Sign Up

Continue with Google
or use


Have an account? Sign In Now

Sign In

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.


Have an account? Sign In Now

Sorry, you do not have permission to ask a question, You must login to ask a question.

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Need An Account, Sign Up Here

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Bengali Forum Logo Bengali Forum Logo
Sign InSign Up

Bengali Forum

Bengali Forum Navigation

  • বিষয়
  • ব্লগ
  • হযবরল
Search
Ask A Question

Mobile menu

Close
Ask A Question
  • বাংলা অভিধান
  • সাহিত্য
  • শিক্ষা
  • রচনা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • ইংলিশ টু বাংলা
  • বিজ্ঞান
  • বাংলা কুইজ
  • ধৰ্ম ও সংস্কৃতি
  • ইতিহাস
  • মতামত

Bengali Forum Latest Questions

In: সাহিত্য

কবিতা : তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা (শামসুর রহমান) tomake paoar jonno he shadhinota lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 31, 2020 at 3:27 am

    তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা- শামসুর রাহমান তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা, তোমাকে পাওয়ার জন্যে আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায় ? আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন ? তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা, সাকিনা বিবির কপাল ভাঙলো, সিঁথির সিঁদুর গেল হরিদাসীর। তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা, শহরের বুকে জলপাইয়েরRead more

    তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা- শামসুর রাহমান

    তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা,
    তোমাকে পাওয়ার জন্যে
    আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায় ?
    আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন ?

    তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা,
    সাকিনা বিবির কপাল ভাঙলো,
    সিঁথির সিঁদুর গেল হরিদাসীর।
    তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা,
    শহরের বুকে জলপাইয়ের রঙের ট্যাঙ্ক এলো
    দানবের মত চিৎকার করতে করতে
    তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা,
    ছাত্রাবাস বস্তি উজাড হলো। রিকয়েললেস রাইফেল
    আর মেশিনগান খই ফোটালো যত্রতত্র।
    তুমি আসবে ব’লে, ছাই হলো গ্রামের পর গ্রাম।
    তুমি আসবে ব’লে, বিধ্বস্ত পাডায় প্রভূর বাস্তুভিটার
    ভগ্নস্তূপে দাঁডিয়ে একটানা আর্তনাদ করলো একটা কুকুর।
    তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা,
    অবুঝ শিশু হামাগুডি দিলো পিতামাতার লাশের উপর।

    তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা, তোমাকে পাওয়ার জন্যে
    আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায় ?
    আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন ?
    স্বাধীনতা, তোমার জন্যে এক থুত্থুরে বুডো
    উদাস দাওয়ায় ব’সে আছেন – তাঁর চোখের নিচে অপরাহ্ণের
    দুর্বল আলোর ঝিলিক, বাতাসে নডছে চুল।
    স্বাধীনতা, তোমার জন্যে
    মোল্লাবাডির এক বিধবা দাঁডিয়ে আছে
    নডবডে খুঁটি ধ’রে দগ্ধ ঘরের।

    স্বাধীনতা, তোমার জন্যে
    হাড্ডিসার এক অনাথ কিশোরী শূন্য থালা হাতে
    বসে আছে পথের ধারে।
    তোমার জন্যে,
    সগীর আলী, শাহবাজপুরের সেই জোয়ান কৃষক,
    কেষ্ট দাস, জেলেপাডার সবচেয়ে সাহসী লোকটা,
    মতলব মিয়া, মেঘনা নদীর দক্ষ মাঝি,
    গাজী গাজী ব’লে নৌকা চালায় উদ্দান ঝডে
    রুস্তম শেখ, ঢাকার রিকশাওয়ালা, যার ফুসফুস
    এখন পোকার দখলে
    আর রাইফেল কাঁধে বনে জঙ্গলে ঘুডে বেডানো
    সেই তেজী তরুণ যার পদভারে
    একটি নতুন পৃথিবীর জন্ম হ’তে চলেছে –
    সবাই অধীর প্রতীক্ষা করছে তোমার জন্যে, হে স্বাধীনতা।

    পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে জ্বলন্ত
    ঘোষণার ধ্বনিপ্রতিধ্বনি তুলে,
    মতুন নিশান উডিয়ে, দামামা বাজিয়ে দিগ্বিদিক
    এই বাংলায়
    তোমাকেই আসতে হবে, হে স্বাধীনতা।

    কবিতা সম্মন্দে

    “হে স্বাধীনতা তোমাকে পাওয়ার জন্যে” শীর্ষক কবিতাটি শামসুর রাহমানের ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ নামক কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটি কবির ‘বন্দিশিবির থেকে’ নামক কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।বাংলাদেশের স্বাধীনতার পেক্ষাপটে লেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কবিতা। কবি শামসুর রহমান এই কবিতাটি তে স্বাধীনতা যে একটি মৌলিক অধিকার এবং পরাধীন বাংলাদেশ বাসী তাদের এই মৌলিক অধিকারের জন্য যে কিভাবে প্রতীক্ষারত তাহার বর্ণনা তুলে ধরেছেন। স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও আশা এবং জাতির আত্ম বলিদান এর কথা ছন্দের মধ্যে ফুটে উঠেছে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে। স্বাধীনতা পাওয়ার জন্য মানুষ কিভাবে তাদের আপনজনকে হারিয়েছে এবং কিভাবে তারা অপদস্থ হয়েছে তার একটি বর্ণনা এ কবিতা থেকে পাওয়া যায়। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ বাসী দেখেছি তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দিন। শহরের পর শহর গ্রামের পর গ্রাম ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পাকিস্তানি সৈন্যরা চালিয়েছে হত্যাযজ্ঞ। চারিদিকে বয়েছে রক্তের গঙ্গা। প্রাণ দিয়েছে শত সহস্র মানুষ।
    বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সাকিনা বিবির মতো গ্রামীণ নারীর সহায়-সম্বল বিসর্জিত হয়েছে, হরিদাসী হয়েছে স্বামী হারা নবজাতক হারিয়েছে মা-বাবাকে। ছাত্ররা হত্যা হয়েছে ছাত্রাবাসে শহরে চলছে গণহত্যা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গ্রাম লোকালয়ে।মানুষের প্রতিবাদ করেছে তা নয় পশুপাখিরাও শামিল হয়েছে এই প্রতিবাদে। আর্তনাদ করেছে কুকুরও। মুক্তিযুদ্ধে শ্রমিক থেকে শুরু করে, সাধারণ মানুষ সব শ্রেণীর মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছেন দিয়েছেন আত্মত্যাগ।স্বাধীনতার স্বাদ পাওয়ার জন্য মানুষ উঠে দাঁড়িয়েছে তার সমস্ত প্রাণ দিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, বৈদেশিক শাসনের বিরুদ্ধে।মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগদান কবির মনে আশার আলো জাগিয়েছে তাই কবির দৃঢ় বিশ্বাস যে তাদের এই আত্ম বলিদান এবং আত্মত্যাগ কখনোই বৃথা যাবে না। স্বাধীনতা আসবেই অবশ্যই আসবে। একদিন বাঙালি তার স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিবেই।

