Sign Up

Continue with Google
or use


Have an account? Sign In Now

Sign In

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.


Have an account? Sign In Now

Sorry, you do not have permission to ask a question, You must login to ask a question.

Continue with Google
or use


Forgot Password?

Need An Account, Sign Up Here

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Bengali Forum Logo Bengali Forum Logo
Sign InSign Up

Bengali Forum

Bengali Forum Navigation

  • বিষয়
  • ব্লগ
  • হযবরল
Search
Ask A Question

Mobile menu

Close
Ask A Question
  • বাংলা অভিধান
  • সাহিত্য
  • শিক্ষা
  • রচনা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • ইংলিশ টু বাংলা
  • বিজ্ঞান
  • বাংলা কুইজ
  • ধৰ্ম ও সংস্কৃতি
  • ইতিহাস
  • মতামত

Bengali Forum Latest Questions

আমার পরান যাহা চায় তুমি তাই গো | amaro porano jaha chai lyrics

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 12, 2020 at 6:13 pm

    Amaro porano jaha chai আমার পরান যাহা চায় তুমি  তাই, তুমি তাই গো । তোমা ছাড়া আর এ জগতে মোর  কেহ নাই, কিছু নাই গো ॥ তুমি  সুখ যদি নাহি পাও,  যাও  সুখের সন্ধানে যাও– আমি   তোমারে পেয়েছি হৃদয়মাঝে,   আর কিছু নাহি চাই গো ॥ আমি   তোমারি বিরহে রহিব বিলীন,   তোমাতে করিব বাস– দীর্ঘ দিবস, দীর্ঘ রজনী,  দীরRead more

    Amaro porano jaha chai

    আমার পরান যাহা চায় তুমি  তাই, তুমি তাই গো ।
    তোমা ছাড়া আর এ জগতে মোর  কেহ নাই, কিছু নাই গো ॥
    তুমি  সুখ যদি নাহি পাও,  যাও  সুখের সন্ধানে যাও–
    আমি   তোমারে পেয়েছি হৃদয়মাঝে,   আর কিছু নাহি চাই গো ॥
    আমি   তোমারি বিরহে রহিব বিলীন,   তোমাতে করিব বাস–
    দীর্ঘ দিবস, দীর্ঘ রজনী,  দীর্ঘ বরষ-মাস ।
    যদি    আর-কারে ভালোবাস,  যদি  আর ফিরে নাহি আস,
    তবে   তুমি যাহা চাও তাই যেন পাও,   আমি যত দুখ পাই গো ॥

    See less
      • 0
  • 1
  • 1,436
  • 0
Answer

মাঝে মাঝে তব দেখা পাই | majhe majhe tobo dekha pai lyrics?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 12, 2020 at 6:07 pm

    মাঝে মাঝে তব দেখা পাই | Majhe Majhe Tobo Dekha Pai মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাই না। কেন মেঘ আসে হৃদয়-আকাশে, তোমারে দেখিতে দেয় না। ( মোহমেঘে তোমারে দেখিতে দেয় না। অন্ধ করে রাখে, তোমারে দেখিতে দেয় না। ) ক্ষণিক আলোকে আঁখির পলকে তোমায় যবে পাই দেখিতে ওহে ‘হারাই হারাই’ সদা ভয় হয়, হারাইয়া ফেলি চকিRead more

    মাঝে মাঝে তব দেখা পাই | Majhe Majhe Tobo Dekha Pai

    মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাই না।
    কেন মেঘ আসে হৃদয়-আকাশে, তোমারে দেখিতে দেয় না।
    ( মোহমেঘে তোমারে দেখিতে দেয় না।
    অন্ধ করে রাখে, তোমারে দেখিতে দেয় না। )
    ক্ষণিক আলোকে আঁখির পলকে তোমায় যবে পাই দেখিতে
    ওহে ‘হারাই হারাই’ সদা ভয় হয়, হারাইয়া ফেলি চকিতে।
    ( আশ না মিটিতে হারাইয়া– পলক না পড়িতে হারাইয়া–
    হৃদয় না জুড়াতে হারাইয়া ফেলি চকিতে। )
    কী করিলে বলো পাইব তোমারে, রাখিব আঁখিতে আঁখিতে–
    ওহে এত প্রেম আমি কোথা পাব, নাথ, তোমারে হৃদয়ে রাখিতে।
    ( আমার সাধ্য কিবা তোমারে–
    দয়া না করিলে কে পারে–
    তুমি আপনি না এলে কে পারে হৃদয়ে রাখিতে। )
    আর-কারো পানে চাহিব না আর, করিব হে আমি প্রাণপণ–
    ওহে তুমি যদি বলো এখনি করিব বিষয় -বাসনা বিসর্জন।
    ( দিব শ্রীচরণে বিষয়– দিব অকাতরে বিষয়–
    দিব তোমার লাগি বিষয় -বাসনা বিসর্জন। )

    See less
      • 0
  • 1
  • 3,801
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

প্রাকৃতিক দুর্যোগ | bangla rachana prakritik durjog

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 14, 2020 at 12:46 pm

    প্রাকৃতিক দুর্যোগ  (prakritik durjog) ভূমিকা : বিজ্ঞানের আশীর্বাদ আর বিশ্বায়নের দৌলতে সৃষ্টির উষা-লগ্ন থেকে প্রকৃতির নানা প্রতিকুলতার সঙ্গে মানুষ প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে চলেছে। যার ফলস্বরূপ বলা যায় একদিন যে প্রকৃতি মানুষকে ভয় দেখাত সে প্রকৃতিকে মানুষ অনেকটা বশীভূত করেছে। কিন্তু আকাশ, জলে স্থলে অন্Read more

    প্রাকৃতিক দুর্যোগ  (prakritik durjog)

    ভূমিকা : বিজ্ঞানের আশীর্বাদ আর বিশ্বায়নের দৌলতে সৃষ্টির উষা-লগ্ন
    থেকে প্রকৃতির নানা প্রতিকুলতার সঙ্গে মানুষ প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে চলেছে। যার
    ফলস্বরূপ বলা যায় একদিন যে প্রকৃতি মানুষকে ভয় দেখাত সে প্রকৃতিকে মানুষ
    অনেকটা বশীভূত করেছে। কিন্তু আকাশ, জলে স্থলে অন্তরিক্ষে মানুষ আজ আধিপত্য
    বিস্তার করলেও আজও যা প্রতিনিয়ত মানুষের বুকে ভয় পুঞ্জীভূত করে রেখেছে তা
    হলাে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রতি বছরই পৃথিবীর কোন না কোন অংশে ঘটে চলেছে এই
    প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এই দুর্যোগে মানুষ যে কত অসহায় তা সহজে বুঝতে পারা যায়।
    দূর্যোগ কাকে বলে : আগাম জানান না দিয়ে হঠাৎ করে যখন কোন
    প্রাকৃতিক বা মনুষ্য সৃষ্টি বিপদজনক ঘটনা সংঘটিত হয়ে জনজীবন, পরিবেশ, সামাজিক
    ও অর্থনৈতিক পরিকাঠামো প্রভৃতি সম্পূর্ণ ধ্বংস কিংবা তছনছ করে দেয় এই রকম
    ঘটনাকে বলে দুর্যোগ। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলাে ভূমিকম্প, বন্যা, ভূমিখান,
    সুনামি, আয়েলা, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, হারিকেন, ঝটিতি প্লাবন, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত,
    অতি বৃষ্টি, অনাবৃষ্টি ইত্যাদি।

    দুর্যোগের শ্রেণিবিভাগ : দুর্যোগ প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায় –
    যথা – (ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ, (খ) কৃত্রিম বা আকস্মিক দুর্ঘটনাজনিত দুর্যোগ।
    (ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ঈশ্বর সৃষ্ট যে সব দুর্যোগ অর্থাৎ যে সব দুর্যোগের
    পেছনে মানুষের কোন হাত থাকে না এবং যে দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি প্রাণ সংশয়ের ভয়
    থাকে এগুলিই প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এ দুর্যোগ গুলো হলাে – ভূমিগ্বলন, আগ্নেয়গিরির
    অগ্ন্যুৎপাত, ঘূর্ণিঝড়, আয়লা, সুনামি, বন্যা, ভূমিস্থলন তথা ধস নামা, অতিবৃষ্টি,
    অনাবৃষ্টি ইত্যাদি।
    (খ) কৃত্রিম বা আকস্মিক দুর্ঘটনাজনিত দুর্যোগ : মানুষের দ্বারা সৃষ্ট দুর্ঘটনাগুলিই
    হলাে কৃত্রিম বা আকস্মিক দুর্ঘটনা। এগুলির মধ্যে যানবাহন জনিত দুর্ঘটনা, রাসায়নিক
    কারখানায় সংঘটিত দুর্ঘটনা, বিদ্যুৎ সংক্রান্ত দুর্ঘটনা, বিশাল জমায়েতে মানুষের পদপিষ্ট
    হওয়া, মানুষে মানুষে দাঙ্গা ইত্যাদি।

    দুর্যোগের বৈশিষ্ট্য : দুর্যোগের বৈশিষ্ট্যগুলি হলাে (ক) আগাম জানান না
    দিয়েই আকস্মিকভাবে এসে উপস্থিত হয়। (খ) এটা প্রাত্যহিক ঘটনা নয়। (গ) এ
    অতি দ্রুতগতি সম্পন্ন। (ঘ) দুর্যোগের কাণ্ড কারখানা অনিশ্চয়তায় ভরা। (ঙ) জরুরি
    অবস্থার সৃষ্টি করে থাকে। (চ) প্রায়শ অসংখ্য জীবনধ্বংসকারী। (ছ) অর্থনৈতিক ও
    পরিকাঠামোগত সমস্ত কিছুকে মুহুর্তে বিধ্বস্ত করে ফেলে।

