক।
    পথে দেখি ধুলায় নত
    তোমার মহাশঙ্খ।

    আরতি-দীপ এই কি জ্বালা।
    এই কি আমার সন্ধ্যা।
    গাঁথার রক্তজবার মালা?
    হায় রজনীগন্ধা।
    ভেবেছিলাম যোঝাযুঝি
    মিটিয়ে পাব বিরাম খুঁজি,
    চুকিয়ে দিয়ে ঋণের পুঁজি,
    লব তোমার অঙ্ক।
    হেনকালে ডাকল বুঝি
    নীরব তব শঙ্খ।

    যৌবনেরি পরশমণি
    করাও তবে স্পর্শ।
    দীপক-তানে উঠুক ধ্বনি
    দীপ্ত প্রাণের হর্ষ।
    নিশার বক্ষ বিদায় করে
    উদ্বোধনে গগন ভরে
    অন্ধ দিকে দিগন্তরে
    জাগাও-না আতঙ্ক।
    দুই হাতে আজ তুলব ধরে
    তোমার জয়শঙ্খ।

    জানি জানি তন্দ্রা মম
    রইবে না আর চক্ষে।
    জানি শ্রাবণধারা-সম
    বাণ বাজিয়ে বক্ষে।
    কেউ বা ছুটে আসবে পাশে,
    কাঁদবে বা কেউ দীর্ঘশ্বাসে,
    দুঃস্বপনে কাঁপবে ত্রাসে
    সুপ্তির পর্যঙ্ক।
    বাজবে যে আজ মহোল্লাসে
    তোমার মহাশঙ্খ।

    তোমার কাছে আরাম চেয়ে
    পেলাম শুধু লজ্জা।
    এবার সকল অঙ্গ ছেয়ে
    পরাও রণসজ্জা।
    ব্যাঘাত আসুক নব নব,
    আঘাত খেয়ে অটল রব,
    বক্ষে আমার দুঃখে তব
    বাজবে জয়ডঙ্ক।
    দেব সকল শক্তি, লব
    অভয় তব শঙ্খ।

    English transliteration:

    Sankha

    Rabindranath Tagore

    Tumar sonkho dulay pode,
    Kamon kore sob’i.
    Batas aalo geko more
    A ki re durdobe.
    Lorbi k aay dobja beye.
    Gaan aache jar ott-na gaye,
    Cholbi jara chal re deye,
    Aay na re Ni-sonkho.

    Dulay pode roilo ceye
    Oi je ooboy sonkho.
    Colechilam pujar ghore
    Sajiye fuler orgho
    Khuji saradiner pore
    Kutay santi-sorgo
    Ebar amra hridoy-khoto
    Vebechilam hobe goto,
    Duye molin chinno joto
    Hobo nis-kolonko.
    Pothe deki dulay noto
    Tumar mohasonkho.
    Aroti-dep ei ki jala.
    Ei ki amar sondha.
    Gathar rokthojobar mala?
    Hay rojonigondha.
    Vebechilam juzajuzi
    Mitiye pabo biram khuji,
    Chukiye diye riner puji,
    Lobo tumar onko.
    Henokale dakbo buji
    Nirob tobo sonko.
    Jouboneri porosmoni
    kora’o tobe sporso.
    Dipok-tane utok dhoni
    Deep praner horsho
    Nishar bokko biday kore
    Uddbodone gogon vore
    Ondo dike digontore
    Jagaw-na aatonko.
    Dui hathe aaj tulbo dhore
    Tumar joysonko
    Jani jani tondra momo
    Roibo na aar chokke.
    Jani srabondara-somo
    Bani bajiye bokke.
    Keu ba chute aasbe pashe,
    Kadbe ba keu dirgosashe,
    Duhsopone kapbe trashe
    Suptir porjonko.
    Bajbe je aaj mohollashe
    Tumar mohasonkho.
    Tumar kache aram cheye
    Pelam sudu lojja.
    Ebar sokol onge cheye
    Poraw ronosojja.
    Beyaghat aasuk nobo nob,
    Aaghat kheye otol robo,
    Bokke amar dukhhe tobo
    Bajbe joysonko.
    Debo sokol sokti, lobo
    Oboy tobo sonkho