    See less
      • 0
  • 1
  • 10,914
  • 0
Answer
In: সারাংশ ও সারমর্ম, সাহিত্য

সিঁড়ি (সুকান্ত ভট্টাচার্য ) কবিতার সারমর্ম ও বিষয়বস্তু | bengali poem siri summary

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on April 4, 2020 at 5:23 am
    This answer was edited.

    সিঁড়ি (সুকান্ত ভট্টাচার্য ) কবিতার সারমর্ম ও বিষয়বস্তু সুকান্ত ভট্টাচার্য দুঃখী-দরিদ্র সাধারণ মানুষকে নিয়ে লিখেছেন অধিকাংশ কবিতা। এসব কবিতার মধ্যে কিছু কবিতা আছে যা রূপকধর্মী। এগুলোতে অন্য বস্তুর রূপক-প্রতীকে কবি দরিদ্র-নিঃস্ব মানুষের বেদনার কথা ব্যক্ত করেছেন। এসব কবিতার মধ্যে সিঁড়ি, একটি মোরগের কাহRead more

    সিঁড়ি (সুকান্ত ভট্টাচার্য ) কবিতার সারমর্ম ও বিষয়বস্তু

    সুকান্ত ভট্টাচার্য দুঃখী-দরিদ্র সাধারণ মানুষকে নিয়ে লিখেছেন অধিকাংশ কবিতা। এসব কবিতার মধ্যে কিছু কবিতা আছে যা রূপকধর্মী। এগুলোতে অন্য বস্তুর রূপক-প্রতীকে কবি দরিদ্র-নিঃস্ব মানুষের বেদনার কথা ব্যক্ত করেছেন। এসব কবিতার মধ্যে সিঁড়ি, একটি মোরগের কাহিনী, কলম, সিগারেট, দেশলাই কাঠি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এসব কবিতার রূপকের আড়ালে সুকান্ত তার প্রতিবাদী আওয়াজ কে তুলে ধরেছেন।

    “সিঁড়ি” কবিতায় সুকান্ত ভট্টাচার্য সিঁড়ি কে দরিদ্র শ্রেণীর রূপক হিসাবে দেখিয়েছেন। যেভাবে সিঁড়িতে করে মানুষ উপরের দিকে উঠে যায় তেমনি সমাজের উঁচু শ্রেণীর মানুষেরা বা বিত্তশালী মানুষেরা দরিদ্র শ্রেণীর মানুষদের কে শোষণ করে উপরে উঠে। তারপর আর ফিরে তাকায় না এই মানুষগুলোর দিকে। তাই যেভাবে একটি সিঁড়ি ক্ষতবিক্ষত হয় এই দরিদ্র শ্রেণীর মানুষ গুলি শোষিত হয় নিরন্তর। যার ফলে তারা তাদের দুঃখ-দুর্দশা জীবনে লেগেই থাকে।

    তোমাদের পদধূলিধন্য আমাদের বুক
    পদাঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায় প্রতিদিন।

    যেভাবে সিঁড়ির আবরণ নষ্ট হলে কার্পেট দিয়ে ঢেকে রাখা হয় ঠিক সেইরকম দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের দুঃখগুলোকে কেউই প্রাধান্য দেয় না। দরিদ্র মানুষগুলি কোন প্রতিবাদ করে না বলেই বিত্তশালীরা তাদের শোষণ চালিয়ে যায় অবিরত। মজুররা যাতে প্রতিবাদী হয়ে না ওঠে এবং এই প্রতিবাদ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তাই সব সময় এদের গলা চাপিয়ে রাখা হয়। তাই এই দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের অত্যাচার আর দুঃখ-দুর্দশা কেউই দেখতে পায় না।

    আর চেপে রাখতে চাও পৃথিবীর কাছে
    তোমাদের গর্বোদ্ধত, অত্যাচারী পদধ্বনি।

    কিন্তু কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য হুংকার ছেড়ে বলছেন এই অত্যাচার আর বেশিদিন টিকবে না। বিশ্ববাসীর কাছে আর চাপা থাকবে না চিরদিন।এই নির্মম অত্যাচার আর দুঃখ-দুর্দশার সমাপ্তি ঘটতেই হবে যেমনটা হয়েছিল সম্রাট হুমায়ুনের।

    চিরকাল আর পৃথিবীর কাছে
    চাপা থাকবে না।
    আমাদের দেহে তোমাদের এই পদাঘাত।

    এই কবিতায় সুকান্ত ভট্টাচার্য সমাজের দুইটি শ্রেণী ধনী এবং দরিদ্রের কথা উল্লেখ করেছেন। ধনীদের অত্যাচার আর শোষণের জন্যই দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের আজ এই অবস্থা। কেউ দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের হাল ধরতে চায় না। তাদের উন্নতির কথা কেউ চিন্তা করে না। তাদেরকে শুধুমাত্র কাজে লাগিয়ে যায় বিত্তশালীরা। এতে করে সমাজে সৃষ্টি হয় পার্থক্য, দ্বন্দ্ব। কিন্তু কবি সর্বশেষে বলেছেন যে বিত্তশালীর অত্যাচার ও অন্যায় চিরকাল চাপা থাকবে না বরং এর সমাপ্তি ঘটবে, বিত্তশালীদের পদস্খলন অনিবার্য।

