Sign Up

Continue with Google
or use


Have an account? Sign In Now

Sign In

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.


Have an account? Sign In Now

Sorry, you do not have permission to ask a question, You must login to ask a question.

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Need An Account, Sign Up Here

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Bengali Forum Logo Bengali Forum Logo
Sign InSign Up

Bengali Forum

Bengali Forum Navigation

  • বিষয়
  • ব্লগ
  • হযবরল
Search
Ask A Question

Mobile menu

Close
Ask A Question
  • বাংলা অভিধান
  • সাহিত্য
  • শিক্ষা
  • রচনা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • ইংলিশ টু বাংলা
  • বিজ্ঞান
  • বাংলা কুইজ
  • ধৰ্ম ও সংস্কৃতি
  • ইতিহাস
  • মতামত

Bengali Forum Latest Questions

In: সাহিত্য

কবিতাঃ দুষ্টু (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Dustu Poem By Rabindranath Tagore lyrics?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on August 13, 2020 at 1:19 pm

    দুষ্টু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ-শিশু ভোলানাথ তোমার কাছে আমিই দুষ্টু ভালো যে আর সবাই। মিত্তিরদের কালু নিলু ভারি ঠাণ্ডা ক-ভাই! যতীশ ভালো, সতীশ ভালো, ন্যাড়া নবীন ভালো, তুমি বল ওরাই কেমন ঘর করে রয় আলো। মাখন বাবুর দুটি ছেলে দুষ্টু তো নয় কেউ– গেটে তাদের কুকুর বাঁধা কর্তেছে ঘেউ ঘেউ। পাঁচকড়ি ঘোষRead more

    দুষ্টু

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    কাব্যগ্রন্থ-শিশু ভোলানাথ

    তোমার কাছে আমিই দুষ্টু
    ভালো যে আর সবাই।
    মিত্তিরদের কালু নিলু
    ভারি ঠাণ্ডা ক-ভাই!
    যতীশ ভালো, সতীশ ভালো,
    ন্যাড়া নবীন ভালো,
    তুমি বল ওরাই কেমন
    ঘর করে রয় আলো।
    মাখন বাবুর দুটি ছেলে
    দুষ্টু তো নয় কেউ–
    গেটে তাদের কুকুর বাঁধা
    কর্তেছে ঘেউ ঘেউ।
    পাঁচকড়ি ঘোষ লক্ষ্মী ছেলে,
    দত্তপাড়ার গবাই,
    তোমার কাছে আমিই দুষ্টু
    ভালো যে আর সবাই।
    তোমার কথা আমি যেন
    শুনি নে কক্খনোই,
    জামাকাপড় যেন আমার
    সাফ থাকে না কোনোই!
    খেলা করতে বেলা করি,
    বৃষ্টিতে যাই ভিজে,
    দুষ্টুপনা আরো আছে
    অমনি কত কী যে!
    বাবা আমার চেয়ে ভালো?
    সত্যি বলো তুমি,
    তোমার কাছে করেন নি কি
    একটুও দুষ্টুমি?
    যা বল সব শোনেন তিনি,
    কিচ্ছু ভোলেন নাকো?
    খেলা ছেড়ে আসেন চলে
    যেমনি তুমি ডাক?

     

    Dustu Poem By Rabindranath Tagore lyrics:

    Dustu
    Rabindranath Tagore

    Tumar kache ami e dustu
    valo je ar shobai
    Mittirider kalu nilo
    Bhari thanda k-bhai
    Jatish valo, Satish valo
    Nara nabin valo
    Tumi bolo orai kemon
    Ghar kore roy alo
    Makhon babur duti chele
    Dustu to noy keu
    gate tader kukur badha
    Korteche gheu, gheu
    Pachkori gosh lokkhi chele
    Dattaparar gobai,
    Tumar kache ami e dustu
    valo je ar shobai
    Tumar kotha ami jeno
    Shuni ni kokhono e
    Jamakapor jeno amar
    Saf tahke na kuno e
    Khela korte bela kori
    Briostite jai vije
    dustupona aro aache
    Amni koto ki je!
    Baba amar cheye valo?
    Shotti bolo tumi,
    Tumar kache koren ni ki
    ektuku dustumi
    Ja bolo shob shunen tini
    Kicchu bhulen nako?
    Khela chere aashen chole
    Jemni tumi dako?

    See less
      • 1
  • 1
  • 14,149
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

লুকোচুরি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Poem Lukochuri Rabindranath Tagore Bengali Script?

  1. Nibedita Paul
    Nibedita Paul
    Added an answer on May 27, 2020 at 11:07 pm

    লুকোচুরি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমি যদি দুষ্টুমি ক’রে চাঁপার গাছে চাঁপা হয়ে ফুটি, ভোরের বেলা মা গো, ডালের ‘পরে কচি পাতায় করি লুটোপুটি, তবে তুমি আমার কাছে হারো, তখন কি মা চিনতে আমায় পারো। তুমি ডাক, “খোকা কোথায় ওরে।’ আমি শুধু হাসি চুপটি করে। যখন তুমি থাকবে যে কাজ নিয়ে সবই আমি দেখব নয়ন মেলে। স্নানটি করে চাঁRead more

    লুকোচুরি

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    আমি যদি দুষ্টুমি ক’রে
    চাঁপার গাছে চাঁপা হয়ে ফুটি,
    ভোরের বেলা মা গো, ডালের ‘পরে
    কচি পাতায় করি লুটোপুটি,
    তবে তুমি আমার কাছে হারো,
    তখন কি মা চিনতে আমায় পারো।
    তুমি ডাক, “খোকা কোথায় ওরে।’
    আমি শুধু হাসি চুপটি করে।

    যখন তুমি থাকবে যে কাজ নিয়ে
    সবই আমি দেখব নয়ন মেলে।
    স্নানটি করে চাঁপার তলা দিয়ে
    আসবে তুমি পিঠেতে চুল ফেলে;
    এখান দিয়ে পুজোর ঘরে যাবে,
    দূরের থেকে ফুলের গন্ধ পাবে —
    তখন তুমি বুঝতে পারবে না সে
    তোমার খোকার গায়ের গন্ধ আসে।

    দুপুর বেলা মহাভারত-হাতে
    বসবে তুমি সবার খাওয়া হলে,
    গাছের ছায়া ঘরের জানালাতে
    পড়বে এসে তোমার পিঠে কোলে,
    আমি আমার ছোট্ট ছায়াখানি
    দোলাব তোর বইয়ের ‘পরে আনি —
    তখন তুমি বুঝতে পারবে না সে
    তোমার চোখে খোকার ছায়া ভাসে।

    সন্ধেবেলায় প্রদীপখানি জ্বেলে
    যখন তুমি যাবে গোয়ালঘরে
    তখন আমি ফুলের খেলা খেলে
    টুপ্ করে মা, পড়ব ভুঁয়ে ঝরে।
    আবার আমি তোমার খোকা হব,
    “গল্প বলো’ তোমায় গিয়ে কব।
    তুমি বলবে, “দুষ্টু, ছিলি কোথা।’
    আমি বলব, “বলব না সে কথা ।

    আরও পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতাসমূহ

    In English Script:

    Lukkochuri
    Rabindranath Tagore

    Ami jodi dushtomi kore
    Chapar gache chapa hoye futi
    Bhorer bela ma go, daler pore
    Kochi patay kori lotoputi,
    Tobe tumi amar kache haro,
    Takhan ki maa chinte amay paro
    Tumi dako, ‘kokha kothay ore.’
    Ami shudhu hashi chupti kore.

    Jakhan tumi thakbe je kaj niye
    Shoboi ami dekhbo nayan mele
    snanti kore chapar tola diye
    Ashbe tumi pithe te chul fele
    Ekhan diye pujar ghore jabe
    Durer theke fuler gando pabe
    Takhan tumi bujte parbe na she
    Tumar khukar gayer gandha aashe .

    Dupur bela mohabharat hate
    Boshbe tumi shobar khawa hole,
    Gacher chaya ghorer janalate
    Porbe eshe tumar pithe kule,
    Ami amar chutto chayaklhani
    Dolabo tor boiyer “pore ani-
    Takhan tumi bujhte parbe na she
    Tumar khukar gayer gandha aashe.

    Shondhabelay prodikhani jele
    Jakhan tumi jabe guwalghore
    Takhan ami fuler khela khele
    Tup kore maa, porbo bhuye jhore
    Abar ami tumar khokha hobo,
    ‘Golpo bolo’ Tumay giye kobo.
    Tumi bolbe, ‘Dustu chele kotha.’
    Ami bolbo, ‘bolbo na she kotha.’

    See less
      • 0
  • 1
  • 8,781
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতাঃ সাগরিকা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sagarika Poem by Rabindranath in Bengali?