    See less
      • 0
  • 3
  • 14,934
  • 1
Answer
In: সাহিত্য

কবিতাঃ পৃথিবী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Prithibi Poem by Rabindranath Tagore lyrics?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on September 8, 2020 at 1:25 am

    পৃথিবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর   আজ আমার প্রণতি গ্রহণ করো, পৃথিবী, শেষ নমস্কারে অবনত দিনাবসানের বেদিতলে।। মহা বীর্যবতী তুমি বীরভোগ্যা, বিপরীত তুমি ললিতে কঠোরে, মিশ্রিত তোমার প্রকৃতি পুরুষে নারীতে, মানুষের জীবন দোলায়িত কর তুমি দু:সহ দ্বন্দ্বে। ডান হাতে পূর্ণ কর সুধা, বাম হাতে চূর্ণ কর পাত্র, তোমার লীRead more

    পৃথিবী

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

     

    আজ আমার প্রণতি গ্রহণ করো, পৃথিবী,
    শেষ নমস্কারে অবনত দিনাবসানের বেদিতলে।।
    মহা বীর্যবতী তুমি বীরভোগ্যা,
    বিপরীত তুমি ললিতে কঠোরে,
    মিশ্রিত তোমার প্রকৃতি পুরুষে নারীতে,
    মানুষের জীবন দোলায়িত কর তুমি দু:সহ দ্বন্দ্বে।

    ডান হাতে পূর্ণ কর সুধা,
    বাম হাতে চূর্ণ কর পাত্র,
    তোমার লীলাক্ষেত্র মুখরিত কর অট্টবিদ্রুপে;
    দু:সাধ্য কর বীরের জীবনকে মহৎ জীবনে যার অধিকার।
    শ্রেয়কে কর দুর্মূল্য, কৃপা কর না কৃপাপাত্রকে।
    তোমার গাছে গাছে প্রচ্ছন্ন রেখেছ প্রতি মুহূর্তের সংগ্রাম,
    ফলে শস্যে তার জয়মাল্য হয় সার্থক।
    জলে স্থলে তোমার ক্ষমাহীন রণ রঙ্গভূমি-
    সেখানে মৃত্যুর মুখে ঘোষিত হয় বিজয়ী প্রাণের জয়বার্তা।
    তোমার নির্দয়তার ভিত্তিতে উঠেছে সভ্যতার জয় তোরণ
    ত্রুটি ঘটলে তার পূর্ণ মূল্য শোধ হয় বিনাশে।।

    তোমার ইতিহাসের আদিপর্বে দানবের ছিল দুর্জয়-
    সে পুরুষ, সে বর্বর, সে মূঢ়।
    তার অঙ্গুলি ছিল স্থূল, কলাকৌশল বর্জিত;
    গদা-হাতে মুষল-হাতে লণ্ডভণ্ড করেছে সে সমুদ্র পর্বত;
    অগ্নিতে বাষ্পেতে দু:স্বপ্ন ঘুলিয়ে তুলেছে আকাশে।
    জড়রাজত্বে সে ছিল একাধিপতি,
    প্রাণের ‘পরে ছিল তার অন্ধ ঈর্ষা।।

    দেবতা এলেন পরযুগে, মন্ত্র পড়লেন দানব দমনের-
    জড়ের ঔদ্ধত্য হল অভিভূত;
    জীবধাত্রী বসলেন শ্যামল আস্তরণ পেতে।
    ঊষা দাঁড়ালেন পূর্বাচলের শিখর চূড়ায়,
    পশ্চিম সাগরতীরে সন্ধ্যা নামলেন মাথায় নিয়ে শান্তি ঘট।।