    সরকার কর্তৃক দুর্যোগের শ্রেণিবিভাগ : দুর্যোগ গুলোর মােকাবিলার
    জন্য ভারত সরকার ১৯৯৯ সালে এক উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করে দেন। এই
    কমিটি বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ সম্পর্কে যথেষ্ট বিচার-বিবেচনা করে দুর্যোগ গুলো প্রধানতঃ
    পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করেছেন। যথা – (১) জল ও জলবায়ু সংক্রান্ত দুর্যোগ- এগুলির
    মধ্যে পড়ে – বন্যা, ঝড়, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, হারিকেন, আয়েলা প্রভৃতি। (২)
    ভূতত্ত্বীয় বা ভূ স্তর সংক্রান্ত দুর্যোগ, (৩) রাসায়নিক ও ঔদ্যোগিক পরি ঘটনা সংক্রান্ত
    দুর্যোগ, (৪) বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনাজনিত দুর্যোগ ও (৫) জৈব-বিষয়ক দুর্যোগ।
    ৬। ভূ-তত্বীয় বা ভূ-স্তর সংক্রান্ত দুর্যোগ ও পৃথিবীর অভ্যন্তরে তাপ, চাপ, গ্যাস
    প্রভৃতির ভারসাম্য নষ্ট হলেই প্রচণ্ড আলােড়নের সৃষ্টি হয়। আর তারই ফলে ভীষণভাবে
    কেঁপে উঠে পৃথিবী। প্রকৃতির রােষপ্ত এই প্রলয় নাচনে তখন নিমেষে নির্মমভাবে
    ধ্বংস হয়ে যায় সভ্য মানুষের সাজানাে বাগান – অকাতরে নষ্ট হয় প্রাণ ও সম্পত্তি।
    হাহাকারে ভরে যায় বাতাস। আর বিজ্ঞানের দানে অন্ধভােগবাদী মানুষ তখন ওুধুহ
    নির্বাক দর্শক – নিরুপায় শিকার। ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বিরাট প্রাকৃতিক বিপর্যয়। মানুষের নিশ্চিন্ত জীবনে আচমকা ঝাপিয়ে পড়ে এধরনের বিপদ। এক একটি ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির হার মারাত্মক রকমের। মানুষের কত সাধনায় সাজানাে গৌরব চুরমার হয়ে যায় এক
    লহমায়। অসংখ্য মানুষ, পণ, পাখির প্রাণ ঝরে যায় গাছের পাতার মতাে কিন্তু
    প্রকৃতির এই কাল অভিশাপের খবর আগাম পেতে ভ-তাত্ত্বিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা
    করে চলছেন।

    উপসংহার : প্রাকৃতিক তাণ্ডব মানুষের বিজ্ঞান-বুদ্ধির বড়াইকে বুড়ো
    আঙ্গুল দেখিয়ে চরম বিদ্রপ করে চলেছে এর মধ্যে কিছুটা মানুষের কৃত কর্মের ফলও
    আছে। যার ফলে মাঝে মাঝে প্রকৃতি রৌদ্র মুক্তি ধারণ করে। মানুষ বহু চেষ্টায়
    প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ এবং কিছুটা আত্মরক্ষার উপায় বের করতে সক্ষম হলেও
    সম্পূর্ণভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে নিজেকে বাঁচানাের ব্যবস্থা করতে আজও
    শেখেনি। হয়তাে শেখা সম্ভবও নয়। কেননা, প্রকৃতির বিশালতা ও প্রচণ্ডতার কাছে
    মানুষের দুর্দশা বুঝি কোন মতেই ঘুচবার নয়।

    See less
      • 2
  • 1
  • 17,247
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

কম্পিউটার রচনা | Bangla essay on computer

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 14, 2020 at 12:37 pm
    This answer was edited.

    কম্পিউটার ( Computer Rachana) ভূমিকা : বিজ্ঞান আধুনিক জগতের অগ্রগতিকে নিত্য নূতন দানে সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত করে রেখেছে। কম্পিউটার আধুনিক বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার। এমনকী প্রাইমারির ছাত্র - সেও জানে কম্পিউটারের নাম। শুধুমাত্র নাম জানা নয়, ক্লাসে, বাড়িতে সে কম্পিউটারের বান্সের সম্মুখে বসে বােতামRead more

    কম্পিউটার ( Computer Rachana)

    ভূমিকা : বিজ্ঞান আধুনিক জগতের অগ্রগতিকে নিত্য নূতন দানে সমৃদ্ধ ও
    প্রাণবন্ত করে রেখেছে। কম্পিউটার আধুনিক বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার।
    এমনকী প্রাইমারির ছাত্র – সেও জানে কম্পিউটারের নাম। শুধুমাত্র নাম জানা নয়,
    ক্লাসে, বাড়িতে সে কম্পিউটারের বান্সের সম্মুখে বসে বােতাম টেপা টেপি করছে। কুল
    কলেজের ছাত্র নিচ্ছে কম্পিউটারের পাঠ। আবার নিজেকে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের প্রস্তুতি
    নিতে দল বেঁধে ছেলেমেয়েরা ভর্তি হচ্ছে কম্পিউটার শিক্ষাকেন্দ্রে। সারা বিশ্বে আজ
    কম্পিউটারের একচ্ছত্র আধিপত্য। তাই কম্পিউটারই আজ আবালবৃদ্ধবনিতার ধ্যান
    জন।

    কম্পিউটারের স্বরূপ : কম্পিউটারের বাংলা নাম যন্ত্রগণক। কিন্তু শুধু
    এই নামটি দিয়ে কম্পিউটারের বিস্ময়কর কাণ্ড-কারখানা বােঝানাে যায় না। কম্পিউটারের
    কাজ হল – তথ্য সংগ্রহ, তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াজাত তথ্য
    সরবরাহ। এই সবগুলি কাজকে একত্রে কম্পিউটার ব্যবস্থা বলা হয়। এই ব্যবস্থায়
    ধরনের যন্ত্রপাতি থাকে। এক ধরনের যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারে তথ্য পাঠানাে হয়,
    আর অন্য ধরনের যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারে জমিয়ে রাখা বা প্রক্রিয়াজাত তথ্যগুলি
    ব্যবহারকারীর কাছে পৌছে দেওয়া হয়। প্রথম ধরনের যন্ত্রের নাম ইনপুট যন্ত্র আর
    দ্বিতীয় ধরনের নাম আউটপুট যন্ত্র। ইনপুট যন্ত্রে রয়েছে মাউস, কি-বাের্ড, স্ক্যানার।
    ইত্যাদি আর আউটপুট যন্ত্রে রয়েছে – স্ক্রিন, স্পীকার, প্রিন্টার ইত্যাদি।

    হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার : কম্পিউটারের মূল দুটি অংশ হল – হার্ডওয়্যার
    ও সফটওয়্যার। হার্ডওয়্যার বলতে কম্পিউটারের মধ্যে যত সব যন্ত্রপাতি রয়েছে,
    সেগুলিকে বােঝায়। বিভিন্ন পদ্ধতি, রুটিন, প্রোগ্রাম সফটওয়্যার বলা হয়। দুপ্রকারের
    সফটওয়্যার আছে। যেমন – অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার।
    কোন কিছু লেখা, ছবি আঁকা, হিসাব নিকাশ সব করা হয় অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের
    সাহায্যে। আর অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় কম্পিউটার চালানোর
    জন্য।
    বিস্ময়কর কম্পিউটার : কম্পিউটারকে এক কথায় বলা যেতে পারে পৃথিবীর
    সর্ববৃহৎ ভান্ডার ঘর। এই ভান্ডার ঘরের কোনে সীমা পরিসীমা নেই। এই ঘরে যত
    খুশি তথ্য ঢুকিয়ে রাখা যায়। হাজার হাজার বইয়ের পাতা কম্পিউটার তার পেট্টে জমা
    রাখতে পারে। আবার মানুষের যখন প্রয়োজন তখন সে তা বের করে দিতেও পারে ৷
    কম্পিউটারে একটা ইদুরের মতাে যন্ত্র আছে, তার নাম ‘মাউস’। এটি নেড়ে কম্পিউটারকে
    নির্দেশ দিলে, আপনার নির্দেশ মতো প্রয়োজনীয় তথ্য আপনার চোখের আসে
    কম্পিউটার হাজির করে দিবে।

    ব্যবহারে সুবিধা : কম্পিউটার ব্যবহারে চারটি প্রধান সুবিধা উল্লেখযোগ্য।
    অতি অল্প সময়ে এর মাধ্যমে বিভিন্ন গাণিতিক সমস্যার সমাধান করা যায় ।প্রভূত
    তথ্যকে সঞ্চিত ও সজ্জিত করে রাখার ক্ষমতা এর আছে। এই যন্ত্রগণক নির্ভুল তথ্য
    ও কার্যক্রমের অনুসরণে নির্ভুল অনায়াসসাধ্য সমাধান করে দিতে পারে। তথ্য ও
    কার্যক্রমের বৈচিত্র্য অনুসরণে সূক্ষ ও জটিল কার্য সম্পাদন করার অভাবনীয় ক্ষমতা
    এর আছে।

    ইন্টারনেট, ই-মেইল : কম্পিউটারের দৌলতে আজ গােটা পৃথিবীটা মানুষের
    হাতের মুঠোয় এসে গেছে। কম্পিউটারের কল্যাণে বিশ্ব জুড়ে চালু হয়েছে ইন্টারনেট,
    ই-মেল, ওয়েব সাইট ইত্যাদি বিস্ময়কর পরিষেবা। টেলিফোনের বদলে কম্পিউটার
    থেকে কম্পিউটারে উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য আধান প্রধান করাই হল
    ইন্টারনেট সিস্টেম। ই-মেল হল ইলেকট্রনিক মেইল। ইন্টারনেটের মাধ্যমে মুহূর্তে ই.
    মেলের বার্তা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়। ইন্টারনেটের সাহায্যে সারা বিশ্বের জ্ঞান ভান্ডার কে নিজস্ব কম্পিউটারে সংগ্রহ করে রাখা যায় এবং নতুন কোন প্রোাম চালু
    করা যায়।

    বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার : মানবজীবনে কম্পিউটার যে কীভাবে পরিষেণা
    দিয়ে চলেছে, তা বলে শেষ করা যাবে না। এর সাহায্যে কোনও প্রতিষ্ঠানের বিপুল
    সংখ্যক কর্মীদের মাসিক বেতন এবং বাৎসরিক আয় ব্যয়ের হিসাব নির্ণয় করা হয়ে
    থাকে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে এর নানা প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার
    কাজে কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া পরীক্ষার ফল প্রকাশ, মহাকাশযানের নির্ভুল
    উৎক্ষেপণ ও গতিপথ নির্দেশ ইত্যাদি সব বিচিত্র কাজই এই যন্ত্র নির্ভুলভাবে করে
    থাকে।
    তথ্য প্রযুক্তির প্রসার : বর্তমান যুগকে তথ্য প্রযুক্তির যুগ বলা হয়। তথ্য
    প্রযুক্তি আজ একটা জীবনমুখী বিদ্যা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আজ বহু ছাত্রছাত্রী
    তথ্য প্রযুক্তিবিদ্যায় শিক্ষা প্রাপ্তি হয়ে জীবিকার নতুন পথ খুঁজে পেয়েছে। এই প্রযুক্তির
    অনেক কম্পিউটার। আজ কম্পিউটার প্রচুর বেকারের রােজগারের সংস্থান করে
    দিয়েছে।
    উপসংহার : কম্পিউটার অসাধ্য সাধন করে চলেছে। অসম্ভবকে সম্ভব।
    করেছে। প্রযুক্তিবিদ্যার দ্বারা কম্পিউটার পৃথিবীর চেহারা পাল্টে দিচ্ছে। পদার্থ বিজ্ঞানী
    লরেন্স ক্রস বলেছেন, বিবর্তন যদি মানুষের এগিয়ে চলার মূল নীতি হয়, তাহলে
    আগামী দিনে সমাজ বদলে সবচেয়ে বড়াে ভূমিকা নিবে কম্পিউটার। কম্পিউটার
    বহুল পরিমাণে ব্যবহারের ফলে বেকারত্ব বাড়বে কারণ কম্পিউটার চারজন মানুষের
    কাজ একসঙ্গে করতে পারে। তথাপি আধুনিক জীবনে কম্পিউটারকে মেনে নিতেই
    হবে।