    ____________

    সিঁড়ি

    আমরা সিঁড়ি,
    তোমরা আমাদের মাড়িয়ে
    প্রতিদিন অনেক উঁচুতে উঠে যাও,
    তারপর ফিরেও তাকাও না পিছনের দিকে;
    তোমাদের পদধূলিধন্য আমাদের বুক
    পদাঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায় প্রতিদিন।

    তোমরাও তা জানো,
    তাই কার্পেটে মুড়ে রাখতে চাও আমাদের বুকের ক্ষত
    ঢেকে রাখতে চাও তোমাদের অত্যাচারের চিহ্নকে
    আর চেপে রাখতে চাও পৃথিবীর কাছে
    তোমাদের গর্বোদ্ধত, অত্যাচারী পদধ্বনি।

    তবুও আমরা জানি,
    চিরকাল আর পৃথিবীর কাছে
    চাপা থাকবে না।
    আমাদের দেহে তোমাদের এই পদাঘাত।
    আর সম্রাট হুমায়ুনের মতো
    একদিন তোমাদেরও হতে পারে পদস্খলন।।

    See less
      • 0
  • 1
  • 34,693
  • 0
Answer
In: সারাংশ ও সারমর্ম, সাহিত্য

রানার (সুকান্ত ভট্টাচার্য ) কবিতার সারমর্ম ও বিষয়বস্তু | ranar poem summary in bengali

  • 0
  • 5,226
  • 3
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা : চরম মূল্য (The last bargain) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | the last bargain poem in bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 9:41 pm

    চরম মূল্য (The last bargain) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "কে নিবি গো কিনে আমায়, কে নিবি গো কিনে?" পসরা মোর হেঁকে হেঁকে বেড়াই রাতে দিনে। এমনি কবে হায়, আমার দিন যে চলে যায়, মায়ার 'পরে বোঝা আমার বিষম হল দায়। কেউ বা আসে, কেউ বা হাসে, কেউ বা কেঁদে চায়। মধ্যদিনে বেড়াই রাজার পাষাণ-বাঁধা পথে, মুকুট-মাথে অস্ত্র-হাতেRead more

    চরম মূল্য (The last bargain) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    “কে নিবি গো কিনে আমায়, কে নিবি গো কিনে?”

    পসরা মোর হেঁকে হেঁকে বেড়াই রাতে দিনে।

    এমনি কবে হায়, আমার

    দিন যে চলে যায়,

    মায়ার ‘পরে বোঝা আমার বিষম হল দায়।

    কেউ বা আসে, কেউ বা হাসে, কেউ বা কেঁদে চায়।

    মধ্যদিনে বেড়াই রাজার পাষাণ-বাঁধা পথে,

    মুকুট-মাথে অস্ত্র-হাতে রাজা এল রথে।

    বললে হাতে ধরে, “তোমায়

    কিনব আমি জোরে।”

    জোর যা ছিল ফুরিয়ে গেল টানাটানি করে।

    মুকুট-মাথে ফিরল রাজা সোনার রথে চড়ে।

    রুদ্ধ্ব দ্বারের সমুখ দিয়ে ফিরতেছিলেম গলি।

    দুয়ার খুলে বৃদ্ধ এল হাতে টাকার থলি।

    করলে বিবেচনা, বললে,

    “কিনব দিয়ে সোনা।”

    উজাড় করে দিয়ে থলি করলে আনাগোনা।

    বোঝা মাথায় নিয়ে কোথায় গেলেম অন্যমনা।

    সন্ধ্যাবেলায় জ্যোৎস্না নামে মুকুল-ভরা গাছে।

    সুন্দরী সে বেরিয়ে এল বকুলতলার কাছে।

    বললে কাছে এসে, “তোমায়

    কিনব আমি হেসে।”

    হাসিখানি চোখের জলে মিলিয়ে এল শেষে;

    ধীরে ধীরে ফিরে গেল বনছায়ার দেশে।

    সাগরতীরে রোদ পড়েছে ঢেউ দিয়েছে জলে,

    ঝিনুক নিয়ে খেলে শিশু বালুতটের তলে।

    যেন আমায় চিনে বললে,

    “অমনি নেব কিনে।”

    বোঝা আমার খালাস হল তখনি সেইদিনে।

    খেলার মুখে বিনামূল্যে নিল আমায় জিনে।

     

    About the Poem

    The poem was translated by Rabindranath himself under the “The last bargain” and it was published in his book “The cresent Moon” along with other poems.

    Here is the translated version of this poem:

     
    “Come and hire me,” I cried, while in the morning I was walking on the stone-paved road.
    Sword in hand, the King came in his chariot.
    He held my hand and said, “I will hire you with my power.”
    But his power counted for nought, and he went away in his chariot.

    In the heat of the midday the houses stood with shut doors.
    I wandered along the crooked lane.
    An old man came out with his bag of gold.
    He pondered and said, “I will hire you with my money.”
    He weighed his coins one by one, but I turned away.

    It was evening. The garden hedge was all aflower.
    The fair maid came out and said, “I will hire you with a smile.”
    Her smile paled and melted into tears, and she went back alone into the dark.

    The sun glistened on the sand, and the sea waves broke waywardly.
    A child sat playing with shells.
    He raised his head and seemed to know me, and said, “I hire you with nothing.”
    From thenceforward that bargain struck in child’s play made me a free man.

    See less
      • 1
  • 1
  • 11,274
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা : (স্বপ্ন) একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | ekdin rate ami swapno dekhinu poem lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 4:59 am

    স্বপ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু- “চেয়ে দেখো” “চেয়ে দেখো” বলে যেন বিনু। চেয়ে দেখি, ঠোকাঠুকি বরগা-কড়িতে, কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে। ইঁটে-গড়া গণ্ডার বাড়িগুলো সোজা চলিয়াছে, দুদ্দাড় জানালা দরজা। রাস্তা চলেচে যত অজগর সাপ, পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপ্‌ ধাপ্‌। দোকান বাজার সব নামে আরRead more