    নম্র হল শিকলে-বাঁধা দানব,
    তবু সেই আদিম বর্বর আঁকড়ে রইল তোমার ইতিহাস।
    ব্যবস্থার মধ্যে সে হঠাৎ আনে বিশৃঙ্খলতা-
    তোমার স্বভাবের কালো গর্ত থেকে
    হঠাত্ বেরিয়ে আসে এঁকে বেঁকে!
    তোমার নাড়ীতে লেগে আছে তোমার পাগলামি।
    দেবতার মন্ত্র উঠেছে আকাশে বাতাসে অরণ্যে
    দিনে রাত্রে উদাত্ত অনুদাত্ত মন্দ্র স্বরে।
    তবু তোমার বরে পাতাল থেকে আধপোষা নাগ দানব
    ণে ণে উঠেছে ফণা তুলে-
    তার তাড়নায় তোমার আপন জীবকে করেছ আঘাত,
    ছারখার করছ আপন সৃষ্টিকে।।

    শুভে-অশুভে স্থাপিত তোমার পাদপীঠে
    তোমার প্রচণ্ড সুন্দর মহিমার উদ্দেশে
    আজ রেখে যাব আমার ক্ষতচিহ্ন লাঞ্ছিত জীবনের প্রণতি।
    বিরাট প্রাণের, বিরাট মৃত্যুর, গুপ্ত সঞ্চার তোমার যে মাটির তলায়
    তাকে আজ স্পর্শ করি- উপলব্ধি করি সর্ব দেহে মনে।
    অগণিত যুগযুগান্তরের অসংখ্য মানুষের লুপ্ত দেহ পুঞ্জিত তার ধুলায়।
    আমিও রেখে যাব কয়-মুষ্টি ধূলি, আমার সমস্ত সুখ দু:খের শেষ পরিণাম-
    রেখে যাব এই নামগ্রাসী আকারগ্রাসী সকল-পরিচয়-গ্রাসী
    নি:শব্দ ধূলিরাশির মধ্যে।।

    অচল অবরোধে আবদ্ধ পৃথিবী, মেঘলোকে উধাও পৃথিবী,
    গিরিশৃঙ্গমালার মহৎ মৌনে ধ্যান নিমগ্না পৃথিবী,
    নীলাম্বু রাশির অতন্দ্র তরঙ্গে কলমন্দ্রমুখরা পৃথিবী,
    অন্নপূর্ণা তুমি সুন্দরী, অন্নরিক্তা তুমি ভীষণা।
    একদিকে আপক্বধান্যভারনম্র তোমার শস্যক্ষেত্রে-
    সেখানে প্রসন্ন প্রভাতসূর্য প্রতিদিন মুছে নেয় শিশিরবিন্দু
    কিরণ-উত্তরীয় বুলিয়ে দিয়ে;
    অস্তগামী সূর্য শ্যামশস্যহিল্লোলে রেখে যায় অকথিত এই বাণী
    ”আমি আনন্দিত”।
    অন্যদিকে তোমার জলহীন ফলহীন আতঙ্কপান্ডুর মরুক্ষেত্র
    পরিকীর্ণ পশু কঙ্কালের মধ্যে মরীচিকার প্রেতনৃত্য।

    বৈশাখে দেখেছি বিদ্যুৎ চঞ্চু বিদ্ধ দিগন্তকে ছিনিয়ে নিতে এল
    কালো শ্যেন-পাখির মতো তোমার ঝড়-
    সমস্ত আকাশটা ডেকে উঠল যেন কেশর-ফোলা সিংহ;
    তার লেজের ঝাপটে ডালপালা আলুথালু করে
    হতাশ বনস্পতি ধুলায় পড়ল উবুড় হয়ে;
    হাওয়ার মুখে ছুটল ভাঙা কুঁড়ের চাল
    শিকল-ছেঁড়া কয়েদি-ডাকাতের মতো।