  1. Nibedita Paul
    Nibedita Paul
    Added an answer on May 17, 2020 at 9:53 pm

    সাগরিকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ-মহুয়া সাগরজলে সিনান করি সজল এলোচুলে বসিয়াছিল উপল-উপকূলে। শিথিল পীতবাস মাটির 'পরে কুটিলরেখা লুটিল চারি পাশ। নিরাবরণ বক্ষে তব, নিরাভরণ দেহে চিকন সোনা-লিখন উষা আঁকিয়া দিল স্নেহে। মকরচূড় মুকুটখানি পরি ললাট-'পরে ধনুকবাণ ধরি দখিন করে, দাঁড়ানু রাজবেশী-- কহিনু, "আমি এসেRead more

    সাগরিকা

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    কাব্যগ্রন্থ-মহুয়া

    সাগরজলে সিনান করি সজল এলোচুলে
    বসিয়াছিল উপল-উপকূলে।
    শিথিল পীতবাস
    মাটির ‘পরে কুটিলরেখা লুটিল চারি পাশ।
    নিরাবরণ বক্ষে তব, নিরাভরণ দেহে
    চিকন সোনা-লিখন উষা আঁকিয়া দিল স্নেহে।
    মকরচূড় মুকুটখানি পরি ললাট-‘পরে
    ধনুকবাণ ধরি দখিন করে,
    দাঁড়ানু রাজবেশী–
    কহিনু, “আমি এসেছি পরদেশী।’
    চমকি ত্রাসে দাঁড়ালে উঠি শিলা-আসন ফেলে,
    শুধালে, “কেন এলে।’
    কহিনু আমি, “রেখো না ভয় মনে,
    পূজার ফুল তুলিতে চাহি তোমার ফুলবনে।’
    চলিলে সাথে হাসিলে অনুকূল,
    তুলিনু যূথী, তুলিনু জাতী, তুলিনু চাঁপাফুল।
    দুজনে মিলি সাজায়ে ডালি বসিনু একাসনে,
    নটরাজেরে পূজিনু একমনে।
    কুহেলি গেল, আকাশে আলো দিল-যে পরকাশি
    ধূর্জটির মুখের পানে পার্বতীর হাসি।
    সন্ধ্যাতারা উঠিল যবে গিরিশিখর-‘পরে
    একেলা ছিলে ঘরে।
    কটিতে ছিল নীল দুকূল, মালতীমালা মাথে,
    কাঁকন দুটি ছিল দুখানি হাতে।
    চলিতে পথে বাজায় দিনু বাঁশি,
    “অতিথি আমি’, কহিনু দ্বারে আসি।
    তরাসভরে চকিতকরে প্রদীপখানি জ্বেলে
    চাহিলে মুখে, কহিলে, “কেন এলে।’
    কহিনু আমি, “রেখো না ভয় মনে,
    তনু দেহটি সাজাব তব আমার আভরণে।’
    চাহিলে হাসিমুখে,
    আধোচাঁদের কনকমালা দোলানু তব বুকে।
    মকরচূড় মুকুটখানি কবরী তব ঘিরে
    পরায়ে দিনু শিরে।
    জ্বালায়ে বাতি মাতিল সখীদল,
    তোমার দেহে রতনসাজ করিল ঝলমল।
    মধুর হল বিধুর হল মাধবী নিশীথিনী,
    আমার তালে আমার নাচে মিলিল রিনিঝিনি।
    পূর্ণচাঁদ হাসে আকাশ-কোলে,
    আলোকছায়া শিবশিবানী সাগরজলে দোলে।
    ফুরাল দিন কখন নাহি জানি,
    সন্ধ্যাবেলা ভাসিল জলে আবার তরীখানি।
    সহসা বায়ু বহিল প্রতিকূলে,
    প্রলয় এল সাগরতলে দারুণ ঢেউ তুলে।
    লবণজলে ভরি
    আঁধার রাতে ডুবাল মোর রতনভরা তরী।
    আবার ভাঙা ভাগ্য নিয়ে দাঁড়ানু দ্বারে এসে
    ভূষণহীন মলিন দীন বেশে।
    দেখিনু আমি নটরাজের দেউলদ্বার খুলি
    তেমনি করে রয়েছে ভরে ডালিতে ফুলগুলি।
    হেরিনু রাতে, উতল উৎসবে
    তরল কলরবে
    আলোর নাচ নাচায় চাঁদ সাগরজলে যবে,
    নীরব তব নম্র নত মুখে
    আমারি আঁকা পত্রলেখা, আমারি মালা বুকে।
    দেখিনু চুপে চুপে
    আমারি বাঁধা মৃদঙ্গের ছন্দ রূপে রূপে
    অঙ্গে তব হিল্লোলিয়া দোলে
    ললিতগীতকলিত কল্লোলে।
    মিনতি মম শুন হে সুন্দরী,
    আরেক বার সমুখে এসো প্রদীপখানি ধরি।
    এবার মোর মকরচূড় মুকুট নাহি মাথে,
    ধনুকবাণ নাহি আমার হাতে;
    এবার আমি আনি নি ডালি দখিন সমীরণে
    সাগরকূলে তোমরা ফুলবনে।
    এনেছি শুধু বীণা,
    দেখো তো চেয়ে আমারে তুমি চিনিতে পার কি না।

    Shagarika
    Rabindranath Tagore

    Shagarjole sinan kori shojol elochule
    Boshiachilo upol-upokule
    Shithil pitobash
    Matir pore kutilrekha lutilo chari pash
    Nibaran bokke tobo, Nivaran dehe
    Chikon Shona-likhon usha aakia dilo snehe
    Makarchur mukutkhani pori lolat pore
    Dhanukban dhari dokin kore,
    Daranu rajbeshi-
    Kahinu, “ami eshechi podeshi”
    Chomki trashe darale uthi shila-aashon fele,
    Shudhale, “keno elo”
    Kahinu ami, “rekho na bhoy mone,
    Pujar ful tulite chahi tumar fulbono’
    Cholile sathe hashile onukul
    Tulinu jyoti, Tulinu jati, Tulinu chapaful.
    Dujone mili sajaye dali boshinu ekashone,
    natarajer pujinu ekmone.
    Kuhilo gelo, akashe alo dilo-je porkashi
    dhurjotir mukher pane parbotir hashi.
    Shondatara uthilo jobe girishikhor-pore
    Ekela chile ghore.
    Kotite chilo nil dukul, Malotimala mathe,
    Kakon duti chilo dukhani hate
    Cholite pothe bajay dinu bashi,
    “othiti aami, Kohinu dare aashi
    Torasovore chokikore prodipkhani jele
    Chahile mukhe, kohile, “keno elo”
    Kahinu ami, “rekho na bhoy mone,
    Tanu dehoti sajabo tabo amar aavorone”
    Chahile hashimukhe,
    Aadhochader konokmala dulanu tabo buke.
    Makarchur mukutkhani kobori taba ghire
    Poraye dinu shire.
    Jalaye bati matilo shokhidol,
    Tomar dehe ratanshaj korilo jholmol
    madhur holo bidhur holo madhobi nishithini,
    Amar tale amar nache mililo rinijhini
    Purnachad hashe akash-kole,
    Alokchaya shibshibani sagarjole dole.
    Furalo din kakhan nahi jani,
    Shondabela vashilo jole abar tarikhana.
    Sohosha bayu bohilo protikule,
    Proloy elo sagartole darun deu tule.
    Labanjole bhori
    Aadhar rate dubalo mor ratanbhora tori.
    Abar bhanga vagyo niye daranu dare eshe
    Bhushanhin molin din beshe.
    Dekinu ami natarajer deuldar khuli
    Temoni kore royeche bhore dalite fulguli.
    Herinu rate, utal uthshobe
    Taral Kolorobe
    Alor nach nachay chad sagartole jobe,
    Nirob taba namro nata mukhe
    Amari aaka potrolekha, amari mala buke.
    Dekinu chupe chupe
    Amari badha mridonger chanda rupe rupe
    Onge taba hillolia dole
    Lolitgeetkolito kollole
    Minoti Momo shuno he shundori
    Aarek bar shamukhe esho prodipkhani dhori.
    Ebar mor makarchur mukut nahi mathe,
    Dhanukban nahi amar hate;
    Ebar ami aani ni dali dokin shomirone
    shagarkule tomora fulbone.
    Enechi sudhu bina,
    Dekho to cheye amare tumi chinite paro ki na.