    স্বপ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

    একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু-
    “চেয়ে দেখো” “চেয়ে দেখো” বলে যেন বিনু।
    চেয়ে দেখি, ঠোকাঠুকি বরগা-কড়িতে,
    কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে।
    ইঁটে-গড়া গণ্ডার বাড়িগুলো সোজা
    চলিয়াছে, দুদ্দাড় জানালা দরজা।
    রাস্তা চলেচে যত অজগর সাপ,
    পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপ্‌ ধাপ্‌।
    দোকান বাজার সব নামে আর উঠে,
    ছাদের গায়েতে ছাদ মরে মাথা কুটে।
    হাওড়ার ব্রিজ চলে মস্ত সে বিছে,
    হ্যারিসন্‌ রোড চলে তার পিছে পিছে।
    মনুমেণ্টের দোল যেন ক্ষ্যাপা হাতি
    শূন্যে দুলায়ে শুঁড় উঠিয়াছে মাতি।
    আমাদের ইস্‌কুল ছোটে হন্‌ হন্‌,
    অঙ্কের বই ছোটে, ছোটে ব্যাকরণ।
    ম্যাপগুলো দেয়ালেতে করে ছট্‌ ফট্‌,
    পাখি যেন মারিতেছে পাখার ঝাপট।
    ঘণ্টা কেবলি দোলে, ঢঙ্‌ ঢঙ্‌ বাজে—
    যত কেন বেলা হোক তবু থামে না যে।
    লক্ষ লক্ষ লোক বলে, “থামো থামো”,
    কোথা হতে কোথা যাবে, একী পাগ্‌লামো।”
    কলিকাতা শোনে না কো চলার খেয়ালে;
    নৃত্যের নেশা তার স্তম্ভে দেয়ালে।
    আমি মনে মনে ভাবি চিন্তা তো নাই,
    কলিকাতা যাক নাকো সোজা বোম্বাই।
    দিল্লি লাহোরে যাক, যাক না আগরা-
    মাথায় পাগ‍্‌ড়ি দেব পায়েতে নাগ্‌রা।
    কিম্বা সে যদি আজ বিলাতেই ছোটে
    ইংরেজ হবে সবে বুট-হ্যাট্‌-কোটে।
    কিসের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল যেই-

    কবিতা সম্মন্দে

    “একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু” রবীন্দ্রনাথের লিখিত একটি কৌতুকপূর্ণ কবিতা । কবি তাঁর স্বপ্নে তাঁর প্রিয় কলকাতা শহরকে দেখেছেন একটি চলমান শহর হিসাবে। কলকাতার বিভিন্ন বিখ্যাত জায়গাগুলি যেমন হাওড়া ব্রিজ, হ্যারিসন রোড সহ জায়গার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি স্বপ্নে সব কিছুকে চলতে দেখেছেন।
    দেখি, কলিকাতা আছে কলিকাতাতেই॥

    See less
      • -1
  • 2
  • 32,882
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু ((রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) kolikata choliyache norite norite lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 4:56 am

    স্বপ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু- “চেয়ে দেখো” “চেয়ে দেখো” বলে যেন বিনু। চেয়ে দেখি, ঠোকাঠুকি বরগা-কড়িতে, কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে। ইঁটে-গড়া গণ্ডার বাড়িগুলো সোজা চলিয়াছে, দুদ্দাড় জানালা দরজা। রাস্তা চলেচে যত অজগর সাপ, পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপ্‌ ধাপ্‌। দোকান বাজার সব নামে আরRead more

    স্বপ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

    একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু-
    “চেয়ে দেখো” “চেয়ে দেখো” বলে যেন বিনু।
    চেয়ে দেখি, ঠোকাঠুকি বরগা-কড়িতে,
    কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে।
    ইঁটে-গড়া গণ্ডার বাড়িগুলো সোজা
    চলিয়াছে, দুদ্দাড় জানালা দরজা।
    রাস্তা চলেচে যত অজগর সাপ,
    পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপ্‌ ধাপ্‌।
    দোকান বাজার সব নামে আর উঠে,
    ছাদের গায়েতে ছাদ মরে মাথা কুটে।
    হাওড়ার ব্রিজ চলে মস্ত সে বিছে,
    হ্যারিসন্‌ রোড চলে তার পিছে পিছে।
    মনুমেণ্টের দোল যেন ক্ষ্যাপা হাতি
    শূন্যে দুলায়ে শুঁড় উঠিয়াছে মাতি।
    আমাদের ইস্‌কুল ছোটে হন্‌ হন্‌,
    অঙ্কের বই ছোটে, ছোটে ব্যাকরণ।
    ম্যাপগুলো দেয়ালেতে করে ছট্‌ ফট্‌,
    পাখি যেন মারিতেছে পাখার ঝাপট।
    ঘণ্টা কেবলি দোলে, ঢঙ্‌ ঢঙ্‌ বাজে—
    যত কেন বেলা হোক তবু থামে না যে।
    লক্ষ লক্ষ লোক বলে, “থামো থামো”,
    কোথা হতে কোথা যাবে, একী পাগ্‌লামো।”
    কলিকাতা শোনে না কো চলার খেয়ালে;
    নৃত্যের নেশা তার স্তম্ভে দেয়ালে।
    আমি মনে মনে ভাবি চিন্তা তো নাই,
    কলিকাতা যাক নাকো সোজা বোম্বাই।
    দিল্লি লাহোরে যাক, যাক না আগরা-
    মাথায় পাগ‍্‌ড়ি দেব পায়েতে নাগ্‌রা।
    কিম্বা সে যদি আজ বিলাতেই ছোটে
    ইংরেজ হবে সবে বুট-হ্যাট্‌-কোটে।
    কিসের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল যেই-

    কবিতা সম্মন্দে

    “একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু” রবীন্দ্রনাথের লিখিত একটি কৌতুকপূর্ণ কবিতা । কবি তাঁর স্বপ্নে তাঁর প্রিয় কলকাতা শহরকে দেখেছেন একটি চলমান শহর হিসাবে। কলকাতার বিভিন্ন বিখ্যাত জায়গাগুলি যেমন হাওড়া ব্রিজ, হ্যারিসন রোড সহ জায়গার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি স্বপ্নে সব কিছুকে চলতে দেখেছেন।
    দেখি, কলিকাতা আছে কলিকাতাতেই॥

    See less
      • -1
  • 1
  • 8,073
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

রবীন্দ্রসংগীত- তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে | tumi nabo nabo rupe eso prane lyrics in bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 3:48 am

    তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে। এসো গন্ধে বরনে, এসো গানে। এসো অঙ্গে পুলকময় পরশে, এসো চিত্তে অমৃতময় হরষে, এসো মুগ্ধ মুদিত দু নয়ানে॥ এসো নির্মল উজ্জ্বল কান্ত, এসো সুন্দর স্নিগ্ধ প্রশান্ত, এসো এসো হে বিচিত্র বিধানে। এসো দু:খে সুখে, এসো মর্মে, এসো নিত্য নিত্য সব কর্মে; এসো সকল-কর্ম-অবসানে॥

    তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে।

    এসো গন্ধে বরনে, এসো গানে।

    এসো অঙ্গে পুলকময় পরশে,

    এসো চিত্তে অমৃতময় হরষে,

    এসো মুগ্ধ মুদিত দু নয়ানে॥

    এসো নির্মল উজ্জ্বল কান্ত,

    এসো সুন্দর স্নিগ্ধ প্রশান্ত,

    এসো এসো হে বিচিত্র বিধানে।

    এসো দু:খে সুখে, এসো মর্মে,

    এসো নিত্য নিত্য সব কর্মে;

    এসো সকল-কর্ম-অবসানে॥

    See less
      • 0
  • 1
  • 2,636
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

খেয়া কবিতার সারাংশ ও বিষয়বস্তু (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) kheya poem summary in bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on May 9, 2020 at 11:24 pm

    সারাংশ : খেয়া কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত চৈতালি কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। রবীন্দ্রনাথ পতিসরের নাগর নদী ভ্রমণকালে থাকা অবস্থায় এই কবিতা রচনা করেছিলেন। কবি নদীর তীরে গড়ে ওঠা সরল গ্রাম্য জীবনধারা এই কবিতার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। খেয়া রবীন্দ্রনাথের একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা। এই কবিতায় সভ্যতার দুইটিRead more

    সারাংশ :
    খেয়া কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত চৈতালি কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। রবীন্দ্রনাথ পতিসরের নাগর নদী ভ্রমণকালে থাকা অবস্থায় এই কবিতা রচনা করেছিলেন। কবি নদীর তীরে গড়ে ওঠা সরল গ্রাম্য জীবনধারা এই কবিতার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

    খেয়া রবীন্দ্রনাথের একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা। এই কবিতায় সভ্যতার দুইটি দিক; কোলাহল মগ্ন নগর এবং শান্তি প্রবন গ্রামাঞ্চলের জীবনের চরিত্র ফুটে উঠেছে।
    কবিতার প্রথমেই সহজ সরল গ্রামাঞ্চলের শান্তিপ্রিয় মানুষের জীবনের বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে। নদীর দুই তীরে দুইটি গ্রাম কিন্তু এই দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক, জানাশোনা। নিত্যদিন ওরা খেয়ার মাধ্যমে এক গ্রাম হইতে অন্য গ্রামে আসা-যাওয়া করে। তাই খেয়ে নৌকা হয়ে উঠেছে দুই পাড়ের মানুষের আত্মীয়তার অনন্য বাহন।
    গ্রামের মানুষ গুলি এতই সহজ যে ওরা বাইরের জগৎ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। বহির্বিশ্বে কত না যুদ্ধ-বিগ্রহ লড়াই অবিরাম হয়ে যাচ্ছে আর কত না ইতিহাস নিত্যদিনে গড়ে উঠছে। ক্ষমতার লড়াই এর ফলে হচ্ছে রক্তপাত, যুদ্ধ। আর সেই যুদ্ধে কেহ বা ক্ষমতা অর্জন করছে আর কেহ ক্ষমতাচ্যুত হয়ে যাচ্ছে।

    রক্তপ্রবাহের মাঝে ফেনাইয়া উঠে
    সোনার মুকুট কত ফুটে আর টুটে

    অর্থাৎ কত রাজা বা ক্ষমতাবান সরকার যুদ্ধে পরাজিত হচ্ছে আর যুদ্ধে জয় লাভ করছে। এ সবকিছুই যেন এই গ্রামের মানুষদের ছুইতে পারে নাই।
    মানুষের সভ্যতার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্টি হচ্ছে নতুনত্বের। বিজ্ঞানের অগ্রগতি মানব সভ্যতাকে নিয়ে এসেছে এক নতুন স্থানে। মানুষের মনে তৃষ্ণা জেগেছে না জানাকে জানার, অসম্ভবকে সম্ভব করার। তাই আবিষ্কৃত হচ্ছে নতুন পদ্ধতি নতুন প্রযুক্তি। আর তার সঙ্গে উঠছে অনেক হলাহল অর্থাৎ বিশৃঙ্খলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    কিন্তু নদীর এই দুই তীরবর্তী গ্রাম তার ব্যতিক্রম। এখানে নেই কোনো নতুনত্ব, নেই কোনো অগ্রগতি, নেই কোন বহির্বিশ্বের খবর।

    এই খেয়া চিরদিন চলে নদীস্রোতে

    তাদের সরল জীবনযাত্রায় কোন বাধাপ্রাপ্ত হয় নাই। গ্রামের দুই পারের মানুষের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব-সংঘাত ঘটেনি বরং ওদের মধ্যে রয়েছে মিলন, ভালোবাসা এবং আদান প্রদান। তাদের জীবনের নদীস্রোত নদীর খেয়ার মত চলে যাচ্ছে অবলীলায়।

    মূলভাব :

    কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই কবিতার মাধ্যমে নগরজীবনের বা উন্নত সভ্যতার অন্ধকার দিক কে তুলে ধরেছেন। যদিও নগরজীবন বা আধুনিক সভ্যতা গ্রামাঞ্চলের মানুষ থেকে অনেক উন্নত কিন্তু তাদের মধ্যে মিল নেই, মায়া নেই বরং সংঘাত এবং দ্বন্দ্বে পরিপূর্ণ। আর তার বিপরীতে গ্রাম্য জীবনযাত্রা অনুন্নত হওয়া সত্বেও তাদের মধ্যে রয়েছে নিবিড় মিলন, ভালোবাসা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা।

    See less
      • 5
  • 4
  • 63,629
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা : রথযাত্রা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Rath Yatra Poem in Bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 1:37 am