    আবার ফাল্গুনে দেখেছি তোমার আতপ্ত দক্ষিণ হাওয়া
    ছড়িয়ে দিয়েছে বিরহ-মিলনের স্বগত-প্রলাপ আম্র-মুকুলের গন্ধে;
    চাঁদের পেয়ালা ছাপিয়ে দিয়ে উপচিয়ে পড়েছে স্বর্গীয় মদের ফেনা;
    বনের মর্মরধ্বনি বাতাসের স্পর্ধায় ধৈর্য হারিয়েছে
    অকস্মাৎ কল্লোলোচ্ছ্বাসে।।

    স্নিগ্ধ তুমি, হিংস্র তুমি, পুরাতনী তুমি নিত্য-নবীনা,
    অনাদি সৃষ্টির যজ্ঞ-হুতাগ্নি থেকে বেরিয়ে এসেছিলে
    সংখ্যা-গণনার-অতীত প্রত্যুষে;
    তোমার চক্রতীর্থের পথে পথে ছড়িয়ে এসেছে
    শত শত ভাঙা ইতিহাসের অর্ধ-লুপ্ত অবশেষ;
    বিনা বেদনায় বিছিয়ে এসেছে তোমার বর্জিত সৃষ্টি
    অগণ্য বিস্মৃতির স্তরে স্তরে।।

    জীবপালিনী, আমাদের পুষেছ
    তোমার খন্ডকালের ছোট ছোট পিঞ্জরে,
    তারই মধ্যে সব খেলার সীমা, সব কীর্তির অবসান।।

    আজ আমি কোন মোহ নিয়ে আসি নি তোমার সম্মুখে;
    এতদিন যে দিনরাত্রির মালা গেঁথেছি বসে বসে
    তার জন্য অমরতার দাবি করব না তোমার দ্বারে।
    তোমার অযুত নিযুত বৎসর সূর্যপ্রদক্ষিণের পথে
    যে বিপুল নিমেষগুলি উন্মীলিত নিমীলিত হতে থাকে
    তারই এক ক্ষুদ্র অংশে কোন-একটি আসনের
    সত্যমুল্য যদি দিয়ে থাকি,
    জীবনের কোন-একটি ফলবান খণ্ডকে
    যদি জয় করে থাকি পরম দু:খে
    তবে দিয়ো তোমার মাটির ফোঁটার একটি তিলক আমার কপালে;
    সে চিহ্ন যাবে মিলিয়ে
    যে রাত্রে সকল চিহ্ন পরম অচিনের মধ্যে যায় মিশে।।

    হে উদাসীন পৃথিবী,
    আমাকে সম্পূর্ণ ভোলবার আগে
    তোমার নির্মম পদপ্রান্তে
    আজ রেখে যাই আমার প্রণতি।।

     

    InEnglish Font:

    Prithibi

    Rabindranath Tagore

    Aaj amar praṇati grahaṇ karo prthibi,
    Sesh namaskare abanato din basaner beditale..
    Maha biryabati tumi birbhogya,
    Biparita tumi lolite koṭhur,
    Misrito tumar prakriti puruṣhe narite,
    Manuṣher jibon dolayito koro tumi du:Saha dhande.

    Ḍan hate purṇa koro sudha
    bam hate churṇo koro patro,
    tomar lilaketre mukharito koro aṭṭabidrup;
    Du:Shadhya koro birer jibanke mahaṯ jibane jar adhikar.
    Sreyake koro durmulya, kripa koro na kripa patrake.
    Tomar gache gache pracchanna rekheche prati muhurter saṅgram,
    Phale sashye tara jayamalya hoy sarthak.
    Jale sthale tomar khomahin raṇa raṅgabhumi-
    Sekhane mrityur mukhe ghoṣhita hoy bijayi praṇer jaybarta.
    Tomar nirdayatar bhittite uṭheche shobhyatar joy turaṇ
    Truṭi ghaṭle tar purṇa mullya sodh hoy binashe..