    See less
      • 0
  • 1
  • 10,006
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

দুরন্ত আশা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Duranta Asha Poem in Bengali lyrics?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on May 8, 2020 at 3:37 pm

    দুরন্ত আশা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ - মানসী মর্মে যবে মত্ত আশা সর্পসম ফোঁষে অদৃষ্টের বন্ধনেতে দাপিয়া বৃথা রোষে তখনো ভালোমানুষ সেজে বাঁধানো হুঁকা যতনে মেজে মলিন তাস সজোরে ভেঁজে খেলিতে হবে কষে! অন্নপায়ী বঙ্গবাসী স্তন্যপায়ী জীব জন-দশেকে জটলা করি তক্তপোষে ব'সে। ভদ্র মোরা, শান্ত বড়ো, পোষ-মানা এ প্রাRead more

    দুরন্ত আশা

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    কাব্যগ্রন্থ – মানসী

    মর্মে যবে মত্ত আশা
    সর্পসম ফোঁষে
    অদৃষ্টের বন্ধনেতে
    দাপিয়া বৃথা রোষে
    তখনো ভালোমানুষ সেজে
    বাঁধানো হুঁকা যতনে মেজে
    মলিন তাস সজোরে ভেঁজে
    খেলিতে হবে কষে!
    অন্নপায়ী বঙ্গবাসী
    স্তন্যপায়ী জীব
    জন-দশেকে জটলা করি
    তক্তপোষে ব’সে।

    ভদ্র মোরা, শান্ত বড়ো,
    পোষ-মানা এ প্রাণ
    বোতাম-আঁটা জামার নীচে
    শান্তিতে শয়ান।
    দেখা হলেই মিষ্ট অতি
    মুখের ভাব শিষ্ট অতি,
    অসল দেহ ক্লিষ্টগতি–
    গৃহের প্রতি টান।
    তৈল-ঢালা স্নিগ্ধ তনু
    নিদ্রারসে ভরা,
    মাথায় ছোটো বহরে বড়ো
    বাঙালি সন্তান।

    ইহার চেয়ে হতেম যদি
    আরব বেদুয়িন!
    চরণতলে বিশাল মরু
    দিগন্তে বিলীন।
    ছুটেছে ঘোড়া, উড়েছে বালি,
    জীবনস্রোত আকাশে ঢালি
    হৃদয়তলে বহ্নি জ্বালি
    চলেছি নিশিদিন।
    বর্শা হাতে, ভর্সা প্রাণে,
    সদাই নিরুদ্দেশ
    মরুর ঝড় যেমন বহে
    সকল বাধাহীন।

    বিপদ-মাঝে ঝাঁপায়ে প’ড়ে
    শোণিত উঠে ফুটে,
    সকল দেহে সকল মনে
    জীবন জেগে উঠে–
    অন্ধকারে সূর্যালোতে
    সন্তরিয়া মৃত্যুস্রোতে
    নৃত্যময় চিত্ত হতে
    মত্ত হাসি টুটে।
    বিশ্বমাঝে মহান যাহা
    সঙ্গী পরানের,
    ঝঞ্ঝামাঝে ধায় সে প্রাণ
    সিন্ধুমাঝে লুটে।

    নিমেষতরে ইচ্ছা করে
    বিকট উল্লাসে
    সকল টুটে যাইতে ছুটে
    জীবন-উচ্ছ্বাসে–
    শূন্য ব্যোম অপরিমাণ
    মদ্যসম করিতে পান
    মুক্ত করি রুদ্ধ প্রাণ
    ঊর্ধ্ব নীলাকাশে।
    থাকিতে নারি ক্ষুদ্র কোণে
    আম্রবনছায়ে
    সুপ্ত হয়ে লুপ্ত হয়ে
    গুপ্ত গৃহবাসে।

    বেহালাখানা বাঁকায়ে ধরি
    বাজাও ওকি সুর–
    তবলা-বাঁয়া কোলেতে টেনে
    বাদ্যে ভরপুর!
    কাগজ নেড়ে উচ্চ স্বরে
    পোলিটিকাল তর্ক করে,
    জানলা দিয়ে পশিছে ঘরে
    বাতাস ঝুরুঝুর।
    পানের বাটা, ফুলের মালা,
    তবলা-বাঁয়া দুটো,
    দম্ভ-ভরা কাগজগুলো
    করিয়া দাও দূর!

    কিসের এত অহংকার!
    দম্ভ নাহি সাজে–
    বরং থাকো মৌন হয়ে
    সসংকোচ লাজে।
    অত্যাচারে মত্ত-পারা
    কভু কি হও আত্মহারা?
    তপ্ত হয়ে রক্তধারা
    ফুটে কি দেহমাঝে?
    অহর্নিশি হেলার হাসি
    তীব্র অপমান
    মর্মতল বিদ্ধ করি
    বজ্রসম বাজে?

    দাস্যসুখে হাস্যমুখ,
    বিনীত জোড়-কর,
    প্রভুর পদে সোহাগ-মদে
    দোদুল কলেবর!
    পাদুকাতলে পড়িয়া লুটি
    ঘৃণায় মাখা অন্ন খুঁটি
    ব্যগ্র হয়ে ভরিয়া মুঠি
    যেতেছ ফিরি ঘর।
    ঘরেতে ব’সে গর্ব কর
    পূর্বপুরুষের,
    আর্যতেজ-দর্প-ভরে
    পৃথ্বী থরথর।

    হেলায়ে মাথা, দাঁতের আগে
    মিষ্ট হাসি টানি
    বলিতে আমি পারিব না তো
    ভদ্রতার বাণী।
    উচ্ছ্বসিত রক্ত আসি
    বক্ষতল ফেলিছে গ্রাসি,
    প্রকাশহীন চিন্তারাশি
    করিছে হানাহানি।
    কোথাও যদি ছুটিতে পাই
    বাঁচিয়া যাই তবে–
    ভব্যতার গণ্ডিমাঝে
    শান্তি নাহি মানি।

    In English Font:

    Duranta Aasha
    Rabindranath Tagore

    Morme jobe motto aasha
    Sharpa momo fushe
    Odrister bondhonete
    Dapia britha rushe
    Takhano valo manush sheje
    Badhano hukka jatane meje
    Molin tar shojore veje
    Khelite hobe koshe!
    Annapayi Bangabashi
    Stonnopayi jib
    Jon dosheke jatola kori
    Taktaposhe boshe

    Bhadro mora, Shanto boro
    Posh-man ei pran
    Botam ata jamar niche
    Shantite shoyan
    Dekha holei misti oti
    Mukher bhav shisto oti,
    Olosh deho klistogati
    Griher proti taan
    Toil-dhala snigdo tanu
    Nidrarashe bhora,
    Mathay choto bahre boro
    Bangali shontan

    Ihar cheye hotam jadi
    Arab beduin
    Charantole bishal maru
    digonte bilin
    Chuteche ghura, ureche bali,
    Jibonsrut aakahse dali
    Hridoytole banni jali
    cholechi nishidin.
    borsha hate, bhorsha prane
    shodai niruddesh
    Marur jhar jemon bohe
    Shakal badhahin

    Bipod majhe japaye pore
    Shonit uthe fute,
    Shakal dehe shakal mone
    Jibon jege uthe
    Ondhokare shurjalote
    shantoriya mrityosrute
    Nrittyomoy chitta hote
    matta hashi tute
    Bissho majhe mohan jaha
    Shangi poraner
    Jhanjhamajhe dhay she pran
    Shindhumajhe lute

    Nimeshtore iccha kore
    Bikot ullashe
    Shakal tute jaite chute
    Jibon ucchashe
    shunno Byom oporiman
    Modyo shomo korite paan
    Mukta kori ruddha pran
    urdha nilakashe
    Thakite nari khudra khone
    ambrobonochaye
    Shupta hoye lupta hoye
    Gupta grihobashe

    Behalakhana bakaye dhari
    bajao oki shur-
    Tabla baya kulete tene
    badye bharpur
    Kagoj nere uccha share
    Political tarko kore
    Janla diye poshiche ghore
    Batash jhurujhur.
    Paner bata fuler mala,
    tabla-baya duto,
    Dambha bhora kagajgulo
    Koria dao dur!

    Kisher eto ohongkar
    dambha nahi shaje
    Barong thako mouno hoye
    Shashangkuch laje
    ottachare motto-para
    kabhu ki ho aatmohara?
    tapta hoye raktadhara
    Fute ki dehomajhe?
    Aharnishi helay hashi
    tibro opoman
    Marmotal biddho kori
    Bajroshomo baje?

    Dashyoshuke hashyomukh
    Biniti Jor-kar
    Prabhur pode shohag-mode
    Dodul kalebor!
    Padukatole podiya luti
    Grinay makha onno khuti
    Bygro hoye bhariya muthi
    jetecho firi ghar
    Gharete boshe garba kar
    Purbapurusher,
    Aarjatej-dorpe-bhore
    Prithbi tharthora

    Helaye matha dater aage
    Mishta hashi tani
    Bolite ami paribo na to
    bhadrotar bani
    Ucchoshito rakta aashi
    Bakkhatal feliche grashi
    prokashhin chintarashi
    Koriche hanahani.
    Kothao jadi chutite pai
    bachiya jai tabe-
    Bhovyotar gandimajhe
    Shanti nahi mani

    See less
      • 0
  • 1
  • 19,320
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

শেষ বসন্ত (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sesh Basanta Bengali Poem lyrics?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on May 10, 2020 at 10:06 pm

    শেষ বসন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ- পূরবী আজিকার দিন না ফুরাতে হবে মোর এ আশা পুরাতে-- শুধু এবারের মতো বসন্তের ফুল যত যাব মোরা দুজনে কুড়াতে। তোমার কাননতলে ফাল্গুন আসিবে বারম্বার, তাহারি একটি শুধু মাগি আমি দুয়ারে তোমার। বেলা কবে গিয়াছে বৃথাই এতকাল ভুলে ছিনু তাই। হঠাৎ তোমার চোখে দেখিয়াছি সন্ধ্যালোRead more