    রথযাত্রা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রথযাত্রার দিন কাছে। তাই রানী রাজাকে বললে, ‘চলো, রথ দেখতে যাই।’ রাজা বললে, ‘আচ্ছা।’ ঘোড়াশাল থেকে ঘোড়া বেরোল, হাতিশাল থেকে হাতি। ময়ূরপংখি যায় সারে সারে, আর বল্লম হাতে সারে সারে সিপাইসান্ত্রি। দাসদাসী দলে দলে পিছে পিছে চলল। কেবল বাকি রইল একজন। রাজবাড়ির ঝাঁটার কাঠি কুড়িযRead more

    রথযাত্রা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রথযাত্রার দিন কাছে।

    তাই রানী রাজাকে বললে, ‘চলো, রথ দেখতে যাই।’

    রাজা বললে, ‘আচ্ছা।’

    ঘোড়াশাল থেকে ঘোড়া বেরোল, হাতিশাল থেকে হাতি। ময়ূরপংখি যায় সারে সারে, আর বল্লম হাতে সারে সারে সিপাইসান্ত্রি। দাসদাসী দলে দলে পিছে পিছে চলল।

    কেবল বাকি রইল একজন। রাজবাড়ির ঝাঁটার কাঠি কুড়িয়ে আনা তার কাজ।

    সর্দার এসে দয়া করে তাকে বললে, ‘ওরে, তুই যাবি তো আয়।’

    সে হাত জোড় করে বললে, ‘আমার যাওয়া ঘটবে না।’

    রাজার কানে কথা উঠল, সবাই সঙ্গে যায়, কেবল সেই দুঃখীটা যায় না।

    রাজা দয়া করে মন্ত্রীকে বললে, ‘ওকেও ডেকে নিয়ো।’

    রাস্তার ধারে তার বাড়ি। হাতি যখন সেইখানে পৌঁছল মন্ত্রী তাকে ডেকে বললে, ‘ওরে দুঃখী, ঠাকুর দেখবি চল্‌।’

    সে হাত জোড় করে বলল, ‘কত চলব। ঠাকুরের দুয়ার পর্যন্ত পৌঁছই এমন সাধ্য কি আমার আছে।’

    মন্ত্রী বললে, ‘ভয় কী রে তোর, রাজার সঙ্গে চলবি।’

    সে বললে, ‘সর্বনাশ! রাজার পথ কি আমার পথ।’

    মন্ত্রী বললে, ‘তবে তোর উপায়? তোর ভাগ্যে কি রথযাত্রা দেখা ঘটবে না।’

    সে বললে, ‘ঘটবে বই কি। ঠাকুর তো রথে করেই আমার দুয়ারে আসেন।’

    মন্ত্রী হেসে উঠল। বললে, ‘তোর দুয়ারে রথের চিহ্ন কই।’

    দুঃখী বললে, ‘তাঁর রথের চিহ্ন পড়ে না।’

    মন্ত্রী বললে, ‘কেন বল্‌ তো।’

    দুঃখী বললে, ‘তিনি যে আসেন পুষ্পকরথে।’

    মন্ত্রী বললে, ‘কই রে সেই রথ।’

    দুঃখী দেখিয়ে দিলে, তার দুয়ারের দুই পাশে দুটি সূর্যমুখী ফুটে আছে।

     

    See less
      • 0
  • 1
  • 10,426
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

ছন্নছাড়া (অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত) achintya kumar sengupta kobita chonnochara lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 28, 2020 at 4:56 am

    ছন্নছাড়া | chonnochara অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত গলির মোড়ে একটা গাছ দাঁড়িয়ে গাছ না গাছের প্রেতচ্ছায়া — আঁকাবাঁকা শুকনো কতকগুলি কাঠির কঙ্কাল শূন্যের দিকে এলোমেলো তুলে দেওয়া, রুক্ষ রুষ্ট রিক্ত জীর্ণ লতা নেই পাতা নেই ছায়া নেই ছাল-বাকল নেই নেই কোথাও এক আঁচড় সবুজের প্রতিশ্রুতি এক বিন্দু সরসের সম্ভাবনাRead more

    ছন্নছাড়া | chonnochara

    অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত

    গলির মোড়ে একটা গাছ দাঁড়িয়ে
    গাছ না গাছের প্রেতচ্ছায়া —
    আঁকাবাঁকা শুকনো কতকগুলি কাঠির কঙ্কাল
    শূন্যের দিকে এলোমেলো তুলে দেওয়া,
    রুক্ষ রুষ্ট রিক্ত জীর্ণ
    লতা নেই পাতা নেই ছায়া নেই ছাল-বাকল নেই
    নেই কোথাও এক আঁচড় সবুজের প্রতিশ্রুতি
    এক বিন্দু সরসের সম্ভাবনা |
    ওই পথ দিয়ে
    জরুরি দরকারে যাচ্ছিলাম ট্যাক্সি ক’রে |
    ড্রাইভার বললে, ওদিকে যাব না |
    দেখছেন না ছন্নছাড়া ক’টা বেকার ছোকরা
    রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছে–
    চোঙা প্যান্ট, চোখা জুতো, রোখা মেজাজ, ঠোকা কপাল–
    ওখান দিয়ে গেলেই গাড়ি থামিয়ে লিফট চাইবে,
    বলবে, হাওয়া খাওয়ান |

    ওরা কারা ?
    চেনেন না ওদের ?
    ওরা বিরাট এক নৈরাজ্যের –এক নেই রাজ্যের বাসিন্দে |
    ওদের কিছু নেই
    ভিটে নেই ভিত নেই রীতি নেই নীতি নেই
    আইন নেই কানুন নেই বিনয় নেই ভদ্রতা নেই
    শ্লীলতা-শালীনতা নেই |
    ঘেঁষবেন না ওদের কাছে |

    কেন নেই ?
    ওরা যে নেই রাজ্যের বাসিন্দে–
    ওদের জন্যে কলেজে সিট নেই
    অফিসে চাকরি নেই
    কারখানায় কাজ নেই
    ট্রামে-বাসে জায়গা নেই