    Tomar itihasher adiparbe danober chilo durjay-
    Se puruṣh, se barbar, se murh.
    Tar aṅguli chilo sthulo, kola-kausal barjito;
    Goda-hate muṣal-hate laṇḍabhaṇḍa kareche se samudra parbat;
    Agnite baṣpete du:shapno ghuliye tuleche Akashe.
    Jar-rajatte se chilo ekadhipati,
    Praṇer ‘pore chilo tara andha irṣha..

    Debota elen parajuge, mantra parlen danab domoner-
    Jarer aud’dhatya holo abhibhuto;
    Jibodhatri boshlen shyamal astaraṇ pete.
    Uṣha daralen purbachaler sikhor churay,
    Pashim sagaratire sandhy namalen mathay niye santi ghaṭ..

    Namra holo shikole-badha danab,
    Tabu se’i adim barbar Aakre ra’ilo tomara itihash.
    Byabasthar madhye se haṭhaṯ Aane bisriṅgkholota-
    tomar sbabhaber kalo garta theke
    haṭhat beriye aase eke beke!
    Tomar narite lege ache tomar pagalami.
    Debatar mantra uṭheche Akashe batashe oroṇnye
    Dine ratre udatta anudtta mandra shore.
    Tabu tomr bore patal theke adhpoṣha nag danab
    Ne ṇe uṭheche phaṇa tule-
    tar taronay tomar Apan jibke korecho Aghat,
    Charkhar karcho Apan sriṣṭike..

    Subhe-asubhe sthapito tomar padpiṭhe
    Tomar prachaṇḍa sundar mahimar uddese
    Aj rekhe jabo Amar katachinna lanchita jibaner praṇati.
    Biraṭ praṇer, biraṭ mrityur, gupta sañchar tomar je maṭira talay
    take aaj sparsa kari- upalabdhi kari sarba dehe mone.
    Agaṇita jugjugantarer osaṅkhya manuṣher lupto deho puñjito tar dhulay.
    Ami’o rekhe jabo koy muṣṭi dhuli, Amar samasta sukh du:Kher seṣh poriṇam-
    Rekhe jabo e’i namgrashi akargrashi sakal-parichoy-grashi
    Ni:shabda dhuli rashir madhye..

    Ochol abarodhe Abad’dha prthibi, meghloke udha’o prthibi,
    Girisriṅgamalar mahaṯ maune dhyan nimagna prthibi,
    Nilambu rashir atandro taraṅge kalamandro-mukhora prthibi,
    Annapurṇa tumi sundari, annarikta tumi bhiṣhaṇa.
    Ekadike Apakkha-dhan’yabhar-namra tomar sashyakhetre-
    Sekhane prasanna prabhat-surya pratidin muche neye sisir-bindu
    kiraṇ-uttariya buliye diye;
    Astagami surya syamasasya-hillole rekhe jay okothita e’i baṇi
    ”Ami Anandito”.
    An’yadike tomar jalhin folhin Ataṅkapnḍur marukhetra
    Parikirṇo pashu kaṅkaler madhye maricikar pret-nritya.

    Baisakhe dekhechi bidyuṯ chanchu bid’dha digantake chiniye nite elo
    kalo syen-pakhir moto tomar jhar-
    Samasta akashṭa ḍeke uṭhlo jeno keshor-phola sinha;
    Tar lejer jhapaṭe ḍal-pala aluthalu kare
    Hatash banaspati dhulaa parlo ubur hoye;
    Ha’wrer mukhe chuṭlo bhanga kurer chal
    Sikal-chara koyedi-ḍakater moto.

    Abar phalgune dekhechi tomr Atapta dakkiṇ hawa
    Choriye diyeche biraho-miloner shagata-pralap Amra-mukuler gandhe;
    Chader peyala chapiye diye upaciye pareche shargiya mader fena;
    Boner marmardhani bataser spardhaya dhairja hariyeche
    akassatṯ kallolocchashe..