    See less
      • 1
  • 3
  • 14,194
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

গাহি সাম্যের গান | gahi shammer gaan kobita?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 11, 2020 at 11:17 pm

    মানুষ গাহি সাম্যের গান– মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান , নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি, সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি । ‘পুজারী, দুয়ার খোল, ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পুজার সময় হলো !’ স্বপ্ন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয় দেবতার বরে আজ রাজা- টাজা হয়েRead more

    মানুষ

    গাহি সাম্যের গান–
    মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান ,
    নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি,
    সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি ।
    ‘পুজারী, দুয়ার খোল,
    ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পুজার সময় হলো !’
    স্বপ্ন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়
    দেবতার বরে আজ রাজা- টাজা হয়ে যাবে নিশ্চয় !
    জীর্ণ-বস্ত্র শীর্ণ-গাত্র, ক্ষুধায় কন্ঠ ক্ষীণ
    ডাকিল পান্থ, ‘দ্বার খোল বাবা, খাইনা তো সাত দিন !’
    সহসা বন্ধ হল মন্দির , ভুখারী ফিরিয়া চলে
    তিমির রাত্রি পথ জুড়ে তার ক্ষুধার মানিক জ্বলে !
    ভুখারী ফুকারি’ কয়,
    ‘ঐ মন্দির পুজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয় !’
    মসজিদে কাল শিরনী আছিল, অঢেল গোস্ত রুটি
    বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটিকুটি !
    এমন সময় এলো মুসাফির গায়ে-আজারির চিন্
    বলে, ‘বাবা, আমি ভুখা ফাকা আছি আজ নিয়ে সাত দিন !’
    তেরিয়াঁ হইয়া হাঁকিল মোল্লা–”ভ্যালা হলো দেখি লেঠা,
    ভুখা আছ মর গে-ভাগাড়ে গিয়ে ! নামাজ পড়িস বেটা ?”
    ভুখারী কহিল, ‘না বাবা !’ মোল্লা হাঁকিল- ‘তা হলে শালা
    সোজা পথ দেখ !’ গোস্ত-রুটি নিয়া মসজিদে দিল তালা !
    ভুখারী ফিরিয়া চলে,
    চলিতে চলিতে বলে–
    “আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তেমায় কভু,
    আমার ক্ষুধার অন্ন তা’বলে বন্ধ করোনি প্রভু !
    তব মজসিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী,
    মোল্লা-পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবী !”
    কোথা চেঙ্গিস, গজনী-মামুদ, কোথায় কালাপাহাড় ;
    ভেঙ্গে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া- দ্বার !
    খোদার ঘরে কে কপাট লাগায় কে দেয় সেখানে তালা ?
    সব দ্বার এর খোলা র’বে, চালা হাতুড়ি শাবল চালা !
    হায় রে ভজনালয়
    তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের জয় !
    মানুষেরে ঘৃণা করি
    ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি মরি
    ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর করে কেড়ে
    যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে ।
    পুজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল !–মুর্খরা সব শোনো
    মানুষ এনেছে গ্রন্থ,–গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো ।
    আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মদ
    কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবীর,-বিশ্বের সম্পদ,
    আমাদেরি এরা পিতা পিতামহ, এই আমাদের মাঝে
    তাঁদেরি রক্ত কম-বেশী করে প্রতি ধমনীতে বাজে !
    আমরা তাঁদেরি সন্তান , জ্ঞাতি, তাঁদেরি মতন দেহ
    কে জানে কখন মোরাও অমনি হয়ে যেতে পারি কেহ ।
    হেস না বন্ধু ! আমার আমি সে কত অতল অসীম
    আমিই কি জানি কে জানে কে আছে আমাতে মহামহিম।
    হয়ত আমাতে আসিছে কল্কি, তোমাতে মেহেদি ঈসা,
    কে জানে কাহার অন্ত ও আদি, কে পায় কাহার দিশা ?
    কাহারে করিছ ঘৃণা তুমি ভাই, কাহারে মারিছ লাথি ?
    হয়তো উহারই বুকে ভগবান জাগিছেন দিবারাতি !
    অথবা হয়ত কিছুই নহে সে, মহান উচ্চ নহে,
    আছে ক্লেদাক্ত ক্ষত-বিক্ষত পড়িয়া দুঃখ–দহে,
    তবু জগতের যত পবিত্র গ্রন্থ ভজানালয়
    ঐ একখানি ক্ষুদ্র দেহের সম পবিত্র নয় !
    হয়ত ইহারি ঔরসে ভাই ইহারই কুটীর-বাসে
    জন্মিছে কেহ-জোড়া নাই যার জগতের ইতিহাসে !
    যে বাণী আজিও শোনেনি জগৎ, যে মহাশক্তিধরে
    আজিও বিশ্ব দেখেনি–হয়ত আসিছে সে এরই ঘরে !
    ও কে ? চন্ডাল ? চমকাও কেন ? নহে ও ঘৃণ্য জীব !
    ওই হতে পারে হরিশচন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব।
    আজ চন্ডাল, কাল হতে পারে মহাযোগী-সম্রাট,
    তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে, করিবে নান্দী পাঠ ।
    রাখাল বলিয়া কারে কর হেলা, ও-হেলা কাহারে বাজে !
    হয়ত গোপনে ব্রজের গোপাল এসেছে রাখাল সাজে !
    চাষা বলে কর ঘৃণা !
    দেখো চাষা রুপে লুকায়ে জনক বলরাম এলো কি না !
    যত নবী ছিল মেষের রাখাল, তারও ধরিল হাল
    তারাই আনিল অমর বাণী–যা আছে র’বে চিরকাল ।
    দ্বারে গালি খেয়ে ফিরে যায় নিতি ভিখারী ও ভিখারিনী,
    তারি মাঝে কবে এলো ভোলা-নাথ গিরিজায়া, তা কি চিনি !
    তোমার ভোগের হ্রাস হয় পাছে ভিক্ষা-মুষ্টি দিলে
    দ্বার দিয়ে তাই মার দিয়ে তুমি দেবতারে খেদাইলৈ ।
    সে মোর রহিল জমা –
    কে জানে তোমারে লাঞ্ছিতা দেবী করিয়াছে কিনা ক্ষমা !
    বন্ধু, তোমার বুক-ভরা লোভ দু’চোখ স্বার্থ ঠুলি,
    নতুবা দেখিতে, তোমারে সেবিতে দেবতা হয়েছে কুলী ।
    মানুষের বুকে যেটুকু দেবতা, বেদনা মথিত সুধা
    তাই লুটে তুমি খাবে পশু ? তুমি তা দিয়ে মিটাবে ক্ষুধা ?
    তোমার ক্ষুধার আহার তোমার মন্দোদরীই জানে
    তোমার মৃত্যু-বাণ আছে তব প্রাসাদের কোনখানে !
    তোমারি কামনা-রাণী
    যুগে যুগে পশু ফেলেছে তোমায় মৃত্যু বিবরে টানি ।

    See less
      • 0
  • 1
  • 747
  • 0
Answer
In: সাহিত্য

Gahi shammer gaan poem lyrics?

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 11, 2020 at 11:17 pm

    মানুষ গাহি সাম্যের গান– মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান , নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি, সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি । ‘পুজারী, দুয়ার খোল, ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পুজার সময় হলো !’ স্বপ্ন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয় দেবতার বরে আজ রাজা- টাজা হয়েRead more