    মেলায়-খেলায় টিকিট নেই
    হাসপাতালে বেড নেই
    বাড়িতে ঘর নেই
    খেলবার মাঠ নেই
    অনুসরণ করবার নেতা নেই
    প্রেরণা-জাগানো প্রেম নেই
    ওদের প্রতি সম্ভাষণে কারু দরদ নেই–
    ঘরে-বাইরে উদাহরণ যা আছে
    তা ক্ষুধাহরণের সুধাক্ষরণের উদাহরণ নয়,
    তা সুধাহরণের ক্ষুধাভরণের উদাহরণ–
    শুধু নিজের দিকে ঝোল- টানা |
    এক ছিল মধ্যবিত্ত বাড়ির এক চিলতে ফালতু এক রক
    তাও দিয়েছে লোপট ক’রে |

    তাই এখন পথে এসে দাঁড়িয়েছে সড়কের মাঝখানে |
    কোথ্বকে আসছে সেই অতীতের স্মৃতি নেই |
    কোথায় দাঁড়িয়ে আছে সেই বর্তমানের গতি নেই
    কোথায় চলেছে নেই সেই ভবিষ্যতের ঠিকানা |

    সেচ-হীন ক্ষেত
    মণি-হীন চোখ
    চোখ-হীন মুখ
    একটা স্ফুলিঙ্গ-হীন ভিজে বারুদের স্তুপ |

    আমি বললুম, না ওদিক দিয়েই যাব,
    ওখান দিয়েই আমার শর্টকাট |
    ওদের কাছাকাছি হতেই মুখ বাড়িয়ে
    জিজ্ঞেস করলুম,
    তোমাদের ট্যাক্ সি লাগবে ? লিফট চাই ?
    আরে এই তো ট্যাক্ সি, এই তো ট্যাক্ সি, লে হালুয়া
    সোল্লাসে চেঁচিয়ে উঠল ওরা
    সিটি দিয়ে উঠল
    পেয়ে গেছি পেয়ে গেছি চল পানসি বেলঘরিয়া |
    তিন-তিনটে ছোকরা উঠে পড়ল ট্যাক্ সীতে,
    বললুম কদ্দুর যাবে |
    এই কাছেই | ওই দেখতে পাচ্ছেন না ভিড় ?
    সিনেমা না, জলসা না, নয় কোনো ফিল্মি তারকার অভ্যর্থনা |
    একটা নিরীহ লোক গাড়িচাপা পড়েছে,
    চাপা দিয়ে গাড়িটা উধাও–
    আমাদের দলের কয়েকজন গাড়িটার পিছে ধাওয়া করেছে
    আমরা খালি ট্যাক্ সি খুঁজছি |
    কে সে লোক ?
    একটা বেওয়ারিশ ভিখিরি |
    রক্তে-মাংসে দলা পাকিয়ে গেছে |
    ওর কেউ নেই কিছু নেই
    শোবার জন্য ফুটপাথ আছে তো মাথার উপরে ছাদ নেই,
    ভিক্ষার জন্য পাত্র একটা আছে তো
    তার মধ্যে প্রকান্ড একটা ফুটো |
    রক্তে মাখামাখি সেই দলা-পাকানো ভিখিরিকে
    ওরা পাঁজাকোলা করে ট্যাক্ সির মধ্যে তুলে নিল |
    চেঁচিয়ে উঠল সমস্বরে –আনন্দে ঝংকৃত হয়ে–
    প্রাণ আছে, এখনো প্রাণ আছে |

    রক্তের দাগ থেকে আমার ভব্যতা ও শালীনতাকে বাঁচাতে গিয়ে
    আমি নেমে পড়লুম তাড়াতাড়ি |
    তারপর সহসা শহরের সমস্ত কর্কশে-কঠিনে
    সিমেন্টে-কংক্রিটে |
    ইটে-কাঠে-পিচে-পাথরে দেয়ালে-দেয়ালে
    বেজে উঠল এক দুর্বার উচ্চারণ
    এক প্রত্যয়ের তপ্ত শঙ্খধ্বনি–
    প্রাণ আছে, এখনো প্রাণ আছে
    সমস্ত বাধা-নিষেধের বাইরেও
    আছে অস্তিত্বের অধিকার |

    ফিরে আসতেই দেখি
    গলির মোড়ে গাছের সেই শুকনো বৈরাগ্য বিদীর্ণ ক’রে
    বেরিয়ে পড়েছে হাজার-হাজার সোনালি কচি পাতা
    মর্মরিত হচ্ছে বাতাসে,
    দেখতে দেখতে গুচ্ছে গুচ্ছে উথলে উঠছে ফুল
    ঢেলে দিয়েছে বুকের সুগন্ধ,
    উড়ে এসেছে রঙ-বেরঙের পাখি
    শুরু করেছে কলকন্ঠের কাকলি,
    ধীরে ধীরে ঘন পত্রপুঞ্জে ফেলেছে স্নেহার্দ্র দীর্ঘছায়া
    যেন কোনো শ্যামল আত্মীয়তা |
    অবিশ্বাস্য চোখে চেয়ে দেখলুম
    কঠোরের প্রচ্ছন্নে মাধুর্যের বিস্তীর্ণ আয়োজন |
    প্রাণ আছে, প্রাণ আছে– শুধু প্রাণই আশ্চর্য সম্পদ
    এক ক্ষয়হীন আশা
    এক মৃত্যুহীন মর্যাদা |

    কবিতা সম্মন্দে

    এই কবিতাটি ’পুব-পশ্চিম’ কবিতা গ্রন্থের অন্তর্গত । অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত ‘কল্লোল’ গোষ্ঠীর অন্যতম লেখক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে অতি আধুনিক ধারা সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯২৫-এ তিনি ‘কল্লোল’ পত্রিকা পত্রিকা প্রকাশের সামগ্রিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন। একদিকে রোমান্টিকতা, অন্যদিকে গণচেতনা তাঁর কবিতার ভাববস্তু নির্মাণে বৈচিত্র্য এনেছে।এইসব কবির সমবায়ে বাংলা কবিতায় প্রকৃত আধুনিকতার সৃষ্টি হয়।