    শেষ বসন্ত

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    কাব্যগ্রন্থ- পূরবী

    আজিকার দিন না ফুরাতে
    হবে মোর এ আশা পুরাতে–
    শুধু এবারের মতো
    বসন্তের ফুল যত
    যাব মোরা দুজনে কুড়াতে।
    তোমার কাননতলে ফাল্গুন আসিবে বারম্বার,
    তাহারি একটি শুধু মাগি আমি দুয়ারে তোমার।

    বেলা কবে গিয়াছে বৃথাই
    এতকাল ভুলে ছিনু তাই।
    হঠাৎ তোমার চোখে
    দেখিয়াছি সন্ধ্যালোকে
    আমার সময় আর নাই।
    তাই আমি একে একে গনিতেছি কৃপণের সম
    ব্যাকুল সংকোচভরে বসন্তশেষের দিন মম।

    ভয় রাখিয়ো না তুমি মনে!
    তোমার বিকচ ফুলবনে
    দেরি করিব না মিছে,
    ফিরে চাহিব না পিছে
    দিনশেষে বিদায়ের ক্ষণে।
    চাব না তোমার চোখে আঁখিজল পাব আশা করি
    রাখিবারে চিরদিন স্মৃতিরে করুণারসে ভরি।

    ফিরিয়া যেয়ো না, শোনো শোনো,
    সূর্য অস্ত যায় নি এখনো।
    সময় রয়েছে বাকি;
    সময়েরে দিতে ফাঁকি
    ভাবনা রেখো না মনে কোনো।
    পাতার আড়াল হতে বিকালের আলোটুকু এসে
    আরো কিছুখন ধরে ঝলুক তোমার কালো কেশে।

    হাসিয়া মধুর উচ্চহাসে
    অকারণ নির্মম উল্লাসে,
    বনসরসীর তীরে
    ভীরু কাঠবিড়ালিরে
    সহসা চকিত কোরো ত্রাসে।
    ভুলে-যাওয়া কথাগুলি কানে কানে করায়ে স্মরণ
    দিব না মন্থর করি ওই তব চঞ্চল চরণ।

    তার পরে যেয়ো তুমি চলে
    ঝরা পাতা দ্রুতপদে দোলে,
    নীড়ে-ফেরা পাখি যবে
    অস্ফুট কাকলিরবে
    দিনান্তেরে ক্ষুব্ধ করি তোলে।
    বেণুবনচ্ছায়াঘন সন্ধ্যায় তোমার ছবি দূরে
    মিলাইবে গোধূলির বাঁশরির সর্বশেষ সুরে।

    রাত্রি যবে হবে অন্ধকার
    বাতায়নে বসিয়ো তোমার।
    সব ছেড়ে যাব, প্রিয়ে,
    সমুখের পথ দিয়ে,
    ফিরে দেখা হবে না তো আর।
    ফেলে দিয়ো ভোরে-গাঁথা ম্লান মল্লিকার মালাখানি।
    সেই হবে স্পর্শ তব, সেই হবে বিদায়ের বাণী।

     

    In English Font:

    Shesh Basanta
    Rabindranath Tagore

    Aajikar din na furate
    Hobe mor e asha purate
    Shudhu ebarer moto
    Basanter ful joto
    Jabo mora dujane kurate
    Tomar kanantole falgun aashibe barombar
    Tahari ekti shudhu magi ami duware tumar

    Bela kobe giyache brithay
    Etokal bhule chinu tai.
    Hothath tomar chokhe
    Dekiyachi shondhaloke
    Amar shomoy ar nai.
    tai ami eke eke gonitechi kriponer shomo
    Byakul shonkochbhore basantashesher din momo

    Bhoy rakhio na tuni mone
    Tumar bikoch fulbone
    Deri korbo na miche
    Fire chahibo na piche
    Din sheshe bidayer khone
    Chabo na tomar chokhe aakhijal pabo aasha kori
    Rakhibatre chirodin sritire karunaroshe bhori.

    Firiya jeyo na, Shono shono,
    Surja osta jay ni ekhono.
    Shomoy royeche baki;
    Shomoyere dite faki
    Bhabona rekho na mone kono
    Patar aaral hote bikaler aalotuku eshe
    Aro kichukhan dhore jhaluk tomar kalo keshe.

    Hashiya madhur ucchahashe
    Okaron nirmom ullashe
    banshoroshir tire
    Bhiru kathbiralire
    Shohosha chokito koro trashe
    Bhule jawa kothagulikane kane koraye sharan
    Dibo ba manthar kori oi taba chanchal charan.

    Tar pore jeyo tumi chole
    Jhorapata drutopode dole,
    Nire fera pakhi jobe
    Osfut Kakolirobe
    Dinantore khubda kori tule
    Benubonocchayaghana shondhay Tumar chobi dure
    Milaibe Godholir basharir Sharbashesh shure

    Ratri Jobe hobe ondhakar
    batayone boshiyo tomar
    Shab chere jabo, priye
    Shamukher path diye Fire dekha hobe na to ar
    Fele diyo bhore-gatha mlan mollikar malakhani
    Shei hobe sparsho tabo, shei hobe bidayer bani

    See less
      • 1
  • 1
  • 15,386
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতাঃ জন্মদিন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Jonmodin Poem by Rabindranath Tagore in Bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on May 5, 2020 at 1:05 pm
    This answer was edited.

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মদিন নিয়ে অনেক কবিতা লিখেছেন। তাঁর একটি কাব্যগ্রন্থের নাম "জন্মদিনে" সেই কাব্যে রয়েছে ২৯ টি কবিতা। এখানে তিনটি কবিতা দেয়া হলো যেগুলি তার অন্যান্য কাব্যের অন্তর্গত। জন্মদিন (তোমরা রচিলে যারে) কাব্যগ্রন্থ-নবজাতক জন্মদিন (আজ মম জন্মদিন। সদ্যই প্রাণের প্রান্তপথে) কাব্যগ্রন্থ-সেঁজুতিRead more

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মদিন নিয়ে অনেক কবিতা লিখেছেন। তাঁর একটি কাব্যগ্রন্থের নাম “জন্মদিনে” সেই কাব্যে রয়েছে ২৯ টি কবিতা।
    এখানে তিনটি কবিতা দেয়া হলো যেগুলি তার অন্যান্য কাব্যের অন্তর্গত।

    • জন্মদিন (তোমরা রচিলে যারে) কাব্যগ্রন্থ-নবজাতক
    • জন্মদিন (আজ মম জন্মদিন। সদ্যই প্রাণের প্রান্তপথে) কাব্যগ্রন্থ-সেঁজুতি
    • জন্মদিন (দৃষ্টিজালে জড়ায় ওকে হাজারখানা চোখ) কাব্যগ্রন্থ-সেঁজুতি

     
    আরও পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতাসমূহ

    জন্মদিন

    তোমরা রচিলে যারে
    নানা অলংকারে
    তারে তো চিনি নে আমি,
    চেনেন না মোর অন্তর্যামী
    তোমাদের স্বাক্ষরিত সেই মোর নামের প্রতিমা।
    বিধাতার সৃষ্টিসীমা
    তোমাদের দৃষ্টির বাহিরে।
    কালসমুদ্রের তীরে
    বিরলে রচেন মূর্তিখানি
    বিচিত্রিত রহস্যের যবনিকা টানি
    রূপকার আপন নিভৃতে।
    বাহির হইতে
    মিলায়ে আলোক অন্ধকার
    কেহ এক দেখে তারে, কেহ দেখে আর।
    খণ্ড খণ্ড রূপ আর ছায়া,
    আর কল্পনার মায়া
    আর মাঝে মাঝে শূন্য, এই নিয়ে পরিচয় গাঁথে
    অপরিচয়ের ভূমিকাতে।
    সংসারখেলার কক্ষে তাঁর
    যে-খেলেনা রচিলেন মূর্তিকার
    মোরে লয়ে মাটিতে আলোতে,
    সাদায় কালোতে,
    কে না জানে সে ক্ষণভঙ্গুর
    কালের চাকার নিচে নিঃশেষে ভাঙিয়া হবে চুর।
    সে বহিয়া এনেছে যে-দান
    সে করে ক্ষণেকতরে অমরের ভান–
    সহসা মুহূর্তে দেয় ফাঁকি,
    মুঠি-কয় ধূলি রয় বাকি,
    আর থাকে কালরাত্রি সব-চিহ্ন-ধুয়ে-মুছে-ফেলা।
    তোমাদের জনতার খেলা
    রচিল যে পুতুলিরে
    সে কি লুব্ধ বিরাট ধূলিরে
    এড়ায়ে আলোতে নিত্য রবে।
    এ কথা কল্পনা কর যবে
    তখন আমার
    আপন গোপন রূপকার
    হাসেন কি আঁখিকোণে,
    সে কথাই ভাবি আজ মনে

     