    মানুষ

    গাহি সাম্যের গান–
    মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান ,
    নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি,
    সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি ।
    ‘পুজারী, দুয়ার খোল,
    ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পুজার সময় হলো !’
    স্বপ্ন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়
    দেবতার বরে আজ রাজা- টাজা হয়ে যাবে নিশ্চয় !
    জীর্ণ-বস্ত্র শীর্ণ-গাত্র, ক্ষুধায় কন্ঠ ক্ষীণ
    ডাকিল পান্থ, ‘দ্বার খোল বাবা, খাইনা তো সাত দিন !’
    সহসা বন্ধ হল মন্দির , ভুখারী ফিরিয়া চলে
    তিমির রাত্রি পথ জুড়ে তার ক্ষুধার মানিক জ্বলে !
    ভুখারী ফুকারি’ কয়,
    ‘ঐ মন্দির পুজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয় !’
    মসজিদে কাল শিরনী আছিল, অঢেল গোস্ত রুটি
    বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটিকুটি !
    এমন সময় এলো মুসাফির গায়ে-আজারির চিন্
    বলে, ‘বাবা, আমি ভুখা ফাকা আছি আজ নিয়ে সাত দিন !’
    তেরিয়াঁ হইয়া হাঁকিল মোল্লা–”ভ্যালা হলো দেখি লেঠা,
    ভুখা আছ মর গে-ভাগাড়ে গিয়ে ! নামাজ পড়িস বেটা ?”
    ভুখারী কহিল, ‘না বাবা !’ মোল্লা হাঁকিল- ‘তা হলে শালা
    সোজা পথ দেখ !’ গোস্ত-রুটি নিয়া মসজিদে দিল তালা !
    ভুখারী ফিরিয়া চলে,
    চলিতে চলিতে বলে–
    “আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তেমায় কভু,
    আমার ক্ষুধার অন্ন তা’বলে বন্ধ করোনি প্রভু !
    তব মজসিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী,
    মোল্লা-পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবী !”
    কোথা চেঙ্গিস, গজনী-মামুদ, কোথায় কালাপাহাড় ;
    ভেঙ্গে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া- দ্বার !
    খোদার ঘরে কে কপাট লাগায় কে দেয় সেখানে তালা ?
    সব দ্বার এর খোলা র’বে, চালা হাতুড়ি শাবল চালা !
    হায় রে ভজনালয়
    তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের জয় !
    মানুষেরে ঘৃণা করি
    ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি মরি
    ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর করে কেড়ে
    যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে ।
    পুজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল !–মুর্খরা সব শোনো
    মানুষ এনেছে গ্রন্থ,–গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো ।
    আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মদ
    কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবীর,-বিশ্বের সম্পদ,
    আমাদেরি এরা পিতা পিতামহ, এই আমাদের মাঝে
    তাঁদেরি রক্ত কম-বেশী করে প্রতি ধমনীতে বাজে !
    আমরা তাঁদেরি সন্তান , জ্ঞাতি, তাঁদেরি মতন দেহ
    কে জানে কখন মোরাও অমনি হয়ে যেতে পারি কেহ ।
    হেস না বন্ধু ! আমার আমি সে কত অতল অসীম
    আমিই কি জানি কে জানে কে আছে আমাতে মহামহিম।
    হয়ত আমাতে আসিছে কল্কি, তোমাতে মেহেদি ঈসা,
    কে জানে কাহার অন্ত ও আদি, কে পায় কাহার দিশা ?
    কাহারে করিছ ঘৃণা তুমি ভাই, কাহারে মারিছ লাথি ?
    হয়তো উহারই বুকে ভগবান জাগিছেন দিবারাতি !
    অথবা হয়ত কিছুই নহে সে, মহান উচ্চ নহে,
    আছে ক্লেদাক্ত ক্ষত-বিক্ষত পড়িয়া দুঃখ–দহে,
    তবু জগতের যত পবিত্র গ্রন্থ ভজানালয়
    ঐ একখানি ক্ষুদ্র দেহের সম পবিত্র নয় !
    হয়ত ইহারি ঔরসে ভাই ইহারই কুটীর-বাসে
    জন্মিছে কেহ-জোড়া নাই যার জগতের ইতিহাসে !
    যে বাণী আজিও শোনেনি জগৎ, যে মহাশক্তিধরে
    আজিও বিশ্ব দেখেনি–হয়ত আসিছে সে এরই ঘরে !
    ও কে ? চন্ডাল ? চমকাও কেন ? নহে ও ঘৃণ্য জীব !
    ওই হতে পারে হরিশচন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব।
    আজ চন্ডাল, কাল হতে পারে মহাযোগী-সম্রাট,
    তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে, করিবে নান্দী পাঠ ।
    রাখাল বলিয়া কারে কর হেলা, ও-হেলা কাহারে বাজে !
    হয়ত গোপনে ব্রজের গোপাল এসেছে রাখাল সাজে !
    চাষা বলে কর ঘৃণা !
    দেখো চাষা রুপে লুকায়ে জনক বলরাম এলো কি না !
    যত নবী ছিল মেষের রাখাল, তারও ধরিল হাল
    তারাই আনিল অমর বাণী–যা আছে র’বে চিরকাল ।
    দ্বারে গালি খেয়ে ফিরে যায় নিতি ভিখারী ও ভিখারিনী,
    তারি মাঝে কবে এলো ভোলা-নাথ গিরিজায়া, তা কি চিনি !
    তোমার ভোগের হ্রাস হয় পাছে ভিক্ষা-মুষ্টি দিলে
    দ্বার দিয়ে তাই মার দিয়ে তুমি দেবতারে খেদাইলৈ ।
    সে মোর রহিল জমা –
    কে জানে তোমারে লাঞ্ছিতা দেবী করিয়াছে কিনা ক্ষমা !
    বন্ধু, তোমার বুক-ভরা লোভ দু’চোখ স্বার্থ ঠুলি,
    নতুবা দেখিতে, তোমারে সেবিতে দেবতা হয়েছে কুলী ।
    মানুষের বুকে যেটুকু দেবতা, বেদনা মথিত সুধা
    তাই লুটে তুমি খাবে পশু ? তুমি তা দিয়ে মিটাবে ক্ষুধা ?
    তোমার ক্ষুধার আহার তোমার মন্দোদরীই জানে
    তোমার মৃত্যু-বাণ আছে তব প্রাসাদের কোনখানে !
    তোমারি কামনা-রাণী
    যুগে যুগে পশু ফেলেছে তোমায় মৃত্যু বিবরে টানি ।

    – কাজী নজরুল ইসলাম

    See less
      • 0
  • 1
  • 2,774
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

বহুরূপী গল্প | bahurupi subodh ghosh

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on March 24, 2020 at 6:30 pm

    বহুরূপী (subodh ghosh) হরিদার কাছে আমরাই গল্প করে বললাম, শুনেছেন, হরিদা, কী কাণ্ড হয়েছে? উনানের মুখে ফুঁ দিয়ে আর অনেক ধােয়া উড়িয়ে নিয়ে হরিদা এইবার আমাদের কথার জবাব দিলেন--না, কিছুই শুনিনি। --জগদীশবাবু যে কী কাণ্ড করেছেন, শশানেনি হরিদা? হরিদা, না রে ভাই, বড় মানুষের কান্ডের খবর আমি কেমন করে শুনRead more

    বহুরূপী (subodh ghosh)

    হরিদার কাছে আমরাই গল্প করে বললাম, শুনেছেন, হরিদা, কী কাণ্ড হয়েছে?
    উনানের মুখে ফুঁ দিয়ে আর অনেক ধােয়া উড়িয়ে নিয়ে হরিদা এইবার আমাদের কথার জবাব দিলেন–না, কিছুই শুনিনি।
    –জগদীশবাবু যে কী কাণ্ড করেছেন, শশানেনি হরিদা?
    হরিদা, না রে ভাই, বড় মানুষের কান্ডের খবর আমি কেমন করে শুনবাে? আমাকে বলবেই বা কে?
    সাতদিন হল এক সন্ন্যাসী এসে জগদীশবাবুর বাড়িতে ছিলেন। খুব উঁচু দরের সন্ন্যাসী। হিমালয়ের গুহাতে থাকেন। সারা বছরে শুধু একটি হরীতকী খান ; এ ছাড়া আর কিছুই খান । সন্ন্যাসীর বয়সও হাজার বছরের বেশি বলে অনেকেই মনে করেন। হরিদা-সন্ন্যাসী কি এখনও আছেন?
    -না, চলে গিয়েছে। আক্ষেপ করেন হরিদা-থাকলে একবার গিয়ে পায়ের ধুলাে নিতাম।
    -তা পেতেন না হরিদা। সে ভয়ানক দুর্লভ জিনিস। শুধু ওই একা জগদীশবাবু ছাড়া আর কাউকে পায়ের ধুলাে নিতে দেননি সন্ন্যাসী। হরিদা-কেন?
    –জগদীশবাবু একজোড়া কাঠের খড়মে সােনার বােল লাগিয়ে সন্ন্যাসীর পায়ের কাছে ধরলেন। তখন বাধ্য হয়ে সন্ন্যাসী পা এগিয়ে দিলেন, নতুন খড়ম পরলেন আর সেই ফাকে জগদীশবাবু পায়ের ধুলাে নিয়েছিলেন।
    হরিদা-বাঃ, এ তাে বেশ মজার ব্যাপার!
    -হ্যা, তা ছাড়া সন্ন্যাসীকে বিদায় দেবার সময় জগদীশবাবু একশাে টাকার একটা নােট জোর করে সন্ন্যাসীর ঝােলার ভেতরে ফেলে দিলেন। সন্ন্যাসী হাসলেন আর চলে গেলেন। |
    গল্প শুনে খুব গম্ভীর হয়ে গেলেন হরিদা। অনেকক্ষণ চুপ করে রইলেন। আমরা কী বলছি বা না বলছি, সেদিকে হরিদার কোন কান নেই।
    হরিদার উনানের আগুন তখন বেশ গনগনে হয়ে জ্বলছে। আমাদের চায়ের জন্য এক হাঁড়ি ফুটন্ত জল নামিয়ে দিয়েই হরিদা তার ভাতের হাঁড়িটাকে উনানে চড়ালেন।
    শহরের সবচেয়ে সরু এই গলিটার ভিতরে এই ছােট্ট ঘরটাই হরিদার জীবনের ঘর ; আর আমাদের চারজনের সকাল-সন্ধ্যার আড্ডার ঘর। চা চিনি আর দুধ আমরাই নিয়ে আসি। হরিদা শুধু তার উনানের আগুনের আঁচে জল ফুটিয়ে দেন।
    খুবই গরীব মানুষ হরিদা। কিন্তু কাজ করতে হরিদার প্রাণের মধ্যেই যেন একটা বাধা আছে। ইচ্ছে করলে কোন অফিসের কাজ, কিংবা কোন দোকানের বিক্রীওয়ালার কাজ পেয়ে যেতে পারেন হরিদা; কিন্তু ওই ধরনের কাজ হরিদার জীবনের পছন্দই নয়। একেবারে ঘড়ির কাটার সামনে সময় বেঁধে দিয়ে আর নিয়ম করে নিয়ে রােজই একটা চাকরির কাজ করে যাওয়া হরিদার পক্ষে সম্ভব নয়। হরিদার উনানের হাঁড়িতে অনেক সময় শুধু জল ফোটে ভাত ফোটে না। এই একঘেয়ে অভাবটাকে সহ্য করতে হরিদার আপত্তি নেই, কিন্তু একঘেঁয়ে কাজ করতে ভয়ানক আপত্তি।
    হরিদার জীবনে সত্যিই একটা নাটকীয় বৈচিত্র্য আছে। আর, সেটাই যে হরিদার জীবনের পেশা। হরিদার মাঝে-মাঝে বহুরূপী সেজে যেটুকু রােজগার করেন, তাতেই তার ভাতের হাঁড়ির দাবি মিটিয়ে দিতে চেষ্টা করেন। মাঝে মাঝে সত্যিই উপােস করেন হরিদা। তারপর একদিন হঠাৎ আবার এক সকালে কিংবা সন্ধ্যায় বিচিত্র ছদ্মবেশে অপরূপ হয়ে পথে বের হয়ে পড়েন। কেউ চিনতে পারে না। যারা চিনতে পারে এক-আনা দু-আনা বকশিশ দেয়। যারা চিনতে পারে না, তারা হয় কিছুই দেয় না, কিংবা বিরক্ত হয়ে দুটো-একটা পয়সা দিয়ে দেয়।

    একদিন চকের বাস স্ট্যাণ্ডের কাছে ঠিক দুপুরবেলা একটা আতঙ্কের হল্লা বেজে উঠেছিল। একটা উন্মাদ পাগল ; তার মুখ থেকে লালা ঝরে পড়ছে, চোখ দুটো কটকটে লাল। তার কোমরে একটা ছেঁড়া কম্বল জড়ানাে, গলায় টিনের কৌটার একটা মালা। পাগলটা একটা থান ইট হাতে তুলে নিয়ে বাসের উপরে বসা যাত্রীদের দিকে তেড়ে যাচ্ছে। চেঁচিয়ে উঠছে যাত্রীরা, দুটো একটা পয়সা ফেলেও দিচ্ছে।
    একটু পরেই বাসের ড্রাইভার কাশীনাথ ধমক দেয়।খুব হয়েছে হরি, এই বার সরে পড়। অন্যদিকে যাও।

    আঁ? ওটা কি একটা বহুরূপী ? বাসের যাত্রীরা কেউ হাসে, কেউ বা বেশ বিরক্ত হয় ; কেউ আবার বেশ বিস্মিত। সত্যিই, খুব চমৎকার পাগল সাজতে পেরেছে তাে লােকটা।
    হরিদার জীবন এইরকম বহু রূপের খেলা দেখিয়েই একরকম চলে যাচ্ছে। এই শহরের জীবনে মাঝে মাঝে বেশ চমৎকার ঘটনা সৃষ্টি করেন বহুরূপী হরিদা। সন্ধ্যার আলাে সবেমাত্র জ্বলেছে, দোকানে দোকানে লােকজনের ব্যক্ততা আর মুখরতাও জমে উঠেছে। হঠাৎ পথের উপর দিয়ে ঘুণুরের মিষ্টি শব্দ রুমঝুম করে বেজেবেজে চলে যেতে থাকে। এক রূপসী বাঈজী প্রায় নাচতে নাচতে চলে যাচ্ছে। শহরে যারা নতুন এসেছে, তারা দুই চোখ বড় করে তাকিয়ে থাকে। কিন্তু দোকানদার হেসে ফেলে-হরির কাণ্ড!