    See less
      • 0
  • 1
  • 6,002
  • 0
Answer
Load More Questions

Sidebar

আরও দেখুন

  • কবিতা : রানার | Runner Chuteche Lyrics in Bengali
  • পাল্কীর গান (সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত) Palki Chole Poem by Satyendranath Dutta?
  • লোহার ব্যাথা (যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত) Lohar Batha Bengali Poem Lyrics?
  • বঙ্কিমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন কবিতা | Bankim Chandra Chatterjee Poems in Bengali?
  • বন্দে মাতরম (বঙ্কিমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়) Vande Mataram lyrics in Bengali?
  • কবিতা : আমরা (বাঙালি) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত | Amra Bangali by Satyendranath Dutta?
  • বাংলাদেশ কবিতা সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত সারাংশ | Bangladesh Poem by Satyendranath Dutta Summary in Bengali?
  • কবিতা : সাগর তর্পণ (সত্যেন্দ্র নাথ দত্ত) Sagar Tarpan Poem by Satyendranath Dutta in Bengali ?
  • কবিতা : হাট ( দূরে দূরে গ্রাম দশ বারোখানি) Dure Dure Gram Dash Baro Kahani Poem ?
  • কবিতা : কোন্ দেশে (সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত) Kon Deshe Poem by Satyendranath Dutta?
  • কবিতা : দেশলাই কাঠি (সুকান্ত ভট্টাচার্য) Deshlai kathi poem in Bengali?
  • রবীন্দ্রসংগীত : তুমি কোন কাননের ফুল | Tumi Kon Kanoner Phool lyrics in Bengali with English Translation?
  • কবিতা : পরশ পাথর (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Parash Pathar Poem by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতা : নিষ্কৃতি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Nishkriti by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতা : ক্যামেলিয়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Camellia Poem by Rabindranath Tagore in Bengali lyrics?
  • কবিতা : দেবতার বিদায় (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Debotar Biday by Rabindranath Tagore?
  • কবিতা : প্রশ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Proshno Kobita Rabindranath Tagore in Bengali?
  • অভিসার (সন্ন্যাসী উপগুপ্ত) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Upagupta Poem lyrics in Bengali and English?
  • কবিতা : মূল্যপ্রাপ্তি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Mulya Prapti Poem in Bengali?
  • কবিতা : পূজারিনী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Pujarini Poem by Rabindranath Tagore in Bengali?
Join us on Telegram
Join our FaceBook Group

বিষয়

All Bangla Paragraph (105) Apurba Dutta Poems (4) Bangla application format (11) Bangla Choto Golpo (7) Bangla dorkhasto lekha (11) Bangla gazal lyrics (8) Bangla GK (177) Bangla Kobita (203) Bangla Rachana (105) baul gaan lyrics (6) baul song lyrics (6) Bengali antonyms (40) Bengali Essay (105) Bengali letter Writing (11) Bengali lullaby lyrics (3) bengali lyrics (82) Bengali Meaning (259) bengali poem (14) Bengali Poems (124) Bengali Poem Summary (21) Bengali Rachana (99) Bengali short story (7) bengali song lyrics (98) bengali song lyrics in bengali (98) Bengali synonyms (33) chandrabindu lyrics (2) English grammar in Bengali (6) English to Bengali Meaning (270) English to Bengali Translation (256) Essay (75) Full form (14) general knowledge bengali (7) indian history in bengali (9) Joy Goswami kobita (4) kazi nazrul islamer kobita (8) Kobita (143) lyrics (17) Myth (3) nirendranath chakraborty poem (5) Nirmalendu Goon Poems (6) Paragraph (20) Parts of speech in Bengali (6) Pod Poriborton (39) Poem (3) poem summary in bengali (21) rabindranath tagore poems (57) Rabindra Sangeet lyrics (5) shakti chattopadhyay poems (7) Social Science (6) Somarthok Shobdo (33) Somas Bangla Grammar (15) sukanta bhattacharya kobita (4) Sukumar Roy Poem (16) Summary (8) অনুচ্ছেদ (127) অপূর্ব দত্তের কবিতা (4) আধ্যাত্মিক (10) ইংরেজি অনুবাদ (6) ইংরেজি থেকে বাংলা (6) ইংলিশ বাংলা অনুবাদ (6) ইন্টারনেট (1) ইসলাম (18) ইসলাম ধর্মীয় প্রশ্ন উত্তর (18) ইসলামী নাত ও গজল (8) ইসলামী সংগীত লিরিক্স (8) কবিতা (26) কবিতার সারাংশ ও সারমর্ম (21) কাজী নজরুল ইসলাম (8) কুসংস্কার (3) গানের কথা (14) ঘুম পাড়ানি গান lyrics (3) ছোটগল্প (7) জয় গোস্বামী (4) জয় গোস্বামীর কবিতা (4) জেনারেল নলেজ (7) জেনারেল নলেজ প্রশ্ন ও উত্তর (39) নির্মলেন্দু গুণের কবিতা (6) নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কবিতা (5) পদ পরিবর্তন (39) পূর্ণরূপ (14) প্রকৃতি (17) প্রক্রিতি (23) ফলমূল (28) ফুল ফর্ম (14) বাংলা general knowledge (52) বাংলা অর্থ (275) বাংলা আবেদন পত্র (11) বাংলা কবিতা (219) বাংলা কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (68) বাংলা গান লিরিক্স (97) বাংলা গানের লিরিক্স (98) বাংলা ছোট গল্প (7) বাংলা দরখাস্ত নমুনা (11) বাংলা প্রবন্ধ (97) বাংলা বাক্য রচনা (176) বাংলা বিপরীত শব্দ (40) বাংলা রচনা (127) বাউল গান লিরিক্স (6) বাক্য রচনা (176) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (1) বিজ্ঞান শিক্ষা (17) বিপরীত শব্দ (40) বোঝাপড়া কবিতা (3) ব্যাখ্যা (8) ভক্তিভাজন (10) ভারতের ইতিহাস (9) ভূগোল (5) মধ্যযুগের ভারতের ইতিহাস (9) মূলভাব (8) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (34) রবীন্দ্রসংগীত (1) রবীন্দ্র সংগীত লিরিক্স (5) লিরিক্স (17) শক্তি চট্টোপাধ্যায় kobita (7) শঙ্খ ঘোষ (8) শুভ দাশগুপ্ত (7) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (5) সন্ধি বিচ্ছেদ (8) সন্ধি বিচ্ছেদ ব্যবহার (8) সমাজ বিজ্ঞান (6) সমার্থক শব্দ (33) সমাস (15) সারাংশ (8) সুকান্তের কবিতা (4) সুকুমার রায় (16)

Footer

© 2025 Bengali Forum · All rights reserved. Contact Us

Add Bengali Forum to your Homescreen!

Add