    Snigdha tumi, hingsra tumi, purtani tumi nitya-nabina,
    anadi sriṣṭir jagga-hutagni theke beriye esechile
    saṅkhya-gaṇanar-atit pratyuṣhe;
    Tomar cakratirther pathe pathe choriye eseche
    Shata shata bhanga itihaser ardha-lupta abasesh;
    Bina bedanay bichiye eseche tomar barjito sriṣṭi
    Agaṇnya bismrtir sthore sthore..

    Jibapalini, Amader puṣhecho
    Tomar khanḍa-kaler choṭo choṭo piñjare,
    tar’i madhye sab khelar sima, sab kirtir abashan..

    Aaj Ami kono muho niye Ashini tomar sam’mukhe;
    Etodin je din-ratrir mala gethechi boshe boshe
    tar janno omorotar dabi korabo na tomar dhare.
    Tomar ajut nijut baṯsar suryapradakhiṇer pothe
    Je bipul nimeṣhguli unmilito nimilito hoye thake

    tar’i ek khudra angshe kuno-ekaṭ asaner
    Satyamullya jadi diye thaki,
    Jibanera kuno-ekṭi falban khonḍoke
    Jodi joy kare thaki param du:Khe
    Tabe diyo tomar maṭir fuṭar ekṭi tilak amar kopale;
    se cihna jabe miliye
    Je ratre sakal cihna param achiner madhye jay mishe..

    He udashin prthibi,
    Amake sampurṇa bhulbar age
    tomar nirmam padaprante
    Aaj rekhe jai amar praṇati..

    See less
      • 0
  • 1
  • 9,311
  • 0
Answer
Load More Questions

Sidebar

আরও দেখুন

  • রবীন্দ্রসংগীত : তুমি কোন কাননের ফুল | Tumi Kon Kanoner Phool lyrics in Bengali with English Translation?
  • কবিতা : পরশ পাথর (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Parash Pathar Poem by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতা : ক্যামেলিয়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Camellia Poem by Rabindranath Tagore in Bengali lyrics?
  • কবিতা : দেবতার বিদায় (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Debotar Biday by Rabindranath Tagore?
  • কবিতা : প্রশ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Proshno Kobita Rabindranath Tagore in Bengali?
  • অভিসার (সন্ন্যাসী উপগুপ্ত) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Upagupta Poem lyrics in Bengali and English?
  • কবিতা : মূল্যপ্রাপ্তি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Mulya Prapti Poem in Bengali?
  • কবিতা : পূজারিনী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Pujarini Poem by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতা : অভিসার (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Abhisar Poem lyrics in Bengali?
  • কবিতাঃ শঙ্খ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sankha by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতাঃ পৃথিবী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Prithibi Poem by Rabindranath Tagore lyrics?
  • কবিতাঃ দুষ্টু (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Dustu Poem By Rabindranath Tagore lyrics?
  • লুকোচুরি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Poem Lukochuri Rabindranath Tagore Bengali Script?
  • কবিতাঃ সাগরিকা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sagarika Poem by Rabindranath in Bengali?
  • দুরন্ত আশা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Duranta Asha Poem in Bengali lyrics?
  • ওরা কাজ করে কবিতার সারাংশ ও মূলভাব | Ora Kaj Kore Poem Summary in Bengali?
  • শেষ বসন্ত (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sesh Basanta Bengali Poem lyrics?
  • কবিতাঃ জন্মদিন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Jonmodin Poem by Rabindranath Tagore in Bengali
  • হে মোর দুর্ভাগা দেশ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) He mor durbhaga desh kobita?
  • গল্প : বলাই (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Bolai Short story in Bengali by Rabindranath Tagore?
Join us on Telegram
Join our FaceBook Group