    আঁ? এটা একটা বরূপী নাকি? কারও কারও মুগ্ধ চোখের মােহভঙ্গ হয়, আর যেন বেশ একটু হতাশস্বরে প্রশ্ন করে ওঠে।
    বাঈজীর ছদ্মবেশে সেদিন হরিদার রােজগার মন্দ হয়নি। মােট আট টাকা দশ আনা পেয়েছিলেন। আমরাও দেখেছিলাম, এক-একটা দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে সেই রূপসী বাঈজী, মুচকি হেসে আর চোখ টিপে একটা ফুলসাজি এগিয়ে দিচ্ছে। দোকানদারও। হেসে ফেলে আর একটা সিকি তুলে নিয়ে বাঈজীর হাতের ফুলসাজির উপর ফেলে দেয়।
    কোনদিন বাউল, কোনদিন কাপালিক। কখনও বোঁচকা কাধে বুড়াে কাবুলীওয়ালা, কখনও হ্যাট-কোট-পেন্টলুন-পরা ফিরিঙ্গি কেরামিন সাহেব। একবার পুলিস সেজে দয়ালবাবুর লিচু বাগানের ভিতরে দাঁড়িয়েছিলেন হরিদা; স্কুলের চারটে ছেলেকে ধরেছিলেন। ভয়ে কেঁদে ফেলেছিল ছেলেগুলাে ; আর স্কুলের মাস্টার এসে সেই নকল পুলিসের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন—এবারের মতাে মাপ করে দিন ওদের। কিন্তু আটআনা ঘুষ নিয়ে তারপর। মাস্টারের অনুরােধ রক্ষা করেছিলেন সেই নকল-পুলিস হরিদা।
    পরদিন অবশ্য স্কুলের মাস্টারমশাইয়ের জানতে বাকি থাকেনি , কাকে তিনি আট আনা ঘুষ দিয়েছেন । কিন্তু মাস্টারমশাই একটুও রাগ করেননি। বরং একটু তারিফই করলেন, সত্যি, খুব চমৎকার পুলিশ সেজেছিল হরি!
    আজ এখন কিন্তু আমরা ঠিক বুঝতে পারছি না, হরিদা এত গম্ভীর হয়ে কী ভাবছে। সন্ন্যাসীর গল্পটা শুনে কী হরিদার মাথার মধ্যে নতুন কোন মতলব ছটফট করে উঠেছে?
    ঠিকই, আমাদের সন্দেহ মিথ্যে নয়। হরিদা বললেন–আজ তােমাদের একটা জবর খেলা দেখাবাে।
    -আমাদের দেখিয়ে আপনার লাভ কি হরিদা? আমাদের কাছ থেকে একটা সিগারেটের চেয়ে বেশি কিছু তো পাবেন না।
    হরিদা-না, ঠিক তােমাদের দেখাবাে না। আমি বলছি তােমরা সেখানে থেকে। তাহলে

    দেখতে পাবে…।

    –কোথায়?

    হরিদা–আজ সন্ধ্যায় জগদীশবাবুর বাড়িতে।

    –হঠাৎ জগদীশবাবুর বাড়িতে খেলা দেখাবার নাে আপনার এত উৎসাহ জেগে উঠলো

    হরিদা হাসেন-মােটা মতন কিছু আদায় করে নেব। বুঝতেই তো পারছাে, পুরাে দিনটি। রূপ ধরে ঘুরে বেড়িয়েও দু-তিন টাকার বেশি হয় না। একবার বাঈজী সেজে অবশ্য কিছু বেশি পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু ওতেই বা কি হবে?

    ঠিকই বলেছেন হরিদা। সপ্তাহে বড়জোর একটা দিন ব্যাপী সেজে পথে বের হন হরিদা। কিন্তু তাতে সাত দিনের পেট চলবার মতাে রােজগার হয় না।
    হরিদা বলেন-নাঃ, এবার আর কাঙালের মতাে হাত পেতে বকশিস নেওয়া নয়। এবার মারি তাে হাতী, লুঠি তো ভাণ্ডার। একবারেই যা ঝেলে নেব তাতে আমার সারা বছর চলে যাবে।

    কিন্তু সে কী করে সম্ভব? জগদীশবাবু ধনী মানুষ বটে, কিন্তু বেশ কৃপণ মানুষ। হরিদাকে একটা যােগী সন্ন্যাসী কিংবা বৈরাগী সাজতে দেখে কত আর খুশি হবেন জগদীশবাবু? আর খুশি হলেই বা কত আনা বকশিস দেবেন। পাচ আর বেশি তাে নয়।
    হরিদা বলেন-তোমরা যদি দেখতে চাও, তবে আজ ঠিক সন্ধাতে জগদীশবাবুর বাড়িতে থেকো।

    আমরা বললাম-থাকবাে ; আমাদের পাের্টের চাদা নেবার জন্যে আজ ঠিক সন্ধাতেই জগদীশবাবুর কাছে যাব।
    ২
    বড় চমৎকার আজকের এই সন্ধ্যার চেহারা। আমাদের শহরের গায়ে কতদিন তাে চাঁদের আলাে পড়েছে, কিন্তু কোনদিন তাকে আজকের মতাে এমন একটা স্নিগ্ধ ও শান্ত উজ্জ্বলতা কখনও চারদিকে এমন সুন্দর হয়ে ফুটে ওঠেনি।
    ফুরফুর করে বাতাস বইছে। জগদীশবাবুর বাড়ির বাগানের সব গাছের পাতাও ঝিরিঝিরি শব্দ করে কী যেন বলতে চাইছে। জগদীশবাবুর বাড়ির বারান্দাতে মস্ত বড় একটা আলাে জ্বলছে। সেই আলাের কাছে একটা চেয়ারের উপর বসে আছেন জগদীশবাবু। সাদা মাথা, সাদা দাড়ি, সৌম্য শান্ত ও জ্ঞানী মানুষ জগদীশবাবু। আমরা আমাদের স্পাের্টের চাদার খাতাটিকে জগদীশবাবুর হাতে তুলে দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি।
    চমকে উঠলেন জগদীশবাবু। বারান্দার সিড়ির দিকে তাকিয়ে জগদীশবাবুর দুই বিস্মিত চোখ অপলক হয়ে গেল।

    আমরাও চমকে উঠেছি বইকি। আশ্চর্য হয়েছি, একটু ভয়ও পেয়েছি। কারণ, সত্যিই যে বিশ্বাস করতে পারছি না, সিঁড়ির কাছে এসে যে দাঁড়িয়েছে, সে কি সত্যিই হরিদা? ও চেহারা কি সত্যিই কোন বহুরূপীর হতে পারে?

    জটাজুটধারী কোন সন্ন্যাসী নয়। হাতে কমন্ডলু নেই, চিমটে নেই। মৃগচর্মের আসনও সঙ্গে নেই। গৈরিক সাজও নেই। আদুর গা, তার উপর একটি ধবধবে সাদা উত্তরীয়। পরনে ছােট বহরের একটি সাদা থান।
    মাথায় ফুরফুর করে উড়ছে শুকনাে সাদা চুল। ধুলাে মাখা পা, হাতে একটা ঝােলা, সে ঝােলার ভিতরে শুধু একটা বই, গীতা। গীতা বের করে কি যেন দেখলেন এই আগন্তুক। তারপর নিজের মনেই হাসলেন।
    আগন্তুক এই মানুষটি যেন এই জগতের সীমার ওপার থেকে হেঁটে হেঁটে চলে এসেছেন । শীর্ণ শরীবটাকে প্রায় অশরীরী একটা চেহারা বলে মনে হয়। কী অদ্ভুত উদাত্ত শান্ত ও উজ্জ্বল একটা দৃষ্টি এই আগন্তুকের চোখ থেকে ঝরে পড়ছে।
    উঠে দাঁড়ালেন জগদীশবাবু–আসুন।
    আগন্তুক হাসেন–আপনি কি ভগবানের চেয়েও বড়?

    জগদীশবাবু কিছু ভেবে বলেন-কেন? কেন? আপনি একথা কেন বলছেন মহারাজ?

    আমি মহারাজ নই, আমি এই সৃষ্টির মধ্যে এককণা ধুলি।-কিন্তু আপনি বােধহয় এগার লক্ষ টাকার সম্পত্তির অহংকারে নিজেকে ভগবানের চেয়েও বড় বলে মনে করেন। তাই ওখানেই দাঁড়িয়ে আছেন, নেমে আসতে পারছেন না।

    সেই মুহূর্তে সিঁড়ি ধরে নেমে যান জগদীশবাবু।-আমার অপরাধ হয়েছে। আপনি রাগ করবেন না।

    আগন্তুক আবার হাসেন–আমি বিরাগী, রাগ নামে কোন রিপু আমার নেই। ছিল একদিন, সেটা পূর্বজন্মের কথা।
    জগদীশবাবু- বলুন, এখন আপনাকে কিভাবে সেবা করবাে?
    বিরাগী বলেন-ঠাণ্ডা জল চাই, আর কিছু চাই না।

    ঠাণ্ডা জল খেয়ে নিয়ে হাঁপ ছাড়েন বিরাগী। এদিকে ভবতােষ আমার কানের কাছে ফিসফিস করে।-না না, হরিদা নয়। হতেই পারে না। অসম্ভব! হরিদার গলার স্বর এরকমেরই নয়।

    বিরাগী বলেন–পরম সুখ কাকে বলে জানেন? সব সুখের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে যাওয়া!
    ভবতোষ কানের কাছে মুখ এগিয়ে দিয়ে অনাদি বলে-শুনছে তাে? এসব ভাষা কি হরিদার মুখের ভাষা হতে পারে?

    জগদীশবাবু ততক্ষণে সিঁড়ির উপর বসে পড়েছেন । বোধহয় বিরাগীর পা স্পর্শ করার জন্যে তার হাত দুটো ছটফট করতে শুরু করেছে। জগদীশবাবু বলেন আমার এখানে কয়েকটা দিন থাকুন বিরাগীজী। আপনার কাছে এটা আমার প্রাণের অনুরােধ। দুই হাত জোড় করে বিরাগীর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন জগদীশবাবু। |
    বিরাগী হাসেন- বাইরে খােলা আকাশ থাকতে আর ধরিত্রীর মাটিতে স্থান থাকতে, আমি এক বিষয়ীর দালান বাড়ির ঘরে থাকবাে কেন, বলতে পারেন?