    জন্মদিন

    দৃষ্টিজালে জড়ায় ওকে হাজারখানা চোখ,
    ধ্বনির ঝড়ে বিপন্ন ওই লোক।
    জন্মদিনের মুখর তিথি যারা ভুলেই থাকে,
    দোহাই ওগো, তাদের দলে লও এ মানুষটাকে–
    সজনে পাতার মতো যাদের হালকা পরিচয়,
    দুলুক খসুক শব্দ নাহি হয়।
    সবার মাঝে পৃথক ও যে ভিড়ের কারাগারে
    খ্যাতি-বেড়ির নিরন্ত ঝংকারে।
    সবাই মিলে নানা রঙে রঙিন করছে ওরে,
    নিলাজ মঞ্চে রাখছে তুলে ধরে,
    আঙুল তুলে দেখাচ্ছে দিনরাত;
    কোথায় লুকোয় ভেবে না পায়, আড়াল ভূমিসাৎ।
    দাও-না ছেড়ে ওকে
    স্নিগ্ধ -আলো শ্যামল-ছায়া বিরল-কথার লোকে,
    বেড়াহীন বিরাট ধূলি-‘পর,
    সেই যেখানে মহাশিশুর আদিম খেলাঘর।
    ভোরবেলাকার পাখির ডাকে প্রথম খেয়া এসে
    ঠেকল যখন সব-প্রথমের চেনাশোনার দেশে,
    নামল ঘাটে যখন তারে সাজ রাখে নি ঢেকে,
    ছুটির আলো নগ্ন গায়ে লাগল আকাশ থেকে–
    যেমন করে লাগে তরীর পালে,
    যেমন লাগে অশোক গাছের কচি পাতার ডালে।
    নাম ভোলা ফুল ফুটল ঘাসে ঘাসে
    সেই প্রভাতের সহজ অবকাশে।
    ছুটির যজ্ঞে পুষ্পহোমে জাগল বকুলশাখা,
    ছুটির শূন্যে ফাগুনবেলা মেলল সোনার পাখা।
    ছুটির কোণে গোপনে তার নাম
    আচম্কা সেই পেয়েছিল মিষ্টিসুরের দাম;
    কানে কানে সে নাম ডাকার ব্যথা উদাস করে
    চৈত্রদিনের স্তব্ধ দুইপ্রহরে।
    আজ সবুজ এই বনের পাতায় আলোর ঝিকিঝিকি
    সেই নিমেষের তারিখ দিল লিখি।
    তাহারে ডাক দিয়েছিল পদ্মানদীর ধারা,
    কাঁপন-লাগা বেণুর শিরে দেখেছে শুকতারা;
    কাজল-কালো মেঘের পুঞ্জ সজল সমীরণে
    নীল ছায়াটি বিছিয়েছিল তটের বনে বনে;
    ও দেখেছে গ্রামের বাঁকা বাটে
    কাঁখে কলস মুখর মেয়ে চলে স্নানের ঘাটে;
    সর্ষেতিসির খেতে
    দুইরঙা সুর মিলেছিল অবাক আকাশেতে;
    তাই দেখেছে চেয়ে চেয়ে অস্তরবির রাগে–
    বলেছিল, এই তো ভালো লাগে।
    সেই-যে ভালো-লাগাটি তার যাক সে রেখে পিছে,
    কীর্তি যা সে গেঁথেছিল হয় যদি হোক মিছে,
    না যদি রয় নাই রহিল নাম–
    এই মাটিতে রইল তাহার বিস্মিত প্রণাম।

     

    জন্মদিন

    আজ মম জন্মদিন। সদ্যই প্রাণের প্রান্তপথে
    ডুব দিয়ে উঠেছে সে বিলুপ্তির অন্ধকার হতে
    মরণের ছাড়পত্র নিয়ে। মনে হতেছে কী জানি
    পুরাতন বৎসরের গ্রন্থিবাঁধা জীর্ণ মালাখানি
    সেথা গেছে ছিন্ন হয়ে; নবসূত্রে পড়ে আজি গাঁথা
    নব জন্মদিন। জন্মোৎসবে এই-যে আসন পাতা
    হেথা আমি যাত্রী শুধু, অপেক্ষা করিব, লব টিকা
    মৃত্যুর দক্ষিণ হস্ত হতে, নূতন অরুণলিখা
    যবে দিবে যাত্রার ইঙ্গিত।
    আজ আসিয়াছে কাছে
    জন্মদিন মৃত্যুদিন, একাসনে দোঁহে বসিয়াছে,
    দুই আলো মুখোমুখি মিলিছে জীবনপ্রান্তে মম
    রজনীর চন্দ্র আর প্রত্যুষের শুকতারাসম–
    এক মন্ত্রে দোঁহে অভ্যর্থনা।
    প্রাচীন অতীত, তুমি
    নামাও তোমার অর্ঘ্য; অরূপ প্রাণের জন্মভূমি,
    উদয়শিখরে তার দেখো আদিজ্যোতি। করো মোরে
    আশীর্বাদ, মিলাইয়া যাক তৃষাতপ্ত দিগন্তরে
    মায়াবিনী মরীচিকা। ভরেছিনু আসক্তির ডালি
    কাঙালের মতো; অশুচি সঞ্চয়পাত্র করো খালি,
    ভিক্ষামুষ্টি ধূলায় ফিরায়ে লও, যাত্রাতরী বেয়ে
    পিছু ফিরে আর্ত চক্ষে যেন নাহি দেখি চেয়ে চেয়ে
    জীবনভোজের শেষ উচ্ছিষ্টের পানে।
    হে বসুধা,
    নিত্য নিত্য বুঝায়ে দিতেছ মোরে– যে তৃষ্ণা, যে ক্ষুধা
    তোমার সংসাররথে সহস্রের সাথে বাঁধি মোরে
    টানায়েছে রাত্রিদিন স্থুল সূক্ষ্ম নানাবিধ ডোরে
    নানা দিকে নানা পথে, আজ তার অর্থ গেল কমে
    ছুটির গোধূলিবেলা তন্দ্রালু আলোকে। তাই ক্রমে
    ফিরায়ে নিতেছ শক্তি, হে কৃপণা, চক্ষুকর্ণ থেকে
    আড়াল করিছ স্বচ্ছ আলো; দিনে দিনে টানিছে কে
    নিষ্প্রভ নেপথ্যপানে। আমাতে তোমার প্রায়োজন
    শিথিল হয়েছে, তাই মূল্য মোর করিছ হরণ,
    দিতেছ ললাটপটে বর্জনের ছাপ। কিন্তু জানি,
    তোমার অবজ্ঞা মোরে পারে না ফেলিতে দূরে টানি।
    তব প্রয়োজন হতে অতিরিক্ত যে মানুষ তারে
    দিতে হবে চরম সম্মান তব শেষ নমস্কারে।
    যদি মোরে পঙ্গু কর, যদি মোরে কর অন্ধপ্রায়,
    যদি বা প্রচ্ছন্ন কর নিঃশক্তির প্রদোষচ্ছায়ায়,
    বাঁধ বার্ধক্যের জালে, তবু ভাঙা মন্দিরবেদীতে
    প্রতিমা অক্ষুণ্ন রবে সগৌরবে; তারে কেড়ে নিতে
    শক্তি নাই তব।
    ভাঙো ভাঙো, উচ্চ করো ভগ্নস্তূপ,
    জীর্ণতার অন্তরালে জানি মোর আনন্দস্বরূপ
    রয়েছে উজ্জ্বল হয়ে। সুধা তারে দিয়েছিল আনি
    প্রতিদিন চতুর্দিকে রসপূর্ণ আকাশের বাণী;
    প্রত্যুত্তরে নানা ছন্দে গেয়েছে সে “ভালোবাসিয়াছি’।
    সেই ভালোবাসা মোরে তুলেছে স্বর্গের কাছাকাছি
    ছাড়ায়ে তোমার অধিকার। আমার সে ভালোবাসা
    সব ক্ষয়ক্ষতিশেষে অবশিষ্ট রবে; তার ভাষা
    হয়তো হারাবে দীপ্তি অভ্যাসের ম্লানস্পর্শ লেগে,
    তবু সে অমৃতরূপ সঙ্গে রবে যদি উঠি জেগে
    মৃত্যুপরপারে। তারি অঙ্গে এঁকেছিল পত্রলিখা
    আম্রমঞ্জরীর রেণু, এঁকেছে পেলব শেফালিকা
    সুগন্ধি শিশিরকণিকায়; তারি সূক্ষ্ম উত্তরীতে
    গেঁথেছিল শিল্পকারু প্রভাতের দোয়েলের গীতে
    চকিত কাকলিসূত্রে; প্রিয়ার বিহ্বল স্পর্শখানি
    সৃষ্টি করিয়াছে তার সর্বদেহে রোমাঞ্চিত বাণী,
    নিত্য তাহা রয়েছে সঞ্চিত। যেথা তব কর্মশালা
    সেথা বাতায়ন হতে কে জানি পরায়ে দিত মালা
    আমার ললাট ঘেরি সহসা ক্ষণিক অবকাশে,
    সে নহে ভৃত্যের পুরস্কার; কী ইঙ্গিতে কী আভাসে
    মুহূর্তে জানায়ে চলে যেত অসীমের আত্মীয়তা
    অধরা অদেখা দূত, বলে যেত ভাষাতীত কথা
    অপ্রয়োজনের মানুষেরে।
    সে মানুষ, হে ধরণী,
    তোমার আশ্রয় ছেড়ে যাবে যবে, নিয়ো তুমি গণি
    যা-কিছু দিয়েছ তারে, তোমার কর্মীর যত সাজ,
    তোমার পথের যে পাথেয়, তাহে সে পাবে না লাজ;
    রিক্ততায় দৈন্য নহে। তবু জেনো অবজ্ঞা করি নি
    তোমার মাটির দান, আমি সে মাটির কাছে ঋণী–
    জানায়েছি বারংবার, তাহারি বেড়ার প্রান্ত হতে
    অমূর্তের পেয়েছি সন্ধান। যবে আলোতে আলোতে
    লীন হত দড়যবনিকা, পুষ্পে পুষ্পে তৃণে তৃণে
    রূপে রসে সেই ক্ষণে যে গূঢ় রহস্য দিনে দিনে
    হত নিঃশ্বসিত, আজি মর্তের অপর তীরে বুঝি
    চলিতে ফিরানু মুখ তাহারি চরম অর্থ খুঁজি।
    যবে শান্ত নিরাসক্ত গিয়েছি তোমার নিমন্ত্রণে
    তোমার অমরাবতী সুপ্রসন্ন সেই শুভক্ষণে
    মুক্তদ্বার; বুভুক্ষুর লালসারে করে সে বঞ্চিত;
    তাহার মাটির পাত্রে যে অমৃত রয়েছে সঞ্চিত
    নহে তাহা দীন ভিক্ষু লালায়িত লোলুপের লাগি।
    ইন্দ্রের ঐশ্বর্য নিয়ে হে ধরিত্রী, আছ তুমি জাগি
    ত্যাগীরে প্রত্যাশা করি, নির্লোভেরে সঁপিতে সম্মান,
    দুর্গমের পথিকেরে আতিথ্য করিতে তব দান
    বৈরাগ্যের শুভ্র সিংহাসনে। ক্ষুব্ধযারা, লুব্ধ যারা,
    মাংসগন্ধে মুগ্ধ যারা, একান্ত আত্মার দৃষ্টিহারা
    শ্মশানের প্রান্তচর, আবর্জনাকুণ্ড তব ঘেরি
    বীভৎস চীৎকারে তারা রাত্রিদিন করে ফেরাফেরি,
    নির্লজ্জ হিংসায় করে হানাহানি।
    শুনি তাই আজি
    মানুষ-জন্তুর হুহুংকার দিকে দিকে উঠে বাজি।
    তবু যেন হেসে যাই যেমন হেসেছি বারে বারে
    পণ্ডিতের মূঢ়তায়, ধনীর দৈন্যের অত্যাচারে,
    সজ্জিতের রূপের বিদ্রূপে। মানুষের দেবতারে
    ব্যঙ্গ করে যে অপদেবতা বর্বর মুখবিকারে
    তারে হাস্য হেনে যাব, বলে যাব, “এ প্রহসনের
    মধ্য-অঙ্কে অকস্মাৎ হবে লোপ দুষ্ট স্বপনের;
    নাট্যের কবররূপে বাকি শুধু রবে ভস্মরাশি
    দগ্ধশেষ মশালের, আর অদৃষ্টের অট্টহাসি।’
    বলে যাব, “দ্যূতচ্ছলে দানবের মূঢ় অপব্যয়
    গ্রন্থিতে পারে না কভু ইতিবৃত্তে শাশ্বত অধ্যায়।’
    বৃথা বাক্য থাক্। তব দেহলিতে শুনি ঘন্টা বাজে,
    শেষপ্রহরের ঘন্টা; সেই সঙ্গে ক্লান্ত বক্ষোমাঝে
    শুনি বিদায়ের দ্বার খুলিবার শব্দ সে অদূরে
    ধ্বনিতেছে সূর্যাস্তের রঙে রাঙা পূরবীর সুরে।
    জীবনের স্মৃতিদীপে আজিও দিতেছে যারা জ্যোতি
    সেই ক’টি বাতি দিয়ে রচিব তোমার সন্ধ্যারতি
    সপ্তর্ষির দৃষ্টির সম্মুখে; দিনান্তের শেষ পলে
    রবে মোর মৌন বীণা মূর্ছিয়া তোমার পদতলে।
    আর রবে পশ্চাতে আমার, নাগকেশরের চারা
    ফুল যার ধরে নাই, আর রবে খেয়াতরীহারা
    এ পারের ভালোবাসা– বিরহস্মৃতির অভিমানে
    ক্লান্ত হয়ে রাত্রিশেষে ফিরিবে সে পশ্চাতের পানে।