বিষয়

All Bangla Paragraph (105) Apurba Dutta Poems (4) Bangla application format (11) Bangla Choto Golpo (7) Bangla dorkhasto lekha (11) Bangla gazal lyrics (8) Bangla GK (177) Bangla Kobita (203) Bangla Rachana (105) baul gaan lyrics (6) baul song lyrics (6) Bengali antonyms (40) Bengali Essay (105) Bengali letter Writing (11) Bengali lullaby lyrics (3) bengali lyrics (82) Bengali Meaning (259) bengali poem (14) Bengali Poems (124) Bengali Poem Summary (21) Bengali Rachana (99) Bengali short story (7) bengali song lyrics (98) bengali song lyrics in bengali (98) Bengali synonyms (33) chandrabindu lyrics (2) English grammar in Bengali (6) English to Bengali Meaning (270) English to Bengali Translation (256) Essay (75) Full form (14) general knowledge bengali (7) indian history in bengali (9) Joy Goswami kobita (4) kazi nazrul islamer kobita (8) Kobita (143) lyrics (17) Myth (3) nirendranath chakraborty poem (5) Nirmalendu Goon Poems (6) Paragraph (20) Parts of speech in Bengali (6) Pod Poriborton (39) Poem (3) poem summary in bengali (21) rabindranath tagore poems (57) Rabindra Sangeet lyrics (5) shakti chattopadhyay poems (7) Social Science (6) Somarthok Shobdo (33) Somas Bangla Grammar (15) sukanta bhattacharya kobita (4) Sukumar Roy Poem (16) Summary (8) অনুচ্ছেদ (127) অপূর্ব দত্তের কবিতা (4) আধ্যাত্মিক (10) ইংরেজি অনুবাদ (6) ইংরেজি থেকে বাংলা (6) ইংলিশ বাংলা অনুবাদ (6) ইন্টারনেট (1) ইসলাম (18) ইসলাম ধর্মীয় প্রশ্ন উত্তর (18) ইসলামী নাত ও গজল (8) ইসলামী সংগীত লিরিক্স (8) কবিতা (26) কবিতার সারাংশ ও সারমর্ম (21) কাজী নজরুল ইসলাম (8) কুসংস্কার (3) গানের কথা (14) ঘুম পাড়ানি গান lyrics (3) ছোটগল্প (7) জয় গোস্বামী (4) জয় গোস্বামীর কবিতা (4) জেনারেল নলেজ (7) জেনারেল নলেজ প্রশ্ন ও উত্তর (39) নির্মলেন্দু গুণের কবিতা (6) নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কবিতা (5) পদ পরিবর্তন (39) পূর্ণরূপ (14) প্রকৃতি (17) প্রক্রিতি (23) ফলমূল (28) ফুল ফর্ম (14) বাংলা general knowledge (52) বাংলা অর্থ (275) বাংলা আবেদন পত্র (11) বাংলা কবিতা (219) বাংলা কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (68) বাংলা গান লিরিক্স (97) বাংলা গানের লিরিক্স (98) বাংলা ছোট গল্প (7) বাংলা দরখাস্ত নমুনা (11) বাংলা প্রবন্ধ (97) বাংলা বাক্য রচনা (176) বাংলা বিপরীত শব্দ (40) বাংলা রচনা (127) বাউল গান লিরিক্স (6) বাক্য রচনা (176) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (1) বিজ্ঞান শিক্ষা (17) বিপরীত শব্দ (40) বোঝাপড়া কবিতা (3) ব্যাখ্যা (8) ভক্তিভাজন (10) ভারতের ইতিহাস (9) ভূগোল (5) মধ্যযুগের ভারতের ইতিহাস (9) মূলভাব (8) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (34) রবীন্দ্রসংগীত (1) রবীন্দ্র সংগীত লিরিক্স (5) লিরিক্স (17) শক্তি চট্টোপাধ্যায় kobita (7) শঙ্খ ঘোষ (8) শুভ দাশগুপ্ত (7) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (5) সন্ধি বিচ্ছেদ (8) সন্ধি বিচ্ছেদ ব্যবহার (8) সমাজ বিজ্ঞান (6) সমার্থক শব্দ (33) সমাস (15) সারাংশ (8) সুকান্তের কবিতা (4) সুকুমার রায় (16)

Footer

© 2025 Bengali Forum · All rights reserved. Contact Us

Add Bengali Forum to your Homescreen!

Add