    –বিরাগীজী! জগদীশবাবুর গলার স্বরের আবেদন করুণ হয়ে ছলছল করে।
    বিরাগী বলেন-না, আপনার এখানে জল খেয়েছি, এই যথেষ্ট। পরমাত্মা আপনার কল্যাণ করুন। কিন্তু আপনার এখানে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
    জগদীশবাবু–তবে অন্তত একটু কিছু আজ্ঞা করুন, যদি আপনাকে কোন…।
    বিরাগীনা না, আমি যার কাছে পড়ে আছি, তিনি আপনার চেয়ে কিছু কম নয়। কাজেই আপনার কাছে আমার তাে কিছু চাইবার দরকার হয় না।
    জগদীশবাবু–তবে কিছু উপদেশ শুনিয়ে যান বিরাগী, নইলে আমি শান্তি পাবাে না।
    বিরাগী-ধন জন যৌবন কিছুই নয় জগদীশবাবু। ওসব হলাে সুন্দর সুন্দর এক-একটি বঞ্চনা। মন-প্রাণের সব আকাক্ষা নিয়ে শুধু সেই একজনের আপন হতে চেষ্টা করুন, যাকে পেলে এই সৃষ্টির সব ঐশ্বর্য পাওয়া হয়ে যায়।..আচ্ছা আমি চলি।
    জগদীশবাবু বলেন—আপনি একটা মিনিট থাকুন বিরাগীজী। সিড়ির উপরে অচঞ্চল হয়ে একটা মিনিট দাঁড়িয়ে রইলেন বিরাগী। আজকের চাঁদের আলাের চেয়েও মিন্ধ হয়ে অদ্ভুত এক জ্যোৎস্না যেন বিরাগীর চোখ থেকে ঝরে পড়ছে। ভবতােষ ফিসফিস করে-না না, ওই চোখ কী হরিদার চোখ হতে পারে? অসম্ভব।

    জগদীশবাবুর হাতে একটা থলি। থলির ভিতরে নােটের তাড়া। বিরাগীর পায়ের কাছে থলিটাকে রেখে দিয়ে ব্যাকুল স্বরে প্রার্থনা করেন জগদীশবাবু-এই প্রণামী, এই সামান্য। একশাে এক টাকা গ্রহণ করে আমাকে শান্তি দান করুন বিরাগীজী। আপনার তীর্থ ভ্রমণের জন্য এই টাকা আমি দিলাম।

    বিবাগী হাসেন–আমার বুকের ভিতরেই যে সব তীর্থ। ভ্রমণ করে দেখবার তাে কোন দরকার হয় না।
    জগদীশবাবু-আমার অনুরােধ বিরাগীজী…।
    বিরাগী বলেন-আমি যেমন অনায়াসে ধুলাে মাড়িয়ে চলে যেতে পারি, তেমনই অনায়াসে সােনাও মাড়িয়ে চলে যেতে পারি।
    বলতে বলতে সিঁড়ি থেকে নেমে গেলেন বিরাগী। একশাে এক টাকার থলিটা সিঁড়ির উপরেই পড়ে রইল। সেদিকে ভুলেও একবার তাকালেন না বিরাগী।

    ৩

    -কি করছেন হরিদা? কি হলাে? কই? আজ যে বলেছিলেন জবর খেলা দেখাবেন, সে কথা কি ভুলেই গেলেন। আজকের সন্ধ্যাটা ঘরে বসেই কাটিয়ে দিলেন কেন?

    বলতে বলতে আমরা সবাই হরিদার ঘরের ভিতরে ঢুকলাম
    হরিদার উনানের আগুন তখন বেশ গনগনে হয়ে জ্বলছে। উনানের উপর হাঁড়িতে চাল ফুটছে। আর, একটা বিড়ি ধরিয়ে নিয়ে হরিদা চুপ করে বসে আছেন। আমাদের দেখতে পেয়েই লজ্জিতভাবে হাসলেন।
    -কি আশ্চর্য! চমকে ওঠে ভবতোষ।–হরিদা, আপনি তাহলে সত্যিই বের হয়েছিলেন। আপনিই বিরাগী?
    হরিদা হাসেন-না রে ভাই।
    ওই তাে সেই সাদা উত্তরীয়টা পড়ে রয়েছে মাদুরের উপর, আর সেই ঝােলাটা আর সেই গীতা।

    অনাদি বলে—এটা কি কাণ্ড করলেন, হরিদা? জগদীশবাবু তাে পাঁচশাে টাকা সাধলেন, অথচ আপনি একেবারে খাঁটি সন্ন্যাসীর মতাে সব তুচ্ছ করে সরে পড়লেন ?

    হরিদা–কি করবাে বল? ইচ্ছেই হলাে না। শত হোক…। ভবতােষ কি?

    হরিদা-শত হোক, একজন বিরাগী সন্ন্যাসী হয়ে টাকা-ফাকা কি করে স্পর্শ করি বল?
    তাতে যে আমার ঢং নষ্ট হয়ে যায়। |
    কী অদ্ভুত কথা বললেন হরিদা! হরিদার একথার সঙ্গে তর্ক চলে না। আর, বুঝতে অসুবিধে নেই, হরিদার জীবনের ভাতের হাঁড়ি মাঝে মাঝে শুধু জল ফুটিয়েই সারা হবে। অদৃষ্ট কখনও হরিদার এই ভুল ক্ষমা করবে না।
    অনাদি বলে- কিন্তু আপনি কি জগদীশবাধুর কাছে গিয়ে আর কখনও…।
    চেঁচিয়ে হেসে ওঠেন হরিদা-যা বই তাে। না গিয়ে উপায় কি ? গিয়ে অন্তত বকশিশটা তাে দাবি করতে হবে?

    বকশিশ? চেঁচিয়ে ওঠে ভবতােষ। সেটা তাে বড়জোর আট আনা কিংবা দশ আনা। | হরিদা বিড়ি মুখে দিয়ে লজ্জিতভাবে হাসেন-কি আর করা যাবে বলাে? খাটি মানুষ তাে নয়, এই বছরূপীর জীবন এর চেয়ে বেশি কি আশা করতে পারে?

    See less
      • 1
  • 1
  • 18,663
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান | aster biruddhe gan

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 9, 2020 at 11:38 pm

    অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান (aster biruddhe gan kobita) জয় গোস্বামী অস্ত্র ফ্যালো, অস্ত্র রাখো পায়ে আমি এখন হাজার হাতে পায়ে এগিয়ে আসি , উঠে দাড়াই হাত নাড়িয়ে বুলেট তাড়াই গানের বর্ম আজ পরেছি গায়ে গান তো জানি একটা দুটো আঁকড়ে ধরে সে-খরকুটো রক্ত মুছি শুধু গানের গায়ে মাথায় কত শকুন বা চিল আমার শুধু একটRead more

    অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান (aster biruddhe gan kobita)

    জয় গোস্বামী

    অস্ত্র ফ্যালো, অস্ত্র রাখো পায়ে

    আমি এখন হাজার হাতে পায়ে

    এগিয়ে আসি , উঠে দাড়াই

    হাত নাড়িয়ে বুলেট তাড়াই

    গানের বর্ম আজ পরেছি গায়ে

    গান তো জানি একটা দুটো

    আঁকড়ে ধরে সে-খরকুটো

    রক্ত মুছি শুধু গানের গায়ে

    মাথায় কত শকুন বা চিল

    আমার শুধু একটা কোকিল

    গান-বাঁধবে সহস্র উপায়ে

    অস্ত্র রাখো অস্ত্র ফ্যালো পায়ে

    বর্ম খুলে দেখো আদুরে গায়ে

    গান দাঁড়াল ঋষি বালক

    মাথায় গোঁজা ময়ূর পালক

    তোমায় নিয়ে বেড়াবে গান

    নদীতে , দেশে গায়ে

    অস্ত্র ফ্যালো, অস্ত্র রাখো গানের দুটি পায়ে

    See less
      • 0
  • 1
  • 2,444
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

ক্রমানুযায়ী পদ পরিবর্তন তালিকা | Pod Poriborton in Bengali list

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on April 3, 2020 at 6:16 am

    বিশেষ্য  –   বিশেষণ অ অনুগ্রহ = অনুগৃহীত অধ্যাত্ম = আধ্যাত্মিক অনুভব = অনুভূত অন্তর = আন্তরিক অবসাদ = অবসন্ন অভিষেক = অভিষিক্ত অবসর = অবসৃত অক্ষর = আক্ষরিক অংশ = আংশিক অর্থনীতি = অর্থনৈতিক অবধান = অবধেয় অনুবাদ = অনূদিত অপসরণ = অপসৃত অনুষ্ঠান = অনুষ্ঠিত আ আলােচনা = আলােচিত আরম্ভ = আরব্ধ আশ্রয় = আশ্Read more

    বিশেষ্য  –   বিশেষণ

    অ

    অনুগ্রহ = অনুগৃহীত
    অধ্যাত্ম = আধ্যাত্মিক
    অনুভব = অনুভূত
    অন্তর = আন্তরিক
    অবসাদ = অবসন্ন
    অভিষেক = অভিষিক্ত
    অবসর = অবসৃত
    অক্ষর = আক্ষরিক
    অংশ = আংশিক
    অর্থনীতি = অর্থনৈতিক
    অবধান = অবধেয়
    অনুবাদ = অনূদিত
    অপসরণ = অপসৃত
    অনুষ্ঠান = অনুষ্ঠিত

    আ

    আলােচনা = আলােচিত
    আরম্ভ = আরব্ধ
    আশ্রয় = আশ্রিত
    আহ্বান =আহূত
    আসন = আসীন
    আদি = আদিম
    আদর = আদুরে
    আদেশ = আদিষ্ট
    আঘাত = আহত
    আলস্য = অলস
    আহার = আহার্য
    আহার = আহার্য
    আকর্ষণ = আকৃষ্ট
    আশ্বাস = আশ্বস্ত

    ই

    ইচ্ছা = ইষ্ট/ঐচ্ছিক
    ইহৎ = ঐহিক
    ইতিহাস = ঐতিহাসিক
    ঈশ্বর = ঐশ্বরিক
    ইন্দ্রজাল = ঐন্দ্রজালিক
    ইতরামি = ইতর
    ঈশ =ঐশ/ঐশিক

    ঈ
    ইপ্সা =ঈপ্সিত
    ঈর্ষা = ঈর্ষনীয়

    উ

    উদ্ভাবন = উদ্ভাবিত
    উৎসাহ = উৎসাহিত
    উৎকর্ষ = উৎকৃষ্ট
    উল্লাস = উল্লসিত
    উপলব্ধি = উপলব্ধ
    উদয় = উদিত
    উদ্ধার = উদ্ধৃত
    উপকার = উপকৃত
    উদর = ঔদরিক
    উপদ্রব = উপদ্রুত
    উত্তরণ = উত্তীর্ণ
    উচ্চারণ = উচ্চারিত
    উত্থাপন = উত্থাপিত
    উন্নয়ন = উন্নীত
    উল্লেখ = উল্লিখিত
    উদ্ভব = উদ্ভূত