    See less
      • 1
  • 1
  • 33,934
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা : চরম মূল্য (The last bargain) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | the last bargain poem in bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 9:41 pm

    চরম মূল্য (The last bargain) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "কে নিবি গো কিনে আমায়, কে নিবি গো কিনে?" পসরা মোর হেঁকে হেঁকে বেড়াই রাতে দিনে। এমনি কবে হায়, আমার দিন যে চলে যায়, মায়ার 'পরে বোঝা আমার বিষম হল দায়। কেউ বা আসে, কেউ বা হাসে, কেউ বা কেঁদে চায়। মধ্যদিনে বেড়াই রাজার পাষাণ-বাঁধা পথে, মুকুট-মাথে অস্ত্র-হাতেRead more

    চরম মূল্য (The last bargain) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    “কে নিবি গো কিনে আমায়, কে নিবি গো কিনে?”

    পসরা মোর হেঁকে হেঁকে বেড়াই রাতে দিনে।

    এমনি কবে হায়, আমার

    দিন যে চলে যায়,

    মায়ার ‘পরে বোঝা আমার বিষম হল দায়।

    কেউ বা আসে, কেউ বা হাসে, কেউ বা কেঁদে চায়।

    মধ্যদিনে বেড়াই রাজার পাষাণ-বাঁধা পথে,

    মুকুট-মাথে অস্ত্র-হাতে রাজা এল রথে।

    বললে হাতে ধরে, “তোমায়

    কিনব আমি জোরে।”

    জোর যা ছিল ফুরিয়ে গেল টানাটানি করে।

    মুকুট-মাথে ফিরল রাজা সোনার রথে চড়ে।

    রুদ্ধ্ব দ্বারের সমুখ দিয়ে ফিরতেছিলেম গলি।

    দুয়ার খুলে বৃদ্ধ এল হাতে টাকার থলি।

    করলে বিবেচনা, বললে,

    “কিনব দিয়ে সোনা।”

    উজাড় করে দিয়ে থলি করলে আনাগোনা।

    বোঝা মাথায় নিয়ে কোথায় গেলেম অন্যমনা।

    সন্ধ্যাবেলায় জ্যোৎস্না নামে মুকুল-ভরা গাছে।

    সুন্দরী সে বেরিয়ে এল বকুলতলার কাছে।

    বললে কাছে এসে, “তোমায়

    কিনব আমি হেসে।”

    হাসিখানি চোখের জলে মিলিয়ে এল শেষে;

    ধীরে ধীরে ফিরে গেল বনছায়ার দেশে।

    সাগরতীরে রোদ পড়েছে ঢেউ দিয়েছে জলে,

    ঝিনুক নিয়ে খেলে শিশু বালুতটের তলে।

    যেন আমায় চিনে বললে,

    “অমনি নেব কিনে।”

    বোঝা আমার খালাস হল তখনি সেইদিনে।

    খেলার মুখে বিনামূল্যে নিল আমায় জিনে।

     

    About the Poem

    The poem was translated by Rabindranath himself under the “The last bargain” and it was published in his book “The cresent Moon” along with other poems.

    Here is the translated version of this poem:

     
    “Come and hire me,” I cried, while in the morning I was walking on the stone-paved road.
    Sword in hand, the King came in his chariot.
    He held my hand and said, “I will hire you with my power.”
    But his power counted for nought, and he went away in his chariot.

    In the heat of the midday the houses stood with shut doors.
    I wandered along the crooked lane.
    An old man came out with his bag of gold.
    He pondered and said, “I will hire you with my money.”
    He weighed his coins one by one, but I turned away.

    It was evening. The garden hedge was all aflower.
    The fair maid came out and said, “I will hire you with a smile.”
    Her smile paled and melted into tears, and she went back alone into the dark.

    The sun glistened on the sand, and the sea waves broke waywardly.
    A child sat playing with shells.
    He raised his head and seemed to know me, and said, “I hire you with nothing.”
    From thenceforward that bargain struck in child’s play made me a free man.