    ক

    কাজ = কেজো
    কুল = কুলীন
    ক্রোধ = ক্রুদ্ধ
    ক্ষয় = ক্ষীন।
    কর্ষণ = কর্ষিত
    কারুণ্য = করুণ
    ক্ষীণতা = ক্ষীণ

    গ

    গমন = গম্যি
    গুরুত্ব = গুরু
    গৃহস্থ = গার্হস্থ্য
    গ্রহণ = গৃহীত
    গ্রহণ =গৃহীত
    গ্রাম = গ্রাম্য/গ্রামীন
    গিরি = গৈরিক
    গাছ = গেছাে
    গাম্ভীর্য = গম্ভীর
    গুণক = গুণী

    ঘ

    ঘাত = ঘাতক
    ঘর = ঘরােয়া
    ঘােষণা = ঘােষিত
    ঘুম = ঘুমন্ত
    ঘনত্ব = ঘন
    ঘর = ঘরোয়া
    ঘাট = ঘেটো

    চ

    চাপল্য = চপল
    চরিত্র = চারিত্রিক
    চাঞ্চল্য = চঞ্চল
    চাতুর্য = চতুর
    চিত্র = চিত্রিত
    চুরি = চৌর্য

    জ

    জন্তু = জান্তব
    জীবন = জীবন্ত
    জ্ঞান = জ্ঞানী
    জল = জলীয়
    জন্ম = জাত
    জাত = জাতক
    জাতি = জাতীয়
    জরা = জীর্ণ
    জীবন = জীবিত/জীবন্ত
    জগৎ = জাগতিক

    ত

    তারুণ্য = তরুণ
    তারল্য = তরল
    ত্যাগ = ত্যক্ত,ত্যাজ্য
    তালু = তালব্য
    তিরস্কার = তিরস্কার
    তেজ = তেজী,তেজস্বী
    তর্ক = তার্কিক,তর্কিত
    তিরােধান = তিরােহিত
    তুলনা = তুলনীয়/তুল্য
    তেল = তৈলাক্ত
    ত্বরা = ত্বরান্বিত
    তত্ব = তাত্ত্বিক
    তর্ক = তার্কিক
    তন্ত্র =তান্ত্রিক
    তাপ = তপ্ত

    দ

    দেহ = দৈহিক
    দ্যোতনা = দ্যোতিত
    দৃষ্টি = দৃষ্ট
    দর্শন = দার্শনিক
    দীনতা = দীন
    দীপ্তি = দীপ্ত
    দৈর্ঘ্য = দীর্ঘ
    দারিদ্র্য = দরিদ্র
    দর্প = দৃপ্ত।
    দম্পতি = দাম্পত্য
    দায়/দায়িত্ব =দায়ী
    দাগ = দাগী
    দয়া = দয়ালু
    দ্বন্দ্ব = দ্বান্দ্বিক
    দক্ষিন = দক্ষিনা
    দোষ = দুষ্ট
    দূষণ = দূষিত
    দান = দাতা/দত্ত
    দানব = দানবীয়

    ধ

    ধর্মক = ধার্মিক
    ধারণ = ধৃত
    ধাতু = ধাতব
    ধর্ম = ধর্মীয়,ধার্মিক
    ধ্যান = ধ্যেয়
    ধান = ধেনো
    ধূর্ত = ধূর্তামি

    ন

    নিমন্ত্রণ = নিমন্ত্রিত
    নিন্দা = নিন্দিত
    নিয়ােগ = নিযুক্ত
    নিষেধ = নিষিদ্ধ
    নৈকট্য = নিকট
    নির্মাণ = নির্মিত
    ন্যাকামি = ন্যাকা
    নিসর্গ = নৈসর্গিক
    নির্ধারণ = নির্ধারিত
    নীল = নীলাভ
    নাটক = নাটকীয়
    নির্মলতা = নির্মল
    নিশা = নৈশ

    প

    প্রয়ান = প্রয়াত
    প্রবেশ = প্রবিষ্ট
    প্রত্যহ = প্রাত্যহিক
    প্রথম = প্রাথমিক
    প্রদেশ = প্রাদেশিক
    পশ্চিম = পশ্চিমি
    পান = পানীয়
    পাঠ = পাঠ্য
    পিতা = পৈতৃক
    পৃথিবী = পার্থিব
    প্রকাশ = প্রকাশিত
    প্রকৃতি = প্রাকৃতিক
    পূর্তি = পূর্ণ
    প্রণাম = প্রণত
    পরিধান = পরিহিত
    পরীক্ষা = পরীক্ষিত
    পশ্চাৎ = পাশ্চাত্য
    পাথর = পাথুরে
    পর্বত = পার্বত্য
    প্রাণ = প্রাণময়
    প্রহার = প্রহৃত
    প্রতিযােগিতা = প্রতিযােগী
    প্রাচুর্য = প্রচুর
    প্রশ্ন = পৃষ্ট
    প্রেরণ = প্রেরিত
    প্রাচী = প্রাচ্য
    প্রীতি = প্রীত
    প্রতিঘাত = প্রতিহত
    প্রতিক্ষা = প্রতীক্ষিত
    পরিত্যাগ = পরিত্যক্ত
    পরিনাম =পরিণত
    পীড়া = পীড়িত
    পুরান = পৌরাণিক
    পূজা = পূজ্য
    প্রবন্ধ = প্রাবন্ধিক
    পাঠ = পাঠ্য
    প্রচার = প্রচারিত

    ব

    বিদ্যুৎ = বৈদ্যুতিক
    ব্যাঘাত = ব্যাহত
    বিশেষ = বিশিষ্ট
    বিস্মরণ = বিস্মৃত
    বিলােপ = বিলুপ্ত
    বিস্তার = বিস্তৃত
    বিপ্লব = বৈপ্লবিক
    বহন = বাহক
    বিরােধ = বিরােধী
    বিজ্ঞান = বৈজ্ঞানিক
    বিক্রয় = বিক্রিত
    বৈপরীত্য = বিপরীত
    বন্দনা = বন্দিত
    বহন = বাহিত
    বায়ু = বায়ুবীয়
    বিধান = বিহিত
    বিধি = বৈধ
    বিদ্যা = বিদ্বান
    বিশ্বাস =বিশ্বস্ত
    বিষ্ণু = বৈষ্ণব
    ব্যবহার = ব্যবহৃত
    বিপর্যয় = বিপর্যস্ত

    ভ

    ভূগােল = ভৌগলিক
    ভােজন = ভােজ্য/ভুক্ত
    ভ্রম = ভ্রান্ত
    ভােগ = ভােগ্য
    ভাব = ভাবুক
    ভারতবর্ষ = ভারতবর্ষীয়
    ভিক্ষা = ভিক্ষুক
    ভাত = ভেতাে
    ভেদ = ভিন্ন।
    ভােগ = ভােগী
    ভন্ডামি = ভন্ড
    ভূত = ভৌতিক
    ভয় = ভীত।

    ম

    মায়া = মায়াবী
    মনীষা = মনীষী
    মুখ = মৌখিক
    মননানয়ন = মনােনীত
    মূল = মৌল
    মৌন = মৌনী
    মঙ্গল = মাঙ্গলিক
    মাত্রা = মাত্রিক
    মৃত্যু = মৃত
    মাংস = মাংসল
    মেঘ = মেঘলা

    য

    যুক্তি = যৌক্তিক
    যৌগ = যৌগিক
    যজ্ঞ = যাজ্ঞিক

    See less
      • -1
  • 1
  • 4,991
  • 0
Answer
In: শিক্ষা

Bengali essay on netaji subhash chandra bose | নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু

  1. Hridoy
    Hridoy
    Added an answer on January 9, 2020 at 11:11 pm

    নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু ভূমিকা : ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনে একক শক্তি ও সাংগঠনিক ক্ষমতায় যিনি ব্রিটিশ রাজশক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়ে স্বাধীনতার সূর্যোদয় ঘটিয়ে ছিলেন তার নাম নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু। রাজ শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে বিনীত আবেদন-নিবেদন পন্থায় বিশ্বাসী ছিলেন না সুভাষ। বাহুবলেRead more

    নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু

    ভূমিকা : ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনে একক শক্তি ও সাংগঠনিক
    ক্ষমতায় যিনি ব্রিটিশ রাজশক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়ে স্বাধীনতার সূর্যোদয়
    ঘটিয়ে ছিলেন তার নাম নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু। রাজ শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে বিনীত
    আবেদন-নিবেদন পন্থায় বিশ্বাসী ছিলেন না সুভাষ। বাহুবলে ভারতবাসীর জন্য
    স্বাধীনতার সূর্য উদয়ে তিনি ছিলেন দৃঢ় সংকল্প। শেষ পর্যন্ত যে তিনি সফল হননি সেটা
    রাজনীতির কুটচাল। তবে স্বদেশের মাটিতে উত্তোলন করেছিলেন স্বাধীনতার পতাকা।
    তাই তাে আজও স্বদেশ বাসীর কণ্ঠে উচ্চারিত ধ্বনি : জয়তু নেতাজী।

    জন্ম ও বাল্যজীবন : ১৮৯৭ সালের ২৩ শে জানুয়ারি ওড়িয্যার কটক
    শহরে জন্মগ্রহণ করেন।তার পৈত্রিক নিবাস ছিল চব্বিশ পরগনা কোদালিয়া গ্রামে।
    পিতার নাম জানকী নাথ বস ও মাতা প্রভাবতী দেবী। ছাত্র জীবনে সুভাষ এক দিকে
    যেমন ছিলেন মেধাবী, তেমনি ছিলেন দুর্লভ মনোবলের অধিকারী। ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি
    প্রবেশিকা পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। অতি শৈশব থেকেই তার মানব
    সেবার পরিচয় পাওয়া যায়। পিতা-মাতাকে লকিয়ে তিনি সঙ্গীদের সঙ্গে আর্ত-পীড়িত
    রোগীদের সেবা-শুভশ্রী যা করতেন।

    ছাত্র জীবনের বলিষ্ঠতা : ছাত্র জীবনেই তিনি সংকল্প গ্রহণ করেছিলেন –
    মাতৃভূমির বন্ধন মোচন ও আর্তমানবতার সেবায় নিজের জীবনকে উৎসর্গ করার।এ
    কারণেই প্রেসিডেন্সি কলেজে বি. এ. পড়ার সময়ে অধ্যাপক ওটেনের বিরুদ্ধে রুখে
    দাড়িয়ে তিনি নিজ ভবিষ্যৎকে নষ্ট করেন। আর আই সি এস-এর লােভনীয় চাকুরি
    হেলায় ত্যাগ করে রাজনৈতিক নেতা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। বেছে
    নেন দুঃখ, দারিদ্র ও নির্যাতনের এক অনিশ্চিত জীবন।

    স্বাধীনতা সংগ্রাম জীবনের ব্রত : ভারতের ইতিহাসে রাজনৈতিক সুভাষ
    এক সফল ও বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। বঙ্গীয় প্রাদেশিক কলেজ, বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস
    কমিটি, দেশবন্ধুর স্বরাজ দল ও ফরওয়ার্ড পত্রিকা পরিচালনা ও সংগঠনে তিনি
    বিস্ময়কর সাফল্যের নজির রেখেছিলেন। তার কাছে রাজনীতি ও দেশসেবা ছিল ঈশ্বর
    সেবারই নামান্তর। বিভিন্ন জায়গায় বারংবার তিনি বলেছেন যে “এই আদর্শই আমার।
    জীবনের জপ-তপ ও স্বাধ্যায়।”

    নরম পন্থীদের সঙ্গে মতানৈক্য ও নিজ পথে সংগ্রাম : চরম পন্থী এই
    যুবনেতা সুভাষচন্দ্রের কাম্য ছিল ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ মুক্ত পূর্ণ স্বাধীনতা। এই মতাদর্শ নিয়ে
    জাতীয় কংগ্রেসের প্রবীণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর বিবাদ বাধে। অপর পক্ষে, সরকারের।
    চোখেও তিনি বিপজ্জনক ব্যক্তি হিসাবে চিহ্নিত হন। ব্রিটিশ সরকার তাকে গৃহবন্দি
    করে রাখে। কিন্তু সদা সতর্ক-পুলিশের চোখে ধূলি দিয়ে তিনি ছদ্মবেশে বিপদজনক
    দুস্তর পথ পাড়ি দিয়ে ব্রিটিশ শত্রুদেশে জার্মানিতে এসে উপস্থিত হন। ভারত মাতার
    মুক্তির জন্য জার্মান রাষ্ট্রনায়ক হিটলার তাকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন। বিপ্লবী রাসবিহারী
    বসুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিপদ সঙ্কুল সমুদ্র পথে পাড়ি দিয়ে জার্মানী থেকে জাপানে
    এসে উপস্থিত হন। সেখানে আজাদ হিন্দ বাহিনী গঠন করে ব্রিটিশ ভারতের বিরুদ্ধে
    সম্মুখ যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। আজাদ হিন্দ বাহিনী গঠন ও তার পরিচালনা সুভাষচন্দ্রের
    জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি। আজাদী সেনাদলের কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছিল –“দিল্লি চলাে”।
    প্রেরণা তাদের নেতাজী।

    উপসংহার : নেতাজীর জীবনের রহস্যাবৃত পরিণতি দেশবাসীর মনকে
    আজও আলােড়িত করে চলেছে। তাই হাতে বিমান দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছিল
    কিনা এ প্রশ্নের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি রাশিয়ার মহাফেজখানা থেকে
    এমন কিছু তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে, যা তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে প্রচারিত তথ্যের সম্বন্ধে
    সামঞ্জস্য পূর্ণ নয়। কিন্তু এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, তার মৃত্যুঞ্জয় উপস্থিতি যুগ
    হতে যুগান্তরে মুক্তি সংগ্রামী মানুষের মনে চির ভাস্কর হয়ে থাকবে। নেতাজি সুভাষচন্দ্রের
    সাহসিক আঘাতে কম্পমান ব্রিটিশ শক্তি বুঝেছিল ভারত থেকে বিদায়ের কাল সমাগত।
    ব্রিটিশ শাসক বদান্যতার পরিচয় দিয়ে তাদের বিশ্বব্যাপী সাম্রাজ্যের কুহিনুর ভারত
    ছেড়ে চলে যায়নি। সাম্রাজ্যের নিয়তি লিপি পাঠ করেই তারা বিদায় নিয়েছে। তারপর
    থেকেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সূর্যাস্ত কাল শুরু হয়েছে। ‘Springing Tiger’ নেতাজীর
    শাণিত তরবারি সেই অন্তিম আঘাত হেনেছ।

    See less
      • 0
  • 1
  • 1,263
  • 0
Answer
Load More Questions

Sidebar

আরও দেখুন

  • কবিতা : রানার | Runner Chuteche Lyrics in Bengali
  • পাল্কীর গান (সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত) Palki Chole Poem by Satyendranath Dutta?
  • লোহার ব্যাথা (যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত) Lohar Batha Bengali Poem Lyrics?
  • বঙ্কিমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন কবিতা | Bankim Chandra Chatterjee Poems in Bengali?
  • বন্দে মাতরম (বঙ্কিমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়) Vande Mataram lyrics in Bengali?
  • কবিতা : আমরা (বাঙালি) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত | Amra Bangali by Satyendranath Dutta?
  • বাংলাদেশ কবিতা সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত সারাংশ | Bangladesh Poem by Satyendranath Dutta Summary in Bengali?
  • কবিতা : সাগর তর্পণ (সত্যেন্দ্র নাথ দত্ত) Sagar Tarpan Poem by Satyendranath Dutta in Bengali ?
  • কবিতা : হাট ( দূরে দূরে গ্রাম দশ বারোখানি) Dure Dure Gram Dash Baro Kahani Poem ?
  • কবিতা : কোন্ দেশে (সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত) Kon Deshe Poem by Satyendranath Dutta?
  • গল্প : বলাই (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Bolai Short story in Bengali by Rabindranath Tagore?
  • কবিতা : দেশলাই কাঠি (সুকান্ত ভট্টাচার্য) Deshlai kathi poem in Bengali?
  • রবীন্দ্রসংগীত : তুমি কোন কাননের ফুল | Tumi Kon Kanoner Phool lyrics in Bengali with English Translation?
  • কবিতা : পরশ পাথর (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Parash Pathar Poem by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতা : নিষ্কৃতি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Nishkriti by Rabindranath Tagore in Bengali?
  • কবিতা : ক্যামেলিয়া (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Camellia Poem by Rabindranath Tagore in Bengali lyrics?
  • কবিতা : দেবতার বিদায় (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Debotar Biday by Rabindranath Tagore?
  • কবিতা : প্রশ্ন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Proshno Kobita Rabindranath Tagore in Bengali?
  • অভিসার (সন্ন্যাসী উপগুপ্ত) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Upagupta Poem lyrics in Bengali and English?
  • কবিতা : মূল্যপ্রাপ্তি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) Mulya Prapti Poem in Bengali?
Join us on Telegram
Join our FaceBook Group

বিষয়

All Bangla Paragraph (105) Apurba Dutta Poems (4) Bangla application format (11) Bangla Choto Golpo (7) Bangla dorkhasto lekha (11) Bangla gazal lyrics (8) Bangla GK (177) Bangla Kobita (203) Bangla Rachana (105) baul gaan lyrics (6) baul song lyrics (6) Bengali antonyms (40) Bengali Essay (105) Bengali letter Writing (11) Bengali lullaby lyrics (3) bengali lyrics (82) Bengali Meaning (259) bengali poem (14) Bengali Poems (124) Bengali Poem Summary (21) Bengali Rachana (99) Bengali short story (7) bengali song lyrics (98) bengali song lyrics in bengali (98) Bengali synonyms (33) chandrabindu lyrics (2) English grammar in Bengali (6) English to Bengali Meaning (270) English to Bengali Translation (256) Essay (75) Full form (14) general knowledge bengali (7) indian history in bengali (9) Joy Goswami kobita (4) kazi nazrul islamer kobita (8) Kobita (143) lyrics (17) Myth (3) nirendranath chakraborty poem (5) Nirmalendu Goon Poems (6) Paragraph (20) Parts of speech in Bengali (6) Pod Poriborton (39) Poem (3) poem summary in bengali (21) rabindranath tagore poems (57) Rabindra Sangeet lyrics (5) shakti chattopadhyay poems (7) Social Science (6) Somarthok Shobdo (33) Somas Bangla Grammar (15) sukanta bhattacharya kobita (4) Sukumar Roy Poem (16) Summary (8) অনুচ্ছেদ (127) অপূর্ব দত্তের কবিতা (4) আধ্যাত্মিক (10) ইংরেজি অনুবাদ (6) ইংরেজি থেকে বাংলা (6) ইংলিশ বাংলা অনুবাদ (6) ইন্টারনেট (1) ইসলাম (18) ইসলাম ধর্মীয় প্রশ্ন উত্তর (18) ইসলামী নাত ও গজল (8) ইসলামী সংগীত লিরিক্স (8) কবিতা (26) কবিতার সারাংশ ও সারমর্ম (21) কাজী নজরুল ইসলাম (8) কুসংস্কার (3) গানের কথা (14) ঘুম পাড়ানি গান lyrics (3) ছোটগল্প (7) জয় গোস্বামী (4) জয় গোস্বামীর কবিতা (4) জেনারেল নলেজ (7) জেনারেল নলেজ প্রশ্ন ও উত্তর (39) নির্মলেন্দু গুণের কবিতা (6) নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কবিতা (5) পদ পরিবর্তন (39) পূর্ণরূপ (14) প্রকৃতি (17) প্রক্রিতি (23) ফলমূল (28) ফুল ফর্ম (14) বাংলা general knowledge (52) বাংলা অর্থ (275) বাংলা আবেদন পত্র (11) বাংলা কবিতা (219) বাংলা কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (68) বাংলা গান লিরিক্স (97) বাংলা গানের লিরিক্স (98) বাংলা ছোট গল্প (7) বাংলা দরখাস্ত নমুনা (11) বাংলা প্রবন্ধ (97) বাংলা বাক্য রচনা (176) বাংলা বিপরীত শব্দ (40) বাংলা রচনা (127) বাউল গান লিরিক্স (6) বাক্য রচনা (176) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (1) বিজ্ঞান শিক্ষা (17) বিপরীত শব্দ (40) বোঝাপড়া কবিতা (3) ব্যাখ্যা (8) ভক্তিভাজন (10) ভারতের ইতিহাস (9) ভূগোল (5) মধ্যযুগের ভারতের ইতিহাস (9) মূলভাব (8) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (34) রবীন্দ্রসংগীত (1) রবীন্দ্র সংগীত লিরিক্স (5) লিরিক্স (17) শক্তি চট্টোপাধ্যায় kobita (7) শঙ্খ ঘোষ (8) শুভ দাশগুপ্ত (7) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (5) সন্ধি বিচ্ছেদ (8) সন্ধি বিচ্ছেদ ব্যবহার (8) সমাজ বিজ্ঞান (6) সমার্থক শব্দ (33) সমাস (15) সারাংশ (8) সুকান্তের কবিতা (4) সুকুমার রায় (16)

Footer

© 2025 Bengali Forum · All rights reserved. Contact Us

Add Bengali Forum to your Homescreen!

Add