    See less
      • 1
  • 1
  • 11,411
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

কবিতা : (স্বপ্ন) একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | ekdin rate ami swapno dekhinu poem lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 4:59 am

    স্বপ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু- “চেয়ে দেখো” “চেয়ে দেখো” বলে যেন বিনু। চেয়ে দেখি, ঠোকাঠুকি বরগা-কড়িতে, কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে। ইঁটে-গড়া গণ্ডার বাড়িগুলো সোজা চলিয়াছে, দুদ্দাড় জানালা দরজা। রাস্তা চলেচে যত অজগর সাপ, পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপ্‌ ধাপ্‌। দোকান বাজার সব নামে আরRead more

    স্বপ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

    একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু-
    “চেয়ে দেখো” “চেয়ে দেখো” বলে যেন বিনু।
    চেয়ে দেখি, ঠোকাঠুকি বরগা-কড়িতে,
    কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে।
    ইঁটে-গড়া গণ্ডার বাড়িগুলো সোজা
    চলিয়াছে, দুদ্দাড় জানালা দরজা।
    রাস্তা চলেচে যত অজগর সাপ,
    পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপ্‌ ধাপ্‌।
    দোকান বাজার সব নামে আর উঠে,
    ছাদের গায়েতে ছাদ মরে মাথা কুটে।
    হাওড়ার ব্রিজ চলে মস্ত সে বিছে,
    হ্যারিসন্‌ রোড চলে তার পিছে পিছে।
    মনুমেণ্টের দোল যেন ক্ষ্যাপা হাতি
    শূন্যে দুলায়ে শুঁড় উঠিয়াছে মাতি।
    আমাদের ইস্‌কুল ছোটে হন্‌ হন্‌,
    অঙ্কের বই ছোটে, ছোটে ব্যাকরণ।
    ম্যাপগুলো দেয়ালেতে করে ছট্‌ ফট্‌,
    পাখি যেন মারিতেছে পাখার ঝাপট।
    ঘণ্টা কেবলি দোলে, ঢঙ্‌ ঢঙ্‌ বাজে—
    যত কেন বেলা হোক তবু থামে না যে।
    লক্ষ লক্ষ লোক বলে, “থামো থামো”,
    কোথা হতে কোথা যাবে, একী পাগ্‌লামো।”
    কলিকাতা শোনে না কো চলার খেয়ালে;
    নৃত্যের নেশা তার স্তম্ভে দেয়ালে।
    আমি মনে মনে ভাবি চিন্তা তো নাই,
    কলিকাতা যাক নাকো সোজা বোম্বাই।
    দিল্লি লাহোরে যাক, যাক না আগরা-
    মাথায় পাগ‍্‌ড়ি দেব পায়েতে নাগ্‌রা।
    কিম্বা সে যদি আজ বিলাতেই ছোটে
    ইংরেজ হবে সবে বুট-হ্যাট্‌-কোটে।
    কিসের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল যেই-

    কবিতা সম্মন্দে

    “একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু” রবীন্দ্রনাথের লিখিত একটি কৌতুকপূর্ণ কবিতা । কবি তাঁর স্বপ্নে তাঁর প্রিয় কলকাতা শহরকে দেখেছেন একটি চলমান শহর হিসাবে। কলকাতার বিভিন্ন বিখ্যাত জায়গাগুলি যেমন হাওড়া ব্রিজ, হ্যারিসন রোড সহ জায়গার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি স্বপ্নে সব কিছুকে চলতে দেখেছেন।
    দেখি, কলিকাতা আছে কলিকাতাতেই॥

    See less
      • -1
  • 2
  • 33,586
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু ((রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) kolikata choliyache norite norite lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 30, 2020 at 4:56 am

    স্বপ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু- “চেয়ে দেখো” “চেয়ে দেখো” বলে যেন বিনু। চেয়ে দেখি, ঠোকাঠুকি বরগা-কড়িতে, কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে। ইঁটে-গড়া গণ্ডার বাড়িগুলো সোজা চলিয়াছে, দুদ্দাড় জানালা দরজা। রাস্তা চলেচে যত অজগর সাপ, পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপ্‌ ধাপ্‌। দোকান বাজার সব নামে আরRead more

    স্বপ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

    একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু-
    “চেয়ে দেখো” “চেয়ে দেখো” বলে যেন বিনু।
    চেয়ে দেখি, ঠোকাঠুকি বরগা-কড়িতে,
    কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে।
    ইঁটে-গড়া গণ্ডার বাড়িগুলো সোজা
    চলিয়াছে, দুদ্দাড় জানালা দরজা।
    রাস্তা চলেচে যত অজগর সাপ,
    পিঠে তার ট্রামগাড়ি পড়ে ধুপ্‌ ধাপ্‌।
    দোকান বাজার সব নামে আর উঠে,
    ছাদের গায়েতে ছাদ মরে মাথা কুটে।
    হাওড়ার ব্রিজ চলে মস্ত সে বিছে,
    হ্যারিসন্‌ রোড চলে তার পিছে পিছে।
    মনুমেণ্টের দোল যেন ক্ষ্যাপা হাতি
    শূন্যে দুলায়ে শুঁড় উঠিয়াছে মাতি।
    আমাদের ইস্‌কুল ছোটে হন্‌ হন্‌,
    অঙ্কের বই ছোটে, ছোটে ব্যাকরণ।
    ম্যাপগুলো দেয়ালেতে করে ছট্‌ ফট্‌,
    পাখি যেন মারিতেছে পাখার ঝাপট।
    ঘণ্টা কেবলি দোলে, ঢঙ্‌ ঢঙ্‌ বাজে—
    যত কেন বেলা হোক তবু থামে না যে।
    লক্ষ লক্ষ লোক বলে, “থামো থামো”,
    কোথা হতে কোথা যাবে, একী পাগ্‌লামো।”
    কলিকাতা শোনে না কো চলার খেয়ালে;
    নৃত্যের নেশা তার স্তম্ভে দেয়ালে।
    আমি মনে মনে ভাবি চিন্তা তো নাই,
    কলিকাতা যাক নাকো সোজা বোম্বাই।
    দিল্লি লাহোরে যাক, যাক না আগরা-
    মাথায় পাগ‍্‌ড়ি দেব পায়েতে নাগ্‌রা।
    কিম্বা সে যদি আজ বিলাতেই ছোটে
    ইংরেজ হবে সবে বুট-হ্যাট্‌-কোটে।
    কিসের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল যেই-

    কবিতা সম্মন্দে

    “একদিন রাতে আমি স্বপ্ন দেখিনু” রবীন্দ্রনাথের লিখিত একটি কৌতুকপূর্ণ কবিতা । কবি তাঁর স্বপ্নে তাঁর প্রিয় কলকাতা শহরকে দেখেছেন একটি চলমান শহর হিসাবে। কলকাতার বিভিন্ন বিখ্যাত জায়গাগুলি যেমন হাওড়া ব্রিজ, হ্যারিসন রোড সহ জায়গার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি স্বপ্নে সব কিছুকে চলতে দেখেছেন।
    দেখি, কলিকাতা আছে কলিকাতাতেই॥

    See less
      • -1
  • 1
  • 8,427
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

খেয়া কবিতার সারাংশ ও বিষয়বস্তু (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) kheya poem summary in bengali

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on May 9, 2020 at 11:24 pm

    সারাংশ : খেয়া কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত চৈতালি কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। রবীন্দ্রনাথ পতিসরের নাগর নদী ভ্রমণকালে থাকা অবস্থায় এই কবিতা রচনা করেছিলেন। কবি নদীর তীরে গড়ে ওঠা সরল গ্রাম্য জীবনধারা এই কবিতার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। খেয়া রবীন্দ্রনাথের একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা। এই কবিতায় সভ্যতার দুইটিRead more

    সারাংশ :
    খেয়া কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত চৈতালি কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। রবীন্দ্রনাথ পতিসরের নাগর নদী ভ্রমণকালে থাকা অবস্থায় এই কবিতা রচনা করেছিলেন। কবি নদীর তীরে গড়ে ওঠা সরল গ্রাম্য জীবনধারা এই কবিতার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

    খেয়া রবীন্দ্রনাথের একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা। এই কবিতায় সভ্যতার দুইটি দিক; কোলাহল মগ্ন নগর এবং শান্তি প্রবন গ্রামাঞ্চলের জীবনের চরিত্র ফুটে উঠেছে।
    কবিতার প্রথমেই সহজ সরল গ্রামাঞ্চলের শান্তিপ্রিয় মানুষের জীবনের বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে। নদীর দুই তীরে দুইটি গ্রাম কিন্তু এই দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক, জানাশোনা। নিত্যদিন ওরা খেয়ার মাধ্যমে এক গ্রাম হইতে অন্য গ্রামে আসা-যাওয়া করে। তাই খেয়ে নৌকা হয়ে উঠেছে দুই পাড়ের মানুষের আত্মীয়তার অনন্য বাহন।
    গ্রামের মানুষ গুলি এতই সহজ যে ওরা বাইরের জগৎ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। বহির্বিশ্বে কত না যুদ্ধ-বিগ্রহ লড়াই অবিরাম হয়ে যাচ্ছে আর কত না ইতিহাস নিত্যদিনে গড়ে উঠছে। ক্ষমতার লড়াই এর ফলে হচ্ছে রক্তপাত, যুদ্ধ। আর সেই যুদ্ধে কেহ বা ক্ষমতা অর্জন করছে আর কেহ ক্ষমতাচ্যুত হয়ে যাচ্ছে।

    রক্তপ্রবাহের মাঝে ফেনাইয়া উঠে
    সোনার মুকুট কত ফুটে আর টুটে

    অর্থাৎ কত রাজা বা ক্ষমতাবান সরকার যুদ্ধে পরাজিত হচ্ছে আর যুদ্ধে জয় লাভ করছে। এ সবকিছুই যেন এই গ্রামের মানুষদের ছুইতে পারে নাই।
    মানুষের সভ্যতার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্টি হচ্ছে নতুনত্বের। বিজ্ঞানের অগ্রগতি মানব সভ্যতাকে নিয়ে এসেছে এক নতুন স্থানে। মানুষের মনে তৃষ্ণা জেগেছে না জানাকে জানার, অসম্ভবকে সম্ভব করার। তাই আবিষ্কৃত হচ্ছে নতুন পদ্ধতি নতুন প্রযুক্তি। আর তার সঙ্গে উঠছে অনেক হলাহল অর্থাৎ বিশৃঙ্খলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    কিন্তু নদীর এই দুই তীরবর্তী গ্রাম তার ব্যতিক্রম। এখানে নেই কোনো নতুনত্ব, নেই কোনো অগ্রগতি, নেই কোন বহির্বিশ্বের খবর।

    এই খেয়া চিরদিন চলে নদীস্রোতে

    তাদের সরল জীবনযাত্রায় কোন বাধাপ্রাপ্ত হয় নাই। গ্রামের দুই পারের মানুষের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব-সংঘাত ঘটেনি বরং ওদের মধ্যে রয়েছে মিলন, ভালোবাসা এবং আদান প্রদান। তাদের জীবনের নদীস্রোত নদীর খেয়ার মত চলে যাচ্ছে অবলীলায়।

    মূলভাব :

    কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই কবিতার মাধ্যমে নগরজীবনের বা উন্নত সভ্যতার অন্ধকার দিক কে তুলে ধরেছেন। যদিও নগরজীবন বা আধুনিক সভ্যতা গ্রামাঞ্চলের মানুষ থেকে অনেক উন্নত কিন্তু তাদের মধ্যে মিল নেই, মায়া নেই বরং সংঘাত এবং দ্বন্দ্বে পরিপূর্ণ। আর তার বিপরীতে গ্রাম্য জীবনযাত্রা অনুন্নত হওয়া সত্বেও তাদের মধ্যে রয়েছে নিবিড় মিলন, ভালোবাসা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা।

    See less
      • 5
  • 4
  • 66,707
  • 0
Answer
Load More Questions

Sidebar

আরও দেখুন

  • কবিতা : প্রশ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Proshno Kobita Rabindranath Tagore in Bengali?
  • অভিসার (সন্ন্যাসী উপগুপ্ত) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Upagupta Poem lyrics in Bengali and English?
  • কবিতা : মূল্যপ্রাপ্তি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Mulya Prapti Poem in Bengali?
  • কবিতা : পূজারিনী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Pujarini Poem by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতা : অভিসার (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Abhisar Poem lyrics in Bengali?
  • কবিতাঃ শঙ্খ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sankha by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতাঃ পৃথিবী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Prithibi Poem by Rabindranath Tagore lyrics?
  • লুকোচুরি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Poem Lukochuri Rabindranath Tagore Bengali Script?
  • কবিতাঃ সাগরিকা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sagarika Poem by Rabindranath in Bengali?
  • দুরন্ত আশা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Duranta Asha Poem in Bengali lyrics?
  • শেষ বসন্ত (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Sesh Basanta Bengali Poem lyrics?
  • কবিতাঃ জন্মদিন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) Jonmodin Poem by Rabindranath Tagore in Bengali
  • হে মোর দুর্ভাগা দেশ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) He mor durbhaga desh kobita?
  • রবীন্দ্রসংগীত : তুমি কোন কাননের ফুল | Tumi Kon Kanoner Phool lyrics in Bengali with English Translation?
  • কবিতা : পরশ পাথর (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Parash Pathar Poem by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতা : নিষ্কৃতি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Nishkriti by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতা : ক্যামেলিয়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Camellia Poem by Rabindranath Tagore in Bengali lyrics?
  • কবিতা : দেবতার বিদায় (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Debotar Biday by Rabindranath Tagore?
  • ওরা কাজ করে কবিতার সারাংশ ও মূলভাব | Ora Kaj Kore Poem Summary in Bengali?
  • কবিতা : চরম মূল্য (The last bargain) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | the last bargain poem in bengali
Join us on Telegram
Join our FaceBook Group

বিষয়

All Bangla Paragraph (105) Apurba Dutta Poems (4) Bangla application format (11) Bangla Choto Golpo (7) Bangla dorkhasto lekha (11) Bangla gazal lyrics (8) Bangla GK (177) Bangla Kobita (203) Bangla Rachana (105) baul gaan lyrics (6) baul song lyrics (6) Bengali antonyms (40) Bengali Essay (105) Bengali letter Writing (11) Bengali lullaby lyrics (3) bengali lyrics (82) Bengali Meaning (259) bengali poem (14) Bengali Poems (124) Bengali Poem Summary (21) Bengali Rachana (99) Bengali short story (7) bengali song lyrics (98) bengali song lyrics in bengali (98) Bengali synonyms (33) chandrabindu lyrics (2) English grammar in Bengali (6) English to Bengali Meaning (270) English to Bengali Translation (256) Essay (75) Full form (14) general knowledge bengali (7) indian history in bengali (9) Joy Goswami kobita (4) kazi nazrul islamer kobita (8) Kobita (143) lyrics (17) Myth (3) nirendranath chakraborty poem (5) Nirmalendu Goon Poems (6) Paragraph (20) Parts of speech in Bengali (6) Pod Poriborton (39) Poem (3) poem summary in bengali (21) rabindranath tagore poems (57) Rabindra Sangeet lyrics (5) shakti chattopadhyay poems (7) Social Science (6) Somarthok Shobdo (33) Somas Bangla Grammar (15) sukanta bhattacharya kobita (4) Sukumar Roy Poem (16) Summary (8) অনুচ্ছেদ (127) অপূর্ব দত্তের কবিতা (4) আধ্যাত্মিক (10) ইংরেজি অনুবাদ (6) ইংরেজি থেকে বাংলা (6) ইংলিশ বাংলা অনুবাদ (6) ইন্টারনেট (1) ইসলাম (18) ইসলাম ধর্মীয় প্রশ্ন উত্তর (18) ইসলামী নাত ও গজল (8) ইসলামী সংগীত লিরিক্স (8) কবিতা (26) কবিতার সারাংশ ও সারমর্ম (21) কাজী নজরুল ইসলাম (8) কুসংস্কার (3) গানের কথা (14) ঘুম পাড়ানি গান lyrics (3) ছোটগল্প (7) জয় গোস্বামী (4) জয় গোস্বামীর কবিতা (4) জেনারেল নলেজ (7) জেনারেল নলেজ প্রশ্ন ও উত্তর (39) নির্মলেন্দু গুণের কবিতা (6) নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কবিতা (5) পদ পরিবর্তন (39) পূর্ণরূপ (14) প্রকৃতি (17) প্রক্রিতি (23) ফলমূল (28) ফুল ফর্ম (14) বাংলা general knowledge (52) বাংলা অর্থ (275) বাংলা আবেদন পত্র (11) বাংলা কবিতা (219) বাংলা কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (68) বাংলা গান লিরিক্স (97) বাংলা গানের লিরিক্স (98) বাংলা ছোট গল্প (7) বাংলা দরখাস্ত নমুনা (11) বাংলা প্রবন্ধ (97) বাংলা বাক্য রচনা (176) বাংলা বিপরীত শব্দ (40) বাংলা রচনা (127) বাউল গান লিরিক্স (6) বাক্য রচনা (176) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (1) বিজ্ঞান শিক্ষা (17) বিপরীত শব্দ (40) বোঝাপড়া কবিতা (3) ব্যাখ্যা (8) ভক্তিভাজন (10) ভারতের ইতিহাস (9) ভূগোল (5) মধ্যযুগের ভারতের ইতিহাস (9) মূলভাব (8) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (34) রবীন্দ্রসংগীত (1) রবীন্দ্র সংগীত লিরিক্স (5) লিরিক্স (17) শক্তি চট্টোপাধ্যায় kobita (7) শঙ্খ ঘোষ (8) শুভ দাশগুপ্ত (7) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (5) সন্ধি বিচ্ছেদ (8) সন্ধি বিচ্ছেদ ব্যবহার (8) সমাজ বিজ্ঞান (6) সমার্থক শব্দ (33) সমাস (15) সারাংশ (8) সুকান্তের কবিতা (4) সুকুমার রায় (16)

Footer

© 2025 Bengali Forum · All rights reserved. Contact Us